গরীব অর্থনীতি --- একটা মূল্যায়ণ অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জি তাঁর বিদেশিনী স্ত্রীর সঙ্গে যুগ্মভাবে এবার ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন। আনন্দ সংবাদ। বাঙালি বলে গর্ব হতেই পারে। সাবেকি তত্বভিত্তিক অর্থনীতি বর্জন করে তিনি ও তাঁর স্ত্রী এসথার ডাফল পরীক্ষামূলক পদ্ধতি অবলম্বন করে বিশ্বের দারিদ্র দূরীকরণ কর্মসূচির ওপর আলোচনা করেন Poor Economics নামক গ্রন্থে। সহজ সাবলীল ভাষায় বইটাতে দারিদ্র্য দশা দারিদ্র্য ফাঁদ ও তার সমাধান সূত্রের ওপর বিশদ আলোচনা হয়েছে। অহেতুক গণিতের ভারে আলোচনাকে ভারাক্রান্ত করে তোলা হয় নি। ফলে অর্থনীতির দুর্বোধ্য তত্ব না জানা পাঠকের কাছেও বইটা সহজবোধ্য। অর্থনীতির বৃহত্তর আঙ্গিক সমাজ বিদ্যার সঙ্গে খুব সহজেই যুক্ত হতে পেরেছে বইটা। বইটার নাম গরিব অর্থনীতি কেন তা জেনে নিয়ে বইটার ওপর একটা আলোচনার চেষ্টা করব। এই প্রসঙ্গে আলোচনার আঁকে বাঁকে আমি বিষয়টাকে কিভাবে বুঝেছি সেটাও রাখব। সুতরাং এটা শুধু বইটার পর্যালোচনা নয় বইয়ের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে আমার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করার দুঃসাহস হয়তো ধরা পড়বে। বইয়ে আলোচিত কিছু অংশ আমার কাছে বাহুল্য বলে মনে হয়েছে। সেগুলো আমার...
তবুও প্রজাপতিটা সুবিনয় হালদার হলুদের ছোঁয়া তখনো লাগেনি পত্রে তবুও প্রজাপতিটা উড়ে এসে বসেছিল গায়ে— এখনো বসে ভুল ভবিষ্যৎ! কত সোহাগে রং মেখেছিল কোন এক ফাগুনের দুপুরে, এসেছিল একাকী— ফাগ-ছড়ানো বাঁশ বন তালগাছ পুকুরপাড়— মেঠো পথ ধরে অন্ধকার পথে ; পরাগের রেনু মিলেমিশে মাখামাখি ভিজেছিল সেই রাত রংবেরং স্বপ্নের বেড়াজাল ইন্দ্রিয় সুখের ছন্দপতন ঘটে প্রাতে । রজনীগন্ধার গন্ধে মাখা পত্রটা বর্ণমালা শূন্য নিঃশব্দ পলেস্টার খসা দেওয়াল মাকড়সার জাল ভ্যাপসা গুমোট পরিবেশে একাকী পড়ে জীর্ণ বিবর্ণ অপরিচিতদের ভিড়ে ; তবুও প্রজাপতিটা উড়ে এসে বসেছিল গায়ে—অজান্তে পথ ভুলে ! =============== সমাপ্ত =============== সুবিনয় হালদার গ্রাম - দৌলতপুর পোস্ট - দিঘীরপাড় বাজার থানা - ফলতা জেলা - দক্ষিণ ২৪ পরগনা পিন কোড নম্বর -৭৪৩৫০৩ রাজ্য - পশ্চিমবঙ্গ দেশ - ভারতবর্ষ