ভাষার দিন সুদামকৃষ্ণ মন্ডল ভোরের আলোর রঙ আলাদা আজ যে ভাষার দিন নীল আকাশে বর্ণমালা নাচে তা ধিন ধিন মায়ের বুকে পরশ পাথর জাগে বিয়োগ ব্যথা আজ যে ভা'য়ের দীপ্ত স্মৃতি আত্ম ত্যাগের কথা সবুজ পাতার নাচন দেখি রক্তিম ফুলের বাহার জাত ধর্মে মধুর সে টান মিলন আকুতি তাহার ঊষার অরুণে তারার বিতান শহীদ চাঁদের হাটে কথায় গানে সুরে বিশ্ব মঞ্চ মাঠে ঘাটে রূপসী বাংলার কল্প রতন বিশ্ব চুমে আছে ঘরে বাইরে আনন্দ কেতন স্মৃতি উস্কে বাঁচে অমর ভা'য়ের জীবন প্রদীপ রবির আলোয় মেশে মায়ের ভাষায় অমৃত সুধা ছড়িয়ে দেশ-বিদেশে পাখির গানে উজান টানে কথায় চিত্র আঁকি চেতনা উন্মেষে ভাষা ভালোবেসে ওদের আগলে রাখি ============= সুদামকৃষ্ণ মন্ডল গ্রাম: পুরন্দর পুর (অক্ষয় নগর) থানা : কাকদ্বীপ জেলা : দঃ চব্বিশ পরগণা পিন কোড :743347
হালখাতায় বেহাল দশা দীপক পাল পার্কের বেঞ্চে তিন মক্কেল সবে এসে বসেছে। তিন মক্কেল মানে বাবলা সৌম্য ও বিশ্বরূপ। তিনজনেই এবছর উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছে। সৌম্য আর বিশ্বরূপ স্টার পেয়েছে। কিন্তু বাবলা তিনবারের চেষ্টায় মোটামুটি ভাল নম্বর পেয়ে পাশ করেছে। তাই ওদের আনন্দ আর ধরে না। সৌম্য ও বিশ্বরূপ ভাল কলেজে ভর্তি হয়েছে আর বাবলা গড়িয়াহাটায় ইনিডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে ড্রাফ্টসম্যান ট্রেণিংর জন্য ভর্তি হয়েছে। বাবলা বললো, - ' এই শোন, কাল তো পয়লা বৈশাখ, নববর্ষ, এই দিনটাকে আমরা অন্য রকম করে পালন করতে পারি না?' বিশ্বরূপ বলে, - ' তুমিই বলো কি ভাবে আমরা নববর্ষটা পালন করতে পারি?' - ' এই ধর কাল বিকেলে যদি আমরা সবাই ধুতি পাঞ্জাবী পরে বেরোই তবে কেমন হয়?' - ' ও বুঝেছি, কাল আমরা নববর্ষ উপলক্ষে নিপাট বাঙালী সেজে বেরোব।' সৌম্য বলে। - ' অ্যায় একদম ঠিক বলেছিস তুই।' এবার ওরা বললো, - ' কিন্তু ধুতি পাঞ্জাবীতো আমাদের নেই, তবে?' - ' আরে বাবা সেতো আমারও নেই। শোন আ...