কুমার চন্দ্র রায়
ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস
ঠা - ঠাকুর তুমি ভবে এলে অবতার শ্রী রামকৃষ্ণ হয়ে।
কু - কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ ডাকল পাগল ঠাকুর কয়ে ।।
র - রতনে রতন চেনে, চিনল শুধু দত্ত বাড়ির বিলে ।
শ্রী- শ্রীমা সারদাকে মাতৃজ্ঞানে পূজা করে নারী শক্তি নিলে।।
রা -রানী রাসমনি তোমায় পূজারী পেয়ে ধন্য হয়ে গেল ।
ম - মা কালী তোমার পূজা, আরতি, ভোগ প্রসাদ পেল ।।
কৃ - কৃপা করে সকলে শিখাতে, কত সহজ বাণী রেখে গেলে।
ষ - ষড় দরশনে পূজা শিখায়ে গেলে, সকল ভক্ত কুলে ।।
ন - নতজানু ভক্তেরে, কল্পতরু রূপে সর্বস্য দিয়ে গেলে।
প - পরখ করে দেখলে তুমি, সর্ব ধর্ম , তন্ত্র-মন্ত্র সাধিলে।।
র - রাম-কৃষ্ণ রূপে সেখালে, জপ, ধ্যান, সৎকর্ম করলে সব পাবে।
ম - মঙ্গলময়ী মা হৃদয়ে আছেন, মন পরিষ্কার রাখো নইলে সব হারাবে।।
হ - হংস যেমন জল মেশানো দুধ আলাদা করে নেয়, তেমন ভালোটা নিও।
ন - নটি বিনোদিনী বারাঙ্গনা হলেও, তার মধ্যে ধর্মই ছিল শ্রেয় ।
স- সকল ধর্মের সার কথা, জীবে প্রেম আর সততা ঈশ্বরের খুব প্রিয় ।।
ল- লহমায় তুমি বুঝে নিতে পারো সব চেনা অচেনা ভক্ত মনের কথা।
হ- হংস যেমন জল মেশানো দুধ থেকে , দুধ আলাদা করে যথাতথা।।
প্র- প্রণতি তোমারে মানব অবতারে করিও আশীর্বাদ আমারে ।
না- নানা কর্ম কাণ্ডে প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে রয়েছ সবার অন্তরে ।।
ম- মহাপুন্যবান ভারতবাসী পরম্পরায় মনে রাখবে তোমারে ।।
স্বাধীনতা সংগ্রামী
বী -বীর চূড়ামণি নেতাজী সুভাষ নাও শত সহস্র মানুষের প্রনাম।
র - রণ হুংকারে ব্রিটিশ কাঁপালে, তাই ভারতের স্বাধীনতা পেলাম।।
নে -নেতৃত্ব দিলে আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারত স্বাধীন তরে।
তা -তাইত তোমায় জগত সভায়, নেতাজী নামে স্মরণ করে ।।
জী -জীবন তোমার ধন্য সুভাষ, ভারতবাসী ভুলবে না কোনদিন।
সু -সুভাষের কথা আজও কানে বাজে “রক্ত দাও করব ভারত স্বাধীন।
ভা-ভারতবর্ষে জন্মেছিল কত বীর শহীদ দিয়েছে তাদের প্রাণ।।
ষ -ষড়যন্ত্রকারী চেষ্টা করেও পারেনি স্বাধীনতা ব্রত ভাঙ্গতে ।
চ -চলে গিয়েছিলে ভারত ছেড়ে, অন্যান্ন দেশের সাহায্য আনতে।।
ন -নতুন ভারত গড়তে, হিংসা-অহিংসা দ্বন্দে, কংগ্রেস নতুন দল গঠন।
দ্র -দ্রষ্টা বুঝেছিলেন ভারতে থেকে করা যাবেনা স্বাধীনতা বরণ ।।
ব -বঙ্গ ও বিশ্ব দরবারে গড়ে তুলেছিলেন ইংরাজ বিরোধী সমর্থন।
সু -সুভাষের দাপট বুঝতে পেরে, ইংরাজ সমঝোতার পথে বিদায় নিলেন।
ল -লঙ্ঘন করেছিলে ব্রিটিশ আইন, ভোগ করেছিলে কারাবাস।
হ- হটাত তোমার হারিয়ে জাওয়া। ছিল নেতৃত্বের ওপর অবিশ্বাস।।
প্র -প্রতিপদে বুঝেছিলে শান্তি দিয়ে নিরঙ্কুশ স্বাধীন হবে না ভারত।
না -না! আজও ভারত পুরো স্বাধীন হয়নি, দিয়েও আনেক খেসারত।।
ম - মহানায়ক হয়ে আজও আছো সবার হৃদয়ে, স্মরণ করি দিনরাত।।০
মা দুর্গার আগমনে
শা- শারদ প্রাতের শান্তি রক্ষায় এসো মা দুর্গতি নাশিনি ।
র - রচিত হয়েছে ঘট, তাতে অধিষ্ঠান কর শান্তি প্রদায়িনী।।
দী - দীর্ঘ বৎসর প্রতীক্ষার পর তোমার আগমনে সকলে আনন্দিত।
য়া- আশ্বস্ত কর মা , তোমার দীপশিখায় সকলে হউক আলকিত ।।
মা- মাতৃ আরাধনায় মেতে উঠুক , ধনী গরীব সকল বিশ্ববাসী ।
দু - দুর্গে-দুর্গতিনাশিনী , সব দুঃখ দূর করুক তোমার স্মিতহাসি।।
র - রচিত সুন্দর মণ্ডপে অধিসষ্ঠিত হও মা কয়েক দিনের তরে।
গা- গাইবো মোরা তোমার বন্দনা, করি পূজা, চণ্ডী স্তোত্র পাঠ করে।।
র - রবে না সেথা কোন ভেদাভেদ, পুরো পূজা অনুষ্ঠান জুড়ে ।
আ- আরাধনা, অঞ্জলি দিয়ে পূজিব তোমারে , সাজাব গহনায় মুড়ে ।।
গ - গগনচুম্বী আশা ভরসা, তোমার উপর মাগো, হে দশমহাবিদ্যা রূপিণী।
ম - মহাদেব ঘরণী তুমি, হিমালয়-মেনকা দুহিতা, তুমিই দশপ্রহরণ ধারিণী।।
ন - নব পত্রিকায় সপ্তমী শুরু, সঙ্গে কার্ত্তিক, গনেশ, লক্ষ্মী , সরস্বতী ।
উ - উৎসবের দিনে, নববস্ত্র পরিধানে, আবাল বৃদ্ধ বণিতা হয়েছে পূজায় ব্রতী।।
ত - তপ জপ, মন্ত্র তন্ত্র, পূজা উপকরণ, সবই তো মা তোমারই দান ।
স - সকলই তোমার ইচ্ছা, ইচ্ছাময়ী তারা তুমি, শুধু লও পুজার সম্মান।।
বে - বেহিসাবি জীবনটাকে ঠিক পথে চালিত কোরো, আমরা আবোধ সন্তান।।
মু - মুখোশধারী অসুরদের ধ্বংস কর মা, মর্ত হউক এক অতি পবিত্র স্থান।
খ - খরধার হয়ে উঠুক তোমার হাতের খড়গ, ধ্বংস কর অত্যাচারীদের ।
রি -রীতি অনুযায়ী নবমী নিশি শেষ হলে বিষাদের বাজনা বাজবে বিদায়ের।।
ত - তব বিদায় বেলায় চোখের জলে আগামী বছর ফিরে আসাবে এই আশা।
হ - হস্ত প্রসারিত করে আশিস দানে, সকল ভক্তকে দিও মাতৃত্বের ভালবাসা।।
উ - উদযাপিত হবে প্রতি বছর , তোমার আগমনে চারদিনের পুজা পূর্তি ।
ক - কত শত লোক এই উৎসবের পায় থেকে সারা বছরের বাঁচার অর্থ প্রাপ্তি।।
Comments
Post a Comment