
নারীমুক্তির কালিতে লেখা ইতিহাসের কটি পাতা
ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায়
ইতিহাস কথাটা শুনলেই কেমন যেন নাকে সোঁদা সোঁদা গন্ধ লাগে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে একরাশ ছেঁড়া ছেঁড়া ধুলো ভর্তি পাতা। এই ধুলো ময়লা ছেঁড়া পাতাগুলোতেও যে লুকিয়ে থাকতে পারে অমূল্য রতন সেটা যেন আমাদের বিশ্বাস হয় না। আসলে এই যে বিশ্বাস অবিশ্বাস দোলাচলে ভোগা এটা কিন্তু ইতিহাস না জানা বা পড়ার ফল। ইতিহাস হল একটা দলিল যা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রমাণে ভরপুর। ইতিহাস প্রাপ্ত তথ্যগুলিকে বিচার বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন সূত্র থেকে। তারপর কোন তথ্য সে রাখবে বা কতটা রাখবে আথবা আদৌ কোন তথ্য সে রাখবে না সে বিচার করে। তাই যেহেতু ইতিহাস অনেকগুলো ছাঁকনির মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসা অতীত, তাই ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলিকে আমারা মেনে নিই।
ইতিহাসে নারীর কথা বলতে গেলে তিনটি কথা বলতে হয়। এক, নারীর পরিচিতি। দুই, নারীর ভূমিকা আর তিন, নারীর অবদান। সর্বপ্রথম নারীর পরিচিতির কথা বলতে গেলে বলতে সব নারী ইতিহাসে পরিচিতি পায় নি। পেয়েছে সামান্য কিছু যারা অসামান্য কাজের স্বাক্ষর রাখতে পেরেছেন। তাই ইতিহাস সাদরে তার পাতায় ঠাঁই দিয়েছে।
সাধারণ নারীদের জীবনযাত্রা, শিক্ষাদীক্ষা বা গুণাবলী ইতিহাসে ঠাঁই পায় নি। কারণ অধিক বলশালী আর বুদ্ধিমান বলে পুরুষ কিন্তু কখনও নারীকে পরিচিত করে নি বিশেষ ভাবে। আর ভূমিকা? সেও তো পুরুষ ঠিক করে দিয়েছিল নারীকে সংসারে আবদ্ধ করে দিয়ে। শিক্ষায় অধিকার ছিল না, না ছিল নিজস্ব মতামত প্রকাশের। কিছু কিছু নারীদের কথা বাদ দিলে এটাই ছিল সত্যি। আর অবদান? এটা তো নিছক সংসার সেবা, সন্তানের জন্মদান আর সন্তান পালন। এটাকে তো নারীর অবদান হিসেবে পুরুষ কখনও ভাবে নি। ভেবেছে নারীর আবশ্যিক কর্তব্য হিসেবে। ব্যতিক্রম হিসেবে অন্য অনেক কিছু থাকলেও ব্যাতিক্রমকে বহমান সাধারণের স্রোত বলে স্বীকার করে নেওয়া যায় না।
তাহলে ইতিহাসের পাতায় নারী স্থান পেল কী করে? কে তাকে দিল আর কেনই বা দিল? নারী কি তবে নিজে নিজেই উঠে এল? তবে তাকে এত বলীয়ান করল কে? এ প্রশ্নগুলো কিন্তু অবান্তর নয় আবার অসঙ্গতও নয়। কারণ নারীর যদি নিজে নিজেই উঠে আসার ক্ষমতা থাকত তবে বিভিন্ন যুগে নারীমুক্তি আন্দোলনের কোনও প্রয়োজন হত না।। নারীমুক্তি একটা বিবর্তনের বিষয় হয়ে দাঁড়াত। সময়ে যেমন ফল পাকে, সবুজ ফল লাল বা হলদে হয়, কষা বা তেঁতো ফল মিঠে হয় তেমনি। কিন্তু নারীমুক্তির পথ এত যদি সহজ আর মসৃণ হত তবে ইতিহাসের এতগুলো পাতা খরচ হত না। আর এতগুলো পাতা বিষাদে ধূলিধুসর হত না বা চোখের জলে ভেজা হত না।
তার অর্থ তাদের এই মুক্তির পথ তৈরি করে দিতে হয়েছিল। আর যে পথ বছরের পর বছর বা যুগের পর যুগ ধরে একটু একটু করে তৈরি করে দিতে হয়েছিল।
কিন্তু কারা তৈরি করেছিলেন এ পথ? বলা বাহুল্য খুব সামান্য কয়েকটি ক্ষেত্র ছাড়া এই পথ নির্মাণে মুখ্য ভূমিকা কিন্তু ছিল পুরুষেরই। পুরুষের হাতে যেমন ছিল তাদের বেঁধে রাখার চাবিকাঠি তেমনি ছিল মুক্তির। তাই মুক্তিদাতা হিসেবে যুগে যুগে কিছু মানুষের নাম উঠে আসে আর সেই নাম আমরা অত্যন্ত গৌরবের সঙ্গে স্মরণ করি।
এ প্রসঙ্গে প্রথমেই মনে আসে রাজা রামমোহনের কথা। বহুঈশ্বরবাদের তত্ত্ব পরিত্যাগ করে পরেছিলেন একেশ্বরবাদের পোশাকখানা। ব্রহ্মবাদ নীতি ছিল যার। ঈশ্বর এক আর অদ্বিতীয়। স্বয়ং ব্রহ্মই হল যে শক্তির কেন্দ্র। গড়লেন ব্রাহ্মসমাজ। সম্পূর্ণ পৃথক এক সমাজ। কিন্তু সে সমাজে বাঁধা পড়ল নানা দিকের গণ্যমান্য রাজা-মহারাজা। তাঁরা রাজা বটে, তবে তাঁদের প্রজা কোনও মানুষ নয়। তারা হল শিক্ষা, দীক্ষা, জ্ঞান, অভিজ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক, বিবেচনা ইত্যাদি। এই রাজাদের মধ্যে অনেকেই আছেন তবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য নাম হল মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর আর তাঁর পুত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আরও অনেক রথী-মহারথী আছেন তবে আপাতত এই দুটো নাম দিলেই যথেষ্ট হবে বলে মনে করি।
সতীদাহ প্রথা যুগ থেকে যুগান্তরে বয়ে চলা এক সামাজিক ব্যাধি ছিল। এই ব্যাধির প্রকোপে কত নিরীহ নারী যে প্রাণ হারিয়েছিলেন তার ইয়ত্তা নেই। রামমোহনের দীর্ঘকালীন সংগ্রামের ফল আরোগ্য আনল এই বাধিতে আক্রান্ত সমাজের। রক্ষা করল অসংখ্য নারীকে- তাদের আর প্রাণ দিতে হল না এই মারণ ব্যাধিতে। ১৮২৯ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর 'সতীদাহ প্রথা' এই শব্দবন্ধ আইনের খাতায় লেখা হল এক মারাত্মক অপরাধের অপর নাম হিসেবে।
তারপর এলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। মেধার সাগর। প্রচন্ড একগুঁয়ে মাতৃভক্ত এক মানুষ। কৌলিন্যপ্রথার অত্যাচারে পিষ্ট বিধবা বালিকাদের দুঃখে প্রাণ কাঁদল তাঁর। নারীদের শিক্ষার জন্যে প্রাণপাত তো করেইছিলেন এখন বাল্যবিধবাদের জীবনব্যাপী কষ্ট তাঁকে বেদনার্ত করে তুলতে লাগল অহরহ। কিন্তু নারী কি তখন স্বাধীন ছিল? সে কি তার স্বাধীন মতামত হিসেবে দিতে পারত যে এই অল্পবয়েসে সে বিয়ে করতে পারবে না? আর কৌলিন্যপ্রথার এই অত্যাচার? যে অত্যাচারে বলি অসংখ্য অল্পবয়সী নারী। কুলীনের মহান ভোগযজ্ঞে তাদের নিবেদন আর বলিদান করে অসংখ্য পিতামাতা ধর্মরক্ষার মহান ব্রত পালন করে তৃপ্ত থাকতেন?
এই ভয়ানক সামাজিক কু-প্রথা আইন করে দূর হল। পাশ হল বহুবিবাহ রোধ। আর বাল্যবিবাহ চলে গেল নিষিদ্ধ কর্মের তালিকায়। কিন্তু সেটাই তো বড় কথা নয়। এ পর্যন্ত যে এতগুলি বালিকা বিধবা হয়েছে তাদের কী হবে? তালিকা তো উপেক্ষা করার মত খুব একটা ছোট নয়? আবার শুরু হল সংগ্রাম। সমাজপতিরা চরম অসন্তুষ্ট। বিধবাদের আবার বিয়ে হবে। সাধারণ মেয়েদের মত তারা আবার স্বামী-সন্তান নিয়ে সংসার করবে? না না তা হবে না। আন্দোলন তাদের তরফেও চলল। এই আন্দোলন বিধবা বিবাহ বলবৎ হতে না দেবার। কিছুতেই হতে দেওয়া যায় না এই অনাচার। ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হল। বাল্যবিধবারা আবার যেন প্রাণ ফিরে পেলেন এক অভিশপ্ত কানাগলি থেকে মুক্তি পেয়ে।
বৃটিশরা প্রায় দুশ বছর ধরে ভারতকে রেখেছিল পরাধীনতার অন্ধকারে। অত্যাচার আর অনাচারে ভরিয়ে দিয়েছিল দেশটাকে। তবু তারা তো বেশ কয়েকটা ভালো কাজও করেছিল। যেমন এই সতীদাহ প্রথা নিবারণ, বাল্যবিবাহ রোধ আর বিধবা বিবাহ প্রচলন, নারীশিক্ষার বিস্তারে সাহায্য করা ইত্যাদি। স্বীকার করতেই হয় এগুলোর পেছনে রয়েছে আমাদের দেশীয় প্রণম্য মানুষের মহান ত্যাগ আর জীবনব্যাপী লড়াই। কিন্তু আইনের দরজায় তো তাঁরা মুখ থুবড়ে পড়তেন যদি না তৎকালীন শাসকদের তরফ থেকে প্রাসঙ্গিক আইনগুলি প্রবর্তন করা না হত।
এবার আসা যাক রবীন্দ্রনাথের কথায়। ধনসম্পত্তি, সামাজিক প্রতিপত্তি আর আভিজাত্যে তিনি ছিলেন সমাজের অনেক উঁচুতে। অথচ তার লেখনী পরিভ্রমণ করেছে সারা সমাজটাকে উচ্চনীচ ভেদ না করে। ধর্ম, অর্থ বা লিঙ্গ নিরপেক্ষ ছিল তাঁর ভূমিকা। তাঁর কীর্তির মধ্যে মহাকীর্তি হল রবীন্দ্রসঙ্গীত। এই রবীন্দ্রসঙ্গীতে যেমন এসেছে প্রকৃতির কথা, ঈশ্বরের কথা ঠিক তেমনই এসেছে নারীর কথাও। নারীর বাৎসল্য, নারীর ভালোবাসা, নারীর প্রেম, নারী-হৃদয়ের ব্যথা-বেদনা-ব্যাকুলতা আর উপলব্ধির কথা। এত সুন্দর করে নারী-হৃদয়ের কথা আর কে বলতে পেরেছে তাঁর মত? স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার মা-বোনেদের সঙ্গে নিয়ে অরন্ধন ব্রত পালন বা বঙ্গলক্ষ্মীর ব্রত উজ্জাপন সমাজে নারীর সঠিক ভূমিকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তিনি। সংসার হল সমাজের আঁতুড়ঘর। সেখান থেকেই তো সমাজের উৎপত্তি। সংসারে নারীর অবস্থানের গুরুত্বের কথা নানা কবিতা, গান, গল্প আর প্রবন্ধে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাঁর ছিল অসংখ্য নারী অনুগামী। এই নারীরা পরে সমাজে আজ বিদূষী হিসেবে প্রতিভাত হয়েছেন আমাদের কাছে। প্রদীপে আলো থাকে বলেই তো তাঁর সামনের সব কিছু আলোকিত হয়। আলোকিত বস্তুগুলিকে দেখে যখন আমরা খুশি হই বটে কিন্তু প্রদীপের কথাটা তো চাপা দেওয়া যায় না।
শরতচন্দ্রের সমাজচেতনার কথা আমরা অনেকে জানি। কতজন মানি সে বিষয়ে সন্দেহ রেখেও বলা যায় সমাজের দরিদ্র অংশ যেমন প্রাধান্য পেয়েছে শরতের লেখায় তেমনই তাঁর নারী চরিত্রগুলি। নামে নয় প্রকৃতিতে এই রকম নারীরাও যে আছেন আমাদের সমাজে- কে বুঝত বা গুরুত্ব দিত শরতের আলোয় উদ্ভাসিত না হলে? রবীন্দ্রনাথ আর শরৎচন্দ্রের মধ্যে মস্তবড় মিল আছে এই নারীচরিত্র অঙ্কনে। ধন, দৌলত, শিক্ষাদীক্ষা বা আভিজাত্য ছাড়িয়ে নারীর অনেক গভীরে পৌঁছেছিলেন তাঁরা। দেখিয়েছিলেন নিখাদ নারীর রূপটাই। তবে পার্থক্যও আছে বিস্তর। রবীন্দ্রনাথের সামাজিক প্রেক্ষাপট কিন্তু শরতের সামাজিক প্রেক্ষাপটের থেকে বেশ কিছুটা দুর্বল। সামাজিক দরিদ্র, নিপীড়িত, উপেক্ষিত নারীদের জীবনসংগ্রামের কথা যত পেয়েছি শরতের কথায় ততটা পাইনি রবীন্দ্রের লেখায়। এটা ব্যক্তির দোষ নয় পরিবেশের দোষ। দোষ না বলে বরং অবস্থা বলাই সমীচীন। সমাজের যে অংশের অংশের সঙ্গে অবাধে মিশে গিয়েছিলেন শরত তত সহজে বিলীন হতে পারেননি রবীন্দ্রনাথ। যে পটভূমিতে নিত্য ঘুরে বেড়িয়েছেন শরত সে পটভূমিতে রবীন্দ্রনাথ যেতে পারেন নি কারণ তাঁর কাজকর্ম এক অন্য পরিবেশের কেন্দ্র দ্বারা আবর্তিত হয়ে চলত। রবীন্দ্রনাথ এক উচ্চ বাতাবরণের কেন্দ্রে ছিলেন। তাঁর চারিদিকে বাঙ্গালী, ভারতীয় বা তদানীন্তন শাসক শ্রেণীর উচ্চ পদাধিকারী, উচ্চশিক্ষিত, উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন অভিজাত পরিবেশে ছিলেন তার তুলনায় শরতের পরিবেশ শুধু সাধারণই ছিল না বরং ছিল সাধারণের মধ্যে সাধারণতম।
অনেকে চমকে উঠবেন থমকে যাবেন বা ধমকে উঠবেন। বলবেন, ছি ছি এ আপনি করছেন কী? নারীদিবসে এসে কটা পুরুষের ভূমিকা আর অবদানের কথা বলছেন? এর মধ্যে নারীর ভূমিকা কোথায়? কোথায় নারীদের ঊজ্জ্বলতার ইতিহাস? তবে মনে রাখুন বলি। ধান ভানার সময়েও শীবের গীত গাওয়ার প্রয়োজন হয় এই কষ্টকর ধানভানার কষ্ট লাঘব করার জন্যে। নারীদিবসের উল্লেখ এই যে 'কটা' পুরুষের ভূমিকার কথা বললুম, ভেবে দেখুন তো এদের উল্লিখিত অবদান ছাড়া আজকের নারীরা কোথায় থাকতেন? কালের নিয়মে তাঁরা অবশ্যই থাকতেন। কিন্তু কেমন হত তাঁদের শিক্ষাদীক্ষা, সংসারযাত্রা আর সামাজিক অবস্থান? হয়ত অনেকে বলবেন, হয়ত ভবিষ্যতে এক বা একাধিক নারীত্রাতা নারী হিসেবেই আবির্ভূত হতেন। নারীকে নারীই ভালো বোঝে। তাই তারাই নারীদের নিয়ে যেতে পারতেন সঠিক পথে। দেখাতে পারতেন সঠিক দিশা। তারাই নারী সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতেন। নারীরা স্বাধীন হত। স্বাবলম্বী হত। নারীদের কথা নারীরাই বলত সবার আগে আর সবার থেকে বেশি।
কিন্তু একটা 'হয়ত' ক্রাচ বগলে পুরে কতদূর হাঁটা সম্ভব? ততক্ষণে যে সতীদাহ প্রথা, বাল্যবিবাহ আর বাল্যবিধবাদের ঢল বয়ে যেত। কালের স্রোত যে বয়ে নিয়ে যেত অনেক 'কপাল-পোড়া' নারীর সুখ-দুঃখের ইতিহাসের পাতাগুলো? তার চেয়ে যেটা 'হয়েছে' সেটাকে স্বীকার করে নিতে দোষ কীসের? এ সমাজে সংসারে আর জীবনযাত্রায় নারীদের সঠিক বিচার আর যোগ্য অবস্থানের প্রয়োজন আছে বলেই তো তাঁরা এই সংগ্রাম করেছিলেন। তাঁরা কিন্তু কেউ নিজেদের পুরুষ ভেবে এগিয়ে আসেননি। এগিয়ে এসেছেন মানুষ বলেই। আর মানুষ হিসেবেই। মানুষের প্রথম আর প্রধান কর্তব্য হল একজন 'মানুষ' হওয়া। তাঁরা তাঁদের সেই কর্তব্যই যথাযথ ভাবে পালন করেছিলেন।
মানুষ তো দামী জিনিসের জন্যেই লড়াই করে। নারীর ভূমিকা, প্রয়োজন আর মূল্য আছে বলেই তো এই কঠিন লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন? নারী দিবসে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে গর্ব করা তো উচিৎ আসলে নারীদেরই। হয়ত অনেকেই করেন। তবু একটু মনে করে দেওয়ার জন্যেই বর্তমান প্রবন্ধের অবতারণা।
Comments
Post a Comment