গরীব অর্থনীতি --- একটা মূল্যায়ণ অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জি তাঁর বিদেশিনী স্ত্রীর সঙ্গে যুগ্মভাবে এবার ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন। আনন্দ সংবাদ। বাঙালি বলে গর্ব হতেই পারে। সাবেকি তত্বভিত্তিক অর্থনীতি বর্জন করে তিনি ও তাঁর স্ত্রী এসথার ডাফল পরীক্ষামূলক পদ্ধতি অবলম্বন করে বিশ্বের দারিদ্র দূরীকরণ কর্মসূচির ওপর আলোচনা করেন Poor Economics নামক গ্রন্থে। সহজ সাবলীল ভাষায় বইটাতে দারিদ্র্য দশা দারিদ্র্য ফাঁদ ও তার সমাধান সূত্রের ওপর বিশদ আলোচনা হয়েছে। অহেতুক গণিতের ভারে আলোচনাকে ভারাক্রান্ত করে তোলা হয় নি। ফলে অর্থনীতির দুর্বোধ্য তত্ব না জানা পাঠকের কাছেও বইটা সহজবোধ্য। অর্থনীতির বৃহত্তর আঙ্গিক সমাজ বিদ্যার সঙ্গে খুব সহজেই যুক্ত হতে পেরেছে বইটা। বইটার নাম গরিব অর্থনীতি কেন তা জেনে নিয়ে বইটার ওপর একটা আলোচনার চেষ্টা করব। এই প্রসঙ্গে আলোচনার আঁকে বাঁকে আমি বিষয়টাকে কিভাবে বুঝেছি সেটাও রাখব। সুতরাং এটা শুধু বইটার পর্যালোচনা নয় বইয়ের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আমার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করার দুঃসাহস হয়তো ধরা পড়বে। বইয়ে আলোচিত কিছু অংশ আমার কাছে বাহুল্য বলে মনে হয়েছে। সেগুলো আমার...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।