বৃষ্টি আখরে লেখা চিঠি
মেঘ আসে সব আকাশেতে এলেবেলে
সাদা সাদা মেঘ আষাঢ়ে শরৎ নাকি
হেলায় দিয়েছে বৃষ্টি ঘরানা ফাঁকি
ভিজব ভেবেছি এবার বরষা এলে !
ভেবেছি ভাসাব কাগজের নাও গড়ে
কলকল জলে কইমাছ এলে উঠে
ধরে নিয়ে বাড়ি আসব লাফিয়ে ছুটে
নিষেধ না শুনে, যদিবা বাজও পড়ে।
এখনো কিশোর মনের গহীণে নাচে
এখনো দামাল হতে চায় দেখি মন
বৃষ্টি ফোঁটায় কী যেন ছন্দ আছে
ঝমঝম শুনি ঝিমঝিম সারাক্ষণ !
মৌন গাছেরা ঝিম মেরে সারাবেলা
পাখিরা নীরব ভুলে গেছে বুঝি খেলা
মাটির হাঁ-মুখে নীরব আর্তনাদ
ফসলের ক্ষেতে সকরুন সংবাদ।
প্রিয়ার চিঠি যে বইত সে মেঘ কোথা
কোথা গেল তার নবজলধর রূপ
দৌত্য করুক মানায়না এই চুপ
মরা নদীগুলি ভরা হোক খরস্রোতা ।
না হারায় পথ না হারায় যেন দিক
কালো কেশদাম নিয়ে মেঘ দিক দেখা
নামুক মেঘেরা বৃষ্টি আখরে লেখা
পড়ব চিঠিটি, ভিজব এবার ঠিক।
..................
কান্তিলাল দাস
বেলতলা লেন
(সাধুখাঁ মাঠ)
ডাক : সিঙ্গুর
জেলা : হুগলি
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।