Skip to main content

Posts

কবিতা ।। ইন্দ্র মেঘওয়াল ।। জীবনকুমার সরকার

ইন্দ্র মেঘওয়াল  জীবনকুমার সরকার    ইন্দ্র মেঘওয়াল  আরও একটি শহিদের নাম  আরও একটি কদর্য ভারতবর্ষের নাম।  হাজার হাজার বছর ধ'রে  হত্যা, লুট, ধর্ষণ করেও  মনুর সংবিধান ক্ষান্ত হয়নি।  প্রতিনিয়তই জন্মভূমিতে  আমাদের মুণ্ডুছেদন করা হচ্ছে  কাটা হচ্ছে আঙুল  পোড়ানো হচ্ছে জীবন  কেড়ে নেওয়া হচ্ছে সোনালী সূর্য, জমি-জায়গা-চাকরি  ঘরবাড়ি-বাসস্থান  আর বেঁচে থাকার সব অধিকার।  ইন্দ্র মেঘওয়াল  আরও একটি শম্বুকের নাম,  চারদিকে ভক্তরা তির-ধনুক-কাঁটাতার  আর ধারালো মনুর রশিতে  আমাদের বেঁধে ফেলছে। ওরা ভারতবর্ষটাকেই ইন্দ্র মেঘওয়াল বানাতে চায়। ইন্দ্র হত্যার বদলা চেয়ে জ্বলে উঠুক  একলব্য ভারত ================

কবিতা ।। সময় ।। দীপঙ্কর সরকার

সময়     দীপঙ্কর সরকার একটা স্বপ্নের মতো চলে গেল সময় বালখিল্য উচ্চারণ যেন পাতায় পাতায় ভোর চির জাগরুক ।  অসূয়া ক্রন্দন যেমন নীলে নীল আহত সাপের ফণা দিগ্বিদিক , শূন্যে ধূসর ছায়া আলোর অধিক । তালে বেতারে বক্ররেখা অযথা জাগায় কৌতুক । আলস্যের ঘুম ভাঙে অযাচিত মনের অসুখ ‌‌।  একটা স্বপ্নের মতো চলে যাওয়া এই সময় অজস্র ভাঙচুর ‌‌। ================     দীপঙ্কর সরকার কাঁঠাল পুলি (সিংহের হাটের কাছে) চাকদহ নদীয়া ৭৪১২২২

কবিতা ।। ভাবা যায় না ।। হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়

ভাবা যায় না হীরক বন্দ্যোপাধ্যায় দ্য রেড এ্যান্ড দ্য ব্ল্যাক...পড়েছেন ? ছাত্রীটি  জিজ্ঞেস করে তার মাস্টারমশাইকে মাস্টারমশাই ইতস্ততঃ বোধ করলে কচি কলাপাতা ছাত্রীটি বলে, আমি ইংরেজি অনুবাদ পড়েছি ....ওঃ ভাবা যায় না ... আপশোষ একটাই যদি বাংলায় অনুবাদ হোত... বৃষ্টি থেমেছে অনেকক্ষণ  জানলা দিয়ে আসছে সফেদ জ্যোৎস্না প্রফেসর একা বসে বসে ভাবছেন স্তাঁদালের অনেক উপন্যাস শুধু পড়াবার  জন্যই পড়েছেন, কিন্তু দ্য রেড এ্যন্ড দ্য ব্ল্যাক ... সত্যিই ভাবা যায় না...   *********************

কবিতা ।। জীবন ও মৃত‍্যু ।। হামিদুল ইসলাম

জীবন ও মৃত‍্যু হামিদুল ইসলাম                                 এ পথ দিয়েই গেছি বহুবার  দেখা হয়নি মৃত‍্যুর সাথে  জীবন বৈমুখ  স্বপ্নকথা সব তুলে রাখি কল্পতরু ছায়ায়       ।। মুখোশে ঢাকা শহর  ভেজা রাত  ঠাণ্ডায় জমে যাচ্ছে বরফ জল  দিগন্ত ফেরত সব কথা ভিজে যাচ্ছে ক্লান্ত শিশিরে        ।। আকাশে সাঁঝের সুবাস  আলোর রোশনাই  আমরা ভুলে যাচ্ছি অতীত  আমাদের বুকে ঝুঁকে আছে আদিম রাত। তাম্রলিপ্ত দিন     ।। পথ চলতে চলতে অসুস্থ হচ্ছি  বাসা বাঁধছে অসুখ  মজ্জায় অসুখ  নির্জন দুপুরের গা বেয়ে নেমে আসছে মৃত‍্যুর গন্ধ      ।। ভাবি মরে যাবো  ভাবি বেঁচে যাবো  ভাবি আমার শ্বাসে মুখ দিয়ে পড়ে আছে জীবন ও মৃত‍্যু       ।। ________________________________     হামিদুল ইসলাম গ্রাঃ+পোঃ=কুমারগঞ্জ। জেঃ=দক্ষিণ দিনাজপুর। ________________________________________________________

কবিতা ।। স্বপ্ন ।। জয়শ্রী সরকার

স্বপ্ন জয়শ্রী সরকার আস্ত একটা স্বপ্নকে ভাঙতে ভাঙতে ভাঙতে ভাঙতে দেখলুম ----- সেগুলো জীবনের ভিন্ন ধারায় লেপটে আছে বহতা নদীর মতো ! একটা স্বপ্ন আকাশ ছুঁতে চায় আর একটা মাটিতে শিকড় খোঁজে, একটা স্বপ্ন বাতাসে মিশতে চায় অন্যটা ঘুমেতে দু'চোখ বোজে ! এভাবেই পেরিয়ে যায় স্বপ্নময় দিনগুলো, যেখানে ---- মেঘ-বৃষ্টি আলো-ছায়া হাসি-কান্না জরা-যৌবন এক মোহনায় মেশে ! আর একটা স্বপ্ন শুনতে চায় রাখালিয়া বাঁশি, যে বাঁশির সুরে আছে অন্তহীন ভালোবাসা, যেখানে ঋতুমতী প্রকৃতি নিয়ে আসে নবান্ন উৎসব। হয়তো সঙ্গোপনে বুকের প্রসূনে বেঁচে থাকে সে স্বপ্ন নিশ্চিন্ত বিশ্বাসে, হয়তো ---- হয়তো পূরণ হয় না কোনোদিন, স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায় ! **********************       জয়শ্রী সরকার,  দিনান্তিকা, প্রেমবাজার, খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ - ৭২১৩০৬

কবিতা ।। বাগান চোর ।। অমিত মজুমদার

বাগান চোর  অমিত মজুমদার   ছেলেটা গাছ। মেয়েটা বাড়ি। দু'জনে বাগান চোর  তাদের শরীরে বড় কৃষ্ণপক্ষ  মেয়েটা বাড়ির পলেস্তারা খসাচ্ছিলো অবেলায়  ছেলেটাও গাছের বাকল তুলছিলো টেনে টেনে  হাটের দিনে  তাদের নিজেদের শরীরও নিরাপদ থাকে না  জ্বর আসে অসুখ আসে। হাটে সবার অবাধ প্রবেশ  এই হাটে হাঁড়ি ভাঙে না কেউ  ফসফরাস আলোয় নির্বাসন পর্যন্ত দেখা যায় না  তারা মানে জ্যোৎস্না কিংবা জিজ্ঞাসা চিহ্ন  ছেলেটা গাছ। মেয়েটা বাড়ি  অথচ তাদের বাগান চুরি করা হলো না কোনোদিনই।  __________________________________________________  অমিত মজুমদার  গ্রাম — পশ্চিম জগদানন্দপুর ( ভেড়ামারা )    পোস্ট — বেথুয়াডহরি  জেলা — নদিয়া  সূচক — ৭৪১১২৬ মোবাইল — ৮৩৬৭৮১৯৭৫৭ 

মুক্তগদ্য ।। কাল নিরবধি ।। বিজয়া দেব

  কাল নিরবধি  বিজয়া দেব  রান্না করতে গেলে অনেকসময় হাত পুড়ে যায়, তারপর ঠান্ডা জল বরফগলা জল পোড়ার মলম কত কী। তারপরও ফোসকা কিংবা ছ্যাঁকার চিহ্ন থেকে যায়। চলতে চলতে পা মুচড়ে যায় ভাঙ্গা রাস্তায়। তারপর ব্যথা হলুদপ্রলেপ কাজ না হলে ডাক্তারের কাছেও দৌড়োনো। ওখানেও সহজে ডাক্তারের দেখা মেলে না। নম্বরের সারিতে নিজেও একখানা নম্বর হয়ে অপেক্ষা করতে হয়। তখন আবার কাল নিরবধি। কখন যে ডাক্তারের কাছে গিয়ে দাঁড়াই নিজেই বুঝি না।     দৈনন্দিন জীবনের কিস্যা নিয়ে রাতে ডাইরি লিখি। খুঁটিনাটি সব। কোনও দিন বিকেলে যেদিন চারপাশ খুব ফাঁকা তখন নিজের লেখা ডাইরির পাতা একের পর এক উল্টে যাই। দেখি সময়টা এক গোলকধাঁধা। এ ঘর থেকে ওঘর ও ঘর থেকে এ ঘর, বেরোবার পথ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তখন পথ খুঁজে পাওয়ার জন্যে ব্যাকুল হয়ে পড়ি।       "পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি"  এ এমন এক "বন্ধনহীন গ্রন্থি"র কথা বলছেন কবি যে "গ্রন্থি" প্রতিমুহূর্তে আলগা হয়ে যায় আলগা করে দেয় পথচলার বাধা। কিন্তু আজকের এই যে চলতি হাওয়া  তাতে ভেসে ভেসে যাওয়ার নাম বুঝি জীবন? যেদিকে হাওয়া সেদিকে তরী ছ...

কবিতা ।। কথোপকথন ।। মনীষা কর বাগচী

কথোপকথন---১ মনীষা কর বাগচী কিছুই থামেনি তোমার দেওয়া লাল জিনিয়াটি এখনো রাখা আছে  " ন হন্যতে" এর ২০ নম্বর পৃষ্ঠায়। মনে হয় এই তো সেদিনের কথা। কিন্তু তুমি তো জানো সেদিনের কথা নয়। হাজার বছর আগে ঝিলমের জলে আমরা ভাসিয়েছিলাম নাও। বৈঠা হাতে গেয়েছিলে তুমি ভাটিয়ালী গান। গান থেমে গেছে নীলাঞ্জন কিন্তু বাঁশি থামেনি এখনও। অনন্ত কাল ধরে বেজে চলেছে সে । ----কিছুই থামেনি মিষ্টি। এখনও সূর্য ওঠে, হাওয়া বয়, ফুল ফোটে, পাখি ডাকে ভোর হলে। এখনও তুমি আমি শিউলি কুড়াই। মালা গেঁথে জড়িয়ে দিই তোমার খোঁপায়। তুমি আহ্লাদে এলিয়ে পড় আমার বুকে। আমার মরুভূমি নতুন করে শিহরিত হয়। আবার বেঁচে উঠি। ----মিথ্যে বলছ না তো? ----একটুও নয়। শরতের আকাশের মতো নীল, জোয়ারের জলের মতো উচ্ছল, শ্রাবণের ধারার মতো চিরন্তন আমার প্রেম । নীলাঞ্জনের হিমালয় বুকে মিষ্টিকে খোদাই করে রেখে গেছে কোনো প্রাগৈতিহাসিক ভাষ্কর। সেটা মুছে ফেলার সাধ্য কী কারো আছে? --------------------------------

কবিতা ।। বুকের ভেতর গুনগুন ।। দেবাশীষ মুখোপাধ্যায়

বুকের ভেতর গুনগুন দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় ভালোবাসি একথাটা আর বলা হয় না তোমার আদরের উষ্ণতাতেও নয় কেমন একটা অভ্যাস হয়ে গেছে যেন অনুচ্চারিত ভালোবাসা ছিটকে ছিটকে বেরিয়ে আসে আমাদের কাজে আমাদের যাপনে সকালের চায়ের ধূমায়িত কাপ জানায় তোমার ভালোবাসা প্রিয় পদের রান্নায় বাড়ি ঢেকে গেলে তোমায় ভালোবাসি অফিস বেড়নোর তাড়ার মাঝে হাতে হাতে সব চলে এলে বুঝি এই থাকার নামই জীবন গলির মোড়ে পিছন ফিরে দেখি তখনও তুমি দাঁড়িয়ে ফুলের মাঝে এক মিষ্টি ফুল হয়ে সারাদিন ছবিটা বুকে বই ভালোবাসার কথা আর সেভাবে বলা হয় না বোধহয় এখন আর বলতেও লাগে না অফিস ফেরত তোমার প্রিয় জুঁইয়ের মালা নিয়ে আসি খোঁপায় দিয়ে তুমি সম্পর্ক যেন আরো পবিত্র করো বারান্দায় পাশে বসে হাতে হাত জানায় অনেক কথা স্মৃতিরা সরব হলে তোমার গুনগুন শুনি ঘরের আবছা আলোয় রবিঠাকুর যেন জ্বলে ওঠেন আমাদের বুকের ভালোবাসার স্থায়ী ঠিকানায় চিঠি এসে আর বলে না ভালোবাসি ভালোবাসি আসলে আজকাল ভালোবাসাটা একটা অভ্যাস হয়ে খেলে বেড়ায় সারা বাড়ি আদুল গায় **********   দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় রয়্যাল কমপ্লেক্স, ব্লক-ডি, ফ্ল্যাট নম্বর:২০৪, দ্বিত...

কবিতা || সে কারও প্রেমিকা নয় ।। অবশেষ দাস

সে কারও প্রেমিকা নয় অবশেষ দাস  মেয়েটি কখনও ধান,দূর্বা,চন্দনের থালা হাতে ধরে দেখেনি তুলির টান দেওয়া আঙুলের ডগা দিয়ে  সে কখনও দু-চারটি তুলসী পাতা তোলেনি। কল্যাণী বৃহস্পতিবার তার কাছে পায়নি চোখ ধোয়া আলপনা।  সে শুধু সবকিছু ছুঁড়ে ফেলে দেয়, ভাতের থালা, ল্যাপটপ হাতের সামনে থাকা যেকোনও জিনিস,এমনকি পরমান্ন-ভালবাসা  মেয়েটি কখনও কোনো কিছুর জন্যে অপেক্ষা করেনি। বরং তার জন্যে সবকিছু দিনের পর দিন প্রশ্ন শূন্য কঠিন অপেক্ষা করেছে। এমনকি গৃহশিক্ষক এসে বসে থাকেন, তিনি ঘুমিয়ে কাদা বিছানায়!  মেয়েটির অনেকগুলো নাম, একটি নাম মায়ের দেওয়া একটি তো বাবার, আরও কয়েকটা উপহার পাওয়া  নাম তার আছে,সবকটাই বেশ আদুরে ....  মেয়েটির হাতে কখনও সলতের হামাগুড়ি খেলার  চিহ্ন ফোটেনি, সযত্ন প্রদীপ জ্বলেনি। কাজল পরা টানা দুই চোখে কখনও আকাশ এসে দাঁড়ায়নি। তার ঝুমকো পরা কান কখনও ঝিঁঝিঁ পোকার গল্প'ও শোনেনি। সোনা বাঁধানো আয়নার সামনে সে বারবার দাঁড়ায় নিজেকে দেখে, গলিত রূপ ও লাবণ্য সে মুখস্থ করে। পৃথিবীর মুখ সে কখনোই দেখেনি, নদীর ঢেউয়ের মতো জীবনের ভাঙাগড়া খেলাও সে জানে না।...

দুটি কবিতা || জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

দুটি কবিতা ||  জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ভুলে যাওয়া স্বপ্ন   তোমাকে দেখেই জলছবি হারানো দিন কথা আর ফুলের আঘ্রাণ। বিশ্বাসে জোর ছিলো নাকি? স্বপ্নের ওমে যত সুখ হঠাৎ বৃষ্টির শিলা জমেছিলো খুব। জীবনের রসায়ন সঞ্জীবনী সুধা হয়ে ক পরত গভীর গোপনে জমা মান্যতার যন্ত্রযানে ক্ষণযাত্রা। ব্রহ্মযুগের মতো নিঃসীম ক্ষয়িষ্ণু জীবনে ভিন্নতর সংজ্ঞার খোঁজ।স্বপ্নগুলো তুমিও ভুলেছো ? গূঢ় প্লাবনের স্বরলিপি লাল ও সবুজ রং টিট্টিভ ডাক মৃদুলয় বিরহবাতাস সব ঠিক জমা ছিল খাঁজে অদৃশ্য পলল। ধূসর মলিন পাতা বিক্ষত রুমাল তুমি আছো কোনো খাঁজে অথবা গোপন ভাঁজের ঘুমে অবেলার সুখ।   চারণকবি, চারণকবি  (কবি বৈদ্যনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিবেদিত) বুকের উপর শ্যাওলা জমে কাদার উপর জল চারণকবির কথায় মনে বাজে ছলাৎছল। বিড়াই নদীর স্রোতে আছো,আছো বেনায়,কাশে শরৎমেঘের বুকে তোমার অমর লিখন ভাসে। তোমার কথায় ছন্দে সুরে ঘুরে বেড়ায় হাওয়া ভাঁটফুলে আর পলাশবনে তোমাকে যায় পাওয়া। মহুল ফুলের গন্ধে আছো মল্লভূমের কবি কামিনী আর ভাঁটফুলে পাই গন্ধ জাগা ছবি। প্রতিবাদের ভাষা তোমার জানে মন্দ লোক ভাবুক তোমার চাবুক চেনে অন্ধকারের চোখ। বাউল হাতে একতারা নাও গাও...

তিনটি কবিতা ।। আবদুস সালাম

তিনটি কবিতা ।। আবদুস সালাম সাক্ষাৎকার স্বপ্নের ঘাটে আজও সেই তৈরি বয়ে চলে কলেজ পালানো দুপুরের কোকিলেরা নীরবতায় ভোগে  ঝরা কৃষ্ণচূড়া মাড়িয়ে চলে গেছে সময়  বিষ্ময় হামাগুড়ি দেয়   বিপন্ন পড়শী খেলা করে আমাদের মধ্যবিত্ত বারান্দায়  স্নিগ্ধ চাঁদ রেখে যায় সব অভিমান   মৃত বিবেক পায় আত্মার ঘ্রাণ   অনেক প্রশ্নের উত্তরে পিচ্ছিল হয় চোখ      সম্মোহন ভেসে যায় দার্শনিক বন্যায়    বন্ধ খামে জড়িয়ে আছে সব দীর্ঘশ্বাস আমার অস্তিত্ব জুড়ে পড়ে আছে শুধু শূন্যতার অধিকার  নিজের সাক্ষাৎকার নিজেই নিচ্ছি পড়ন্ত বেলায়     মানবতা কাঁদে মানবতার অপমান কি ধর্মের অঙ্গ? বিশ্বাস-অবিশ্বাসের ধোঁয়ায় ঝাপসা হয় সংস্কৃতির উঠোন সত্যকে   অসত্যের জলে ডুবিয়ে মজা দ্যাখে ভ্রান্ত মানুষ   লুণ্ঠিত হয় মানবতা --- গা শিউরে ওঠে অবিশ্বাসকে তুমি  বিশ্বাস ভাবতেই পারো ক্ষতি নেই আদিম মানুষের অঙ্গ ধোয়া জল অমৃত; খেতে তো কেউ নিষেধ করে নি আপনার বিশ্বাস নিয়েই আপনি থাকুন   দাও অসত্যকের সত্য বলার আদেশ, বুলডোজার চালিয়ে...

আঞ্চলিক কবিতা ।। উমার পূজা ইবার বাকড়িতে ।। সবিতা বিশ্বাস

উমার পূজা ইবার বাকড়িতে           সবিতা বিশ্বাস                         ই কুথাকে এল্যম বল্ কেনে মা মনে সন্দ হইচে তু লিচ্চয় পথ ভুলাইচিস আসার সোময় বাপের সঙ অত চিল্লামিল্লি করলি বাপট' নিগ্ঘাত শাপ-শাপান্ত দিইছ্যে খপরদার বুলছ্যি সরো শ্মশানে পড়ে থাকা বাপের হয়ে সালিশি কইরত্যে আসবিক লাই তার লেইগ্যে এত দুদ্দশা হামার কপালে আরে বাবা সারা জেবন তুমার হেঁসেল ঠেইলছ্যি কখুন্য একট ' লতুন বস্ত্র দিল্যাক লাই আমি লা হয় ছিড়্যা ত্যানা পোইরে দিন কাটাইল্যম ছিলা দুটা আদলা গায়ে থাকে কিন্তুক সোমত্ত মেয়্যা দুটার কথা ভাইব্যাক লাই ? মরণ!মরণ! অমন সোয়ামীর মুখে ইয়ে মারি তাপ্পর বেশি তো লয় , বচ্ছরে মাত্তর চারটে কি পাঁচট' দিন তাও বাপের বাড়ি যেত্যে পারবোক লাই তুমি রাগ কইরো লা মা , মনট ' কিমন কিমন কইরছ্যে ই গা ' ট আগে কুনুদিন দেখি লাই চাদ্দিক শাল-মহুল গাছের জঙ্গলে কিমন আন্ধার কইরে আচ্যে বাড়ি-ঘর লাই , সোব ঝুপড়ি, রাক্ষস-খোক্কস লাই তো! হাঁটে হাঁটে পা বেদনা কইরছ্যে পাথ্থর ফুটে পা দিয়ে অক্ত ঝৈরছ্যে, আর পারছিনেকো উঁই সামনের গাছতলাতে...

নিবন্ধ ।। প্রেমেন্দ্র মিত্র : বাংলা সাহিত্যাকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ।। পাভেল আমান

 প্রেমেন্দ্র মিত্র : বাংলা সাহিত্যাকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র   পাভেল আমান   প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে বাংলা সাহিত্যে কল্লোল কালি কলমকে কেন্দ্র করে যে নতুন আধুনিক যুগের সৃষ্টি হয়েছিল তার শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি ছিলেন প্রেমেন্দ্র মিত্র। প্রেমেন্দ্র মিত্রের অভিজ্ঞতা বিচিত্র। ঢাকায় বসবাস, কলকাতায় চক্রবেড়িয়া স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক, কালি কলম পত্রিকার প্রথম অন্যতম সম্পাদক, কলকাতার কাছেই রাজগঞ্জে টালিখোলার ব্যবসা, ঝাঝাতে বাস, কাশীর অভিজ্ঞতা, জাতীয়তাবাদী দৈনিক পত্রিকা 'বাংলার কথা'র সহকারী সম্পাদক, 'বেঙ্গল ইমিউনিটি' বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রচার সচিব, বঙ্গশ্রী পত্রিকায় কিছুকাল কাজ, বেঙ্গল ইমিউনিটি উদ্যোগে প্রকাশিত 'নবশক্তি' পত্রিকার সম্পাদনা, 'রংমশাল' পত্রিকায় কিছুকাল সম্পাদনা, চলচ্চিত্রের অভিজ্ঞতা, আকাশবাণী কলকাতার অনুষ্ঠান-প্রযোজক হিসেবে অভিজ্ঞতা প্রভৃতি কাজে প্রেমেন্দ্র মিত্র নিজের নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছেন।তিনি একাধারে কবি, ছোটগল্পকার, ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান রচয়িতা, আবার গোয়েন্দাকাহিনির স্রষ্টা, গীতিকার, চিত্রপরিচালক।১৯০৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর  বারাণসীতে প্রেমেন্দ্...

ছড়া ।। এলোমেলো ।। বিপত্তারণ মিশ্র

এলোমেলো           বিপত্তারণ মিশ্র  আম গাছেতে ডিম ধরেছে      হাঁস পেড়েছে জাম,  মাঠের ফসল মন্ডা মিঠাই       ভুতের মুখে রাম।        অমাবস্যায় চাঁদ উঠেছে         পূর্ণিমাতে শনি,  তেলের কলে কয়লা বেরোয়      খনির ভেতর ননি। জলহস্তী ডানা মেলেছে       হাতিরা সব জলে,  পানকৌড়ি পান পাতা খায়      গাছগুলো সব চলে।      বাদল দিনে রোদের মেলা       রাতের বেলা রামধনু   দোয়েল পাখির দাঁত খিঁচানো       গান গেয়ে যায় হনু।    -------------------- Bipattaran Misra  Shantimoyee Bhawan  Green Park, Saraitikar Road, Amtala  Burdwan, PO-Rajbati, PIN-713104  Mob/Whatsapp-6297957386  Mail-bipattaran.misra.bwn15@gmail.com

মুক্তগদ্য ।। সময়ের চাকা ।। মেশকাতুন নাহার

  সময়ের চাকা মেশকাতুন নাহার আমি যখন অনার্সে পড়ি তখন পরিসংখ্যান প্রাইভেট পড়তে যেতাম, হঠাৎ স্যার প্রশ্ন করলেন তোমরা কে কত ঘন্টা ঘুমাও? কেউ কেউ উত্তর দিলো রাতে ৮-১০ ঘন্টা আবার বিকেলে ১-২ ঘন্টা ঘুমিয়ে থাকে। স্যার মৃদু হেসে বললেন একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৭/৮ ঘুমের প্রয়োজন। তাহলে হিসাব করে দেখো জীবনে তোমারা কত ঘন্টা ঘুমে কাটিয়ে দিলে? আর এভাবেই যদি সামনের দিকে ঘুমাতেই থাকো কত বৈচিত্র্যময় জীবন থেকে বঞ্চিত হবে? হুম স্যারের সেদিনের কথাগুলো আজও মনে পড়ে। এখন সেই কথাগুলোর মর্মার্থ আরও বেশি করে উপলব্ধি করছি। কেন সেই সময় সেই কথাগুলো গুরুত্ব সহকারে জীবনে কাজে লাগালাম না আজ বড় আফসোস হয়। যদি দৈনিক অতিরিক্ত ঘুমের ২ ঘন্টা সেইব করা যায় তাহলে মাসে ৩২ ঘন্টা সময় কাজে লাগানো যেতো। আর বছরে প্রায় ৩৮৪ ঘন্টা আমরা কাজে লাগাতে পারি। আর একজন মানুষের গড় আয়ু যদি ৬০ বছর ধরে নেই তাহলে প্রায় ২৩০৪০ ঘন্টা আমরা অতিরিক্ত ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলাম। আর কেউ যদি তারচেয়ে বেশি সময় ধরে ঘুমিয়ে থাকেন তাহলে জীবনে কত মাস, কত দিন, কত ঘন্টা ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলেন চিন্তা করতে পারছেন? এই সময়টা যদি আমরা সৃজনশীল কাজে ব্যয় করি তাহলে কতই না ...

ছড়া ।। মায়ের ছোঁয়া ।। রিয়াদ হায়দার

মায়ের ছোঁয়া রিয়াদ হায়দার প্রথম যখন মুখের ভাষায় ফুটতো আধো বোল, আমি তখন আদর মেখে থাকি মায়ের কোল।   মায়ের কাছে প্রথম শেখা অ আ ক খ বুলি, সে সব কথা স্মৃতির পাতায় কেমন করে ভুলি। যখন আমি প্রথম শ্রেণীর অঙ্ক খাতায় ভাসি, তখন থেকেই মায়ের মনে ভাবনা বারোমাসই। জীবন জুড়ে মা যে আমার প্রকৃত এক গুরু, তাঁর ছোঁয়াতেই বেড়ে ওঠা পড়াশোনার শুরু ! মা মানে তো জীবন জুড়ে খুশির পরশ আঁকা, ভালোবাসার সোহাগ মেখে একটু ভালো থাকা ! মা মানে মাথার উপর মস্ত গাছের ছায়া, যাঁর আঁচলের ছত্রছায়ায় জড়িয়ে আছে মায়া ! আজকে আমি ভীষণ খুশি জীবন যেন ধন্য, এসব আমি পেলাম শুধু আমার মায়ের জন্য। ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, রিয়াদ হায়দার বসন্তপুর, পোস্ট - চাঁদনগর থানা - ডায়মন্ড হারবার জেলা - দঃ২৪ পরগনা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

কবিতা ।। এখন ।। প্রতীক মিত্র

  এখন প্রতীক মিত্র   ট্রেন থেমে আছে। ঢুলুনি এসে যাচ্ছে। জানলার ধারে বসে ঝিরঝিরে হাওয়ায় দিবাস্বপ্নেরও অণুপ্রবেশ ঘটে যাচ্ছে। মোটের ওপর ইতিবাচকের ভীড়ে  একটা-দুটো নেতিবাচকও ঢুকে পড়ে। কোনোটা বন্দীদশার, কোনোটা বা মৃত্যুর। লোকজনের চলাফেরা, চিৎকার, ব্যস্ততা। সাধতো ঝাপসা ঠেকে, সাধ্যেরাও যেন কত দুর; দিবাস্বপ্নেরই যেন অংশ এই নাগরিক রুপকথা। অন্যদিনও হয়।ট্রেন চট করে স্টেশন ছেড়ে বেরোতে পারে না। আজও তাই। এবং এমন ভীড় যেখানে উদ্যম ছাড়া বাকি সব অস্থির। ঢুলুনি কাটাতে চা চলতে পারে; কিন্তু এতদিনের জমা অপচয়, ব্যর্থতা… সেগুলো কাটানো যাবে কি? ট্রেনটা আদৌ ছাড়বে তো আজ? ========================= প্রতীক মিত্র কোন্নগর-712235, হুগলী, পশ্চিমবঙ্গ

গল্প ।। রাত্তিরের নাম বারবণিতা ।। উপেক্ষিৎ শর্মা

রাত্তিরের নাম বারবণিতা উপেক্ষিৎ শর্মা   এখন রাত দুটো। রাত বারোটার পেরিয়ে গেলেই এ অঞ্চলটার নাম আমি রেখেছি বারবণিতা । লোকমুখে এর নাম বেশ্যাপাড়া । সবুজ হলুদ কমলা লাল রঙের ঘ্যামা ঘ্যামা লোকজন  এপাড়ায় ঘুর ঘুর করে । গলি তস্য গলি দিয়ে যেতে যেতে বারবণিতা দের দেখে কেউ বলে , সুন্দরি । কেউ বলে খেমটি। কেউ বলে , ধিঙ্গি। কেউ বলে , ট্র্যাশ। অথচ অনেকেই দরদাম ছাড়াই চৌকাঠ মাড়িয়ে চলে যায় ভেতরে । এরই মধ্যে কোত্থে কে একজন উটকো লোক এক ঢলানি মাগীকে দেখে জিজ্ঞেস করল, লোক -  দর কত? জিজ্ঞেস করতেই সে ঠোঁট চেপে পান চিবোতে চিবোতে বলল, ঢলানি - ক্যাশ, না কার্ড? নাকি ইনস্টলমেন্ট? ই এম আই কত? লোক - অ্যাঁ !! ঢলানি - হ্যাঁ, আজকাল সব চলে। লোক - না, বাবা। আমার ওসব নেই। ক্যাশ, একদম ক্যাশ। ধারবাকির কারবার নেই। বাট অন কণ্ডিশন। সব স্যানিটাইসড তো? মাস্ক ছাড়া কিন্তু কোন কাজ হবে না, ঠিক আছে? ঢলানি - এ কী মাল রে বাবা? বলে কিনা, মাস্ক ছাড়া কোন কাজ হবে না। আবার  স্যানিটাইজার চায়! পারে না ইয়ে মারতে/এসেছে রাত থাকতে! চল, ফোট। ফোট। আগে বাড় । লোক - মুখ সাম...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

মতামত/লেখা এখানে জমা দিন

Name

Email *

Message *

সাম্প্রতিক বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

তারা খসার আলোয় ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

তারা খসার আলোয়  তীর্থঙ্কর সুমিত  কিছু বলার থেকে  চুপ থাকাটাই শ্রেয় মতামতের পেন্ডুলামে সময় আটকে আছে  ইতিহাসের চোরাস্রোতে  তাই এখনও জোয়ার কিম্বা--- মনে পরে যায় ফেলে আসা অতীত  মুখে-চোখে  বিবর্ণতায় ঢেকে যায় শহর  তোমার কথায় জেগে থাকা রাত  অন্ধকারে মাখামাখি বারুদ এখন! তারা খসার আলোয় নিজেকে দেখি।  ============== তীর্থঙ্কর সুমিত  মানকুণ্ডু, হুগলী  পিন -৭১২১৩৯

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

কবিতা ।। সুশান্ত সেন

কবিতা সুশান্ত সেন কোবতে লেখা সহজ নয় ত মোটে কল্পনা নেই। কি নিয়ে সে ছোটে! ছুটবে কেন? সে কি রেসের ঘোড়া বাজি জেতার তার নেই কি জোড়া? বাজি?  সে ত কালি পুজোয় ফাটে ভয় পাই যে দাঁড়িয়ে চৌকাঠে। চৌকাঠ টা বেজায় বড় বাঁধা পেরিয়ে যাওয়া বেজায় শক্ত, দাদা! অন্বেষণে বিরাট বিকট শব্দ কোবতে খানা তাতেই হবে জব্দ।   ============ সুশান্ত সেন ৩২বি , শরৎ বসু রোড কলিকাতা ৭০০০২০

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

কবিতা: জয়তী রায়

এক ভ্রষ্টা নারী ও আদর্শ " অ্যই মেয়ে তোর দাম কত রে ,,,,? "  ক্রসিং এ দাঁড়ানো অটোতে বসে  কথাটা কানে যেতেই মুখ ঘুরিয়ে দেখতে পেলাম মেয়েটাকে। সস্তার চুমকি বসানো চড়া সবুজ রঙের শাড়ি পরা , লাল রক্তের মতো রাঙানো ঠোঁট আর সস্তার স্নো পাউডার মাখা মৃত মুখ। স্বপ্নসুন্দরী তিলোত্তমার বিশেষ কিছু এলাকায় পথের ধারে  এমন বেসে অনেক রূপমতিকেই দেখতে পাওয়া যায়। চট করে মনে পড়ে গেল অতীতের কথা ,,,,,,, রূপমতি ওরফে রূপা। হ্যাঁ আজ আমি অনেকের কাছে পরিচিত ' রূপা '। একটা সময় আমারও অস্তিত্ব ছিল এই রাজপথ। খট খট ,,,,,,,,খট খট ,,,,,,,, আজও মনে পড়ে সেদিনের কথা ,,,,,,,,, দরজার জোর শব্দে ঘুমটা ভেঙে গেল। " কে ,,,,,,,? কে ওখানে ,,,,,,,,?" ভয় মিশ্রিত গলায় জিজ্ঞেস করে উঠলে  প্রথম তোমার গলা শুনলাম ,,,,,,, " দরজা খোলো , ভয় নেই কোনো ক্ষতি করবো না ,,,,,,,," কি ছিল সেই গলায় জানি না। মন্ত্রমুগ্ধের মতো দরজা খুলতেই হুড়মুড়িয়ে তুমি ঢুকে পড়লে ঘরে। উস্কো খুস্কো চুল ক্লান্ত অথচ আগুন ঝরা দুটো চোখ ,,,,,, প্রথম তোমায় দেখলাম।  কেন জানি না দেখা মাত্রই ম...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

বছরের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৪তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

  এই সংখ্যায় একটি গ্রন্থ আলোচনা ও একটি ধারাবাহিক রচনা ছাড়া সব লেখাই ভাষা দিবস, মাতৃভাষা, ভাষাচেতনা ও ভাষা সমস্যা বিষয়ক রচনা। লেখাগুলি এই সংখ্যাকে অনেকটাই সমৃদ্ধ করেছে। পড়ুন। শেয়ার করুন। মতামত জানান। লেখকগণ নিজের নিজের লেখার লিঙ্ক শেয়ার করুন যতখুশি, যে মাধ্যমে খুশি। কিন্তু স্ক্রিনশট শেয়ার নৈব নৈব চ!  অন্য বিষয়ের লেখাগুলি আগামী সংখ্যার জন্য রইল।  সকলকে ধন্যবাদ, অভিনন্দন। ভালো থাকুন।   --সম্পাদক, নবপ্রভাত। ==  সূ  চি  প  ত্র  == প্রবন্ধ-নিবন্ধ অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙ্গালীর বাংলা ভাষা দুর্জয় দিবস।। বটু কৃষ্ণ হালদার ভাষা শহীদদের পঁচাত্তর বছর।। অনিন্দ্য পাল একুশে ফেব্রুয়ারি : বাঙালির শ্রেষ্ঠ অশ্রুবিন্দু।। জীবনকুমার সরকার কবিগানের সাহিত্যিক ও সমাজতাত্ত্বিক মূল্য।। বারিদ বরন গুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি।। শ্যামল হুদাতী মায়ের দুধ আর মাতৃভাষা।। প্রদীপ কুমার দে একুশে ফেব্রুয়ারি : কিছু কথা।। বনশ্রী গোপ বাংলায় কথা বাংলায় কাজ।। চন্দন দাশগুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও তার মুক্তির পথ।। মিঠুন মুখার্জী. হে অমর একুশে, তোমায় ভুলিনি, ভুলব না।। মহম্মদ মফিজুল ইসলা...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ৮৬তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩২ এপ্রিল ২০২৫

সম্পাদকীয় এই সংখ্যাটি বাংলা নববর্ষ বিষয়ক সংখ্যা। নৱৰ্ষকেন্দ্রিক বহু তথ্যপূর্ণ লেখা এই সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস, রীতিনীতি, উৎসব, পার্বন, লোকাচার, রূপান্তর বহুবিধ বিষয় প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যার লেখাগুলিতে। এই সংখ্যার বাছাই কিছু লেখার সঙ্গে আগামীতে আরও কিছু লেখা সংযুক্ত করে বাংলা নববর্ষ বিষয়ক একটি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ করার ইচ্ছে রইল।  সকলকে নববর্ষের আন্তরিক শুভকামনা জানাই। উৎসবে আনন্দে থাকুন, হানাহানিতে নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে সহনাগরিকের পাশে থাকুন। মনে রাখুন, ধর্মকে মানুষই সৃষ্টি করেছে। ঈশ্বর আল্লা গড ইত্যাদির জন্মদাতা মানুষই। মানুষকে ভালোবাসুন। মানুষের পাশে থাকুন।  নিরাশাহরণ নস্কর  সম্পাদক, নবপ্রভাত।  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা পয়লা বৈশাখ ।। সিদ্ধার্থ সিংহ নববর্ষকেন্দ্রিক মেলা, পার্বন, উত্সব, লোকাচার ।। সবিতা রায় বিশ্বাস নববর্ষ আবাহন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং বিভিন্ন দেশে ।। তুষার ভট্টাচার্য নববর্ষের সেকাল ও একাল ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নববর্ষের হাল-হকিকৎ ।। শংকর ব্রহ্ম বোশেখি বাঙালি নাকি পোশাকি বাঙালি? ।। দিব্যেন্দু...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

মাসের বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে দীনেশ চ্যাটার্জী যে পথ শরীরে ক্লান্তি আনে, সেই পথেই আত্মা খুঁজে পায় মুক্তি। দিবস ১ — যাত্রার সূচনা মানুষের জীবনে কতকগুলি আকাঙ্ক্ষা থাকে—যাহার ব্যাখ্যা বুদ্ধির দ্বারা মেলে না, তৎসত্ত্বেও হৃদয় তাহার প্রতি অদম্য আকর্ষণ অনুভব করে। কেদারনাথ যাত্রা আমার কাছে তেমনই এক আকাঙ্ক্ষা ছিল। বহুদিন ইচ্ছা ছিল—কখনো পূর্ণ করি নাই। আজ তাহারই প্রথম অধ্যায় আরম্ভ হইল। ভোররাতে ঋষিকেশে পৌঁছিলাম। স্টেশন হইতে বাহির হইবার মাত্রই অনুভব করিলাম—বাতাসে এক গভীর প্রশান্তি। শহুরে কোলাহল, ধুলো, অধৈর্যতার পরিবর্তে এখানে নীরবতা, শীতলতা, আর যেন স্নিগ্ধ তপস্যার আবহ। গঙ্গার তীরে এসে দাঁড়াইলাম। নদী এখানে শুধু জলের স্রোত নহে—সে যেন জীবন্ত ধর্ম; যাহার মধ্যে কালান্তরে সঞ্চিত স্নেহ, পবিত্রতা ও শক্তি। তাঁর জলে ভোরের সূর্যালোক পড়িয়া মৃদু ঝিলিক তুলিতেছিল। মনে হল—মহাশান্ত পৃথিবীর বুকে আমি ক্ষুদ্রমাত্র। বিকেলে লক্ষ্যণঝুলা দেখিবার উদ্দেশ্যে পা বাড়াইলাম। সেতুর ওপর দাঁড়াইলে নিচে গঙ্গার প্রবল স্রোত দেখি—হৃদয় থমকায়ে দাঁড়ায়। সেতুটি হালকা দুলিতে থাকে, কিন্তু ভয়ের পরিবর্তে সেখানে ছিল এক অদ্ভুত আহ্বান—যেন প্রকৃতি বলি...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432