বিজ্ঞান কাহিনি টুইনি আরজু মুন জারিন অধ্যায়ঃ এক তথ্য আর অনুশীলন এর মধ্যে যে ফাক টুকু আছে তা জুড়ে দিতে পারলে কেল্লাফতে। এই পৃথিবী চলে আসবে নিশ্চিৎ ওর হাতের মুঠায়। এমনকি এ ও আশা করছে সকল গ্রহ, নক্ষত্র তারকারাজি রা ওর সাথে আজ মত্ত হয়ে উঠবে আবিস্কার এর খেলায়। না শেষবারের মত দেখে নিতে হবে সকল যন্ত্রপাতি। ওর বহু সাধনার আবিস্কার আজ সফল হতে চলেছে। আয়নিক টিপ এরসাথে আনবিক চিপ এর সংযোজন। সমীকরণগুলি আবার দেখতে লাগলো অতি সতর্কতার সাথে। সামান্য ভুলে সব ভন্ডুল হয়ে যেতে পারে। হ্যাঁ হ্যাঁ তথ্য গুলি নির্ভূল আছে। যন্ত্রপাতি ও সমীকরণ অনুসারে নির্মান করেছে ও। আশা করা যাচ্ছে এই টিপ চিপটি সঠিকভাবে কাজ করবে এবার। আগের কয়েকটি পরীক্ষায় ব্যর্থতায় মনটা একটু সংশয়ে আছে এইমূহূর্তে। ফিল্ডগুলোকে অপরিবর্তনীয় রেখেছে ও যাতে গোলকের সমীকরণটা সঠিক থাকে। এবার আস্তে করে সুইচটি নামিয়ে দিলো। চিপ আর টিপ এর সংযোগ স্থাপনের সাথে সাথে সেন্ট্রাল কোয়ার্জ চেম্বারের খাঁজ থেকে জ্বলে উঠলো আলোক শিখাটি। সাঁই করে চিপটি তারের সাথে ঘুরতে লাগলো এবার চতুর্দিকে। এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সীমায় গিয়ে থামলো ...
শিক্ষক—আলোর দিশারী অর্পিতা মল্লিক শিক্ষা এমন এক শক্তিশালী অস্ত্র যা দিয়ে পৃথিবীকে বদলে দেওয়া যায়। শিক্ষার আলোয় আলোকিত হলে জাতির উন্নতি হয়। কাউকে অপমান করতে যোগ্যতা না লাগলেও সন্মান করতে যোগ্যতা লাগে আর প্রকৃত শিক্ষাই সেই যোগ্যতা তৈরি করে। 'শিক্ষা হলো জাতির মেরুদণ্ড '... প্রকৃত শিক্ষা শুধু অক্ষরজ্ঞান দেয় না, মনুষ্যত্ব শেখায় , অজ্ঞানতা থেকে মুক্ত করে। আমাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক বাবা মা। শিশু জন্মের পর বাবা মায়ের থেকে প্রাথমিক আচার আচরণ শেখে। ছোট থেকে অন্যর সাথে নিজের বাচ্চাকে তুলনা করা উচিত নয় -- এতে বাচ্চার হীনমন্যতা তৈরি হয়। প্রত্যেক বাচ্চারই নিজস্বতা থাকে। বাবা মায়ের উচিত প্রতিযোগিতায় না ঠেলে নিজস্বতা বিকাশে সাহায্য করা। প্রকৃত শিক্ষা পুঁথিগত শিক্ষাতে আবদ্ধ নয় বরং এটি একটি নিরন্তর প্রক্রিয়া—যা মানুষকে ঠিক ভুল বিচার করতে শেখায় , সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গঠনে সাহায্য করে। সত্যিকার অর্থে শিক্ষিত ব্যক্তি সে ,যে জ্ঞানকে ব্যবহার করে শুধু নিজেকে নয় সমাজকেও উন্নতির পথে নিয়ে যায়। শিক্ষা প্রসারের প্রধান ভিত্তি হলো শিক্ষক।'গুরু বিনা জ্ঞান নাই'...শিক্ষক ছাত্র ছাত্রী...