কবিতার কৃষ্ণচূড়া খুব মনে পড়ে- কতদিন কৃষ্ণচূড়ার শাখা ধরে কবিতা হয়ে ঝুলে থেকেছি বেইলী রোডের মোড়ে। একাট্টা ভাবনাগুলো মেঘের স্পর্শ পেয়ে ঝরে পড়েছে ফোঁটায় ফোঁটায় অমল শব্দের নিরেট বুনন হয়ে। এখন শব্দের বাড়িতে পাহারা বসিয়ে রাখে অক্ষর। ট্রপোস্ফিয়ারের আচ্ছাদন ছিঁড়ে আঙিনায় নিমন্ত্রণ রাখে রোদ্দুর। বেগুনী শব্দের হাতে স্বপ্ন পরিয়ে দেয় বিহগী বাক্য। ময়ূরাক্ষীর মত তাকিয়ে থাকে মেঘের অঞ্জনে কবিতার শ্লোক। ক্রান্তীয় সূর্যের কাছে লিখে জানিয়েছি প্রত্যাবর্তন। পূর্ব থেকে পশ্চিমে ভেসে যাওয়া বঙ্কিম তিমিঙ্গিল এর মত কলমের নিঃসরণে গিলে নেয় পদ্যের স্ফীত ব্যঞ্জক। অনুভবে বিস্তীর্ণ মাঠ সুনীল আকাশ ছুঁয়ে সীমান্তের নীলাভ সমুদ্র আর প্রখর অগ্নি তাপে গলে যায় অভিধানের ভাস্কর্য। আজ অনেক দিনের পুরোনো সেই কৃষ্ণচূড়ার শাখে, কবিতাকে ভীষণ মনে পড়ে। =======০০০======= শাহরিয়ার রুবাইয়াত লুৎফর রহমান সড়ক, নথুল্লাবাদ, বরিশাল, বাংলাদেশ। মোবাইল/হোয়াটস্এ্যাপঃ +৮৮০ ১৭২০ ৪২৩৭৭৭ স...
তবুও প্রজাপতিটা সুবিনয় হালদার হলুদের ছোঁয়া তখনো লাগেনি পত্রে তবুও প্রজাপতিটা উড়ে এসে বসেছিল গায়ে— এখনো বসে ভুল ভবিষ্যৎ! কত সোহাগে রং মেখেছিল কোন এক ফাগুনের দুপুরে, এসেছিল একাকী— ফাগ-ছড়ানো বাঁশ বন তালগাছ পুকুরপাড়— মেঠো পথ ধরে অন্ধকার পথে ; পরাগের রেনু মিলেমিশে মাখামাখি ভিজেছিল সেই রাত রংবেরং স্বপ্নের বেড়াজাল ইন্দ্রিয় সুখের ছন্দপতন ঘটে প্রাতে । রজনীগন্ধার গন্ধে মাখা পত্রটা বর্ণমালা শূন্য নিঃশব্দ পলেস্টার খসা দেওয়াল মাকড়সার জাল ভ্যাপসা গুমোট পরিবেশে একাকী পড়ে জীর্ণ বিবর্ণ অপরিচিতদের ভিড়ে ; তবুও প্রজাপতিটা উড়ে এসে বসেছিল গায়ে—অজান্তে পথ ভুলে ! =============== সমাপ্ত =============== সুবিনয় হালদার গ্রাম - দৌলতপুর পোস্ট - দিঘীরপাড় বাজার থানা - ফলতা জেলা - দক্ষিণ ২৪ পরগনা পিন কোড নম্বর -৭৪৩৫০৩ রাজ্য - পশ্চিমবঙ্গ দেশ - ভারতবর্ষ