রম্যনাটিকা পাত্র দেখা সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায় স্থান-ভাবি বরের বাড়ি,সময় -বিকেল তিনটে নাগাদ। উপস্থিত চরিত্র- ভাবি বর,ওর বাবা,বরের মা,বরের মাসি ভাবি বরের একজন বৃদ্ধ প্রতিবেশী ভাবি কনে, কনের বাবা (মা'কে নিয়ে আসা হয়নি কারণ একটু খ্যাটখ্যাটে স্বভাবের)। (এতদিন আমরা ভাবি বরের বাড়ি থেকে কনের বাড়িতে পাত্রী দেখতে যাওয়ার কথা জানি, এটা তার উল্টো,পাত্রীই গেছে পাত্রের বাড়ি,পাত্র পছন্দ করতে।পাত্রের বাড়ির ড্রয়িং রুম, বেশ সাজানো গোছানো,দু দিকের দেয়াল বরাবর আরামদায়ক সোফা পাতা, মাঝে মাঝারি সাইজের বেশ সুন্দর মোটা কাঁচের টি টেবিল, দেয়ালে কয়েকটা আর্টিস্টিক ছবি, একপাশে ঘরের কোনায় একটা হাউইয়ান গীটার, হয়তো দেখানোর জন্য যে ছেলে গান বাজনা জানে। টেবিলে জলভরা সন্দেশ থেকে শুরু করে জয়নগরের মোয়া সবরকম মিষ্টি এসে গেছে, মেয়ের বাবা লোভ সামলে ঝকঝকে কাঁচের গ্লাসের থেকে একটু খানি জল খেয়েছেন মাত্র) পাত্রীর...
যুদ্ধের দামামা সুবিনয় হালদার যুদ্ধের দামামা ওই দেখো বেজেছে সাইরেনের শব্দ শুনতে কি পাচ্ছো ? লাল বাতি নীল বাতি ছোটাছুটি করছে , সুস্থ অসুস্থ নয় তো বা অন্য কিছু যাচ্ছে ফিসফাস চুপচাপ কানাঘুষো কত কথা হচ্ছে ; যুদ্ধের দামামা ওই দেখো বেজেছে । ঢং ঢং আওয়াজে- রাত জাগে মানুষে- (২) চারিদিকে স্তব্ধ ঘরে ঘরে নিঃশব্দ ভেসে আসে কোলাহল- কারা করে চিৎকার- ? ধুমধাম গর্জন মনে হয় কম্পন আলোর রোশনাই সব হলো পুড়ে ছাই ; তাই শুনি বলতে বারুদে লাগাও তবে সলতে ভনিতা অনেক এবার হয়েছে লাশের পাহাড় দেখি জমেছে যুদ্ধের দামামা ওই দেখো বেজেছে । শুধু দেখি হায়- ভয়ের চাপে সরে যায় জয় কে ধরবে হাল- কে-বা দেবে চাল- ? মাঝি বুঝি নাইরে ; কল্কির কেল্লা শুরু হলো হল্লা কোথা যাবে জনগণ এ-যে বুঝি মহারণ অনেক হয়েছে দ্বন্দ্ব সোজা করো মেরুদন্ড । নাই তবে নিস্তার হও সবে সোচ্চার চাপ দাও দন্ডে ভর সাথে ভার তবে সরবে বসে বসে সবে মিলে সময় গুনছে ; তাঁর নাম করছে তাঁর বাণী পড়ছে ! যুদ্ধের দামামা ওই- দেখো- বেজেছে- । ___________________ সুবিনয় হালদার পিতা - ঈশ্বর প্রদীপ হালদার গ্রাম - দৌলতপুর পোস্ট - দিঘীরপাড় বাজার থানা - ফলতা জেলা - দক্ষিণ ২৪ পরগ...