ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট
জাহাঙ্গীর আলম জাহান
ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ এগুলো বিশেষ্যবাচক শব্দ। এ সকল শব্দের সাথে 'কার' প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দগুলো আরও তাৎপর্যময় হয়ে ওঠে। যেমন ছড়াকার, গল্পকার, প্রবন্ধকার, গীতিকার, সুরকার, পালাকার, স্বর্ণকার, মণিকার ইত্যাদি। বাংলা একাডেমির ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে 'কার' শব্দের নানাবিধ অর্থ দেখানো হয়েছে। 'শিল্পী' 'রচয়িতা' 'নির্মাতা' অর্থেও 'কার' শব্দের ব্যবহার সঠিক। সাহিত্য-নির্ভর সৃজনশীল লেখক মাত্রেই শিল্পী, নির্মাতা বা রচয়িতা। লেখালেখির ক্ষেত্রে শিল্পিত রুচিবোধ যেমন থাকতে হয়, তেমনি শব্দ ও বাক্যের সুবিন্যস্ত প্রয়োগে সাহিত্য নির্মাণের কৌশলও জানা থাকা আবশ্যক। অর্থাৎ সৃজনশীল লেখক শুধু রচয়িতাই নন, তিনি একজন নির্মাতাও। নির্মাণের প্রকৌশল যিনি যত ভালো রপ্ত করতে পারেন সাহিত্যক্ষেত্রে তিনি তত ভালো নির্মাতা, রচয়িতা বা শিল্পী। লিখতে লিখতে নির্মাতার স্তরে উন্নীত হলেই পাঠকেরা সেই লেখকের পরিচয়সত্তার সাথে 'কার' শব্দটি প্রযুক্ত করে দেন। অর্থাৎ একজন ভালো ছড়া রচয়িতাকে 'ছড়াকার' ভালো গল্প লেখককে 'গল্পকার' এবং ভালো প্রাবন্ধিককে 'প্রবন্ধকার' আখ্যা দেন। লেখকসত্তার সাথে 'কার' প্রত্যয় যুক্ত হওয়া লজ্জা বা গ্লানির কোনো বিষয় নয়; বরং এই প্রত্যয়ই একজন লেখককে উচ্চতার পর্যায়ে আসীন করে।
সাহিত্যের বিশাল অঙ্গনে কে কোন্ পরিচয়ে আদৃত হবেন সেটি নির্ধারিত হয় পাঠকের বিবেচনায়। পাঠকই ভালো জানেন কাকে কোন্ অভিধায় ভূষিত করতে হবে। লেখকের পরিচয় নির্ধারণে রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠান আছে বলে আমাদের জানা নেই। তবে বিশেষ এক শ্রেণির লেখক আছেন যাদের লেখালেখি জীবিকা-নির্ভর। অর্থাৎ লিখেই তারা জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। এ জাতীয় লেখককে সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে তবেই লেখক-পেশায় নামতে হয়। এই একটি ক্ষেত্র বাদে আর কোনো লেখককে লাইসেন্স নিয়ে 'লেখক-স্বীকৃতি' নিতে হয় বলে আমরা জানি না। লিখে লিখে এ জাতীয় লেখকের অনেকেই বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন বটে, তবে সৃজনশীল লেখকের মর্যাদায় উন্নীত হবার মতো যোগ্যতা বা দক্ষতা এ জাতীয় লেখকের নেই। সমাজে এরা একবাক্যে দলিললেখক নামে পরিচিত। সারাজীবনে হাজার হাজার দলিল লিখলেও এদেরকে কখনোই 'দলিল-সাহিত্যিক' বলার সুযোগ নেই। কারণ দলিলে যা লেখা হয় তা দুই পক্ষের পারস্পরিক চুক্তিপত্র ছাড়া অন্য কিছুই নয়। এর মধ্যে সাহিত্য খোঁজার কোনো মানে নেই। সুতরাং সাহিত্যের মতো সৃজনশীল অঙ্গনে যারা কাজ করেন তারা মোটা দাগে লেখক হলেও এদেরকে নিছক 'লেখক' অভিধা দেওয়া সঙ্গত হবে না। কিন্তু ইদানিং 'লেখক' শব্দের চাতুর্যপূর্ণ প্রয়োগের মাধ্যমে অনেকেই সাহিত্য-কর্মীর পরিচয়-সঙ্কট তৈরির তালে আছেন। এদের উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট নয়। সাহিত্যিকের পরিচয়কে লেখক পরিচয়ের ক্ষুদ্রায়তনে বন্দি করলে কী এমন সুবিধা সেটিও পরিষ্কার নয় অনেকের কাছে। তবুও এরা ছড়াকার বা ছড়াশিল্পীকে কেন যে নিছক ছড়ালেখক বানাতে উঠে-পড়ে লেগেছেন সেটি খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। মনে রাখা প্রয়োজন যে, বাংলা সাহিত্যের এ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কবি আবু হাসান শাহরিয়ার ছড়া রচয়িতাকে 'ছড়াকবি' নামে সম্মানিত করেন। এটি তাঁর মানবিক বিশালতারই পরিচয়।
মনে রাখতে হবে সাহিত্য একটি সামষ্টিক শব্দ। শব্দটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে চোখের সামনে শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থিতি ভেসে ওঠে। এ কারণে সাহিত্যকে পত্র-পল্লব শোভিত একটি বৃক্ষের সাথে তুলনা করা যায়। বৃক্ষের যেমন অজস্র ডালপালা, সাহিত্যেরও তেমনি অনেক শাখা-প্রশাখা। ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ এ-রকম অনেক শাখায় বিভক্ত সাহিত্যের বিশাল অঙ্গন। এই বিশালতার একীভূত রূপকে আমরা সাহিত্য বলি। অর্থাৎ অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সামষ্টিক রূপ হচ্ছে সাহিত্য। সাহিত্যের সকল শাখায় যারা বিচরণ করেন অর্থাৎ সকল বিষয়েই কম-বেশি লেখালেখি করেন তাদেরকে বলা হয় সব্যসাচী লেখক। উভয় হাতে সমানভাবে যিনি কাজ করতে দক্ষ তাকে বলা হয় সব্যসাচী। মহাভারতে বর্ণিত পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম পাণ্ডব অর্জুন ছিলেন এ-রকম একজন সব্যসাচী যোদ্ধা। কারণ তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে দু'হাতে সমানভাবে শর চালনায় পারদর্শী ছিলেন। মহাভারতের এই পৌরাণিক ধারণা থেকেই আমাদের সাহিত্যে সব্যসাচী শব্দটি প্রযুক্ত হয়েছে। অন্যদিকে একই লেখক যখন সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করেন তখন তাকে বলা হয় বহুমাত্রিক লেখক। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমনটিও দেখা যায়- একজন লেখক অনেক বিষয়ে লিখলেও তার লেখালেখির মূল পরিচয় একটি অঙ্গনেই প্রাধান্য বিস্তার করে। আল মাহমুদের মূল পরিচয় 'কবি' হলেও গদ্য রচনায় তিনি একজন পরিপক্ব মানুষ। তার বেশকিছু উপন্যাস এবং প্রবন্ধ ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তা সত্তে¡ও তিনি পাঠক-সমাজে 'কবি' নামেই খ্যাত। কবি শামসুর রাহমান, কবি নির্মলেন্দু গুণ থেকে শুরু করে এ-রকম অনেক খ্যাতিমান কবির নাম বলা যাবে যারা গদ্য রচনায়ও সাফল্য দেখিয়েছেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিংবা আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সাহিত্যের সব শাখায় বিচরণ করলেও তাঁদের মুল পরিচয় কিন্তু 'কবি'। বাংলা সাহিত্যের এই মহীরুহ ব্যক্তিরা পাঠক-হৃদয়ে 'কবি'র পরিচয়েই খ্যাতিমান হয়ে আছেন। সাহিত্যের যে অঙ্গনে যিনি যত বেশি কাজ করেন সে অঙ্গনেই তার পরিচিতির বলয় তত বেশি বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ইদানিং কেউ কেউ ছড়াকার বা ছড়াশিল্পীকে 'ছড়ালেখক' বানাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কী উদ্দেশ্যে এরা এমনটি করছেন তা স্পষ্ট নয়। এদের আরোপিত সূত্র অনুসরণ করলে সাহিত্যের অন্যান্য মাধ্যমে যারা কাজ করেন তাদের পরিচয়ও নতুন করে নির্ধারণের প্রয়োজন পড়বে। অর্থাৎ কবিদের 'কবি' না বলে বলতে হবে কবিতা লেখক, কথাসাহিত্যিকের পরিচয় হবে গল্প বা উপন্যাস লেখক। সঙ্গীত ও প্রবন্ধ রচয়িতাকেও গীতিকার বা প্রবন্ধকার (অথবা প্রাবন্ধিক) না বলে বলতে হবে গান লেখক ও প্রবন্ধ লেখক। যিনি নাটক রচনা করেন তাকে আমরা নাট্যকারই বলি। কিন্তু যারা 'কার' শব্দে এলার্জি অনুভব করেন তাদের সূত্র অনুযায়ী নাট্যকার না বলে বলতে হবে 'নাট্যলেখক'। শব্দটি ভুল তা বলা যাবে না। তবে 'নাট্যকার' শব্দের মধ্যে যতটা সৌন্দর্য এবং নান্দনিকতা পাওয়া যায় 'নাট্যলেখক' শব্দে ততটাই দারিদ্র্য ফুটে ওঠে। এ কারণেই ছড়া রচয়িতাকে ছড়াকার বা ছড়াশিল্পী, গল্প রচয়িতাকে গল্পকার বা কথাসাহিত্যিক বলাই অধিকতর প্রাসঙ্গিক। ছড়ালেখক বা গল্পলেখক বললে এ দুই শিল্পের কারিগরকে এক অর্থে খাটোই করা হয়। একইভাবে 'ছড়ালেখক' শব্দবন্ধকে ভুল বা অগ্রহণযোগ্য বলা যাবে না। ছড়ালেখক শব্দের প্রতি কারো কোনো বিদ্বেষও নেই। কথা হচ্ছে এই শব্দের প্রায়োগিক ক্ষেত্র নিয়ে। কেননা ছড়ালেখক শব্দটি প্রায়োগিক ক্ষেত্রে সবসময় প্রাসঙ্গিক না-ও হতে পারে। আমাদের দেশে ছড়ার নামে মিল-সর্বস্ব পদ্য লেখার প্রবণতাই বেশি লক্ষণীয়। বাক্যের শেষে মিল দেওয়ার ক্ষেত্রেও দুর্বলতা দেখা যায়। যথাযথ অন্ত্যমিল তৈরিতেও অনেকেই অপারগ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গৎবাঁধা মিল দিয়ে ছড়া রচনার মহোৎসব চলছে। যে কারণে এসব ছড়া পাঠক-হৃদয়কে স্পর্শ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। জগাখিচুরি মার্কা অন্ত্যমিল দিয়ে বাক্য গঠন করলেই সেটি ছড়া হয়ে যায় না। ছড়ার প্যাটার্ন এখন অনেকটাই বদলে গেছে। দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের অধিকাংশ ছড়া রচয়িতাই এ খবর রাখেন না। রাখেন না বলেই তারা ছড়ায় অভিনবত্ব এবং নতুনত্ব আনতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এ জাতীয় মিল-সর্বস্ব বাক্য সাজিয়ে যারা ছড়া রচনার ঢেঁকুর তুলছেন তাদের রচনার সংখ্যা হাজারের কোটা ছাড়িয়ে গেলেও তাদেরকে 'ছড়াকার' অভিধা দেওয়া যায় না; বড়জোর মিলকার বা ছড়ালেখক বলা যেতে পারে। যিনি শব্দের পর শব্দ সাজিয়ে ছন্দ ও অন্ত্যমিলে পদ্য বা ছড়া লেখেন তার প্রাথমিক পরিচয় মিলকার বা ছড়ালেখক হওয়াই সঙ্গত। তবে নিরন্তর চর্চায় একজন মিলকার বা ছড়ালেখক যখন বিশেষ একটি স্তর অতিক্রম করে ছড়াকে আধুনিকায়নে উন্নীত করতে সক্ষম হন তখন তিনি মিলকার বা ছড়ালেখকের প্রাথমিক স্তর ডিঙিয়ে 'ছড়াকার' হয়ে ওঠেন। অর্থাৎ ছড়াকার হচ্ছে ছড়ালেখকের পরিশীলিত পরবর্তী স্তর। আবার ছড়াকার যদি অধিকতর চর্চায় ছড়াকে শিল্পের বিশেষ মর্যাদায় নিয়ে যেতে পারেন তখন তিনি ছড়াকারের স্তর থেকে একধাপ এগিয়ে হয়ে ওঠেন 'ছড়াশিল্পী'। এটি একধরনের পদোন্নতি বা অগ্রায়নেরই পুরস্কার। এই পুরস্কার অর্জনে বিনিয়োগ করতে হয় অনেক মেধা ও শ্রম। এত মেধা-শ্রমে অর্জিত সাফল্যকে নিছক 'ছড়ালেখক' শব্দের আবর্তে ফেলে খাটো করা কোনোভাবেই সঙ্গত নয়। যারা এটি করতে চান তাদের উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই সুবিবেচনাপ্রসূত নয়। এর মধ্যে একধরনের চাতুর্য এবং ছড়াকে তাচ্ছিল্য করার মানসিকতাই ফুটে ওঠে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, কাঁচা স্বর্ণের ব্যবসায়ীকে স্বর্ণকার বলা যায় না। তিনি নিছক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। স্বর্ণকার তাকেই বলা যাবে যিনি কারিগরি প্রযুক্তির মাধ্যমে ধাতব স্বর্ণকে অলঙ্কারে রূপ দেন। স্বর্ণকারের নির্মিত অলঙ্কার যখন শিল্পের সুষমায় উদ্ভাসিত হয় তখন তিনি আরও একধাপ এগিয়ে স্বর্ণশিল্পীর মর্যাদা লাভ করেন। ছড়া রচয়িতাও একইভাবে ছড়া রচনার নৈপুণ্যে ছড়ালেখক থেকে ছড়াকার তারপর আরও একধাপ এগিয়ে ছড়াশিল্পী হয়ে ওঠেন।
ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট তৈরিতে যারা অনুঘটকের ভূমিকা রাখছেন তাদের কুষ্ঠি বিচার করলে অনেক কিছুই স্পষ্ট হবে। যারা নিজের ছড়ার ব্যাপারে আস্থাহীনতায় ভোগেন অর্থাৎ ছড়ার ব্যাকরণে নিজের ছড়াটি আদৌ ছড়া হয়েছে কিনা এ-রকম সন্দেহে যারা আক্রান্ত তারাই ছড়াকারকে 'ছড়ালেখক' বানাতে তৎপর। কারণ ছড়া লিখতে লিখতে তারা ছড়ার আধুনিক প্রকরণ সম্পর্কে কিছুটা হলেও জ্ঞান আহরণ করেছেন। সেই অর্জিত জ্ঞানের জোরে তারা নিশ্চয়ই ছড়া কী এবং প্রকৃত ছড়া কাকে বলে সেটি অনুধাবন করতে সক্ষম। এই সক্ষমতাই তাদের উপলব্ধিকে সচকিত করে। যে কারণে নিজের ছড়া-চেষ্টাকে আপাত ব্যর্থ বিবেচনা করে নিজেকে যেমন ছড়াকার ভাবতে ভয় পান, তেমনি তার মতো অপরাপর ছড়া-রচয়িতাকেও ছড়াকার না ভেবে ছড়ালেখক ভাবতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তারা ভালো করেই জানেন যে, মামুলি ছড়া-রচয়িতাকে ছড়াকার বা ছড়াশিল্পী বললে প্রকৃত ছড়ার শ্লীলতাহানি ঘটার সম্ভাবনা থেকে যায়। এদিক থেকে তাদের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে এক ধরনের সততা আছে বলেই মানতে হবে।
আঙ্গিকের দিক থেকে ছড়া মনে হলেও সব ছড়া যে ছড়া নয় এটা যারা বুঝতে অপারগ তাদের কাছ থেকে আর যা-ই হোক সার্থক ছড়া কখনোই আশা করা যায় না। এই ব্যর্থদের হাতেই ছড়া বারবার চরিত্রচ্যুত হচ্ছে। এরাই ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট তৈরির মূল নিয়ামক। নিজের অক্ষমতা ঢাকার জন্যই এরা ছড়ালেখক শব্দের আড়ালে ছড়াকার ও ছড়াশিল্পীর ঔজ্জ্বল্যকে ম্লান করতে চান। ছড়া ও ছড়াকারের যুগপৎ সাফল্যই একদিন এদের এই অপকৌশলকে প্রতিহত করবে। সকল দুর্মুখের মুখে ছাই দিয়ে 'ছড়ালেখক' নামের মামুলি পরিচয় ছাপিয়ে ছড়াকার ও ছড়াশিল্পীর উত্থান ঘটবেই। ছড়াকারের পরিচয়-সঙ্কট সৃষ্টির সব অপচেষ্টা প্রতিরোধ করে প্রকৃত ছড়া রচয়িতারাই 'ছড়াকার' ও 'ছড়াশিল্পী'র পরিচয় নিয়ে টিকে থাকবেন ছড়াসাহিত্যের নির্মেঘ আকাশে।
------------------------------
জাহাঙ্গীর আলম জাহান
ছন্দায়ন (২য় তলা)
২৫১ নরসুন্দা রোড
ভূঁইয়া মসজিদ বাই-লেন
বত্রিশ, বড়বাজার এলাকা
কিশোরগঞ্জ-২৩০০
Comments
Post a Comment