Skip to main content

Posts

আমি বাংলাকে ভালবাসি ।। সৌম্য পাল

আমি বাংলাকে ভালবাসি সৌম্য পাল  শহরের কোলাহল পেরিয়ে যখন রাত নামে তখন অর্কর ঘরে অদ্ভুত এক নীরবতা ভর করে। সারাদিন ইংরেজি শব্দে ঘেরা জীবন—ইমেল কল মিটিং ও ডেডলাইন। কিন্তু রাত হলেই সে জানালার ধারে এসে দাঁড়ায় আর মনে মনে অজান্তেই ভেসে ওঠে কিছু বাংলা শব্দ। সেই শব্দগুলোর কোনো নির্দিষ্ট মানে নেই তবু তারা অর্ককে নিজের মতো করে জড়িয়ে ধরে। অর্কর জন্ম এক মফস্‌সলে। ছোট্ট শহর যেখানে সন্ধ্যেবেলা চায়ের দোকানে বসে মানুষ রাজনীতি থেকে রবীন্দ্রসংগীত—সব নিয়ে আলোচনা করত বাংলায়। স্কুলের প্রথম দিন প্রথম কবিতা আবৃত্তি প্রথম প্রেমপত্র—সবই লেখা ছিল বাংলায়। তখন সে জানত না এই ভাষাই একদিন তার পরিচয়ের সবচেয়ে শক্ত ভিত হয়ে দাঁড়াবে। কলেজে উঠে অর্ক শহরে আসে। ধীরে ধীরে বাংলার জায়গা দখল করে নেয় অন্য ভাষা। প্রথমে প্রয়োজনের তাগিদে পরে অভ্যাসে। বন্ধুমহলে বাংলা বললে অনেকে মজা করত এত আবেগ কেন? অর্কও হাসত কিন্তু কোথাও যেন কিছু একটা খসে পড়ত ভেতর থেকে। একদিন অফিসে এক সহকর্মী তাকে বলেছিল তোমাদের বাংলা ভাষাটা খুব মিষ্টি শোনায় কিন্তু প্রফেশনাল লাইফে তো ওটার দরকার পড়ে না। অর্ক সেদিন কোনো উত্তর দেয়নি। শুধু মনে মনে...

মাতৃভাষা ।। এস এ বিপ্লব

       মাতৃভাষা এস এ বিপ্লব পৃথিবীর সব দেশেই নিজ নিজ ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কারন যার যার নাড়ির টান কিংবা নিজ ভাষার প্রতি আকর্ষণ একটা বিষয় কাজ করে থাকে। আর এই নাড়ির টান বা ভাষার প্রতি আকর্ষণ যাই বলি না কেন?  এসব কিছুর জন্য দায়ী একমাত্র মা। তাই মাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক বলা হয় বা বলা যায়। জম্ম থেকে মা যে ভাষা শিখাবে সেই ভাষাতেই আমি, আপনি কথা বলব বা বলে থাকি। তাই আমরা মায়ের ভাষা কে সম্মান করব।মায়ের ভাষার জন্য যুদ্ধ করি,জীবন দেই নানা ভাবে মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা করি।ছোট্ট শিশু জানে না সে হিন্দু না মুসলিম আর না  বৌদ্ধ,খ্রিষ্টান। তাহলে কে শিখায়? মা শিখায়, মা বলে আল্লাহ, ভগবান ইত্যাদি শিশুও তাই শিখে। আবার আরবি, বাংলা, ই্যরেজী চিনত না শিশু, কে চিনিয়ে থাকে?  মা চিনিয়ে থাকে। তাই মা, মাটি  আর  মায়ের ভাষা  মাতৃভাষা কে   আমাদের সম্মান করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে কষ্টের বিষয় হলো এখানে মাকে বা মাতৃভাষা কে বছরে একবার খুব ধুমধাম করে স্মরন করে এরপর আর কোন খবর না রাখে। আর সেটা দেখা যায় একমাত্র  বছর ঘুরে আমাদের ২১ ফেব্রুয়ারী যখন আসে। যেটা আম...

সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি ।। সামসুজ জামান

সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি সামসুজ জামান   চলন্ত ট্রেনের কম্পার্টমেন্টে নিত্য যাত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা গল্প তর্ক-বিতর্ক চলে। সেদিনের প্রসঙ্গ ছিল মাতৃভাষা তাই মাতৃভাষা নিয়ে খুব জোর তর্ক-বিতর্ক জমে উঠেছিল। অনেকের মতে আজকের দিনে আমাদের বাংলা ভাষার মতো মাতৃভাষার আর কোনো গুরুত্ব নেই। বলা হচ্ছিল একজন তথাকথিত একেবারে অন্তজ শ্রেণীর মানুষ, রিক্সাওয়ালা , কুলি-মজুর সকলেই নিজেরা ইংরেজি না জানলেও নিজের ছেলে মেয়েদের ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে জীবন উন্নত করার ভাবনা ভাবে। কেউ আবার এতে যোগ করলেন কিছু বিরোধী ভাবনা। তাঁর বক্তব্য - হ্যাঁ, এটাও তো দেখেছেন এই সব ঘরের মানুষরা তাদের ছেলেমেয়ের স্কুলের ভাষা ইংরেজি বলতে পারেনা কিন্তু তাদের বাংলা ভাষার উপর এত ঘেন্না যে ঘরেও নিজেরা নিজের পক্ষে হিন্দি ভাষার মাধ্যমে কথাবার্তা বলে। অন্য কেউ আবার যোগ করলেন - আরে সেটা তো আমার আপনার ঘরেই দেখা যায়, বাংলা ভাষা এখন এমন 'হতচ্ছেদ্দা'র ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের কাছে, যে তারা নিজেদের মাতৃভাষা বাংলা না বলে হিন্দি ভাষায় কথা বলছে এতে নিজেরা আত্মশ্লাঘা অনুভব করেন।  ইংরেজ আমলে আমাদের মাতৃভাষার উপ...

শেকড়ের খতিয়ান ।। মামুন চাকলাদার

 শেকড়ের খতিয়ান   মামুন চাকলাদার রক্তের অক্ষরে লেখা সেই অবিনাশী বর্ণমালা— আজ আর কেবল মিছিলে কিংবা স্মৃতির বেদিতে বন্দি নেই। মায়ের ভাষার মমতা নিয়ে, একুশের সেই অমর ভাষাশহিদরা আজও জ্যোৎস্না রাতে বাংলায় চিঠি লিখে যায় কৃষকের দোরে। সেই চিঠিতে থাকে না কোনো গ্লসি বিজ্ঞাপনের চটক, থাকে না কোনো কর্পোরেট মরীচিকার মায়াবী হাতছানির ঝলক। সেখানে ভোরের শিশিরে ভেজা থাকে ধানের সংশয়, আর রোদে পোড়া দুপুরে লেখা থাকে— মেহনতি মানুষের জয়গান। শহিদ মিনারের পাথর থেকে নেমে এসে বর্ণরা— হালভাঙা কৃষকের কানে কানে বলে যায় এক নতুন বসন্তের কথা। যেখানে পণ্য হওয়া নয়, মানুষ হওয়াই সবচেয়ে বড় আভিজাত্য, আর নিজের ভাষায় স্বপ্ন দেখাই হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জিয়ন মন্ত্র। .........................................   মামুন চাকলাদার সাভার, ঢাকা 

মধুর ভাষা বাংলাভাষা ।। রবীন বসু

  মধুর ভাষা, বাংলাভাষা   রবীন বসু   ভাবের ভাষা বাংলাভাষা, আমার ভাষা কই কোথায় যেন ছিঁড়ছে সুতো বেসুরো যে হই। মায়ের ভাষা ভুলি আশা প্রাণের ভাষা নেই মুখের বুলি অন্য ভাষায় নকল শুধু সেই। এমনি ভাবে মাতৃ ভাষা ভিন্ন ভাষা হয় অন্য ভাষায় কথা বললে লজ্জা তারে কয়। ভাষা শিক্ষা মহান বটে প্রয়োজনও তাই ভুলে যেন মায়ের ভাষা কখনও না যাই। কিন্তু যারা কথায় কথায় মিশ্র বাংলা বলে তাদের জন্য মাতৃভাষা শির হেঁট করে চলে। ভাবের ভাষা মধুর ভাষা বাংলাভাষা ওই নোবেল আনেন রবি ঠাকুর, আমরা সেরা হই। •• •• •• •• •• •• ••   রবীন বসু Rabindra nath Basu 189/9, Kasba Road, Kolkata-700042

মাতৃভাষা ।। দিলীপ সামন্ত

    মাতৃভাষা দিলীপ সামন্ত বাচ্চা যেমন নিবিড় করে জড়িয়ে ধরে মাকে মাতৃভাষাও তেমন ভাবে হৃদয় জুড়ে থাকে। এই ভাষাতেই অকপটে মনের কথা বলি সুখ দুঃখের রাস্তা ধরে সামনে হেঁটে চলি। আউল বাউল এই ভাষাতেই গেয়ে চলে গান ভাটিয়ালির সুরটি শুনে নেচে ওঠে প্রাণ। কোথায় আছে কাছে দূরে এমন মধুর ভাষা ভাব প্রকাশের ভঙ্গিমাটি এই ভাষাতেই খাসা। শিল্পী কবি এই ভাষাতেই মনের ছবি আঁকে সুখ দুঃখের গল্প গাঁথা এতেই লেখা থাকে । শত্রু এসে বারে বারে নিষেধ জারি করে মায়ের যত দামাল ছেলে প্রাণের বাজি ধরে। এই ভাষাকে রক্ষা করার শপথ নেওয়া চাই দেশপ্রেমের শক্ত ভিতে ভাষা বাঁচে ভাই। মাতৃভাষাই স্বপ্ন দেখায় সবার দুচোখ ভরে নতুন আশা ভালোবাসার মিলন রশি ডোরে।   =============== দিলীপ সামন্ত বালি দুর্গাপুর, হাওড়া। পিনকোড্ -৭১১২০৫ 

ভাষার কথা ।। বি এম মিজানুর রহমান

    ভাষার কথা বি এম মিজানুর রহমান  আমার সোনার বাংলাদেশে নানান রকম লোকের বাস, অঞ্চল ভেদে মাতৃভাষা  শুনে মেটে না রে আশ। ভাষার ভেজাল বাংলা ভাষায় কলকাতাতে ভিন্ন রূপ, নোয়াখালি বরিশালের  ভাষা শুনে কেউবা চুপ! কাউকে দেখি গুরুচন্ডাল কোট প্যান্ট পরা ভদ্র লোক, ভাষার কথা বলতে গেলে মনের মাঝে লাগে শোক। ভাই হারানোর জ্বালা বুকে করছি ভাষার আন্দোলন,  বঙ্গভাষার বিকৃতিতে মনের মাঝে আস্ফালন।  লিখতে পড়তে এসো সবাই  সঠিক বাংলা ধরি আজ, ভাষার জন্য বাঙালীদের গর্বে থাকুক মাথায় তাজ।   ===============     বি এম মিজানুর রহমান, কোটাকোল, লোহাগড়া, নড়াইল, বাংলাদেশ। 

স্মৃতির স্বরলিপি ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র

    স্মৃতির স্বরলিপি সঙ্গীতা মহাপাত্র ​ শহরের নাম এথেলগার্ড। চারদিকে ঝকঝকে তুষারপাত আর অচেনা এক যান্ত্রিক ভাষার কোলাহল। অভিরূপ এখানে থিতু হয়েছে প্রায় সাত বছর। অফিস, বন্ধু-বান্ধব আর প্রাত্যহিক জীবনের সবটুকু এখন ভিনদেশি বুলিতে মোড়া। এমনকি ওর ভাবনার জগতটাও ইদানীং পরদেশি শব্দে সাজানো থাকে।   ​সেদিন অফিস থেকে ফেরার পথে পার্কের এক কোণে একটা ছোট্ট শিশুকে দেখল অভিরূপ। তার মা তাকে নিয়ে বেঞ্চে বসে আছেন। বাচ্চাটা পড়ে গিয়ে হাঁটু ছড়ে ফেলেছে, আর ফুঁপিয়ে কাঁদছে। মা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন অন্য ভাষায়। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ থমকে দাঁড়াল অভিরূপ। ওর মনে হলো, বাচ্চাটা যখন যন্ত্রণায় কাঁদছে, সেই কান্নার সুরটা ঠিক ওর ছোটবেলার মতো।   ​বাচ্চাটা হঠাৎ হাউমাউ করে কেঁদে উঠে তার মাকে জড়িয়ে ধরে বলল, "মা, লাগছে!"   ​অভিরূপের বুকটা এক নিমেষে কেঁপে উঠল। মা আর বাচ্চাটি আসলে বাঙালি পর্যটক। দীর্ঘ সাত বছর পর নিজের মাটির শব্দগুলো যখন কানে আছড়ে পড়ল, ওর মনে হলো ও এতক্ষণ কোনো এক যান্ত্রিক মরুভূমিতে ছিল। যে শব্দগুলো ও প্রতিদিনের ডায়েরিতে হারিয়ে ফেলেছিল, সেগুলোই আজ ওর রক্তে নাচন ধরিয়ে দিল।   ​সে রাত...

একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ ।। রানা জামান

    একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ রানা জামান সকালের কুয়াশায় শহীদ মিনার জেগে ওঠে পায়ে পায়ে জমে থাকে নীরব শ্রদ্ধার্ঘ্য একুশে ফেব্রুয়ারির মানে তো মাথা নত না করা  এই দিনে ভাষা কথা বলে রক্তের স্মৃতিতে অক্ষর সকল হেঁটে আসে রাজপথ বেয়ে নাম না জানা অনেক মুখ ইতিহাস হয়ে আছে তখন মায়ের ভাষা শুধু ভাষা ছিলো না— হয়ে উঠে প্রতিবাদের অদম্য সাহস। ফুলের তোড়া বা শলাকা হাতে শিশুরা দাঁড়িয়ে  সে জানে না সব গল্প, তবু অনুভব করে ভাষা হারালে কী হারাতে হয় শব্দের ভেতরে লুকিয়ে থাকে আত্মপরিচয়। একুশ তো শিখিয়েছে মাথা উঁচু করে কথা বলতে শিখিয়েছে বিদেশি ভাষায় নয়, নিজের ভাষায় স্বপ্ন দেখতে এই দিনে প্রতিটি অক্ষর পায় নতুন জীবন প্রতিটি উচ্চারণ-ই হতে থাকে দায়বদ্ধ। বিশ্ব জেনে গেছে আমাদের ভাষা নিয়ে উৎসর্গের কথা মাতৃভাষা সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বব্যাপে সমাদৃত একুশ কেবল একটি দিন নয় এখন আর যে  একুশের মানে মাতৃভাষার চিরন্তন অধিকার।

প্রিয় বাংলা ভাষা ।। চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী

প্রিয় বাংলা ভাষা চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী   সেজে উঠি ভোরের আলোয় পাখির গানে শিশির ভেজা পথে কলমিলতা ছুঁয়ে কথা বলি ভাটফুলের সাথে। সন্ধ্যার বিগলিত খোঁপায় মুঠো মুঠো জোনাকি মুকুল যেন শ্লেটে আঁকা অ আ ঈ রূপোলিচাঁদ যেন তারই রঙ মাখবে বলে জোছনা হয়ে লুটোয় ধুলোর উপর। মাদলের শব্দ ভাসে মৃগনাভির মতো নাচমুদ্রা গুলি একে একে মেলে ময়ূরপাখা পাঁচালির স্তব আদরে ক্রমশ সবুজ হয়ে উঠে ঘরকন্না। কি দেখছে এমন করে দেখো না দেখো না ভিজতে চাইবে বুকের বেদী মূলে দিগন্ত আলো করে বসে আছে প্রিয় বাংলাভাষা। ===============   Chiranjit Bhandari  Vill+po-shyampur,ps-saltora  Dist:Bankura pin 722158

প্রবন্ধ ভাষার অবমাননা ।। গৌতম সমাজদার

  ভাষার অবমাননা গৌতম সমাজদার  মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের অধিকার প্রত্যেক মানুষের জন্মগত অধিকার এবং মাতৃভাষা প্রকৃতপক্ষে মাতৃদুগ্ধ। মাতৃভাষাই শিক্ষার বাহন হওয়া উচিত। মাতৃভাষার গুরুত্ব যাদের সবচেয়ে বেশী হবে, তারা উন্নতও বেশী হবে। যদিও বিশ্বায়নের যুগে ইংরাজীসহ অন্যান্য বিদেশী ভাষার ব্যবহার অবশ্যই কাজে লাগবে, কিন্তু নিজের ভাষা নিয়ে প্রত্যেককে গর্বিত হতে হবে। মাতৃভাষায় দুর্বল হলে বিদেশী ভাষায় সফলতা আশা করা যায় না। কবি মাইকেল মধুসূদন তার উদাহরণ। মায়ের ভাষায় কথা বলে যেভাবে মনের আবেগ, ব্যথা, বেদনা প্রকাশ করা যায়, তা অন্য ভাষায় সম্ভব নয়। সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক কারণে নিজের মাতৃভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য যখন বিসর্জন দেয়, তখন নিজের জাতি সত্ত্বাটাই হারিয়ে যায়। তবে মানবসভ্যতার বিকাশ ও সার্বিক উন্নয়নে শুদ্ধতম মাতৃভাষার চর্চা খুবই জরুরী। মাতৃভাষার চর্চা অন্য ভাষার শুদ্ধ চর্চা নিশ্চিত করে। মাতৃভাষা গভীর চেতনা ও চৈতন্যবোধের বিকাশ ঘটায়। ভাষাভাষীর দিক দিয়ে বর্তমানে বাংলা ভাষার অবস্থান ষষ্ঠ এবং বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৮ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। দুর্ভাগ্যবশতঃ বাংলা...

আমার প্রাণের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত

আমার প্রাণের ভাষা মানস কুমার সেনগুপ্ত 'আজি বাংলা দেশের হৃদয় হতে কখন আপনি, তুমি এই অপরূপ রূপে বাহির হলে জননী ' । বঙ্গ জননীর রূপের মতো , মধুর বাংলা ভাষা মূর্ত হয়েছে দুই বাংলার অগনিত মানুষের প্রাণের ভাষায়। শুধুমাত্র ভাষার জন্য ওপার বাংলার অগনিত মানুষের আত্মবলিদানে, ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটি স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। দুই বাংলার প্রাণের কবি রবীন্দ্রনাথ এবং নজরুল ইসলামের কাব্য, সঙ্গীত, সাহিত্যের সৃষ্টির উত্তরাধিকার বহনকারী অগনিত বাঙালি আত্মগরিমায় জারিত হয়েছে বাংলা ভাষা চর্চায়। কান্তকবি রজনীকান্ত, অতুলপ্রসাদ সেন, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের কাব্য, সঙ্গীত সমৃদ্ধ করেছে বাঙালির প্রাণের ভাষা চর্চার ইতিহাসকে। পঞ্চ কবির অফুরান সৃষ্টি বিশ্বের দরবারে বাংলা ভাষাকে গৌরবান্বিত করেছে।  বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় বাংলা ভাষার প্রাথমিক শিক্ষার সোপান। রবীন্দ্রনাথের সহজ পাঠ, যোগীন্দ্রনাথ সরকারের আদর্শলিপি এক ছন্দবদ্ধ স্মৃতিমেদুরতার জন্ম দেয়। বাঙালির সাহিত্য চর্চা সমৃদ্ধ হয়েছে বঙ্কিমচন্দ...

একুশের লড়াই ।। বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায়

  একুশের লড়াই বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায়  ফেব্রুয়ারি মানে একুশ তারিখ—রক্ততে ভেজা ফুল, ভাষার লড়াই আজও চলছে সে হয়নি তা নির্মূল। নিজের কণ্ঠ চাপা পড়ে যায় বোবা শব্দের জলে, ভাষা হারাবার যন্ত্রণাঘন সে বোধ কি ভোলা চলে? চিৎকার যত আটকিয়ে আছে শহর এবং গ্রামে, সেগুলোও বুঝি কিনে নেবে ওরা কোনোদিন দর-দামে! তারপর শুধু শেখানো কথায়—'মেক ফিল ভেরি হ্যাপি', ক্ষমতাবানের প্রচারক হবে মানুষ বিশ্বব্যাপী। বর্ণমালার অক্ষরগুলো জেনে যাবে নিশ্চয়, স্বাধীনভাবে তো কোনোটিই তারা আসলেতে ভাষা নয়। লুট হয়ে গেছে অনুভূতিগুলো, খুন হয়ে গেছে স্বর, প্রাণহীন যত উচ্চারণ তা— সবই যে অবান্তর। ফেব্রুয়ারি তাই স্মরণ করায় রক্ততে ভেজা ফুল, একুশে লড়াই এখনো চলছে—হয়নি তা নির্মূল।   .............................        বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায়। ওল্ড নিমতা রোড, বেলঘরিয়া,  কলকাতা- ৭০০০৫৬।

আমার ভাষা ।। অজয় বিশ্বাস

    আমার ভাষা অজয় বিশ্বাস  আমার ভাষা বাংলা ভাষা  আমার প্রাণের ছবি, আমার ভাষা মাতৃভাষা  নিয়ে লেখেন কবি। ভাষা নিয়েই ভাষা দিবস  আমরা পালন করি, হৃদয় জুড়ে হৃদয় দিয়ে  ছবিটাকে ধরি। মাতৃভাষা প্রাণের প্রিয়  যেন নয়ন মণি, আমাদেরই বুকের মাঝে  ওঠে তারই ধ্বনি।   ----------------------   অজয় বিশ্বাস, শ্রীনগর, বিরাটী,কলকাতা-৭০০০৫১,

মায়ের ভাষা ।। নজমুল ইসলাম খসরু

  ।। মায়ের ভাষা ।।  নজমুল ইসলাম খসরু  মায়ের ভাষায় যাদু আছে  আছে মোহ মায়া,  এই ভাষাতেই কথা বলে  পাই সুখ ছায়া।  মায়ের ভাষায় তৃপ্তি আছে  আছে মধুর সুর,  এই ভাষাতেই বাঁশের বাঁশি ক্লান্তি করে দুর। মায়ের ভাষায় আলো আছে  আছে স্বপ্ন আশা,  এই ভাষাতেই প্রিয় সুজন  জানায় ভালবাসা।  বাংলা আমার মায়ের ভাষা  বাংলা আমার প্রাণ,  এই ভাষাতেই ছড়িয়ে আছে  মন মাতানো  ঘ্রাণ।  ---------------------------------- নজমুল ইসলাম খসরু  লাউয়াই, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট  মোবাইল ফোন নং ০১৭১৬১০০৫৫০ ইমেইল mdnazmulislamkhasru@gmail.com

মাতৃভাষা ।। শোভন চট্টোপাধ্যায়

    মাতৃভাষা শোভন চট্টোপাধ্যায়  শ্রদ্ধা করি সব ভাষাকে            বাংলা নিয়ে বাঁচতে চাই, মিষ্টি মধুর মা বলা          মায়ের আঁচল শ্রেষ্ঠ তাই। বাংলা ভাষায় অনেক জাদু             শক্তি জোগায় বাংলা ভাষা, বাংলা মায়ের ছড়ার গানে          মায়ের কোলেই কাঁদা হাসা। বাংলা ভাষায় পথ চলা          বাংলা খুশির গানে, ভাষা আজও ফোটায় হাসি            তুফান তোলে প্রাণে। ভাষায় প্রেম উথলে ওঠে           ভাষায় আগুন ঝরা, ভাষায় আছে রোদের উঁকি           বাংলায় রবির গড়া। সাতসমুদ্র পার হয়ে ভাই          বাংলা ভাষায় বলবো হরি, বিশ্ব চূড়ায় জয়ের মালা         বাংলা ভাষার সোনার তরী।    ============ শোভন চট্টোপাধ্যায়  পোস্ট : চন্দননগর  জেলা : হুগলী 

কবিতা ।। মাতৃভাষার স্বাদ ।। রুহুল আমিন

    মাতৃভাষার স্বাদ রুহুল আমিন বাংলা ভাষার জন্য  বাঙালি দিয়েছে প্রাণ দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ুক বাংলা ভাষার গান। বাংলা বলায় কত তাচ্ছিল্য, কত করছে অপমান তবুও এটাই আমার মাতৃভাষা এটাই নাড়ির টান। এই ভাষাতেই সকল চিন্তা,ভাবনা, কত কল্পনা ও আশা এই ভাষাতেই আমার সকল সুখ, শান্তি ও ভালোবাসা। একুশ মানে রক্তে রাঙা শহীদদের অবদান মাতৃভাষায় রয়েছে বাঙালির আত্ম-সন্মান। ............................... Ruhul Amin Vill- Rahutgaon, P.O- Balia Nawabganj, P.S+DIST- Malda, Pin- 732128

বাংলা আমার মা ।। অশোক দাশ

  বাংলা আমার মা অশোক দাশ আমার ছেলের রক্তে আঁকা  বাংলা মায়ের মুখ, আমার শিশুর কান্না ভেজা কন্ঠে  মা-মা ডাকে অনাবিল সুখ।  ফুটছে শিশুর আধো বোলে কানে শোনা কথা,  প্রথম পাঠে পড়ছে কেমন  আতা গাছে তোতা পাখি যথা। প্রথম চিঠি লাজে রাঙা আবেগে  প্রেম পত্রের  হাতেখড়ি,  মাতৃ ভাষায় মনের কথা প্রাণের কথা  উজাড়  করে  লিখি। বনে-বনে  গাইছে  পাখি  নিজের  ভাষায়  গান,  ছলাৎ-ছলাৎ নদীর বুকে গাইছে মাঝি  জীবন জয়ের আখ্যান।  লুটিয়ে পড়ে পলাশ শিমুল  হাসনুহানা গন্ধে আকুল,  সৌরভে বিকশিত প্রস্ফুঠিত  জোয়ার বানে ভাষায় দু'কূল। সবার  সেরা,  সেরার সেরা  মাতৃভাষা বাংলা আমার মা,  আকাশ ভরা সূর্য তারার মাঝে  শাশ্বত ধ্রুবতারা।  আমার ভাষা   বাংলা ভাষা  অহংকারের   অলংকার,  বিশ্বসভায় শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা  জানে  না  মানতে  হার।  ================ অশোক দাশ  ভোজান, রসপুর, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। 

একুশের গান ।। দীপঙ্কর সাহা

    একুশের গান দীপঙ্কর সাহা আমার প্রিয় ভালোবাসা  বাঙলা আমার মাতৃভাষা।  এই ভাষাতেই তোমায় আমি মা ডেকেছি!  একুশে ফেব্রুয়ারির দিনে রক্ত দিয়ে নিলাম জিনে এইদিনে মা তোমার ভাষার মান রেখেছি।  মাতৃভাষা দিবস নামে জানলো সবে বিশ্বধামে বুকের রুধির বইয়ে দিলাম তোমার তরে।  সেলিম, বরকত, রফিক প্রাণ দিয়েছেন যে সঠিক সঙ্গে আরও ক'জন, বিফল হবে কেমন করে!  ষড়যন্ত্রীর অপশাষণ ব্যর্থ হয়ে হলো পতন রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় অবশেষে মাতৃভাষা একুশের এই সোনার দিনে শহীদ মিনার গিয়ে বিনে কেমনে কাটাই, তুমি যে মোদের ভালোবাসা।  সবুজ ঘাসে রক্ত গোলাপ রুধিরে মাঠ হয় ছয়লাপ শহীদের বুক চিরে যেন রক্ত মেখেছে ময়দান মাগো তোমার ভাষা আমি সেলাম করি আর প্রণমী একুশের পূণ্যপ্রাতে সবে চলো করি জয়গান। =================== DIPANKAR SAHA SE-3 AJANTA APARTMENT SOUTH OFFICE PARA DORANDA RANCHI 834002 JHARKHAND

মাতৃভাষার প্রতি প্রেম ।। অমিত কুমার রায়

    মাতৃভাষার প্রতি প্রেম অমিত কুমার রায়  ফেব্রুয়ারি মানে প্রেম  ফাল্গুন মানে প্রেম  মাতৃভাষার প্রতি প্রেম বাংলা ভাষার প্রতি প্রেম মানে  একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রেম। শহীদদের প্রতি প্রেম  ফুলেদের প্রতি ভালোবাসা  নদীর প্রতি প্রেম সাগরের প্রতি প্রেম পাহাড়ের প্রতি প্রেম  কীলক-লিপির প্রতি ভালবাসা সে আমার বাংলা ভাষা।  ঢাকায় এবং শিলচরে যে  ভাষার জন্য রক্ত ঝরে সে  ভাষার নাম বাংলা ভাষা।  আমার পঠন পঠনের ভাষা আমার মুক্ত কথা বলার ভাষা আমার কবিতা লেখার ভাষা 'আ মরি বাংলা ভাষা'।    =============      অমিত কুমার রায়  ঝিখিরা জয়পুর হাওড়া ৭১১৪০১

বাংলা আমার ।। সাইফুল ইসলাম

বাংলা আমার সাইফুল ইসলাম বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা জীবনানন্দ বাংলা গানে পাগল আমি বুঝিনা ভালো মন্দ। বাংলায় আমি রবি দেখি বাংলায় নজরুল প্রাণ জুড়ানো ভাষায় সদা মন থাকে মশগুল। সূর্য ওঠে মাঝির গানে ডোবে বাউল সুরে বাংলা নামের স্বর্ণতাজ ঘোরে বিশ্বজুড়ে। রক্ত দিল জব্বার বরকত রক্ষীতে এ ধন রক্তে রাঙা বাংলা ভাষা জানে সর্বজন। ধন্য আমার জন্ম যেথা রক্ত মাখা ভাষা সবুজ মায়ের টানেই যেন আবার ফিরে আসা। স্নিগ্ধ সমীর পাখির কুজন মাঝির সুরে গান সঞ্জীবনী সুধা হয়ে জুড়াকনা এ প্রাণ। আমার একুশ থাকো তুমি আমার হৃদয় কোনে বোনো বাসা নিরিবিলি যেমন বাবুই বোনে। ------------------    সাইফুল ইসলাম বর্ধনপাড়া, বীরভূম 

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

মতামত/লেখা এখানে জমা দিন

Name

Email *

Message *

সাম্প্রতিক বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। প্রথম পর্ব : 'প্রেম' বিষয়ক লেখাগুচ্ছ

সূচিপত্র   গদ্য-গল্প-কবিতা প্রেম বিষয়ক কবিতা ।। উত্তম চৌধুরী   উদভ্রান্ত আমি ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || অভিজিৎ হালদার   প্রেম: মানুষের অন্তরে জ্বলে থাকা অনন্ত আলোর নাম ।। আদিল হোসেন মাহি অসমাপ্ত ভালোবাসা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী অসমাপ্ত শ্রুতি ।। জয় মণ্ডল রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র প্রেমিক-জন্ম ।। নবনীতা সরকার সুব্রতাসম্ভব, সহজ গান ।। অর্ণব সামন্ত যৌবনের বিগত ঋণ ।। শম্পা সামন্ত দেখা ।। রাজশ্রী দে খেলাঘর ।। অদিতি চ্যাটার্জি ক্ষণস্থায়ী ।। শ্যামল হুদাতী মন ।। লালন চাঁদ আনমনে ।। সন্দীপ গাঙ্গুলী রজনীর গন্ধে ভেজা রাত ।। কৃষ্ণনীল মিস্টার ব্যানার্জী || আরজু মুন জারিন দুটি কবিতা ।। জয়শ্রী দাস কড়ানাড়া ।। মলয় সরকার অদেখা চিঠির নদী ।। দেবব্রত মণ্ডল অপূর্ণতা ।। ​সুখেন সিনহা জুলি এবং আমি ।। মাখনলাল প্রধান প্রেমের আরেক নাম ।। সুমিত মোদক হৃদয় ঘটিত ।। চঞ্চল পাণ্ডে তোমার জন্য ।। বনশ্রী চক্রবর্তী কল্পপ্রেম ।। প্রদীপ সেন বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায় তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। পর্ব: ২ ।। বিষয় : মাতৃভাষা

  সূচিপত্র শঙ্করের প্রস্থান : বাংলা নগরসাহিত্যের এক মহাযুগের অবসান ।। শিবাশিস মুখার্জী মাতৃভাষা: অস্তিত্বের শেকড়, ঐতিহ্যের ধারক ও সংগ্রামের ফসল ।। উৎপল সরকার অগ্নিগর্ভ একুশে ফেব্রুয়ারি ।। মুক্তি দাশ সঙ্কটে আমাদের মাতৃভাষা চর্চা।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মাতৃভাষা: হৃদয়ের প্রথম স্বর ।। বাসিরা খাতুন আমি বাংলাকে ভালবাসি ।। সৌম্য পাল মাতৃভাষা ।। এস এ বিপ্লব সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি ।। সামসুজ জামান শেকড়ের খতিয়ান ।। মামুন চাকলাদার মধুর ভাষা বাংলাভাষা ।। রবীন বসু মাতৃভাষা ।। দিলীপ সামন্ত ভাষার কথা ।। বি এম মিজানুর রহমান স্মৃতির স্বরলিপি ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ ।। রানা জামান প্রিয় বাংলা ভাষা ।। চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী প্রবন্ধ ভাষার অবমাননা ।। গৌতম সমাজদার আমার প্রাণের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত একুশের লড়াই ।। বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায় আমার ভাষা ।। অজয় বিশ্বাস মায়ের ভাষা ।। নজমুল ইসলাম খসরু মাতৃভাষা ।। শোভন চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। মাতৃভাষার স্বাদ ।। রুহুল আমিন বাংলা আমার মা ।। অশোক দাশ একুশের গান ।। দীপঙ্কর সাহা মাতৃভা...

রিভিউ ।। উপন্যাসঃ এক নদী দুই স্রোত ।। লেখকঃ বিশ্বনাথ প্রামানিক ।। আলোচকঃ জয়শ্রী ব্যানার্জি

গভীর এক উপলব্ধির প্রেমের উপন্যাস 'এক নদী দুই স্রোত' জয়শ্রী ব্যানার্জি    এই গল্প গড়ে উঠেছে শ্রীমন্ত, লক্ষ্মী,হাসিনাকে কেন্দ্র করে। তাদের ত্রিকোণ প্রেমের বাতাবরণে যেমন এক গভীর গোপন ভালোবাসার জন্ম নিয়েছে তেমনই প্রকাশিত হয়েছে মানুষের মধ্যে ঈর্ষা, সংকীর্ণতা, দুর্বলের প্রতি সবলদের দম্ভ ! যেসব চরিত্রগুলো উঠে এসেছে তাদের সবাই আর পাঁচজনের মতোই আলো আঁধারে মিশে আছে । কখনও ভালো কখনও কিছু মন্দ দিক দেখি । শ্রীমন্ত যাকে ভালো শান্ত, পরোপকারী হিসাবে দেখি, হাসিনার প্রতি তার যে গোপন এক  ভালোবাসা, ভালোলাগা ..আবার লক্ষ্মীকেও সে ঠিক উপেক্ষা করতে পারে না, এর মধ্যে কোথাও কোনো বাড়াবাড়ি নেই। ঠিক যেনো পাড়ার ছেলেটি! তার ভালোবাসা স্বপ্ন, ইচ্ছা, হতাশা অভিমান, অপেক্ষা, রাগ ক্ষোভ তার বেকারত্ব  তার প্রতি কিছুজনের কটূক্তি বা উপেক্ষা তার ভিতরের পুরুষকে কখনো জাগিয়ে তোলে কখনও যেন দমিয়ে রাখে!  অপরদিকে মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা হাসিনাকে দেখি লাজুক, শান্ত পড়াশোনায় ভালো মেয়েটি । সেও যেনো খুব চেনা কোনো মেয়েটি । শ্রীমন্তর প্রতি তার যে আকর্ষণ তা পবিত্র লাগে । ওর জন্য নিজের জীবন দেওয়া হাসিনার...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৫তম সংখ্যা ।। মাঘ ১৪৩২ জানুয়ারি ২০২৬

সূচিপত্র   রঙ-চোর ও ধূসর পৃথিবী ।। জয় মণ্ডল বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার রবীন্দ্রনাথের গান—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মণ্ডল জন্মশতবর্ষে ভুপেন হাজারিকা ।। হিমাদ্রী শেখর দাস ক্লান্তশ্বাস ।। দীপালি ভট্টাচার্য প্রতীক্ষা ।। মেখলা ঘোষদস্তিদার দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  অক্ষরের আগুন ।। শম্পা সামন্ত বনসাই জীবনের অদৃশ্য শোকগাথা ।। মেশকাতুন নাহার এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র কাজ এখনও বাকি ।। সৈকত প্রসাদ রায় পালা বদল ।। অদিতি চ্যাটার্জি দুটি কবিতা ।। শামীম নওরোজ ঝুমুরের ঝঙ্কার ।। কল্যাণ কুমার শাণ্ডিল্য রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র জেগে ওঠে ।। সুমিত মোদক ভালো থাক ।। জয়শ্রী ব্যানার্জি আধ ডজন ছড়া ।। স্বপনকুমার পাহাড়ী ঘাসের ডগায় হীরক কণা ।। বদরুল বোরহান পণ্ডশ্রম ।। লালন চাঁদ সে আমার ছোট বোন ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস ভঙ্গুর ।। তূয়া নূর নৈকট্য ।। রহিত ঘোষাল অতিপ্রাকৃত ।। শাহ মতিন টিপু বাঙালি মানসে পৌষ সংক্রান্তি ।। পাভেল আমান ভাগের বাবা ।। দীনেশ সরকার বিরতিবিহীন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পরিযায়ী জীবন ।। শেখ আব্...

বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায়

বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য  সৈকত প্রসাদ রায়  জানালা দিয়ে ভোরের আলো এসে পড়েছে শৌনকের মুখে। কিন্তু তার চোখে ঘুম নেই,স্বপ্নটা এখনও যেন বুকের ভেতর কাঁপছে। সে উঠে দাঁড়িয়ে জানালার পাশে এসে দাঁড়াল। বাইরে শীতের সকাল, কুয়াশার চাদরে ঢাকা শহর। কিন্তু শৌনকের চোখে ভাসছে শুধু সেই লাল বেনারসি, সেই জলভরা চোখ। শৌনক চোখ বন্ধ করল। মনে পড়ল সেই দিনটা। তিন বছর আগে, ১৪ই ফেব্রুয়ারি, সকালবেলা ফোন করেছিল সোনিয়া,গলায় উচ্ছ্বাস। "শৌনক! আজ কী দিন জানিস?" "ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আর আমাদের বিয়ের শপিং এর দিন!" শৌনক হেসেছিল। "ঠিক! দশটায় রেডি থাকবি। আমরা নিউ মার্কেট যাব। আমার বেনারসি শাড়ি দেখতে হবে, তোর শেরওয়ানি, আর..." "আর তোর অসংখ্য শপিংয়ের লিস্ট!" শৌনক হাসতে হাসতে বলেছিল। "হ্যাঁ! আর মা বলেছে লাল বেনারসি নিতে। ট্র্যাডিশনাল। তুই কী বলিস?" "তুই যেটা পরবি, সেটাই সবচেয়ে সুন্দর হবে সোনিয়া।" ফোনের ওপাশ থেকে সোনিয়ার খিলখিল হাসি ভেসে এসেছিল - " আচ্ছা, দশটায় আমার বাড়ির সামনে, দেরি করবি না কিন্তু!" শৌনক ঠিক সাড়ে নয়টায় পৌঁছে গিয়েছিল সোনিয়ার ...

তোকে পাইনি বলে ।। সমীর মন্ডল

তোকে পাইনি বলে সমীর মন্ডল তোকে পাইনি বলে, আজো ভীষণ কষ্ট হয় সবুজ ঘাসে শিশিরের স্পর্শ, মুক্তময় হওয়ার পর যেমন আগের অবস্থায় ফিরে যায় তেমনি মরুভূমির বুকে সবুজ গালিচার প্রাচুর্য থেকে আবারও তুষার ঝড় আসার মতো ঘটনায় বার বার বদল হয়েছে, সুখ স্মৃতির। কেউ বুঝতেও পারে না, কিভাবে মা মাটির গভীরে, রহস্যময় পটপরিবর্তনে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, দু- চারটি পাখি যারা সময়ের হিসাব না রেখে, গেয়ে যাচ্ছে গান উড়ে যাচ্ছে আকাশে,ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলছে বিচ্ছেদের নীহারিকা। কী করবো বল্? ওদের সাথেই কেটে যাচ্ছে, দুঃখ যাপনের সুখগুলি। ডেকে ডেকে যাকে পাওয়া যায় না সেই নিঠুরকে নিজেকে সমর্পণের পর আপসোস করা সত্যিই, বিলাসিতা! .............................. সমীর মন্ডল  শাঁকারীপাড়া, কাঞ্চননগর, পূর্ব বর্ধমান, পিন-৭১৩১০২

খামবন্দী ।। প্রসেনজিৎ দাস

খামবন্দী প্রসেনজিৎ দাস কত স্বপ্ন বন্দি আছে, আকাঙ্ক্ষার খামে  না বলা মনের কথা, লেখা তোমারি নামে। নিঃশব্দে ফেরালে মুখ, প্রতিশ্রুতি ফেলে  নতুন মুখোশ দেখি তোমার, পুরোনোটা খুলে। কিছু খাম অ্যালবামে, কিছু বইয়ের মাঝে রাখা  সাপের খোলস ছিল তোমার, মনের পাইনি দেখা। ভাবনায় কখনো শিউরে উঠি, গ্রাস করে যে ভয়, "মনুষত্ব নিপাট গেলে, মানুষের এমনি হয়?" নেই অভিমান আর, কোন অনুযোগ ও নেই  কুটিলতার স্তবক লেখা, প্রেমের কবিতাতেই। আবেগগুলো ছেড়েও জানি, ভালো থাকা যায়  সম্পর্কের ভার নেওয়া, একার নয়তো দায়। অল্প করে রোজ, আমি কিছু স্মৃতি করেছি ছাই কালো মেঘে বিষের বৃষ্টি, আমি অবাক হয়ে যাই। পুষ্পসম স্বপ্ন ছিল, সাজানো তোমার নামে  বিকিয়ে দিলে স্বপ্নের ঘর, খুবই অল্প দামে।   ------------------------ PRASENJIT DAS C/O - "NIKUNJA CHHAYA" 28/1 NETAJI PALLY MAIN ROAD P.O. RABINDRA SARANI  CITY & P.S. : SILIGURI PINCODE - 734006 DIST - DARJEELING WEST BENGAL ᐧ

সুরঞ্জনা ।। অজিত কুমার সিংহ

সুরঞ্জনা অজিত কুমার সিংহ সুরঞ্জনা, নোতুন চরের মতো জেগে উঠেছে তোমার কনক কতোরা; আমি কি এখন থাকতে পারি তোমাকে ছাড়া। নদীর জলে চান করতে যখন দেখি তোমার ছায়া; জলকেলি করার জন্যে কাঁদে আমার কায়া। চৈত্রের মধ্যাহ্নে যখন দেখি তোমাকে বাড়ির উঠানে ; তোমার হৃদয় নিঙড়ানো সরবত খেতে চায় আমার পরানে।

দুটো কবিতা ✍️ সিদ্ধার্থ লাহা

    দুটো কবিতা ✍️ সিদ্ধার্থ লাহা   সোনালী শঙ্খচিল ডাইনে বা বামে , জানালা বা রাস্তার মোড়ে - দেখ নানা অজুহাতে, অনুভব করি বারেবার। কেন জানাওনি আমায় আকারে, ইঙ্গিতে, ভাষায়? আমি-ও জানতে চাইনি - এক সাতসকালে ঘুম থেকে উঠে বুঝি  - বুকের ভেতর খালি । রক্তক্ষরণের অনুভতি। জানলায় চেয়ে দেখি— তুমি, তুমি, তুমি। ও সোনালী শঙ্খচিল, ফুলে-ঢাকা কৃষ্ণচূড়া ডালে ঠুকরে ঠুকরে আনন্দে খাও, আমার হৃদয়খানি । এত, এত ক্ষুধা— কোনোদিন বলনি কেন? শোনো গো সোনালী শঙ্খচিল, পরের জন্মে হয়ো নোটন পায়রা— এস সাদা ঝোটন বেঁধে বনের ধারে, বুড়ো শিবের মন্দিরচূড়ে। রও না চুপ  - এ জন্মের মতো। দুজন মুখোমুখি - ঠোঁটের কাছে  এনে ঠোঁট, বলো অনেক, অনেক কথা - বকম বকম বকম। মনে থাকবে।     কচ্ছপ হৃদয়  ​তুমি চলে গেলে স্বর্ণমূর্তি রেখে— কনক মূর্তিতে কাজ নেই, রক্ত-মাংসের স্বর্ণকে  চাই। ​আকুল নয়নে রাস্তার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে রই। ​মুঠো মুঠো চুল আকাশে উড়িয়ে— হাসি-কান্নার স্বর্ণকে চাই। ​আগের মতো শীর্ণ হাত মোর বুকে ঠুকে বারবার, মাথা ঠুকে শতবার— বলবে বারে বারে, “হৃদয় তোমার কচ্ছপের মতো, শক্ত খোলাতে ঢাকা, শাওলা...

রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র

ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড অভীক চন্দ্র প্রেম আসলে একটা স্টার্টআপ। পার্থক্য শুধু এই যে, এখানে আইডিয়া পিচ করতে হয় না; চোখের দৃষ্টি পিচ করলেই কাজ শুরু। বিনিয়োগকারীরা অদৃশ্য, কিন্তু ঝুঁকি একেবারে দৃশ্যমান। লাভ-লোকসানের হিসেব মেলাতে গেলে ক্যালকুলেটরের বদলে দরকার হয় টিস্যু। প্রথমে আসে 'আইডিয়া স্টেজ'। বাসে, লাইব্রেরিতে, অফিসের কফি মেশিনের সামনে হঠাৎ করে মনে হয়, "এই মানুষটিকে ছাড়া পৃথিবীটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা!" এই ভাবনাটাই হলো মিনিমাম ভায়াবল্‌ প্রোডাক্ট। এরপর শুরু হয় মার্কেট রিসার্চ। সে কী খায়, কী দেখে, কার পোস্টে লাইক দেয়। প্রাচীন যুগে মানুষ নক্ষত্র দেখে ভাগ্য বিচার করত; আধুনিক প্রেমিক তার টাইমলাইন দেখে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। তারপর আসে ফান্ডিং রাউন্ড। এখানে বিনিয়োগ হল সময়, ঘুম আর আত্মসম্মান। "না না, আমি এমনিই অনলাইনে ছিলাম," এই বাক্যটি হলো প্রেমের প্রথম ভুয়ো ব্যালেন্স শিট। ঘুম কমে যায়, চার্জারের প্রয়োজনীয়তা বাড়ে। মোবাইলের ব্যাটারি যেমন দশ পার্সেন্টে নামলেই লাল সতর্কতা দেখায়, তেমনই প্রিয়জনের 'সিন' হয়ে উত্তর না এলে হৃদয়ে লাল বাতি জ্বলে ওঠে। প্রেমের সিইও আসলে কেউ ন...

বছরের বাছাই

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ৮৬তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩২ এপ্রিল ২০২৫

সম্পাদকীয় এই সংখ্যাটি বাংলা নববর্ষ বিষয়ক সংখ্যা। নৱৰ্ষকেন্দ্রিক বহু তথ্যপূর্ণ লেখা এই সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস, রীতিনীতি, উৎসব, পার্বন, লোকাচার, রূপান্তর বহুবিধ বিষয় প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যার লেখাগুলিতে। এই সংখ্যার বাছাই কিছু লেখার সঙ্গে আগামীতে আরও কিছু লেখা সংযুক্ত করে বাংলা নববর্ষ বিষয়ক একটি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ করার ইচ্ছে রইল।  সকলকে নববর্ষের আন্তরিক শুভকামনা জানাই। উৎসবে আনন্দে থাকুন, হানাহানিতে নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে সহনাগরিকের পাশে থাকুন। মনে রাখুন, ধর্মকে মানুষই সৃষ্টি করেছে। ঈশ্বর আল্লা গড ইত্যাদির জন্মদাতা মানুষই। মানুষকে ভালোবাসুন। মানুষের পাশে থাকুন।  নিরাশাহরণ নস্কর  সম্পাদক, নবপ্রভাত।  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা পয়লা বৈশাখ ।। সিদ্ধার্থ সিংহ নববর্ষকেন্দ্রিক মেলা, পার্বন, উত্সব, লোকাচার ।। সবিতা রায় বিশ্বাস নববর্ষ আবাহন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং বিভিন্ন দেশে ।। তুষার ভট্টাচার্য নববর্ষের সেকাল ও একাল ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নববর্ষের হাল-হকিকৎ ।। শংকর ব্রহ্ম বোশেখি বাঙালি নাকি পোশাকি বাঙালি? ।। দিব্যেন্দু...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৫তম সংখ্যা ।। মাঘ ১৪৩২ জানুয়ারি ২০২৬

সূচিপত্র   রঙ-চোর ও ধূসর পৃথিবী ।। জয় মণ্ডল বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার রবীন্দ্রনাথের গান—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মণ্ডল জন্মশতবর্ষে ভুপেন হাজারিকা ।। হিমাদ্রী শেখর দাস ক্লান্তশ্বাস ।। দীপালি ভট্টাচার্য প্রতীক্ষা ।। মেখলা ঘোষদস্তিদার দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  অক্ষরের আগুন ।। শম্পা সামন্ত বনসাই জীবনের অদৃশ্য শোকগাথা ।। মেশকাতুন নাহার এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র কাজ এখনও বাকি ।। সৈকত প্রসাদ রায় পালা বদল ।। অদিতি চ্যাটার্জি দুটি কবিতা ।। শামীম নওরোজ ঝুমুরের ঝঙ্কার ।। কল্যাণ কুমার শাণ্ডিল্য রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র জেগে ওঠে ।। সুমিত মোদক ভালো থাক ।। জয়শ্রী ব্যানার্জি আধ ডজন ছড়া ।। স্বপনকুমার পাহাড়ী ঘাসের ডগায় হীরক কণা ।। বদরুল বোরহান পণ্ডশ্রম ।। লালন চাঁদ সে আমার ছোট বোন ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস ভঙ্গুর ।। তূয়া নূর নৈকট্য ।। রহিত ঘোষাল অতিপ্রাকৃত ।। শাহ মতিন টিপু বাঙালি মানসে পৌষ সংক্রান্তি ।। পাভেল আমান ভাগের বাবা ।। দীনেশ সরকার বিরতিবিহীন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পরিযায়ী জীবন ।। শেখ আব্...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৫তম সংখ্যা ।। মাঘ ১৪৩২ জানুয়ারি ২০২৬

সূচিপত্র   রঙ-চোর ও ধূসর পৃথিবী ।। জয় মণ্ডল বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার রবীন্দ্রনাথের গান—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মণ্ডল জন্মশতবর্ষে ভুপেন হাজারিকা ।। হিমাদ্রী শেখর দাস ক্লান্তশ্বাস ।। দীপালি ভট্টাচার্য প্রতীক্ষা ।। মেখলা ঘোষদস্তিদার দুটি কবিতা ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  অক্ষরের আগুন ।। শম্পা সামন্ত বনসাই জীবনের অদৃশ্য শোকগাথা ।। মেশকাতুন নাহার এক কৃপণ কৃষকের কিসসা ।। ভাষান্তর : চন্দন মিত্র কাজ এখনও বাকি ।। সৈকত প্রসাদ রায় পালা বদল ।। অদিতি চ্যাটার্জি দুটি কবিতা ।। শামীম নওরোজ ঝুমুরের ঝঙ্কার ।। কল্যাণ কুমার শাণ্ডিল্য রঙিন বৃষ্টির ফেরিওয়ালা ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র জেগে ওঠে ।। সুমিত মোদক ভালো থাক ।। জয়শ্রী ব্যানার্জি আধ ডজন ছড়া ।। স্বপনকুমার পাহাড়ী ঘাসের ডগায় হীরক কণা ।। বদরুল বোরহান পণ্ডশ্রম ।। লালন চাঁদ সে আমার ছোট বোন ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস ভঙ্গুর ।। তূয়া নূর নৈকট্য ।। রহিত ঘোষাল অতিপ্রাকৃত ।। শাহ মতিন টিপু বাঙালি মানসে পৌষ সংক্রান্তি ।। পাভেল আমান ভাগের বাবা ।। দীনেশ সরকার বিরতিবিহীন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পরিযায়ী জীবন ।। শেখ আব্...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। প্রথম পর্ব : 'প্রেম' বিষয়ক লেখাগুচ্ছ

সূচিপত্র   গদ্য-গল্প-কবিতা প্রেম বিষয়ক কবিতা ।। উত্তম চৌধুরী   উদভ্রান্ত আমি ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || অভিজিৎ হালদার   প্রেম: মানুষের অন্তরে জ্বলে থাকা অনন্ত আলোর নাম ।। আদিল হোসেন মাহি অসমাপ্ত ভালোবাসা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী অসমাপ্ত শ্রুতি ।। জয় মণ্ডল রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র প্রেমিক-জন্ম ।। নবনীতা সরকার সুব্রতাসম্ভব, সহজ গান ।। অর্ণব সামন্ত যৌবনের বিগত ঋণ ।। শম্পা সামন্ত দেখা ।। রাজশ্রী দে খেলাঘর ।। অদিতি চ্যাটার্জি ক্ষণস্থায়ী ।। শ্যামল হুদাতী মন ।। লালন চাঁদ আনমনে ।। সন্দীপ গাঙ্গুলী রজনীর গন্ধে ভেজা রাত ।। কৃষ্ণনীল মিস্টার ব্যানার্জী || আরজু মুন জারিন দুটি কবিতা ।। জয়শ্রী দাস কড়ানাড়া ।। মলয় সরকার অদেখা চিঠির নদী ।। দেবব্রত মণ্ডল অপূর্ণতা ।। ​সুখেন সিনহা জুলি এবং আমি ।। মাখনলাল প্রধান প্রেমের আরেক নাম ।। সুমিত মোদক হৃদয় ঘটিত ।। চঞ্চল পাণ্ডে তোমার জন্য ।। বনশ্রী চক্রবর্তী কল্পপ্রেম ।। প্রদীপ সেন বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায় তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। পর্ব: ২ ।। বিষয় : মাতৃভাষা

  সূচিপত্র শঙ্করের প্রস্থান : বাংলা নগরসাহিত্যের এক মহাযুগের অবসান ।। শিবাশিস মুখার্জী মাতৃভাষা: অস্তিত্বের শেকড়, ঐতিহ্যের ধারক ও সংগ্রামের ফসল ।। উৎপল সরকার অগ্নিগর্ভ একুশে ফেব্রুয়ারি ।। মুক্তি দাশ সঙ্কটে আমাদের মাতৃভাষা চর্চা।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মাতৃভাষা: হৃদয়ের প্রথম স্বর ।। বাসিরা খাতুন আমি বাংলাকে ভালবাসি ।। সৌম্য পাল মাতৃভাষা ।। এস এ বিপ্লব সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি ।। সামসুজ জামান শেকড়ের খতিয়ান ।। মামুন চাকলাদার মধুর ভাষা বাংলাভাষা ।। রবীন বসু মাতৃভাষা ।। দিলীপ সামন্ত ভাষার কথা ।। বি এম মিজানুর রহমান স্মৃতির স্বরলিপি ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ ।। রানা জামান প্রিয় বাংলা ভাষা ।। চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী প্রবন্ধ ভাষার অবমাননা ।। গৌতম সমাজদার আমার প্রাণের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত একুশের লড়াই ।। বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায় আমার ভাষা ।। অজয় বিশ্বাস মায়ের ভাষা ।। নজমুল ইসলাম খসরু মাতৃভাষা ।। শোভন চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। মাতৃভাষার স্বাদ ।। রুহুল আমিন বাংলা আমার মা ।। অশোক দাশ একুশের গান ।। দীপঙ্কর সাহা মাতৃভা...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

প্রবন্ধ ।। বেলা তার (Béla Tarr) ও তাঁর চলচ্চিত্রের দর্শন ।। উৎপল সরকার

নীরবতার মহাকাব্যকার:  বেলা তার ও চলচ্চিত্রের দর্শন উৎপল সরকার বিশ শতকের শেষ ভাগ ও একবিংশ শতকের শুরুর দিকের বিশ্ব চলচ্চিত্রের মানচিত্রে এমন কিছু নির্মাতার নাম উজ্জ্বল হয়ে আছে, যাঁরা মূলধারার বিনোদনমুখী সিনেমার বিপরীতে দাঁড়িয়ে সময়, নীরবতা ও অস্তিত্বের গভীর প্রশ্নকে চলচ্চিত্রের ভাষায় রূপ দিতে চেয়েছেন। হাঙ্গেরীয় চলচ্চিত্রকার বেলা তার ছিলেন সেই বিরল শিল্পীদের একজন, যাঁর সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা কেবল গল্পগ্রহণ দর্শননার আস্বাদন নয়—বরং ধৈর্য, মনোসংযোগ ও আত্মঅনুসন্ধানের এক দীর্ঘ যাত্রা।এই সেদিন ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি বুদাপেস্টে তাঁর প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব চলচ্চিত্র হারাল ধীরগতির চলচ্চিত্র ধারার এক অগ্রপথিককে। ১৯৫৫ সালের ২১ জুলাই হাঙ্গেরির পেচ শহরে জন্ম নেওয়া বেলা তার কৈশোর থেকেই সমাজ ও মানুষের প্রতি গভীর আগ্রহ অনুভব করেছিলেন। তাঁর পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ তাঁকে বাস্তবতার খুব কাছ থেকে জীবন দেখার সুযোগ দেয়। সেই অভিজ্ঞতাই পরবর্তীকালে তাঁর চলচ্চিত্রে রূপ নেয় নিরাবরণ, নিষ্ঠুর অথচ মানবিক এক ভাষায়। তিনি ছিলেন কেবল একজন পরিচালক নন—একজন চিন্তাবিদ, যিনি ক্যামেরাকে ব্যবহার করেছেন দর্শনের অনুসন্ধানী ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

রবীন্দ্রনাথের গান—"তাই তোমার আনন্দ আমার পর"—একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল

রবীন্দ্রনাথের গান  "তাই তোমার আনন্দ আমার পর" — একটি ব্যক্তিগত অনুভব ও বিশ্লেষণ ভুবনেশ্বর মন্ডল  রবীন্দ্রনাথের গান শুনলে এবং পাঠ করলে একটা বিশেষ অনুভূতি জাগে মনের মধ্যে। রবীন্দ্র সংগীতের জন্ম যেন রবীন্দ্রনাথের হৃদয়ের অতল গভীর থেকে। আমার মনে হয় এ এই গান কৃত্রিমভাবে সাজানো কোন কথা নয়। এক বিশেষ মুহূর্তের বিশেষ উপলব্ধি জাত সত্য। কবি যেন ধ্যানতন্ময় হয়ে অনুভূতির গভীরে ডুবে হৃদয় সমুদ্র মন্থন করে থেকে রত্ন তুলে এনেছেন তাঁর গানে। রবীন্দ্রনাথের গান যেন কোন বিশেষ ব্যক্তির কথা নয়। এ এক বিশ্বজনীন অনুভূতি ও সত্য। বিশ্বের যে কোন মানুষই নিজেকে মেলাতে পারেন কবির ওই অনুভূতির সঙ্গে। তাঁর মনে হবে এ যেন আমারই কথা, আমারই অনুভব, আমারই উপলব্ধি জাত সত্য। রবীন্দ্রনাথের গানে রয়েছে এক মহাব্যাপ্তি। রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানে যেন সত্য দ্রষ্টা ঋষি তুল্য। মনের সূক্ষ কোমল অনুভূতি গুলি নিয়ে নাড়াচাড়া করেছেন তাঁর গানে। গানগুলি স্বতঃস্ফূর্ত ঝর্ণাধারার মতো। কবি যেন আত্মসমাহিত। তাঁর বিভিন্ন পর্যায়ের গান রয়েছে। প্রেম, প্রকৃতি, পূজা,আনুষ্ঠানিক, স্বদেশ প্রেম মূলক ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথের উপর উপনিষদের গভীর প্রভাব...

দুটি কবিতা ✍️ সিদ্ধার্থ লাহা

দুটি কবিতা ✍️ সিদ্ধার্থ লাহা নষ্ট চাঁদ   নষ্ট চাঁদ তুমি চলে গেলে। শিরায় শিরায় লবণ জলের জোয়ার,  বদ্যি দেখাতে হবে—তুমি ভাবেছো কখনো? সাদাকালো শীর্ণ জলছবিরা  ভেসে বেড়ায় এদিক সেদিক বেঁচে আছে , আছে বেঁচে তবু! কোন একদিন কোজাগরী চাঁদ দেখবে বলে,  নিজেরাও জেগে ফেরে আমাকেও  দেয় না ঘুমাতে। নষ্ট চাঁদ—আমার শরীরে লবণ জলের জোয়ার। গাল দিয়ে নেমে যায় সাগরে  মেশাবে বলে। কদম ছায়াতল তপ্ত মনের বালুকামাঝে —   সবুজ বনানী  আঁকে। বন্যার জলে—নৌকা বাড়িয়ে দেয়, সাঁতার জানো না বলে। রাত-গভীরে স্বপ্নের মাঝে প্রজাপতি হয়ে উড়ে— তুমি দুঃস্বপ্ন দেখো পাছে। তেষ্টা কালে মরু তৃষ্ণার শ্রাবণধারা হয়ে হৃদয় শীতল করে। তুমি  তাকে চিনেছো কি? রাস্তার ধারে কদম ছায়া তলে — হাতভর্তি  কদমফুল, চোখভর্তি আলো তোমা পানে চেয়ে। দিও না ফিরায়ে সে ফুল,  দিও না শুখায়ে যেতে। চেয়ে নিও দু’হাত ভোরে। আকাশ ভর্তি ভালোবাসা কাজলা কালো মেঘ হয়ে তোমার শুষ্ক মুখ দেবে মুছে। ফিরাওনা তারে । -------------------------- Siddhartha Sankar Laha, Durgapur

রিভিউ ।। উপন্যাসঃ এক নদী দুই স্রোত ।। লেখকঃ বিশ্বনাথ প্রামানিক ।। আলোচকঃ জয়শ্রী ব্যানার্জি

গভীর এক উপলব্ধির প্রেমের উপন্যাস 'এক নদী দুই স্রোত' জয়শ্রী ব্যানার্জি    এই গল্প গড়ে উঠেছে শ্রীমন্ত, লক্ষ্মী,হাসিনাকে কেন্দ্র করে। তাদের ত্রিকোণ প্রেমের বাতাবরণে যেমন এক গভীর গোপন ভালোবাসার জন্ম নিয়েছে তেমনই প্রকাশিত হয়েছে মানুষের মধ্যে ঈর্ষা, সংকীর্ণতা, দুর্বলের প্রতি সবলদের দম্ভ ! যেসব চরিত্রগুলো উঠে এসেছে তাদের সবাই আর পাঁচজনের মতোই আলো আঁধারে মিশে আছে । কখনও ভালো কখনও কিছু মন্দ দিক দেখি । শ্রীমন্ত যাকে ভালো শান্ত, পরোপকারী হিসাবে দেখি, হাসিনার প্রতি তার যে গোপন এক  ভালোবাসা, ভালোলাগা ..আবার লক্ষ্মীকেও সে ঠিক উপেক্ষা করতে পারে না, এর মধ্যে কোথাও কোনো বাড়াবাড়ি নেই। ঠিক যেনো পাড়ার ছেলেটি! তার ভালোবাসা স্বপ্ন, ইচ্ছা, হতাশা অভিমান, অপেক্ষা, রাগ ক্ষোভ তার বেকারত্ব  তার প্রতি কিছুজনের কটূক্তি বা উপেক্ষা তার ভিতরের পুরুষকে কখনো জাগিয়ে তোলে কখনও যেন দমিয়ে রাখে!  অপরদিকে মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা হাসিনাকে দেখি লাজুক, শান্ত পড়াশোনায় ভালো মেয়েটি । সেও যেনো খুব চেনা কোনো মেয়েটি । শ্রীমন্তর প্রতি তার যে আকর্ষণ তা পবিত্র লাগে । ওর জন্য নিজের জীবন দেওয়া হাসিনার...