আয়োজন কখনো রং লাগে কখনো উজ্জ্বল হয় বাতাস যথাসাধ্য উড়িয়ে নিয়ে যায় তাকে কোনো কোনোদিন দরজা দিয়ে আমার ঘরে এসে থামা, আমি তার শুভেচ্ছা মাথা পেতে নিই - সমস্ত দিন টা শীতল থাকে । বহুদূরে অচেনা কেউ একজন আমার জন্যে গান রচনা করছে ভাবলে হৃদয় কেঁপে ওঠে একদিন বাতাস আমার ঘরে তাকে নিয়ে আসবে ওই দিনট কত যে সুখময় হবে । তোমরা সবাই দরজা খুলে রাখ ওই বাতাস ফুল উড়িয়ে নিয়ে আসছে পাপড়ির গায় এতোটুকু রং যায়নি যায়নি উজ্জ্বলতা দেখবে ঘরের মধ্যে তার জন্য অনেক আয়োজন আছে ।
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...