কবিতার কৃষ্ণচূড়া খুব মনে পড়ে- কতদিন কৃষ্ণচূড়ার শাখা ধরে কবিতা হয়ে ঝুলে থেকেছি বেইলী রোডের মোড়ে। একাট্টা ভাবনাগুলো মেঘের স্পর্শ পেয়ে ঝরে পড়েছে ফোঁটায় ফোঁটায় অমল শব্দের নিরেট বুনন হয়ে। এখন শব্দের বাড়িতে পাহারা বসিয়ে রাখে অক্ষর। ট্রপোস্ফিয়ারের আচ্ছাদন ছিঁড়ে আঙিনায় নিমন্ত্রণ রাখে রোদ্দুর। বেগুনী শব্দের হাতে স্বপ্ন পরিয়ে দেয় বিহগী বাক্য। ময়ূরাক্ষীর মত তাকিয়ে থাকে মেঘের অঞ্জনে কবিতার শ্লোক। ক্রান্তীয় সূর্যের কাছে লিখে জানিয়েছি প্রত্যাবর্তন। পূর্ব থেকে পশ্চিমে ভেসে যাওয়া বঙ্কিম তিমিঙ্গিল এর মত কলমের নিঃসরণে গিলে নেয় পদ্যের স্ফীত ব্যঞ্জক। অনুভবে বিস্তীর্ণ মাঠ সুনীল আকাশ ছুঁয়ে সীমান্তের নীলাভ সমুদ্র আর প্রখর অগ্নি তাপে গলে যায় অভিধানের ভাস্কর্য। আজ অনেক দিনের পুরোনো সেই কৃষ্ণচূড়ার শাখে, কবিতাকে ভীষণ মনে পড়ে। =======০০০======= শাহরিয়ার রুবাইয়াত লুৎফর রহমান সড়ক, নথুল্লাবাদ, বরিশাল, বাংলাদেশ। মোবাইল/হোয়াটস্এ্যাপঃ +৮৮০ ১৭২০ ৪২৩৭৭৭ স...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।