নীল ডায়েরির গুচ্ছকবিতা চন্দ্রপলাশের গোপনপত্র তোমার পদধ্বনি এলেই পলাশগাছের ডালে জ্বলে ওঠে রক্তচাঁদের শিখা। হৃদয়বাগানের প্রতিটি শিরায় তুমি লিখে দাও স্বপ্নলিপির সোনালি আঁচড়। বৃষ্টিধ্বনি ছুঁয়ে যায় তোমার নীরবতার বারান্দা, যেখানে আমার অশ্রু জমে আছে কাচের শিশিতে। তোমার ছোঁয়া মানেই ভাঙা ঘড়ির কাঁটা আবার বেজে ওঠে সময়ের সুরে। আমার বুকের ভেতর এক অদৃশ্য নদী বয়, যার তীরে তীরে কেবল তোমার নামের নুড়ি। তুমি আসো—আর ভোরের কণ্ঠে শালিকেরা গেয়ে ওঠে গোপনপত্রের গান। এ শহরের অজানা সব রাস্তা আমাকে নিয়ে যায় তোমার দরজার সামনে। যেখানে দরজার কপাট খুললেই আকাশ হেলে পড়ে আমার কাঁধে। গোধূলিবিন্দুর আশ্রয় গোধূলির লালিমায় তোমার ছায়া মিশে যায় ধানের শিষের স্বপ্নে। হাওয়াগুলো কানে কানে বলে— তুমি আমার হারানো মন্ত্রফুল। দিগন্তের প্রান্তে পাখিদের উড়ান যেন তোমার হাসির খসড়া আকাশে লেখা। আমার প্রতিটি শ্বাসে লুকানো থাকে তোমার অজানা ছোঁয়ার তৃষ্ণা। বৃষ্টির সঙ্গীতে ভিজে যায় গলিপথ, যেখানে প্রথম তোমার হাত ধরেছিলাম। সেই মুহূর্ত যেন সময়ের তালাবদ্ধ কুঠুরি, যেখানে আমি আজও বন্দী। তুমি দূরে গেলে শহর হয়ে ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।