Skip to main content

Posts

শ্রদ্ধাঞ্জলি ।। করুণাময়ী ফ্লোরেনস ।। আনন্দময়ী মুখোপাধ্যায়।।

   করুণাময়ী ফ্লোরেন্স     আমরা ভুলেই গেছি কোমল হৃদয় মেয়েটিকে একবার ও সেই দীপধারিনী  সেবাময়ীকে শ্রদ্ধা জানালাম না তার দ্বিশত জন্মবর্ষপূ্র্তিতে।     200 বছর আগে মেয়েদের সব দেশেই সব কাজেই ছিল বাধার দুর্লঙ্ঘ্য প্রাচীর। সেই পরিবেশেও মেয়েটি নিজের ও অন্য মেয়েদের জন্য একটি অসাধারণ স্নেহ মাখা স্বাধীন বৃত্তির স্বপ্ন দেখেছিল।      তার স্বপ্ন ছিল সেবা দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তিদের আরোগ্য করে তোলা। তিনি সারা পৃথিবীর মেয়েদের জন্য একটি সেবামূলক বৃত্তির পথ খুলে দিয়ে গেছেন। সমাজে অবহেলিত লাঞ্ছিত নারীরা শুশ্রুষাকারিনীর বৃত্তিতে এসে নিজেদের মনের মত কাজ ও সম্মান খুঁজে পেয়েছে। অবহেলিত কত নারী মর্যাদা লাভ করেছে।     তিন্নি করুণাময়ী ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল, তার জন্ম হয়েছিল1820 সালে। এই 2020 তে তার 200 বছর পূর্ণ হল। এই অবসরে তাকে একটু সম্মান করি একটু স্মরণ করি।     ফ্লোরেন্সের পিঠা ইংল্যান্ডের ডার্বিশায়ার অঞ্চলের একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন। ধনবান পিতা মাতার ঘরে ফ্রেন্ডস তাদের ডারবিশায়ারে বাড়িতে যত্নে লালিত-প...

নারী বিষয়ক নিবন্ধ ।। বনশ্রী রায় দাস

ভেঙে দাও লজ্জার কপট কপাট বনশ্রী রায় দাস এ যেন ছেলে ভোলানো কথা সমস্ত অধিকার তোমায় দিলাম কিন্তু কোনো অধিকারই প্রকৃত   কার্যকরী হয় না কিংবা হতে হতে অর্ধেক জীবন   অথবা গোটা জীবনই পেরিয়ে যেতে পারে । আদপে নারীজাতি কী প্রকৃত মানুষের সম্মান     অথবা মর্যাদা পেয়ে থাকেন? আসলে অধিকাংশ পুরুষ নারীকে একটি নির্দিষ্ট গম্ভীর মধ্যে দেখতেই অধিক সাচ্ছন্দ বোধ করেন । নারী হবে সংসারী অঙ্কশায়িনী লাজবন্তী ইত্যাদি ইত্যাদি । হাতের তালুতে রেখে নাচিয়ে নেওয়া যায় ইচ্ছে মতো।তাই তো ঘরে বাইরে নারী প্রতিক্ষণে নিপীড়িত । যৌনতার নিরিখে যথেচ্ছ বববহার করা হয় বিজ্ঞাপন থেকে শুরু দেবতার আসন পর্যন্ত ।                      পুরীর মন্দিরে প্রায় আটশ বছর ধরে নারীদের দেবদাসী বানিয়ে দেবতার চরণে উৎসর্গ করার রীতি প্রচলিত ছিল। পুরোহিতরা সেই সমস্ত কিশোরী কিংবা যুবতীদের দেবতার চরণে উৎসর্গ করে নিজেরাই যথেচ্ছ যৌনাচার চালাতো।তাহলে ভাবুন এরা এতোটাই পাপিষ্ঠ     মানুষের চোখে ধর্মের ধুলো ছিটিয়ে মন্দিরকে   করেছে যৌনতার কেন্দ্র ভূমি।তবে 2015 সালে এই বর্বরতা বন্ধ...

নারীপাচার কেন? ।। নিবন্ধ ।। শেফালী সর

নারীপাচার কেন? শেফালি সর আমাদের আধুনিক ও উন্নত সভ্য সমাজে নারীরা অবস্হান ঠিক কোথায় সেটিই আগে জেনে নেওয়া দরকার। একসময় আমাদের মনুষ্য সমাজ ছিল মাতৃতান্ত্রিক। মায়ের পরিচিতিতেই সন্তানের পরিচিতি হ'ত। ঠিক এমনি ধর্মবিশ্বাসের জন্য নারী পূজিতা হ'তেন কখনো মাতৃরূপে,দেবীরূপে। মানব সমাজের গোড়ার দিকে মানুষের প্রয়োজনের দুটি  কাম্য বস্তু ছিল-একটি সন্তান ও অপরটি হলো শস্য। যাযাবর জীবনের অনিশ্চয়তার হাত থেকে মুক্ত হ ওয়ার জন্য , প্রকৃতি ও হিংস্র জীব জগতের সাথে লড়াই করার জন্য চাই গোষ্ঠী আর শস্যের প্রাচূর্য।আর ঠিক এই কারণেই মানুষের দৃষ্টিতে নারী ধরিত্রী। সন্তান ধারণের প্রাকৃতিক নিয়ম থাকার জন্য নারী মহিমান্বিত অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত হ'ল সমাজে তথাকথিত মানুষের দৃষ্টিতে। তাই সমাজে মাতৃ পূজার সৃষ্টি হ'ল। নারী মাতৃরূপে প্রতিষ্ঠিত হ'ল সমাজে।     মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রাম যত ই এগিয়েছে পুরুষের সামাজিক শ্রম তত ই হয়ে উঠেছে দক্ষ।উন্নত হয়েছে তাদের হাতিয়ার।এর জোরে ই পুরুষ সামাজিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত উৎপাদন করতে পেরেছে। সেই অতিরিক্ত সম্পদ পরিনত হয়েছে সম্পত্তিতে।সেদিক থেকে নারীদের গার্হস্থ্য...

কবিতা ।। স্বপ্ন ।। মুহা আকমাল হোসেন ।।

 স্বপ্ন  মুহা আকমাল হোসেন  স্বপ্নের হিসাব ভুলভাল হলে,  চাঁদ মরতে আসে নৌকার নিচে।   আমাদের ভাগ্যের  লন্ঠনের কাছাকাছি  ছড়ানো  শানিত জোছনা কণা।  কপাল পোড়া কটা মাছ নিখোঁজ!  যথেষ্ট জলজ সন্ত্রাসে!  শূন্য বন্দর! উন্মাদ হাওয়া।  আখড়ার পরকীয়া আড়াল করে                                বট অন্ধকার!  যৌবনের রিড থেকে উড়ে যায়  জোনাকির ঠান্ডা আগুন...  ------- Author & Social Worker Md. Akmal Hossain  Editor - Yatrik  Address :  Vill. Brohmottor, P.O. Choto Sujapur, P.S. Kaliachak, Dist. Malda Pin-732206, West Bengal, India. Mobile : 9734934497 Youtube : https://www.youtube.com/channel/UCnpcss2bALK2doedPPTRkSg?view_as=subscriber          

দুটি কবিতা ।। তুষার ভট্টাচার্য

    শিকড়ের মায়াটানে _____________________ বীজপত্রের ভিতরে আমি লুকিয়ে রাখি জীবনের  অপূর্ণ সাধ স্বপ্নগুলি , চারপাশে শীতার্ত বাতাসে শুনি  শুকনো হলুদ ঝরাপাতার মর্মর গান , আহত পাখির দু'ডানায় দেখি  যন্ত্রণার ক্ষত চিহ্ন ; তাই ভাঙাচোরা ব্যর্থ জীবন আমি বেগুনি রোদ , ঝড় ,ধুলো বৃষ্টি,উত্তাল সমুদ্র হাওয়ার হাত থেকে আড়াল আবডালে লুকিয়ে রাখি  বীজপত্রে , আমার শিকড়ে ; বুকের ভিতরে জমিয়ে রাখা অনন্ত  আকাশ কুসুম স্বপ্নগুলি  আমি দিয়ে যাব সন্তানের দুই হাতে ; আমি বেঁচে থাকি শুধু শিকড়ের মায়াটানে শূন্যতার বাগানে  _________________________________   শূন্যতার অশ্রু বাগানে মরা ঘাসের বুকে জমে আছে যত গূঢ় অভিমান , দু'চোখের পাতায় লেগে যত  আছে ব্যথার গান , সেখানে যদি কখনও ভেসে আসে  নদীর তির তির ঢেউ , কল কল কলতান , তবে ভাঙা হৃদয়ে আবার  নীরবে জেগে উঠবেই প্রথম ভালবাসার মায়া মৃদঙ্গ স্মৃতির ঝুমুর গান ________________________________________ তুষার ভট্টাচার্য /পো:কাশিমবাজার/বহরমপুর/ জেলা :মুর্শিদাবাদ /৭৪২১০২ / দুরভাষ :৯৪৭৫৭৭৪৯৯৬ / ০৪ /১০ /২০২০ /

কবিতা // বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়

পার্থক্য চোখের উপর হেঁটে যাচ্ছে জন পদ একটি সমুদ্রের ভেতর কালো গর্ত গিলে নিচ্ছে সব মাস্তুল অসংখ্য ঘাস আর বৃক্ষ পৃথিবী একটি দূরত্ব শুন্য হয়ে আসছে আছড়ে পড়া ঢেউ এর মুখে। প্রান্তর জুড়ে গড়ে উঠেছে প্রাচীন হাট দামের ফারাক এ চিনি নিচ্ছে ভুয়ো অস্তিত্ব টাই প্যান্ট আর ধুতির ফাঁকে সেই একই মাংস পিন্ড একটি অর্ধভেদ্য পর্দার আড়ালে নর্দমার আলেয়া হঠাৎ সূর্য ডুবে গেলে একটি কালো আঁধার দিয়ে মুছে ফেলা হয় পার্থক্য। সব জাহাজই  পথ হারিয়ে হয়ে ওঠে বেদুইন পথের পার্থক্য জল হয়ে যায় তখন শুধুই ভাসা জনপদ নিশ্চিহ্ন হলে বুজে আসে চোখ। ################## বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় গ্রাম পোস্ট.  বৃন্দাবনপুর বাঁকুড়া 9732154888

তিনটি কবিতা ।। দীপ্তেন্দু বিকাশ ষন্নিগ্রহী

 ১. বিষ চৌচির  দালানের আশ্রয় স্থলে খুলে রেখেছো বিষদাঁত খোলস সেখানের অসমাপ্ত জলসায়  শেষরাতের ছোবল স্মৃতি  দেওয়ালের নিস্প্রান তেলছবি ঘসে যাওয়া মুখ দিব্বি হাসছে বাঘ মেরে গোঁফে তা দিচ্ছে একছাদ পায়রারা দানা খায় আজন্মকাল।  ২. ফুটপাত  ফুটপাতে আশ্রয় নিয়েছে পৃথিবী  কালো রাত্রি বিশাল চাদর ল্যাম্পপোস্টর থেকে বিষাদ আলো সেকেন্ডর কাটায় ছবি আঁকছে প্রহর মাথা গুনছে চকিতে চকমকি চোখ  হেডলাইটের ঠিকরে পড়া আলো  খুঁজছে না আর নিজের লোক.. ৩. মাকড়সার গল্প জাল পাতা আছে  প্রতিটা কোনায় ওখানে আটকে যায় ললিপপ ভোর মাসকাবারি ফর্দ  সিড়ির নীচের জালে খয়ে যাওয়া সুকতলা  আরেকটা জালে দোলখায় তালি মারা ব্যাগ তার ভিতরে ফাও পাওয়া দুটো লংকা...

মুক্তগদ‍্য ।। সোমনাথ বেনিয়া

কী কারণ, অকারণ এবং স্ফুরণ  সিগারেট ধরালে প্রেমিকার মুখ মনে পড়ে নাকি প্রেমিকার মুখ মনে পড়লে সিগারেট ধরাই! যার কাছে এর উত্তর খুঁজতে যাবে সেই তো প্রথম বলেছিল, "তুমি সিগারেট খেতে পারো।" আবার শেষে বলেছিল, "ওসব ছাইপাঁশ না খাওয়াই ভালো।" অত‌এব এই দ্বন্দ্ব সমাস (কথায় বলে শিখতে লাগে ছ-মাস) পরীক্ষার খাতায় রসগোল্লা আনবে নাকি মিহিদানা, জানা নেই। এই না জানার অনেক সুবিধা আছে। পাশের বাড়ির নারকেল গাছ থেকে ছাদে দাঁড়িয়ে নারকেল পেড়ে না জানার মতন সুবিধা। আড়চোখে কোনো অষ্টাদশীকে আন্ডারলাইন করে দিলাম, তা সে নিজেও জানলো না! অথচ এক হাতের উপর অপর হাত রেখে হৃদয়ের কাছে নিয়ে বলেছিলাম, "যাহা বলিব সত‍্য বলিব, সত‍্য ছাড়া মিথ‍্যা বলিব না!" কিন্তু ঠিক সময়ে মহাশয় অস্বীকার করে নির্বিকার ভাবে পেরিয়ে গেছে খেয়ালি পার্কের গলি, আকাশের অন্তর্বাসে থাকা বিকেল কিংবা বাথরুমে চিত হয়ে থাকা আরশোলার ছটফটানি। ঘটনাচক্রে ভালোবাসার ক্রেডিট কার্ডে রোদ ছিল। তাই সহজেই আকৃষ্ট হতো তুলারাশির দল। মৃদু হাসলে স্কুটিতে বসার জায়গা বেড়ে যেত। বাম্পারে (ঘুমন্ত পুলিশ) ইচ্ছে করে হোঁচট খাইয়ে আর‌ও কাছে আনা। কেউ কি কিছুই বুঝতো...

ছোটগল্প।। শিকার ।। অলোক দাস

শিকার                                                                         আজ বিকালে কালবৈশাখীর প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। কালো মেঘ চারিদিকে অন্ধকার করে রেখেছে। খেলার জন্য অনেকেই মাঠে এসেছিল; হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি আরম্ভ হওয়াই সবাই ক্লাবেই ঢুকেছে। বিকালে খেলতে না পেলে মনটা কেমন বিষন্ন হয়ে যায়; আজও সেই রকম বোধ হল। এতো জোরে ঝড় হচ্ছে যে ক্লাবের দেওয়াল পর্যন্ত কাঁপছে। আমরা সবাই ক্লাবের ভেতরে নিস্তব্ধ হয়ে বসে আছি। তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না, মিনিট কুড়িকের মধ্যেই থেমে গেল। কিন্তু যেটার জন্য আমাদের বিকালে মাঠে আসা, সেটা আর হলো না; ক্রিকেট খেলাটা মাটি হয়ে গেল।  হঠাৎ অন্ধকার হয়ে আসা জগৎ থেকে আলো বিচ্ছুরিত হলে আমরা বেশ কয়েকজন প্রফুল্ল মনে ক্লাবের বাইরে এলাম। দেখলাম কাবেল দাদু গুটি গুটি পায়ে ক্লাবের দিকে আসছে।  আমাদের কাছে এসে একটু ফিক করে হেসে বলল, "কিরে তোদের খেলার তো আজকে বারোটা বেজে গেল!" অমিয়দা ...

ছড়া ।। টুম্পা মিত্র সরকার

আষাঢ়ের পদ্য আয় রে বেলি আয় রে কদম চম্পা বকুল জুঁই লাজুক লাজুক বৃষ্টি ফোঁটায় তোদের খানিক ছুঁই ৷ আয় হিঞ্চে আয় কলমি আয় মালঞ্চবন তোদের সঙ্গে মনের কথা বলি কিছুক্ষণ। আয় রে কাগা আয় রে বগা মাছরাঙা আর হাঁস বৃষ্টিমধুর এই দিনেতে ছুটির অবকাশ ৷ আয় রে দিঘি আয় রে পুকুর ভরা নদীর কূল জলপদ্য লিখছি বসে খুশিতে মশগুল ৷ ......... টুম্পা মিত্র সরকার গ্রাম+পোষ্ট—দেয়াড়া জেলা—পূর্ব বর্ধমান পিন—৭১৩৪০৯ ফোন—৯৭৩২০৯১০৩৭ ভারত বর্ষ

স্মৃতিগদ্য // সুবীর ঘোষ

শারদীয় আবহে টুকরো কথা   অভূতপূর্ব পরিস্থিতি এ বছর । ফেব্রুয়ারির শেষে যখন শারদীয় সংখ্যার জন্য গদ্য লেখায় হাত দিয়েছি তখন কে জানত এ বছর সব কিছু লন্ডভন্ড হয়ে যাবে । শক হুন বর্গি এদের লুণ্ঠনে মানুষ যেভাবে দিশাহারা হয়ে যেত এক অদৃশ্য ভাইরাসের আক্রমণে সারা পৃথিবী একপ্রকার অবরুদ্ধ । লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণনাশ । যাতায়াত ব্যবসা বাণিজ্যের পথ অবরুদ্ধ । এ হেন পরিস্থিতিতে এ বছর দুর্গোৎসব হবে কী না সংশয় ছিল । যাই হোক্ , মানুষের আবেগ ও এই উৎসবের সঙ্গে জড়িত বিপুল আয়ব্যয়ের কথা মাথায় রেখেই স্থির হয়েছে পুজো হবে । নিয়মবিধিও পালন করতে হবে করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ।   এ বছর তাই পুজোর সেই উন্মাদনা নেই । মানুষের মন ভালো নেই । বহু বাড়িতে প্রিয়জন হারানোর শোক । তবু জীবনকে এগিয়ে যেতে হবে । সংসারচক্রের এটাই নিয়ম । এ বছর আবহাওয়া কেমন থাকবে জানি না। বাতাসে হেমন্তের আভাস পেতে শুরু করেছি । এ বছর ঋতুচক্রের ভারসাম্য অনেকটা ফিরে এসেছে । সুষম বৃষ্টি হয়েছে । অবশ্য আমফানের মতো মারাত্মক ঘূর্ণিঝড়ও কিছু কিছু স্থানের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় বিপুল ক্ষতিসাধন করে গেছে মানুষের । ...

ছড়া // রিয়াদ হায়দার

মায়ের কাছে ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, কাশের বনে দোলা দিয়ে শরৎ যখন আসে, মনটা তখন উদাসী হয় স্বপ্নতরী ভাসে! চারিদিকে ঢাক গুড় গুড় মায়ের ছবি মনে, মা আসছেন ভূবন জুড়ে সবার ঘরের কোণে! আদর দিয়ে সোহাগ দিয়ে করবো মা'কে স্মরণ, শিউলি-পলাশ রাঙিয়ে দিয়ে করবো মা'কে বরণ! তাঁর ছোঁয়াতে ধন্য হয়ে গাইবো জয়গান, মায়ের প্রতি তাইতো সবার অপূর্ব এক টান! মা আসছেন ভুবন জুড়ে খুশির ঝিলিক উঠুক, হিংসা-বিবাদ ভুলে গিয়ে সম্প্রীতি ফুল ফুটুক! মা আসছেন শরৎ মেখে ভরিয়ে সবার প্রাণ, চাইবো মাগো সব সমস্যার হোক না অবসান! ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, রিয়াদ হায়দার সরিষা আশ্রম মোড় পোস্ট - সরিষা থানা - ডায়মন্ড হারবার জেলা - দঃ২৪ পরগনা

রবীন বসুর কবিতা

হারিয়ে গেলেন জীবনানন্দ দাশ এই দেখুন, বলতে ভুলে গেছি। কাল সন্ধ্যায় রাসবিহারী মোড় থেকে দেশপ্রিয় পার্ক পর্যন্ত হেঁটে আসছিলাম। আমার সঙ্গী কে ছিল জানেন? ওই যে-- 'চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা'। ম্লান মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাসবিহারী  মোড়ে কল্যাণদার বুকস্টলের এক কোণে ; ভাসা ভাসা চোখে দেখছিলেন পত্র-পত্রিকা, পুরনো বই, নতুন বই, অক্ষরের সজ্জাবিন্যাস-- করোনা-আক্রান্ত দিন কেমন ফাঁকা ফাঁকা, নিজের মধ্যে নিজে মুখ গুঁজে নিঃসাড়ে আছে ; আমি পায়ে পায়ে পাশে গিয়ে দাঁ ড়াই, নিঃশব্দে। তিনি দেখছেন, তিনি দেখছেন না। তবু যেন  বড়ই অস্থির। রামকৃষ্ণের ভাবসমাধি হত ; আর এই কবি কি ভাব-সমাহিত। একটা পত্রিকা হাতে নিলেন, অন্য হাতে আমাকে খামচে ধরলেন। ' দেখ, দেখ ! আমার নামে পত্রিকা ! আমার নামে ! আমি তো দূরতর দ্বীপ ! ঘাড়ভাঙা মেঠো ইঁদুর !  শিশিরের জল ! লাশকাটা ঘরে শুয়ে আছি  টেবিলের পরে ! চল চল, তোমাকে পার্কে নিয়ে যাবো।  সবুজ ঘাস, নীলাভ অন্ধকার, রুপোলি জ্যোৎস্না আর অনন্ত নক্ষত্রবীথি…  দেখাব তোমাকে, দেখবো… আমি এক মর্বিড আত্মমগ্ন চেতনায় আচ্ছন্ন হয়ে তাঁর  পাশেপাশে হাঁটতে ল...

কবিতা // ইন্দ্রাণী পাল

  দিনলিপি এক একটা সুখের দিন খচখচ করে আর আমি একটা পোড়ো বাড়ির সামনে বসে থাকি মুড়ি আর মিছরি নিয়ে এখানে মানুষেরা খুব তাড়াতাড়ি হাঁটে ছায়ার ভিতর ছায়া দীর্ঘতর হয় আর বিদেশী মেয়েরা কুকুর নিয়ে ঘুরতে বেরোয় আমিও হাঁটতে থাকি পিছোতে পিছোতে একটা খাদের ধারে এসে দাঁড়াই একটা চোখ নেমে যায় অন্ধকারের ভিতর।   ************************************************************ Indrani Pal Vill-Janai (Samanta Para) P. O.-Janai  Dist.-Hooghly Pin-712 304 indranipal14@gmail.com

কবিতা ।। সম্পা পাল

নীল আয়োজন স্বপ্ন এখন কেমন আছে ? তারপর কি ঘুম এসেছিল ? বছর চলে গেছে ঘুম স্টেশনের ব‍্যালকোনিতে এখনও একটি পরিচিত রোদে শীতের শিহরণ ঘন্টা, মিনিট জেগে যায় পাথর পড়ার আওয়াজে গল্পের শুরু এখানেই, পশমিনা শাল গায়ে জুলাই এখনও অনন্ত অনুভব অমিত লাবণ্য ভিজেছিল এই বৃষ্টিতেই যদিও হ্দয়পুরের রাস্তা নগরেই শেষ তবু সাদা বক ঘন নীল আকাশের দিকে.... যদিও রঙের আকাল এখনও দিনের শুরু এবং শেষে তবু সীমানায় নীল আয়োজন  -------------------------- সম্পা পাল , শিলিগুড়ি 

কবিতা ।। সুমনা ভট্টাচার্য্য

ইলিউশন    একটা কবিতার হাত ধরে চলে যেতে পারি বহুদূর অলিগলি পেরিয়ে চৌমাথার মোড়ে … তারপর ধানের ক্ষেত আর আকাশের সমীকরণ  দুপাশে রেখে পৌঁছে যেতে পারি  কাঁটাতার আর ছেঁড়া কাঁথা সেলাইয়ের গল্পগুলোর কাছে - কিন্তু হয় না ক্ষত বিক্ষত দিনগুলি সামনে এসে দাঁড়ায়- কানের কাছে ফিসফিস করে ওঠে "চলে এসো, এখনো কিছুই গোছানো হয় নি …" অতএব……বাস স্টপেজের হাতলভাঙা চেয়ারে কবিতাকে অপেক্ষায় রেখে চলে আসি অগোছালো দিনের ভাস্কর্য নির্মাণে ; দিনের শরীরে মুখ হাত নখ দাঁত জুড়তে জুড়তে আর সেই নখ দাঁতের নিরন্তর মোকাবিলা করতে করতে টের পাই আমার ফেলে আসা কবিতার রোদপোড়া তামাটেবর্ণ শরীরের দিকে বাদামওয়ালা এগিয়ে দ্যায় দশ টাকার উপশম, ঈশ্বর ভেবে পথচলতি ভিখারি কবিতার দিকে বাড়িয়ে দ্যায় টি নের বাটি - আর পানের দোকানের দড়িতে ঝুলে থাকা স্ফ‌ুলিঙ্গ ওষ্ঠে ছুঁয়ে ছেলে মেয়েরা কবিতার বুকে গেঁথে দ্যায় ধোঁয়ার গুল্ম । টের পাই বৃষ্টির ফোঁটায় কবিতার শরীর থেকে ওঠা সোঁদা ভাপ কেমন সোজা উঠে যায় শহরের বাক্স খোপের ঠিকানায় - সেসময় আমার মেয়ের চোখ জ্বল...

গল্প ।। মৌসুমী দত্ত

  ঋণশোধ  ................................... সখি , ভাবনা কাহারা বলে, সখি, . যাতনা  কাহারা বলে তোমরা যে বলো দিবস-রজনী 'ভালবাসা ' 'ভালবাসা '-  সখি ভালবাসা কারে কয়! সেকি কেবলই  যাতনাময়। রবীন্দ্র সংগীত প্রতিযোগিতার শেষ প্রতিযোগী 'পিয়াসা ' যখন মঞ্চ থেকে নামল তখন ঘড়িতে রাত নয়টা। এরপর ফলাফল ঘোষণা ও পুরষ্কার বিতরণী উৎসব । প্রত্যেক বারের মত এবারও প্রথম পুরস্কার পিয়াসার ঝুলিতে। সব কিছু যখন মিটলো, তখন ঘড়ির কাঁটা দশটা পার করেছে । মা নিশ্চয় রাস্তা - বাড়ি করছেন । বাবা অফিসের কাজে বাইরে গেছেন। না হলে এই সব দিন গুলো তে উনি উপস্থিত থাকেন । দেরি না করে পিয়াসা পা চালালো । ওদের বাড়ির সামনের গলি টা অন্ধকার।  হঠাৎ দেখে ' অয়ন "উলটো দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে । কাছে যেতেই বলল ''এদিকে একটা কাজে এসেছিলাম ,কিন্তু কাজটা হল না , তোমার বুঝি কমপিটিশন ছিল? দেখা যখন হয়েই গেল, চলো বাড়ি পৌছে দিয়ে আসি।'' ' পিয়াসা জানে অয়ন ওর জন্যই অপেক্ষা করেছে। গান গাওয়ার সময় দূরে দাঁড়িয়ে থাকা অয়নকে স্টেজে থেকে ও লক্ষ্য করেছে । পিসতুতো দাদার বন্ধু অয়ন। সেই সুত্রেই ওর সাথে পরিচয় । ঠিক ...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

মতামত/লেখা এখানে জমা দিন

Name

Email *

Message *

সাম্প্রতিক বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

তারা খসার আলোয় ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

তারা খসার আলোয়  তীর্থঙ্কর সুমিত  কিছু বলার থেকে  চুপ থাকাটাই শ্রেয় মতামতের পেন্ডুলামে সময় আটকে আছে  ইতিহাসের চোরাস্রোতে  তাই এখনও জোয়ার কিম্বা--- মনে পরে যায় ফেলে আসা অতীত  মুখে-চোখে  বিবর্ণতায় ঢেকে যায় শহর  তোমার কথায় জেগে থাকা রাত  অন্ধকারে মাখামাখি বারুদ এখন! তারা খসার আলোয় নিজেকে দেখি।  ============== তীর্থঙ্কর সুমিত  মানকুণ্ডু, হুগলী  পিন -৭১২১৩৯

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

কবিতা ।। সুশান্ত সেন

কবিতা সুশান্ত সেন কোবতে লেখা সহজ নয় ত মোটে কল্পনা নেই। কি নিয়ে সে ছোটে! ছুটবে কেন? সে কি রেসের ঘোড়া বাজি জেতার তার নেই কি জোড়া? বাজি?  সে ত কালি পুজোয় ফাটে ভয় পাই যে দাঁড়িয়ে চৌকাঠে। চৌকাঠ টা বেজায় বড় বাঁধা পেরিয়ে যাওয়া বেজায় শক্ত, দাদা! অন্বেষণে বিরাট বিকট শব্দ কোবতে খানা তাতেই হবে জব্দ।   ============ সুশান্ত সেন ৩২বি , শরৎ বসু রোড কলিকাতা ৭০০০২০

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

কবিতা: জয়তী রায়

এক ভ্রষ্টা নারী ও আদর্শ " অ্যই মেয়ে তোর দাম কত রে ,,,,? "  ক্রসিং এ দাঁড়ানো অটোতে বসে  কথাটা কানে যেতেই মুখ ঘুরিয়ে দেখতে পেলাম মেয়েটাকে। সস্তার চুমকি বসানো চড়া সবুজ রঙের শাড়ি পরা , লাল রক্তের মতো রাঙানো ঠোঁট আর সস্তার স্নো পাউডার মাখা মৃত মুখ। স্বপ্নসুন্দরী তিলোত্তমার বিশেষ কিছু এলাকায় পথের ধারে  এমন বেসে অনেক রূপমতিকেই দেখতে পাওয়া যায়। চট করে মনে পড়ে গেল অতীতের কথা ,,,,,,, রূপমতি ওরফে রূপা। হ্যাঁ আজ আমি অনেকের কাছে পরিচিত ' রূপা '। একটা সময় আমারও অস্তিত্ব ছিল এই রাজপথ। খট খট ,,,,,,,,খট খট ,,,,,,,, আজও মনে পড়ে সেদিনের কথা ,,,,,,,,, দরজার জোর শব্দে ঘুমটা ভেঙে গেল। " কে ,,,,,,,? কে ওখানে ,,,,,,,,?" ভয় মিশ্রিত গলায় জিজ্ঞেস করে উঠলে  প্রথম তোমার গলা শুনলাম ,,,,,,, " দরজা খোলো , ভয় নেই কোনো ক্ষতি করবো না ,,,,,,,," কি ছিল সেই গলায় জানি না। মন্ত্রমুগ্ধের মতো দরজা খুলতেই হুড়মুড়িয়ে তুমি ঢুকে পড়লে ঘরে। উস্কো খুস্কো চুল ক্লান্ত অথচ আগুন ঝরা দুটো চোখ ,,,,,, প্রথম তোমায় দেখলাম।  কেন জানি না দেখা মাত্রই ম...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

বছরের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৪তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

  এই সংখ্যায় একটি গ্রন্থ আলোচনা ও একটি ধারাবাহিক রচনা ছাড়া সব লেখাই ভাষা দিবস, মাতৃভাষা, ভাষাচেতনা ও ভাষা সমস্যা বিষয়ক রচনা। লেখাগুলি এই সংখ্যাকে অনেকটাই সমৃদ্ধ করেছে। পড়ুন। শেয়ার করুন। মতামত জানান। লেখকগণ নিজের নিজের লেখার লিঙ্ক শেয়ার করুন যতখুশি, যে মাধ্যমে খুশি। কিন্তু স্ক্রিনশট শেয়ার নৈব নৈব চ!  অন্য বিষয়ের লেখাগুলি আগামী সংখ্যার জন্য রইল।  সকলকে ধন্যবাদ, অভিনন্দন। ভালো থাকুন।   --সম্পাদক, নবপ্রভাত। ==  সূ  চি  প  ত্র  == প্রবন্ধ-নিবন্ধ অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙ্গালীর বাংলা ভাষা দুর্জয় দিবস।। বটু কৃষ্ণ হালদার ভাষা শহীদদের পঁচাত্তর বছর।। অনিন্দ্য পাল একুশে ফেব্রুয়ারি : বাঙালির শ্রেষ্ঠ অশ্রুবিন্দু।। জীবনকুমার সরকার কবিগানের সাহিত্যিক ও সমাজতাত্ত্বিক মূল্য।। বারিদ বরন গুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি।। শ্যামল হুদাতী মায়ের দুধ আর মাতৃভাষা।। প্রদীপ কুমার দে একুশে ফেব্রুয়ারি : কিছু কথা।। বনশ্রী গোপ বাংলায় কথা বাংলায় কাজ।। চন্দন দাশগুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও তার মুক্তির পথ।। মিঠুন মুখার্জী. হে অমর একুশে, তোমায় ভুলিনি, ভুলব না।। মহম্মদ মফিজুল ইসলা...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ৮৬তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩২ এপ্রিল ২০২৫

সম্পাদকীয় এই সংখ্যাটি বাংলা নববর্ষ বিষয়ক সংখ্যা। নৱৰ্ষকেন্দ্রিক বহু তথ্যপূর্ণ লেখা এই সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস, রীতিনীতি, উৎসব, পার্বন, লোকাচার, রূপান্তর বহুবিধ বিষয় প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যার লেখাগুলিতে। এই সংখ্যার বাছাই কিছু লেখার সঙ্গে আগামীতে আরও কিছু লেখা সংযুক্ত করে বাংলা নববর্ষ বিষয়ক একটি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ করার ইচ্ছে রইল।  সকলকে নববর্ষের আন্তরিক শুভকামনা জানাই। উৎসবে আনন্দে থাকুন, হানাহানিতে নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে সহনাগরিকের পাশে থাকুন। মনে রাখুন, ধর্মকে মানুষই সৃষ্টি করেছে। ঈশ্বর আল্লা গড ইত্যাদির জন্মদাতা মানুষই। মানুষকে ভালোবাসুন। মানুষের পাশে থাকুন।  নিরাশাহরণ নস্কর  সম্পাদক, নবপ্রভাত।  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা পয়লা বৈশাখ ।। সিদ্ধার্থ সিংহ নববর্ষকেন্দ্রিক মেলা, পার্বন, উত্সব, লোকাচার ।। সবিতা রায় বিশ্বাস নববর্ষ আবাহন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং বিভিন্ন দেশে ।। তুষার ভট্টাচার্য নববর্ষের সেকাল ও একাল ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নববর্ষের হাল-হকিকৎ ।। শংকর ব্রহ্ম বোশেখি বাঙালি নাকি পোশাকি বাঙালি? ।। দিব্যেন্দু...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

মাসের বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে দীনেশ চ্যাটার্জী যে পথ শরীরে ক্লান্তি আনে, সেই পথেই আত্মা খুঁজে পায় মুক্তি। দিবস ১ — যাত্রার সূচনা মানুষের জীবনে কতকগুলি আকাঙ্ক্ষা থাকে—যাহার ব্যাখ্যা বুদ্ধির দ্বারা মেলে না, তৎসত্ত্বেও হৃদয় তাহার প্রতি অদম্য আকর্ষণ অনুভব করে। কেদারনাথ যাত্রা আমার কাছে তেমনই এক আকাঙ্ক্ষা ছিল। বহুদিন ইচ্ছা ছিল—কখনো পূর্ণ করি নাই। আজ তাহারই প্রথম অধ্যায় আরম্ভ হইল। ভোররাতে ঋষিকেশে পৌঁছিলাম। স্টেশন হইতে বাহির হইবার মাত্রই অনুভব করিলাম—বাতাসে এক গভীর প্রশান্তি। শহুরে কোলাহল, ধুলো, অধৈর্যতার পরিবর্তে এখানে নীরবতা, শীতলতা, আর যেন স্নিগ্ধ তপস্যার আবহ। গঙ্গার তীরে এসে দাঁড়াইলাম। নদী এখানে শুধু জলের স্রোত নহে—সে যেন জীবন্ত ধর্ম; যাহার মধ্যে কালান্তরে সঞ্চিত স্নেহ, পবিত্রতা ও শক্তি। তাঁর জলে ভোরের সূর্যালোক পড়িয়া মৃদু ঝিলিক তুলিতেছিল। মনে হল—মহাশান্ত পৃথিবীর বুকে আমি ক্ষুদ্রমাত্র। বিকেলে লক্ষ্যণঝুলা দেখিবার উদ্দেশ্যে পা বাড়াইলাম। সেতুর ওপর দাঁড়াইলে নিচে গঙ্গার প্রবল স্রোত দেখি—হৃদয় থমকায়ে দাঁড়ায়। সেতুটি হালকা দুলিতে থাকে, কিন্তু ভয়ের পরিবর্তে সেখানে ছিল এক অদ্ভুত আহ্বান—যেন প্রকৃতি বলি...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432