আকাশ-ঘুড়ি সুমিত মোদক উড়িয়ে দিলাম , উড়িয়ে দিলাম আকাশ-ঘুড়ি তোমার বুকে ; তোমার সঙ্গে সেই কবে দেখা হয়েছিল ঠিক ঠিক মনে নেই ; কেবলমাত্র মনে আছে অঘ্রাণের ধান উঠে যাওয়া মাঠে দুজনে মিলে দিগন্তরেখা দেখতে চেয়েছিলাম ; বিকালের আলোতে আকাশ-পথ চিনিয়ে দিয়েছে সাদা সাদা বক , কিশোর-স্বপ্ন … সেখানে এখন আর কোনও ভাবেই সহজে ঢুকে পড়তে পারি না ; থেকে যায় একটা ঘাসফড়িং … যে কিনা সব সময়ের জন্য তিড়িংবিড়িং করে লাফিয়ে লাফিয়ে উঠে মনের আনন্দে ; হয় তো সে দিন দুজনে একটা গোটা আকাশ নামিয়ে আনতে চেয়েছিলাম বুকের ভিতর ; হয় তো সে দিন গান ধরে ছিলাম কোনও এক পল্লিগীতি কিংবা রামায়নি ; বেলা শেষ হয়ে আসছে জানি ; তা বলে ঘুড়ি ওড়াবো না হয় ; পেঁচকাটি , চাঁদিয়াল , বগ্গা … সবই আছে ; যখনই ইচ্ছা হয় উড়িয়ে দিতে পারি ; অথচ , সময় হয়ে ওঠে না আর ; সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে যে দিন ফিরে এলাম , সে দিন তুমি আর নেই পেঁচাখুলির মাঠে ; চাষীরাও ধান কেটে নিয়ে গেছে যে যার বাড়িতে ; কেবল পড়ে আছে ছোট ছোট নাড়া ; ঠিক আমার হৃদয়ের মতো ; আরও কিছুটা সময়ের পর ধীরে ধীরে ঘিরে ধরবে কুয়াশার সোহাগ ; শব্দ উঠবে খসে পড়া হলুদ পাতার ; তুম...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।