কবিতা ও নদী, জঙ্গল, জীবন পার্থ সারথি চক্রবর্তী এক কবিতা আমায় ব্যাকুল করে দেয় আজো তার উচ্ছলতায়, যেমন করে এক পাহাড়ি নদী। তার প্রতিটি ঝংকার, নদীর বহমানতার মতো সুর তোলে মনে, আলোর স্ফূরণ জাগায় চোখে, মনে আর মননে। আমি শুধু জলের শব্দের মতো- অক্ষরের মৃদু আওয়াজ শুনি প্রাণপণে কোন এক পাহাড়ের পাদদেশে যেখানে পাহাড়ি নদী নেমে আসে কবিতার বুকে। দুই জঙ্গলের মধ্যে লুকানো কিছু ঘাঁটিতে হাত ধরাধরি করে থাকে অন্ধকার ও ভয়। অজানা ও না-জানা অনেক কথাই রহস্যের জটে জড়িয়ে থাকে- কবিতার অভাবে, কবিতা শোনার আশায় কাটাতে থাকে বনবসী , বুভুক্ষু জীবন। অন্ধকারের গাঢ়ত্ব ভেদ করে আসবে কোন ছবি কবিতার রূপে, পথ দেখাবে; কেটে যাবে সব ভয়, সব অন্ধকার, কোন এক অপার্থিব রূপোলি আলোর রেখায়। তিন কবিতার জন্য জীবন, কবিতার জন্য বাঁচা অতটাও সহজ নয়, যতটা মনে হয় শুধু আলোকিত অংশই দেখা যায়, আর বাকিটা মানে বেশিরভাগই- পেছনে, অগোচরেই থেকে যায়। কবিতার জন্য বহুরাত জাগতে হয় কবিতার জন্য বহুপথ হাঁটতে হয় কবিতার জন্য অসামাজিক হতে হয়, একা হয়ে যেতে হয়! একা থাকতে হয়! কবিতার জন্য সহিষ্ণু হতে হ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।