তোমার প্রাণে উচ্ছ্বসিত চিরসাম্যের ধারা, তোমার স্বপ্নে আগামীর ভোর অরুণ উদয়রাগে, তোমার রক্তে টগবগ করে ফোটে নবীন সাড়া, তোমার বুকে দুঃসাহসী যুব নজরুল জাগে। অন্যায় যত, অবিচার আর যত শোষণ-পাশ তোমার কলম করে ছিল উৎপাটনের রোখ, ছত্রে-ছত্রে লেখা ছিল তাদের সর্বনাশ, তোমার মর্মে বেজেছিল শৈশব-হারার শোক। 'অনুভবে' 'অনন্যোপায়' 'অসহ্য দিন' কাঁদে, 'আসন্ন আঁধারে' ফোটে মূক 'আগ্নেয়গিরি', আঠারোর দুঃসাহসকে কে কবে কোথায় বাঁধে? 'কৃষকের গান', 'ঘুমভাঙার গান' স্বপ্ন করে ফিরি। 'গোপন খবর' চুপি চুপি ছড়ায় 'আজব লড়াই', 'এই নবান্নে' মেলে যেন তুষ্টের 'অভিবাদন', দুষ্টের মুখে না যেন রয় হীন 'অবৈধ' বড়াই, নইলে 'চরমপত্রে' হবে দুষ্টের পক্ষশাতন। কবিতাকে না দিতে হয় আজকে যেন ছুটি, পূর্ণিমা চাঁদ যেন থাকে সেই পূর্ণিমা চাঁদ, ক্ষুধার রাজ্যে না হয় যেন তা ঝলসানো রুটি, এ ধরাকে সইতে না হয় গদ্যের অপবাদ। ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।