বিজ্ঞান কাহিনি টুইনি আরজু মুন জারিন অধ্যায়ঃএক তথ্য আর অনুশীলন এর মধ্যে যে ফাক টুকু আছে তা জুড়ে দিতে পারলে কেল্লাফতে। এই পৃথিবী চলে আসবে নিশ্চিৎ ওর হাতের মুঠায়। এমনকি এ ও আশা করছে সকল গ্রহ, নক্ষত্র তারকারাজি রা ওর সাথে আজ মত্ত হয়ে উঠবে আবিস্কার এর খেলায়। না শেষবারের মত দেখে নিতে হবে সকল যন্ত্রপাতি। ওর বহু সাধনার আবিস্কার আজ সফল হতে চলেছে। আয়নিক টিপ এরসাথে আনবিক চিপ এর সংযোজন। সমীকরণগুলি আবার দেখতে লাগলো অতি সতর্কতার সাথে। সামান্য ভুলে সব ভন্ডুল হয়ে যেতে পারে। হ্যাঁ হ্যাঁ তথ্য গুলি নির্ভূল আছে। যন্ত্রপাতি ও সমীকরণ অনুসারে নির্মান করেছে ও। আশা করা যাচ্ছে এই টিপ চিপটি সঠিকভাবে কাজ করবে এবার। আগের কয়েকটি পরীক্ষায় ব্যর্থতায় মনটা একটু সংশয়ে আছে এইমূহূর্তে। ফিল্ডগুলোকে অপরিবর্তনীয় রেখেছে ও যাতে গোলকের সমীকরণটা সঠিক থাকে। এবার আস্তে করে সুইচটি নামিয়ে দিলো। চিপ আর টিপ এর সংযোগ স্থাপনের সাথে সাথে সেন্ট্রাল কোয়ার্জ চেম্বারের খাঁজ থেকে জ্বলে উঠলো আলোক শিখাটি। সাঁই করে চিপটি তারের সাথে ঘুরতে লাগলো এবার চতুর্দিকে। এক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সীমায় গিয়ে থামলো আ...
মনোকষ্টে বাবলা দীপক পাল পয়লা বৈশাখে হালখাতা করতে গিয়ে যা বেহাল অবস্থায় পরেছিল তিন মক্কেল তারপরে বাড়ীতে মা বাবার যা বকুনি জুটেছে তা আর বলার নয়। তিন মক্কেলও ঘর থেকে বেরোয়নি। তৃতীয় দিন সকালে বাবলার বাবা বাবলাকে বলে, - ' জানিস আজ সকালে দিদি ফোন করেছিলো আমরা কেউ গিয়ে একবারও দেখা সাক্ষাত করি না কোন খোঁজ খবর করিনা আমরা কেমন আছি। তাই আমি ঠিক করেছি এই টাকাটা নিয়ে তুই একবার ঘুরে আয় সোনারপুর। ' -' আজ যাবনা বাবা। একা যেতে ইচ্ছে করেনা , কাল বিশ্বরূপ ও সৌম্যকে নিয়ে যাব।' - ' আচ্ছা তাই যাস যদি ওরা যায়। তবে আরো কটা টাকা নে।' বাবলা সৌম্য ও বিশ্বরূপকে ফোনে সন্ধে সাতটার সময় পার্কে আসতে বলল। বললো অনেক কথা আছে। যথারীতি সন্ধে সাতটায় পার্কে সবার দেখা হলো। কিছুক্ষণ সাধারন কথাবার্তা চলার পর অটোমেটিক হালখাতার সন্ধের ঘটনার কথাটা উঠলো। এবার আর কোন বিরক্তি বা রাগের কথাতো উঠলেই না কোন দোষারোপ না। সবাই খানিক মজা আর হেসে লুটোপুটি খেলো। এর মধ্যে সৌম্য হঠাৎ বলে উঠলো, - ' আচ্ছা বাবলাদা তুমি হঠাৎ আমাদের পার্কে ডেকে পাঠালে কেনো, কি ব্যাপার?' - ' কেন, আমি তোদের ডাকতে পা...