তিনটি কবিতা ।। অসীম ভুঁইয়া দুটো স্মৃতি দুটো স্মৃতি জুড়ে দিলে একটি ঝরনা প্রসব করে জন্মের ঋণ তার অশ্রু-পথে অকারণ বাঁধ মোহনাও থমকে আছে নিশ্চল প্রতীক্ষায় অদূরে শুকনো বালির চিত্রপট ভালোবেসে তবে এই বুঝি অমোঘ সঞ্চয় তবে তাই হোক ধীরে ধীরে নিভে যাক "সন্ন্যাসিনী চাঁদ।" আঁচড় একটি আঁচড়ে দুটি সংলাপ... জুড়ে আছে নৈঃশব্দ্যে দুদিকে পাড়। মাঝে অশ্রু-গাথা সেতুহীন এই যন্ত্রণার বিন্যাস অসমাপ্ত ত্রিকোণ দ্বীপে হৃদয় বন্দি একটি চাঁদ কখন যেন খসে পড়ে পল্লবে। চলমান ভেঙে পড়ছে একটি সরণী শব্দহীন। নিস্তেজ। কথা সব অবিশ্বাসীর মতো উড়ে উড়ে চলে যাচ্ছে দূরে নির্বোধ প্রতিশ্রুতির ডানা থেকে ছিটকে পড়ছে বৃষ্টির তির এমন দিন। এমন রাত যেন ব্রহ্ম-জীবন ...
ইন্দ্রজাল ডা: মোহাম্মদ নাঈম ভাসান দ্বীপের মাঝে আমি বাধিয়াছি ঘর, বন্ধু স্বজন করিয়া আপন, দুঃখ করিয়া পর। ফুল ফসল আর সম্পদের হেথায় ছিল পূর্ণতা, এতো কিছুর মাঝেও কিসের যেন শূন্যতা। শ্বাপদসংকুল দ্বীপে ছিলাম আমরা সবাই মিলে, ঝড় ঝাপটায় দাগ কাটেনি আমাদেরই দিলে। প্রকৃতির ঐ ইন্দ্রজালে অন্তর ছিল বাধা একটু ভুলে গ্রাস করিবে চোরাবালির কাদা। গোলপাতার ছাউনি ছিল স্বপ্নজালে বোনা, কত কেয়া ফুটেছে ঝোপে হয়নি কভু গোনা। মিষ্টি পানি তৃষ্ণা মেটাতো, জুড়িয়ে যেতো প্রাণ, নোনা বায়ু বয়ে আনতো সাগরকন্যার গান। প্রকৃতির এই লীলাখেলা দেখে গড়িয়ে যায় দিন, ভাবিয়া দেখিনি কি করে শোধিব প্রকৃতির এই ঋণ। এত কাল ধরে ভেবে এসেছি করেছি অনেক পুণ্য, গোধূলি লগ্নে আসিয়া দেখি অর্জন আমার শূন্য। ==================== ডা: মোহাম্মদ নাঈম সরিষাবাড়ী, জামালপুর, বাংলাদেশ