আকাশের রহস্য থেকে বৈজ্ঞানিক বোধ: জ্যোতিষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সন্ধিক্ষণে
উৎপল সরকার
মানুষের সভ্যতার ইতিহাসের দিকে তাকালে একটি বিষয় খুব সহজেই চোখে পড়ে—মানুষ যতদিন ধরে প্রকৃতির মধ্যে বেঁচে আছে, ততদিন ধরেই সে প্রকৃতিকে বোঝার চেষ্টা করেছে। আকাশে সূর্যের উদয়-অস্ত, চাঁদের কলাবদল, ঋতুর পরিবর্তন, বৃষ্টি, খরা, ঝড়, গ্রহণ কিংবা রাতের আকাশে অসংখ্য আলোকবিন্দুর আবির্ভাব আদিম মানুষের মনে বিস্ময় সৃষ্টি করেছিল। সেই বিস্ময় থেকেই জন্ম নিয়েছিল প্রশ্ন। কেন সূর্য ওঠে? কেন চাঁদের আকার বদলায়? কখন বৃষ্টি আসবে? মানুষের জীবনের সঙ্গে আকাশের এই বিশাল জগতের কি কোনো সম্পর্ক রয়েছে?
এই প্রশ্নগুলির অনেকগুলির উত্তর তখন মানুষের জানা ছিল না। ফলে অজানাকে ব্যাখ্যা করার জন্য মানুষ নিজের অভিজ্ঞতা, কল্পনা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং পর্যবেক্ষণকে মিলিয়ে নানা ধারণা তৈরি করেছিল। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রাথমিক বিকাশকে এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের মধ্যেই বুঝতে হবে। তাই প্রাচীন জ্যোতিষকে কেবল নিছক প্রতারণা হিসেবে দেখলে তার সামাজিক ও ঐতিহাসিক উৎসটি বোঝা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কিন্তু একই সঙ্গে এটিও সত্য যে, আধুনিক বিজ্ঞানের বিকাশের পর গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানকে মানুষের ব্যক্তিগত ভাগ্য, বিবাহ, সম্পদ, রোগ, মৃত্যু কিংবা সাফল্যের নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাস হিসেবে গ্রহণ করার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
কৌতূহল থেকেই জ্ঞানের যাত্রা
প্রাচীন মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিল। কৃষিকাজের জন্য ঋতু সম্পর্কে ধারণা প্রয়োজন ছিল; নৌযাত্রার জন্য আকাশের নক্ষত্র চিনতে হতো; সময় গণনার জন্য সূর্য ও চাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করতে হতো। ফলে আকাশ পর্যবেক্ষণ ছিল মানুষের বাস্তব জীবনযাত্রারই একটি অংশ।
এই পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়েই ধীরে ধীরে ক্যালেন্ডার, ঋতুচক্র, নক্ষত্রের অবস্থান এবং সময় নির্ধারণের পদ্ধতি তৈরি হয়। অর্থাৎ জ্যোতিষের সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রাচীন সম্পর্ক অস্বীকার করা যায় না। কিন্তু পরবর্তীকালে একই আকাশ পর্যবেক্ষণ থেকে দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ তৈরি হয়। একটি পথ প্রশ্ন করে—‘ঘটনাটি কীভাবে ঘটছে?’ অন্যটি ক্রমশ প্রশ্ন করতে শুরু করে—‘এই ঘটনা আমার ভাগ্য সম্পর্কে কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?’
প্রথম প্রশ্নটি বিজ্ঞানকে জন্ম দেয়। দ্বিতীয়টি অনেক ক্ষেত্রে ভাগ্যগণনা ও জ্যোতিষবিশ্বাসকে শক্তিশালী করে।
জ্যোতিষ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান এক নয়
‘জ্যোতিষ’ এবং ‘জ্যোতির্বিজ্ঞান’ শব্দ দুটি ঐতিহাসিকভাবে কাছাকাছি হলেও আধুনিক অর্থে তাদের উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি এক নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ, পরিমাপ, গাণিতিক হিসাব, পরীক্ষণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে মহাবিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করে। গ্রহের কক্ষপথ কীভাবে নির্ধারিত হয়, নক্ষত্র কীভাবে জন্ম নেয় ও বিবর্তিত হয়, গ্যালাক্সি কী, মহাবিশ্বের বয়স কত—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজে জ্যোতির্বিজ্ঞান।
অন্যদিকে প্রচলিত জ্যোতিষে জন্মমুহূর্তে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান দেখে ব্যক্তির চরিত্র, ভবিষ্যৎ, অর্থনৈতিক সাফল্য, বিবাহ, পেশা কিংবা জীবনের নানা ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার দাবি করা হয়। এই দাবিগুলির যথার্থতা যাচাই করার জন্য বিজ্ঞান যে ধরনের পুনরাবৃত্তিযোগ্য প্রমাণ চায়, জ্যোতিষ সেই পরীক্ষায় নির্ভরযোগ্যভাবে উত্তীর্ণ হয়নি।
বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল—কোনো ধারণাকে শুধু প্রাচীন বলে সত্য বলে মেনে নেওয়া হয় না। আবার কোনো ধারণা নতুন বলেও সত্য হয়ে যায় না। পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার ফল যদি কোনো ধারণাকে সমর্থন করে, তবে সেটি গ্রহণযোগ্যতা পায়; নতুন প্রমাণ পুরনো ধারণাকে ভুল প্রমাণ করলে বিজ্ঞান নিজের অবস্থান সংশোধন করে। এই আত্মসংশোধনের ক্ষমতাই বিজ্ঞানকে অন্যান্য জ্ঞানপদ্ধতি থেকে আলাদা করে।
গ্রহ কি মানুষের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে?
একজন মানুষের জন্মমুহূর্তে কোন গ্রহ কোথায় ছিল, তার সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য বা ব্যর্থতার সরাসরি কারণগত সম্পর্ক রয়েছে—এমন দাবির পক্ষে গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
এখানে একটি মৌলিক বৈজ্ঞানিক প্রশ্ন করা প্রয়োজন: কোনো গ্রহের অবস্থান কী ধরনের ভৌত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একজন নবজাতকের ব্যক্তিত্ব বা ভবিষ্যৎ কর্মজীবন নির্ধারণ করবে?
গ্রহের মহাকর্ষীয় প্রভাব রয়েছে—এটি সত্য। কিন্তু পৃথিবীতে কোনো ব্যক্তির জন্মের সময় দূরবর্তী গ্রহের যে মহাকর্ষীয় প্রভাব পড়ে, তা অত্যন্ত ক্ষীণ। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, মানুষের আচরণ ও ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে জটিল জৈবিক, সামাজিক, পারিবারিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার পারস্পরিক প্রভাবে। জিনগত বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষা, পুষ্টি, সামাজিক সম্পর্ক, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি—সব মিলিয়েই মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে।
একটি জন্মছক এই জটিল বাস্তবতাকে কয়েকটি গ্রহের অবস্থানে নামিয়ে আনতে পারে না।
ভবিষ্যৎ বলার আকর্ষণ কেন এত শক্তিশালী?
তবু মানুষ কেন বারবার ভাগ্যগণনার দিকে ফিরে যায়?
এর উত্তর শুধু অজ্ঞতার মধ্যে খুঁজলে ভুল হবে। মানুষের মনে অনিশ্চয়তার ভয় গভীর। চাকরি থাকবে কি না, ব্যবসায় লাভ হবে কি না, বিবাহ সফল হবে কি না, অসুস্থতা থেকে মুক্তি মিলবে কি না—এই প্রশ্নগুলির নিশ্চিত উত্তর মানুষ চায়। কিন্তু বাস্তব জীবন অনিশ্চিত। বিজ্ঞান অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, আবার বহু প্রশ্নের উত্তর এখনও জানে না।
এই অনিশ্চয়তার জায়গাতেই ভাগ্যগণনার বাজার তৈরি হয়। ‘আগামী মাস ভালো যাবে’, ‘বাধা কেটে যাবে’, ‘অর্থলাভের সম্ভাবনা আছে’—এই ধরনের অস্পষ্ট কিন্তু আশাবাদী বক্তব্য মানুষের মনে সাময়িক নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি করতে পারে।
মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মানুষ নিজের সঙ্গে মিলে যাওয়া ঘটনাগুলি বেশি মনে রাখে এবং মিলে না যাওয়া ঘটনাগুলি অনেক সময় উপেক্ষা করে। ফলে কোনো সাধারণ ভবিষ্যদ্বাণী পরে জীবনের একটি ঘটনার সঙ্গে মিলে গেলে সেটি বিশেষ অর্থপূর্ণ বলে মনে হতে পারে। এই মানসিক প্রবণতাকে বুঝতে পারলে জ্যোতিষের অনেক জনপ্রিয়তার সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ ব্যাখ্যা করা যায়।
বিজ্ঞান অন্ধবিশ্বাসের শত্রু নয়, অজ্ঞতার প্রতিষেধক
বিজ্ঞান মানুষের বিশ্বাসকে অপমান করার প্রকল্প নয়। বিজ্ঞান বরং মানুষকে প্রশ্ন করার অধিকার দেয়। ‘কেন?’—এই ছোট্ট প্রশ্নটিই বৈজ্ঞানিক মানসিকতার শুরু।
কেউ যদি বলেন, কোনো গ্রহের অবস্থান মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে, বিজ্ঞান তাকে শুধু ‘ভুল’ বলে থেমে থাকবে না। বিজ্ঞান জানতে চাইবে—কীভাবে? কোন প্রক্রিয়ায়? কতবার পরীক্ষায় একই ফল পাওয়া গেছে? অন্য গবেষকরা কি একই ফল পেয়েছেন? ফলটি পরিসংখ্যানগতভাবে কতটা নির্ভরযোগ্য?
এই প্রশ্নগুলিই বৈজ্ঞানিক চিন্তার ভিত্তি।
প্রকৃতপক্ষে বিজ্ঞান মানুষের কল্পনাকে ছোট করে না; বরং কল্পনাকে অনুসন্ধানের পথে নিয়ে যায়। একসময় মানুষ আকাশের নক্ষত্রকে দেবতার আবাস বলে ভাবত। আজ আমরা জানি, নক্ষত্রগুলি বিশাল মহাজাগতিক বস্তু, তাদের আলো বহু দূরত্ব অতিক্রম করে আমাদের কাছে পৌঁছায়। মানুষ চাঁদের দিকে তাকিয়ে শুধু কবিতা লেখেনি; একদিন সেখানে মহাকাশযানও পাঠিয়েছে। এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করেছে প্রশ্ন, পর্যবেক্ষণ, গণিত ও পরীক্ষণ।
ভাগ্যের বদলে কারণ অনুসন্ধান
জ্যোতিষের সবচেয়ে বড় সামাজিক সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন মানুষের বাস্তব সমস্যার কারণকে আড়াল করে ভাগ্যকে দায়ী করা হয়।
একজন শ্রমিক বেকার হলে তার জন্মছককে দায়ী করার আগে দেখতে হবে কর্মসংস্থানের অবস্থা কী। একজন কৃষক ফসল হারালে তার গ্রহদশার দিকে তাকানোর আগে দেখতে হবে বৃষ্টি, সেচ, বীজ, বাজারদর ও কৃষিনীতি কী অবস্থায় আছে। কোনো ছাত্র পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে তার ‘অশুভ গ্রহ’-এর কথা বলার আগে তার শিক্ষার সুযোগ, পারিবারিক পরিস্থিতি, প্রস্তুতির পরিবেশ এবং মানসিক অবস্থার কথা ভাবতে হবে।
অর্থাৎ বাস্তব সমস্যার বাস্তব কারণ রয়েছে।
এই কারণ অনুসন্ধানের অভ্যাসই মানুষকে অসহায়তা থেকে মুক্ত করতে পারে। ভাগ্যনির্ভরতা মানুষকে অনেক সময় নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। বিপরীতে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে শেখায়—সমস্যাকে চিহ্নিত করো, কারণ অনুসন্ধান করো, প্রমাণ সংগ্রহ করো এবং সম্ভব হলে সমাধানের পথ তৈরি করো।
অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে সামাজিক লড়াই
কুসংস্কার শুধু ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় নয়; এর সঙ্গে অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষমতার সম্পর্কও থাকতে পারে। যখন মানুষের ভয়, অসহায়তা এবং অনিশ্চয়তাকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে ভাগ্যগণনা, রত্ন, তাবিজ, যজ্ঞ কিংবা নানা তথাকথিত প্রতিকার বিক্রি করা হয়, তখন বিষয়টি ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সীমা ছাড়িয়ে যায়।
বিশেষত অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের সংকট কিংবা পারিবারিক সমস্যার সময় মানুষ সহজ সমাধানের আশায় প্রতারিত হতে পারে। তাই কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই মানে মানুষের বিশ্বাসকে উপহাস করা নয়; বরং তাকে তথ্য, যুক্তি ও বাস্তব সমাধানের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা।
বৈজ্ঞানিক মনন গড়ে তোলার জন্য বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি পরিবার, সংবাদমাধ্যম, সংস্কৃতি এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলিরও ভূমিকা রয়েছে। বিজ্ঞানমনস্কতা কোনো পরীক্ষার বিষয়মাত্র নয়; এটি দৈনন্দিন জীবনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি পদ্ধতি।
আকাশকে নতুন করে দেখা
মানুষের প্রাচীনতম স্বপ্নগুলির একটি ছিল আকাশকে বোঝা। সেই স্বপ্ন থেকেই নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ, ক্যালেন্ডার, গণিত এবং পরবর্তীকালে আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্ম। টেলিস্কোপ থেকে শুরু করে মহাকাশযান, রেডিও-টেলিস্কোপ, উপগ্রহ ও আধুনিক মহাকাশবিজ্ঞান—মানুষের জিজ্ঞাসা আজ পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে গেছে।
তাই আকাশের দিকে তাকানোর অভ্যাস আমাদের হারাতে হবে না; বরং তাকানোর পদ্ধতিটিকে বদলাতে হবে। গ্রহকে ভয় পাওয়ার পরিবর্তে জানতে হবে গ্রহ কীভাবে তৈরি হয়। গ্রহণকে অশুভ ভাবার পরিবর্তে বুঝতে হবে তার জ্যামিতিক ও মহাজাগতিক কারণ। নক্ষত্রকে ভাগ্যের দূত না বানিয়ে জানতে হবে তাদের জন্ম, জীবন ও মৃত্যুর কাহিনি।
মানুষের ভবিষ্যৎ কোনো জন্মছকের পাতায় বন্দি নয়। তার ভবিষ্যৎ নির্মিত হয় প্রকৃতি, সমাজ, ইতিহাস, জ্ঞান, শ্রম এবং মানুষের সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের ভিতর দিয়ে।
সুতরাং বিজ্ঞানমনস্কতা মানে বিস্ময় হারিয়ে ফেলা নয়; বরং বিস্ময়কে প্রশ্নে রূপান্তরিত করা। কুসংস্কার যেখানে অজানাকে ভয় দেখায়, বিজ্ঞান সেখানে অজানাকে জানার সাহস দেয়। জ্যোতিষ যেখানে মানুষের ভাগ্যকে আকাশের রহস্যে সমর্পণ করতে চায়, বিজ্ঞান সেখানে মানুষকে নিজের চারপাশের বাস্তবতার কারণ অনুসন্ধান করতে শেখায়।
আকাশ তাই আজও রহস্যময়। কিন্তু সেই রহস্যের সামনে মাথা নত করে ভাগ্য জানতে চাওয়ার বদলে যদি আমরা প্রশ্ন করি, পর্যবেক্ষণ করি এবং প্রমাণের সন্ধান করি—তবেই মানুষের প্রাচীন কৌতূহল সত্যিকার অর্থে জ্ঞানের শক্তিতে পরিণত হবে।
.....................................
উৎপল সরকার
নিউটাউন, জেলা আলিপুরদুয়ার
কর্মসূত্রে শিলিগুড়ির বাসিন্দা
ই ডাক:-utpalwbmo@gmail.com

Comments
Post a Comment