স্বাধীনতার ভাষা -------------------------------- যদি মনে করো আমরা তোমার দাঁড়ে পুষে রাখা ময়না তবে জেনে রাখো খুব ভুল হয়ে গেছে । যদি মনে করো তোমার শেখানো বুলি আওড়াবো আমরা জেনে রাখো তবে সেটাও তোমার ভুল। তুমি কী ভেবেছ? আমরা সবাই তোমার সুতোয় বন্দী? বেঁধে রাখা বুঝি এতই সহজ ভাবলে? কী করে ভাবলে? সেটা হয় নাকি - কী ভীষণ বোকা স্পর্ধা ! রুখে দাঁড়াবোই প্রতিরোধে বিক্ষোভে। আমার স্বদেশে জন্মেছি আমি বুকের গভীরে বিশ্বাস অস্থি মজ্জা রক্তের মতো গাঢ় - আমি কথা বলি নিজের ভাষায় সে আমার স্থির প্রত্যয় স্বপ্নে আবেগে প্রিয় থেকে প্রিয়তম । নিপীড়িত আর শোষিতের হয়ে প্রতিবাদে হই দৃপ্ত স্তব্ধ করবে - কার ঘাড়ে কটা মাথা? প্রেমিকার হাতে হাত রেখে বলি ভালোবেসে আমি রিক্ত দুই হাত পেতে আজ আমি নতজানু । আমি নাস্তিক ঠাকুর মানি না মানতে চাই না ঈশ্বর তবু সারাক্ষণ ঠাকুরের গান গাই, ঠাকুর মানে তো রবীন্দ্রনাথ আমাদের শ্বাস প্রশ্বাস যাঁর চোখে সারা বিশ্ব দেখেছি আমরা । তুমি কে বলতো, জানি...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...