এই মন ভাল নেই দিনে সুপ্রভাত মেট্যা এই মন ভাল নেই দিনে কোথাও কোনও রৌদ্র ফুটলে ভয় হয়! মনে হয়, ওই বুঝি মেঘ এসে ঢেকে দিল চৈতন্য আমাদের! আমাদের হারিয়ে যাওয়া বোধ থেকে এই বুঝি জন্ম নিল রাক্ষুসে অন্ধকার। সচেতন পাতা, গাছের শাখায় শাখায় হাওয়ায় নত হয়ে, ঝুঁকে পড়লে, দোষ তুমি কাকে দেবে বলো? এই প্রভাত, জ্ঞানের শিকড়ে বড় মাটির অভাব জানি। জানি কিছু উর্বর মস্তিষ্কে এখনও গোবরের প্রলেপ দেওয়া আদিসারের অন্ধ কিছু বই লেখা আছে। তোমাকে বলি শোন, অ্যাই ছেলে, যদি আলো হতে চাও, তবে অন্ধকারে ঘুরে ঘুরে ঝুপড়ির ত্রিপল খাটানো রাতের নীচে যে সংসার পাতা আছে সেইখানে যাও। ভাল একটা মন লুকিয়ে দেখবে সেইখানে কোনও কবির ঘাম ও অশ্রুর ছায়ায় চুপ হয়ে আছে। ============ কবির নাম :- সুপ্রভাত মেট্যা গ্রাম :- বলরামপুর পোষ্ট :- জয় বলরামপুর থানা :- তমলুক জেলা :-পূর্ব মেদিনীপুর পিন:- ৭২১১৩৭
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...