প্রস্তরযুগ ১ নৌকাভাসানের সময় যদি মেপে নিতে পারতে ঢেউস্তর দেখতে, কাগজের নৌকার গায়েও লেখা স্পেনীয় আর্মাডা আর ওদিকে কাঠের মাস্তুলে একজন লোক মোমবাতি জ্বলিয়েছে, তীব্র মোমবাতির ভাপ; আধখাওয়া হাভানা সিগার অনেকটা চাঁদের মত। এই চাঁদ। এই বিদঘুটে চাঁদ একদিন ধোঁয়া হয়ে যাবে , যেন কাজল , যেন প্রেম রোগ সেদিন দেখবে বাষ্প জমেছে চে গুয়েভারার বুকে যেন ভালবাসা ! যেন সেই আদিম বিশ্বাস আর আমাদের সামনে কোন উপায় নেই উদ্বায়ী চাঁদে বসতি স্থাপন করা ছাড়া, যেন পরিযান, প্রস্তুতি নৌকাভাসানের সময় যদি মেপে নিতে পারতে আলোকবর্ষ দেখতে আস্তে আস্তে আলগা হয়ে যাচ্ছে অন্ধকারের খোঁপা যেন মেঘ, যেন নিয়ানডার্থাল মানুষের আদিম পরিযান প্রস্তরযুগ ২ রোদকে কখনো ডুবে যেতে দেখেছো নিঃশ্বাসে, রোদ নিভে আসে আর তখনই হয় আমবাগানে ভিনগ্রহীদের আসা যাওয়া ভিনগ্রহী মানে মেখলিগঞ্জের সেই মেয়েটা যার মুখের এক দিকটা অ্যাসিডে পুড়েছে ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...