হিমালয়ের বরফ গলা জলে খরস্রোতা নদী বয়ে নিয়ে যায় শত শত নুড়িপাথর। তিস্তা, তোর্সা, কালজানি, জলঢাকা, মহানন্দা আরো শত শত নদীর শাখা নদী তৃপ্তি আনে ।বর্ষায় জমিজমা গাছগাছালি ভাসে নিয়ে প্রলয় নাচন নাচে ।পাইন ,ফার ওক ,বার্জ প্রভৃতি গাছের কলরব নিয়ে অসাধারণ ছায়াঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে । বাঘ ভাল্লুক হাতি গন্ডার পাখপাখালির অনবদ্য বৈচিত্র মানুষ কে আজও আকৃষ্ট করে চলেছে । সমগ্র উত্তর বাংলা জুড়ে অপরূপ স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য বহন করে। অতীতের ইতিহাস থেকে যে তথ্য পাওয়া যায় তাতে কামতাপুর রাজ্যের সীমানা ছিল দক্ষিণ দিনাজপুরের কিছু অংশ ,জলপাইগুড়ি, রংপুর, ,কোচবিহার , নিম্ন আসামের ধুবড়ি ও গোয়ালপাড়া। ত্রয়োদশ শতকে পাল রাজবংশের পতনের পর পুরাতন কামরূপ রাজ্যের পশ্চিমে গঠিত হয় কামতাপুর রাজ্য।এই রাজ্যের উত্থানের সাথে শেষ হয় প্রাচীন যুগ । এই অঞ্চলের শেষ শাসক ছিলেন নীলাম্বর সেন (১৪৮০-১৪৯৮)। পনেরশো পনেরো থেকে পনেরো শো চল্লিশ কোচ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন কোচ রাজবংশী বিশ্ব সিংহ এই শতকের শে...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।