দেবাশিস সাহার গুচ্ছকবিতা ১. আমার হিয়ার মাঝে... শরীর জুড়ে যাত্রাপালা, নাচ-গান, নাটক দর্শক আমি শ্রমের বিনিময়ে মঞ্চ বলতে ঘর-বারান্দা শ্রোতা বলতে আমি ও রবীন্দ্রনাথ হঠাৎ চারপাশে অজস্র রবীন্দ্রনাথ ভর করে শিল্পীর মাথায় শিল্পী বেজে ওঠে প্রকৃতির খেয়ালে আমার হিয়ার মাঝে... ............................ ২. আমায় যে সব দিতে হবে নিজের অন্তরে প্রত্যেকে ভিক্ষুক ভিক্ষার হাহাকার নিয়ে বেঁচে থাকে মানুষ প্রত্যাশার ঝুলি নিয়ে ভোর কাঁধে করে বের হয় এক - একটি রাস্তা আত্মদানে কেউ মুখর নয় এক বাউল সকাল মিথ্যে রঙের একতারা বাজিয়ে গেয়ে ওঠে আমায় যে সব দিতে হবে... ............................ ৩.যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা আকাশের চেয়ে উঁচু দু:খকে পার হতে পাখিকে শিখতে হলো উড়ান গাছেরাও শিখে নিলো বিবাহ সঙ্গীত নামগান করতে করতে উড়ে গেলো প্রজাপতি নদীর কাছে নতজানু হলো মানুষ জেগে উঠলো নদী বেজে উঠলো নদী যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা ............................ ৪. প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে রাস্...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...