Skip to main content

Posts

কবিতা: উদয় সাহা

২০১৯ বনাম বিক্ষিপ্ত বর্ণমালা  ক কথায় আর কাজ হয়না।কথার কথাই সার 'মার... মার ' বলে ধেয়ে আসে চিৎকার। ট কোন টাকা আকাশী, কোন টাকা কমলা হাতে নিয়ে দেখেছি টাকা নাকি কালোও হয় কথাই শুধু শুনেছি  র রাস্তার কলে স্নান করি। স্নানের জলে আয়রন ফেল করেও পাশ করে যাই কিসের শালা বায়রন !  ফ কাটমানি, অবরোধ ---আড়চোখে ফূর্তি এই দলে ঠাঁই পেল আজকাল মূর্তি। প পয়সা দিলে অর্ধাঙ্গী রুখে দাঁড়ালে মর্দাঙ্গি!  চ রোগটা এখন বেশ ক্রিটিক্যাল। চিকিৎসা নয় সোজা সমাধান হাতের মুঠোয় ---হাতের কাছেই ওঝা। শ শহর সাজে, দেশ সাজে, যখন সাজে ফুটপাথ একই বৃন্তে দুটি কুসুম সবার জন্য ডিম ভাত। ব বৃদ্ধ দুজন প্রাণ হারায় দায়ী কোন ব্রোকারস্ বিশ্বকাপে হার মেনেছি। আমরা এখন চোকার্স। ম একটা মানুষ অনেক মুখ গেরুয়া, লাল, সবুজ সুখ... স সমস্যার মাত্রা অনেক, হয়না সহজ নিরসন লৌহ প্রতাপ ঠুনকো রঙ ; অস্ত্র এখন অনশন। জ জলের তোড়ে সব ভেসে যায় জলের এমন ক্যালি স্বপ্ন ছিল বাড়ি হবে, গাড়ি হবে, ঘুরব রোজভ্যালি আ ...

নিবন্ধ: শেফালী সর

   কেমন আছেন আমার দেশের মানুষ        আমি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের একজন সাধারণ নাগরিক ও পশ্চিম বঙ্গের অধিবাসী। দীর্ঘ পরাধীনতার নাগপাশ থেকে ভারত মুক্ত ১৯৪৭সালের ১৫ই আগষ্ট। একদিকে সাম্প্রদায়িকতা অন্যদিকে ক্ষমতা লিপ্সা অখন্ড ভারতবর্ষের স্বাধীনতার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ালো।আর তাই অখন্ড ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পরে পেলাম খন্ডিত ভারতবর্ষের স্বাধীনতা। শুরুতেই সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের শিকার হলাম,যার যন্ত্রণা আজ ও বহন করতে হচ্ছে ভারতীয় নাগরিকদের।     স্বাধীন ভারতবর্ষের রাষ্ট্র পরি চালনায় দিকনির্দেশনার জন্য যে লিখিত সংবিধান গৃহীত হলো, সেই সংবিধানে শিক্ষার মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভূক্তি হল না। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাই টালমাটাল অবস্থা। এই বিষয়ে নানান সমীক্ষা নানান পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হয়েছে। তবুও সঠিক নিশানা পায়নি দেশের মানুষ। এতো গেল শিক্ষার কথা।        হঠাৎ এক সময়ে দেখা গেল দেশের কিছু মানুষ দলবদ্ধ হিংসায় উন্মত্ত হয়ে উঠছে। পঞ্চায়েতি শাসন ব্যবস্থা ও তার থেকে উৎপন্ন নূতন গণ নেতৃত্ব ই আমাদের এই রাজ্যে দলবদ্ধ হিংসার প্রকা...

মুক্তগদ্যঃ সত্যম ভট্টাচার্য

             সব স্বাধীনতা এক হয় না                              আগষ্ট মাস।সারাদিন প্রচন্ড রোদের পর বিকেল থেকেই আকাশের মুখ গোমড়া হয়ে এসেছিলো। আর এখন অঝোরে ঝরছে।কদিন ধরে এমনটাই হয়ে চলেছে।মাঝে তো কদিন আবার দিনরাত একনাগাড়ে বৃষ্টি হয়েই চললো। আমাদের নীচু শহরের অনেক জায়গায় জল উঠে এলো। তার মধ্যে দিয়েই চললো আমাদের দৈনন্দিনের অফিসে যাতায়াত।ছুটি বাঁচাতেই হবে যে কোনভাবে।আর যাদের হাতের অন্ন খেয়ে আমাদের দিন কাটে,তারাও কিন্তু এলেন ,প্রায় নিয়মিতই। মাঝে হয়তো একদিন নীচু এলাকায় নদীর জল উঠে আসাতে আসতে পারেননি,কিন্তু প্রতিদিনই প্রায় এসেছেন।মাঝে মাঝে মনে হয় কি সেই জিনিস যা কোনরূপ লিখিত চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত না হয়েও এই তথাকথিত অশিক্ষিত মানুষগুলিকে নিয়ে আসে প্রতিদিন নিজের নিজের কর্মস্থলে।উত্তর কি শুধু একটাই-অভাব?না তার সাথে কোথাও মিশে আছে একটু হলেও দায়িত্ববোধ।না কি এরা ডরায় সেই অমোঘ মুখঝামটাকে বা কাজ চলে যাবার ভয়কে। একদিন ইচ্ছে হলেও বিশ্রাম নিতে পারে না এরা,পারে না কোন নির্...

নিবন্ধ : অনিরুদ্ধ সুব্রত

গুজব এবং গণপ্রহার  বন্ধ করার দায়বদ্ধতা সকলের  ----------------------------------------------------------------------- পাড়ায় পাড়ায় বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের 'কিডনি কেটে নিয়ে যাচ্ছে' অথবা হিন্দিভাষী অপরিচিত যুবক 'জঙ্গি' অথবা বস্তা কাঁধে ময়লা পোশাক লোক 'ছেলেধরা'। না এর একটিও সত্যি নয়, নিছক সন্দেহ। অতএব শুধুমাত্র ঐ সন্দেহটুকু কখনও মুখে মুখে, কখনও সোস্যালমিডিয়া মারফত ছড়িয়ে দাও । এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গতিশীল বিষয় হলো গুজব । মুহূর্তে সহস্র হাজারে পৌঁছে যেতে যেতে সুতীব্র একটা সক্রিয়তা কিড়মিড় করে ধেয়ে আসে ঘটনার উৎসে। তার পর যা ঘটে তাকে তাণ্ডবলীলা বললেও কম বলা হবে।           ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি এই রাজ্যেও ডাইন-ডাইনি প্রসঙ্গ এখনও খেয়াল করলে শোনা যায় । কিছুটা অস্বাভাবিক-দর্শন সঙ্গতিহীন দরিদ্র মলিন পোশাক বা মানসিক ভারসাম্যের বিন্দুমাত্র অসংলগ্নতা থাকলেই উপযুক্ত ভূমি রচিত । বহুকাল থেকে প্রাকৃতিক, সামাজিক এমনকি ব্যক্তিগত পারিবারিক যে কোনও উদ্ভূত সমস্যার জন্য এই জাতীয় নিরীহের উপর 'অলক্ষ্যণ' মূলক তকমা সেটে অত্যাচার হয়ে আসছে...

কবিতা: পবিত্র কুমার ভক্তা

       লড়াই আদিম অন্ধকারে গায়ের চামড়া অবান্তর রিপু মাথা চাড়া দেয়, অস্ত্বিত্বের ফ্যাগোসাইটোসিস গ্যাংলিয়ন সমাজে, মর্সিয়া রচি সংবৎসর। স্নায়ুশৈথিল্য শিরদাঁড়া অভয়ারন্য খোঁজে অন্ধকার পথে শাড়ি উড়ে এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে বিদ্রোহী যুবক নেশা করে লাশকাটাঘরে ঘাড় গুঁজে। গাছের গায়ে শ্যাওলা জমেছে, মিথ্যা মনেতে আরও একবার জেগে ওঠা দরকার বন্দেমাতরম ধ্বনিতে...   ............................. .................. প্রেরকঃ পবিত্র কুমার ভক্তা গ্রাম- পাটনা ,  পোঃ - অজয়া ,  থানাঃ- খেজুরী , জেলাঃ- পূর্ব মেদিনীপুর ,  পিন- ৭২১৪৩০ সম্পাদিত পত্রিকাঃ    "অক্ষর বিতান ' , " কমিউনিকেশন ' ' খেজুরীর মুখ ' [ সহ সম্পাদক] মোঃ ৯৭৩৪৪২৫৭০২ [whatsapp] 

কবিতা: সুমিত মোদক

আকাশ কুসুম সম্প্রীতির সুর [ ধর্মের জাঁতায় শিশুর সৎকার , কবর খুঁড়লেন মা নিজেই । -- আন্দন বাজার পত্রিকা , ২৯ মে ২০০৬  ] এখানে আমি বেশ আছি      ভাল আছি  সুখে আছি     শান্তিতে আছি ... জানি না,  এখন আমি কোথায় আছি  !  হিন্দুর স্বর্গে ! নাকি মুসলমানের বেহেস্তে !  এখানে হাজার হাজার সূর্য  হাজার হাজার নক্ষত্র     ধূমকেতু  এক মহাজাগতিক সংসার ... এখানে কোনো ধর্ম নেই     জাত নেই  নেই বর্ণ       বিদ্বেষ ... # ওখানে তুই কেমন আছিস , ভাই  ! আমাদের পূর্বপুরুষের হিন্দু ভারতবর্ষে !  আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে সম্প্রীতির দেশে  ! কেমন আছে আমার হিন্দু বাবা  মুসলমান মা ! কেমন আছে তোদের সমাজ      সভ্যতা  পরিবর্তনের গান ...  # সেই গানে ভেসে ছিল আমাদের বাবা-মা ; ভালবেসে বিয়ে করে ছিল ভিন্ন ধর্মের দুটি মানুষ ; মেনে নিতে পারেনি দুটি পরিবার  # দুটি সমাজ  ওদের পরিজন ! ওদের সংসারে...

মুক্তভাবনা: আবদুস সালাম

 ট্র‍্যাজিক   নায়ক : সুভাষচন্দ্র বসু       দ্বিখণ্ডিত হয়ে স্বাধীন হলো ভারত । ফিরে এলেন না আমাদের যৌবনের প্রতীক নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু।বিমান দুর্ঘটনায়  মৃত্যু কাহিনী দেশময় চাউর হলেও আজও তা আমাদের কাছে অবিশ্বাস্য।বিমান দুর্ঘটনার কাহিনী তে এতো বেশী ছিদ্র যে অলীক কথকথার জল সহজেই‌ সেখানে ঢুকে  পড়ছে।      এত বড়ো মাপের একজন  নেতার মৃত্যু কাহিনীর তথ্য প্রমাণ  এতো বেশি অকিঞ্চিৎকর যে পরস্পর বিরোধী স্বাক্ষ‍্য এবং গোপনীয়তার চেষ্টা নানা রকম সন্দেহের উদ্রেক করে । জাপানের রনকেজী মন্দিরে অবস্থিত ছাই কাহিনী ও আমাদের মনে বিশ্বাসের তত্ত্ব উপস্থিত করতে পারে না।    বিশ্ববরেণ্য সর্বভারতীয় নেতার প্রতি আমাদের আবেগ, আমাদের আবেগের  উচ্ছলতা স্বাভাবিক ভাবেই উথলে ওঠে।তিনি ছিলেন  একাধারে কবি গুরুর স্নেহ ধন‍্য,চিত্তরঞ্জন দাশের পুত্র তুল‍্য এবং স্বামী বিবেকানন্দের উত্তরসূরী।উচ্ছল তারুণ্যের মূর্ত প্রতীক সুভাষচন্দ্র  বাঙালি জাতিকে সাহস ও তারুণ্যের দীক্ষা দিয়েছেন।ভীরু বাক‍্যবাগীশ বাঙালি জাতি একজন উচ্চ শিক্ষিত, প্র...

কবিতা: নাসির ওয়াদেন

             কথা শুধু শব্দ নয়                              ১ দেশভক্তিকে একবার প্রশ্ন করেছিলাম কোন উত্তর আসেনি উত্তর আসার কথাও নয় কেননা উত্তর দেওয়ার লোকই তো দেশে নেই যারা দেশরক্ষার নামে আছে তারা পাহারাদারমাত্র আড়ালে আবডালে লুঠের রাজত্ব চলছে মিথ্যে দোষ দিয়ে লাভ কী ভাস্কর পণ্ডিতদের মিথ্যের গাড়ি চড়ে বেশি দূর যাওয়া যায় না ফিনিক্স পাখির ডানার ভেতর জনরোষ জমা আছে                         ২ হতাশা আর গ্লানি নিয়ে সূর্য ঢলে পড়লে প্রত্যাশার আকাশে চাঁদ  দেখা যায় চাঁদকে ভালবাসার ক্ষেত্রভৃমি নির্মাণে নাসা পারেনি ইসরো করে দেখাচ্ছে কেরোসিন,পেট্রোলের দাম বাড়লে ফড়েদের লাভ যারা লাভ খেতে খেতে রাঘব বোয়াল হয়েছে শীতল চোখে অপেক্ষা করছে তাদের শ্রীঘর                          ৩ অসহিষ্ণুতা আর হিংসাত্মক কার্যকলাপ যখনই বাড়ে লোভের গতিবেগ হারে তখন...

কবিতা ।। সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়

     সেই সংবাদ চারপাশে এবং ঘরের মধ্যে সময় পুড়ছে, বৃত্তের মধ্যে পুড়ছে মানুষ।  চেতনার গভীর থেকে উঠে আসছে ঘৃণাময় ধোঁয়া, ধোঁয়া ছুঁয়েছে বৃত্ত-বদ্ধ বিন্দুর হৃদয়,  তবু বিস্ফোরণে কাঁপেনি ঘন বসবাস। নির্লিপ্ত চোখের পাতা ছিঁড়ে নেমে এসেছে অভিমানী জল, শুধু বধ্যভূমির স্মৃতি কেরোসিন কুপির মতো টিম্ টিম্ জ্বলে সারারাত। এই তো সময়। সমস্ত কাঠিন্যের মধ্যে নির্মিত মানুষ, পারঙ্গম নারীকে এক সূত্রে বেঁধে নেবার। এখন সম্মোহনে পোড়ার থেকে ফিরে যেতে হবে মানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি, কারণ নিবিড় শোষনের জ্যামিতিক আচার বদলে গেছে অভিনব কায়দায়। এই তো সময়।  সেই সংবাদ পৌঁছে দিতে হবে, সমূহ পাথর থেকে শরীরে শরীরে...         *=*= *=* SUDIPTA BANDYOPADHYAY. 7P/1, RAM ROAD, SARSUNA, KOLKATA-700061. PH-9432222463. """""""""""""""""""""""""""

অণুগল্পঃ সোমনাথ বেনিয়া

খোলা খাঁচা "আজ ফিরতে রাত হবে। অনেকগুলো পতাকা সেলাই করতে হবে। কালকে স্বাধীনতা দিবস। এক্সট্রা ইনকাম হবে। মালিকের কাছে কিছু না-হয় চেয়ে নেবো। মেয়েটার দুধ কিনতে হবে" - এই সব ভেবে দর্জি অনিল তাড়াতাড়ি হাত চালাতে লাগলো। অবশেষে কাজ শেষ করে ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ‍্যে বাড়ি ফিরছে অনিল। হঠাৎ হ‌ইহ‌ই ...গেল-গেল ...ধর-ধর শব্দে ভিড় জমে গেল। রক্তে ভেসে যাচ্ছে অনিলের শরীর। কিছু লোক অনিলকে চাপা দেওয়া লরিটার পিছনে দৌড়ে গেল বটে, কিন্তু ধরতে না পেরে ফিরে আসছে। অনিলের গোঙানি বাড়ছে, বাড়ছে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারীদের সংখ‍্যা।        এমন সময় দুম-দুম, ফট-ফট শব্দে আকাশ কেঁপে উঠছে। বৃষ্টি ধরে এসেছে। আলোকিত আকাশ ঘোষণা করল স্বাধীনতা দিবসের উদ্‌যাপনের ভূমিকা। তাহলে রাত বারোটা বেজে গেল। ততক্ষণে অনিলের দেহে শেষ নীরবতা বিরাজ করছে। বোঝা গেল অনিল এখন স্বাধীন। সে অন্নক্লিষ্ট, দুর্দশাগ্রস্থ, অবক্ষয়ের সমাজ-দেশ ছেড়ে পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে সবকিছু ভালোর দেশের দিকে র‌ওনা দিয়েছে ... ==================================   সোমনাথ বেনিয়া ঠিকানা - ১৪৮, সারদা পল্লি বাই লেন ডাক + থানা - নিমতা জেলা...

কবিতাঃ উত্তমকুমার পুরকাইত

একটা বুলেট ধেয়ে এলো    একটা বুলেট ধেয়ে এলো আমার টেবিলে  তারপর তোমার ক্ষত-বিক্ষত মুখ!  অরুনেশদা, মনে আছে সাতচল্লিশের কথা,  মনে আছে সাতাত্তর, কিংবা দু'হাজার সাত?  সিঙ্গুরের জমি থেকে হটে যাচ্ছে টাটাদের রথ।  তবু এই সতেরোয় কেন আসে ভাঙড়?  হাঙরের ছদ্মবেশে;  আর মোরো না অরুনেশদা  সব ঝান্ডা ঠান্ডা হয়ে পড়ে আছে লাশঘরে  ওঠো,  একা একা হাঁটো  এখনও ধু-ধু করছে গুয়েভারার মুখ  এখনও ধু-ধু করছে গান্ধীজির বুক। *************&****************   উত্তমকুমার পুরকাইত শঙ্করপুর, পোস্ট- প্রাণবল্লভপুর, ডায়মন্ড হারবার, দক্ষিণ ২৪ পরগণা-৭৪৩৩৯৫ মোবাইল/হোয়াটসঅ্যাপ-৯৫৯৩১৩২৭৬৫

কবিতাঃ প্রণব কুমার চক্রবর্তী

        স্বাধীনতার চাওয়া পাওয়া                                          তোমাকে দিয়েছি অশ্রুমাখা নদী              শুকিয়ে যাওয়া ছিহ্ন স্বপ্ন -হার ,              আমার কাছে আর তো কিছুই নেই              চাইলে তোমায় কি দেবো বলো আর ?              স্বাধীনতার স্বপ্ন-অাঁকা ছবি              দেশপ্রেমের অমূল্য উপহার ,              মুখোসধারী নেতাদের ভারে              অাজ সেসব করছে হাহাকার !              চেয়েছিনু রৌদ্রমাখা দিন              জ্যোছনা মাখা নীল আকাশী রাত              পেলাম...

অমিয়কুমার সেনগুপ্ত ।।। কবিতা

এরই নাম রাষ্ট্র মহারণ্যে সিংহ মৃত । পাতি এক নপুংসক বাঘ অরণ্য ছারখার করে দাপিয়ে বেড়ায় । সে-ই তো নিজেকে ভাবে রাজা! তার যারা সন্তান-সন্ততি অন্য সব পশুদের নিপীড়ন করে । ফলে, অন্য সব পশু প্রাণভয়ে জনপদে নেমেই এসেছে । জনপদ এই রাষ্ট্র নয় । অরণ্যই রাষ্ট্রের বিস্তার । সেখানে মানুষ নেই, খোলসের মতন খানিক  বিষাক্ত লবণ পড়ে আছে । মানুষ তা ছুঁতে গিয়ে জীবন হারায়  মৃত ওই সিংহের কবরে কতিপয় পশ্যাধম নাচানাচি করে । সময় হারিয়ে যায় জিঘাংসার চাপে। মুখে কারও কথা নেই । সবাই নির্বাক । এরই নাম রাষ্ট্র,  এই কবরের অতল গহ্বরে জীবিত মানুষ সব চাপা থাকে, কেউই তার জেহাদ করে না। =============================== অমিয়কুমার সেনগুপ্ত,  হুচুকপাড়া বাই লেন, পুরুলিয়া 723101. M: 9434009741.

মুক্ত ভাবনাঃ ইতিকা বিশ্বাস

"আমার দেশের সম্পর্কে আমার কথা" ..................................................................... আমি আমার দেশ ভারতবর্ষকে খুব ভালোবাসি। ভালোবাসি প্রত্যেকটি মানুষকে। তবে খুব কষ্ট হয় যখন দেখি আমার ভারতবর্ষের মানুষ অসহায় এবং শত দুঃখ কষ্ট ভোগ করে চলেছে দিনের পর দিন। খুব আঘাত করে আমার হৃদয়কে আমি মেনে নিতে পারিনা এই অবস্থাকে। আমি প্রত্যেকের জন্য সবসময়ই প্রার্থনা করি হে ঠাকুর সবাই যেন খুব ভালো থাকে হাসি খুশি থাকে। নতুন সূর্যোদয়ের মতো যেন নির্মল হোক দেশ। সন্ত্রাসের কালো ছায়া বিলুপ্ত হয়ে যাক চিরতরে। মানুষ স্বাধীন ভাবে বাঁচার সুযোগ যেন পায় এটা কামনা করি। ভালোবাসি ভিষন ভাবে আমার দেশকে। যখন ফুটপাতে শিশুরা ক্ষুধার জ্বালায় যন্ত্রণা অনুভব করে এবং অন্যের কাছে খাবারের দাবি করে দুহাত বাড়িয়ে অসফল হয়, তখন সেই করুন দৃষ্টি আমাকে ভিষন ভাবে উদ্বেগ করে তোলে। তখন মনে হয় ফুটপাতে পড়ে থাকা সকলকে নিজের কাছে আশ্রয় দিই অন্ন তুলে দিই তিনবেলা, কিন্তু কি ভাবে আমারতো তেমন অবস্থা নয়। এই ভেবে আবার দু-পা পিছে আসতে হয়। কি করবো সাধ আছে তবে সাধ্য নেই।      ক্ষুদ্র শিশুর কান্না অ...

সজল কুমার টিকাদারের কবিতা

হবি শপ থেকে  হবি শপ থেকে পাখিরা ডানা ঝাপটায় আকাশ ভেঙে ধরে আনার প্রথম প্রথম ক'দিন। মুখ ভারকরে অনশন করে তারপর বাঁচার জন্য দানা খায়। ওদের মধ্যে কেউ কেউ ঠিক  ওদের মত নয়। তারা সারা বছর শিক কাটার চেষ্টা করে আর আগস্টে হাতে হাতে  ত্রিরঞ্জিত পতাকা দেখলে  ক্ষেপে ওঠে! চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে প্রশ্ন করে--  'বলো, আমাদের স্বাধীনতা কেন কাড়লে?' --------------------------------------------------------------- সজল কুমার টিকাদার আরামবাগ,হুগলি পিন-৭১২৬০১ ফোন-৯৭৩২৮১৫৩৯৯.

সবিতা বিশ্বাসের কবিতা

স্বাধীনতার গান বিলের ধারে কলমী লতা ফুল ফুটিয়ে হাসে সাঁতার কেটে জল পিঁপিঁরা ভেলার মতো ভাসে বাতাস ছোটে মাতন ওঠে জলের কলতান সবাই ওরা আজ শোনালো স্বাধীনতার গান পথের পাশে লাজুক হেসে লজ্জাবতী লতা ফিসফিসিয়ে গুনগুনিয়ে কইছে কত কথা ফুটলো কলি জুটলো অলি খুশির ঐক্যতান গলা মিলিয়ে গাইলো ওরা স্বাধীনতার গান দৃপ্ত পায়ে ক্ষিপ্ত বেগে জয়ের অভিযান ওই চলেছে মাতঙ্গিনী আঁকড়ে অভিমান প্রাণ দেবোতো মান দেবোনা যতই আঘাত হান বুলেট বুকে গাইলো মেয়ে স্বাধীনতার গান মাঝির মুখে চাষীর বুকে ভালবাসার ঢেউ দেশ মায়েরে রাখবো ভালো দেবোনা ব‍্যথা কেউ ব্রিটিশদের দূর হঠাতে লক্ষ বলিদান উঁচিয়ে মাথা গাইলো সবাই স্বাধীনতার গান।                   ---------------   সবিতা বিশ্বাস প্রযত্নে-- লঙ্কেশ্বর বিশ্বাস গ্রাম ও পোস্ট -- মাজদিয়া ( বিশ্বাস পাড়া) (শুভক্ষণ লজের পাশে) জেলা--- নদীয়া। পিন-- ৭৪১৫০৭ ফোন--- ৮৯০০৭৩৯৭৮৮ ধন্যবাদ।

কবিতা ।। মানবেশ মিদ্দার

ভাগ করবোই মানবেশ মিদ্দার ভাগ ছিলো না! ভাগ ছিলো না! ভাগ ছিলো না! ভাগ ছিলো না,   'এক পৃথিবী সবুজ মোড়া মাটি।' ভাগ ছিলো না,   'কোথাও ধূসর পাহাড় ছবি আঁকা।' ভাগ ছিলো না,  'কোথাও সুনীল আকাশ ডোবা সাগর।' ভাগ ছিলো না,   'বন, ঝর্ণা, নদী আঁকা বাঁকা।' ভাগ ছিলো না,   'কোন্ পশুটা ভাগ করেছে বন?' ভাগ ছিলো না,   'কোন্ তিমিটা ভাগ করেছে সাগর?' ভাগ ছিলো না,   'কোন্ তারাটা ভাগ করেছে আকাশ?' ভাগ ছিলো না,   'গরম দিনে দখিন হাওয়ার আদর।' ভাগ ছিলো না,   'গাছ-গাছালি এক বনানীর ঘরে।' ভাগ ছিলো না,   'কোটি তারা এক আকাশের তলে।' ভাগ ছিলো না,   'আষাঢ় মেঘে বৃষ্টি বাদল ঝরে।' ভাগ ছিলো না,   'মানব শিশু এক পৃথিবীর কোলে।' ভাগ ছিলো না,   'বেশ তো ছিলো এক পৃথিবী প্রাণ।' ভাগ ছিলো না,   'একটা মানুষ দুটো মানুষ হলো।' ভাগ ছিলো না,   'এক পৃথিবীর একটা হৃদয় জুড়ে,' ভাগ ছিলো না,   'উঠলো পাঁচিল রক্ত বয়ে গেলো।' হাজার শিশু মানুষ হলো হৃদয় উঠল...

কবিতাঃ সুজাতা মিশ্র (সুজান মিঠি)

  বন্দে মাতরম ছুটতে ছুটতে দোকানে এলো বুলি, হাঁপাতে হাঁপাতে  বললো, "উ লালুদাদা, এক কিলো সাদিনতা দাও দিকিন মুর বুন ভাইগুলান খাচ্ছেক, আমু চাইলম,তো বলে 'যা, কিনে লিয়ে আয়।' দাও তো মুকে, খাই বেসটি করে।" লালু দেখলো, অনেকদিন পর সুযোগখান পেয়েছে সে, বলে, "উটা তো দুকানে পাওয়া যায় লা কিনা, চল মুর  সাথে, লিয়ে আসবি। আর গুরমা গরম খাবি।" স্বাধীনতার স্বাদ পেতে বুলি লালুর পিছন পিছন গিয়ে  ঠেকলো গ্রামের শেষ প্রান্তের ভাঙা মন্দিরে, লালুর শক্ত দুটো হাত বুলিকে টু ফ্যা করতে দিল না।  রক্ত আর কান্না কাদার সঙ্গে মিশে বয়ে যেতে লাগলো  সারা শরীর জুড়ে তার। লালু স্বাধীনতা খায়িয়ে চলে গেল। সন্ধেবেলায় টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গেল বাপমায়ে, আর  তারপর উদুম মার। নিস্তেজ শরীরটা উল্টে পড়লো  খড়ের বিছানায়। দিনদশেক বাদে যখন বুলি ঘর থেকে বেরোয়, পথে লালুর সাথে দেখা, "এ বুলি, বল কেনে, সাদিনতা কেমন খেতে? আর খাবি লাকি?" একদিন দুদিন তিনদিন রোজ রোজ প্রতিদিন তাকে সাদিনতা খাওয়ার প্রস্তাব দেয় লালু। আর তারপর কেটে গেল এক বছর। ফিরে এলো আবার সেই দিন। স্বাধীন...

অষ্টপদ মালিক ।। কবিতা

জন্মদিনের উপহার জন্মদিনে তোমাকে কি দেবো ভেবে ভেবে বড়ো অস্থির হয়ে পড়েছি । একখানা বই দেবো ? নিজের মনে ভাঙাগড়া খেলা চলে বই তোমার কি কাজে লাগবে ! তুমি তো নিরক্ষর । তোমার পাংশু মুখের দিকে তাকিয়ে আমিও কম কষ্ট পাইনা ! কোথায় তোমার গা-ঢাকা বস্ত্র কোথায় তোমার ক্ষুধা নিবারণের অন্ন। আজও খোলা আকাশের বারান্দা তোমার ঘর । আর অপেক্ষার পালা গুনবো না আজ পনেরো ই আগষ্ট ,তোমার জন্মদিন তোমার দুঃখের সাগর ভালোবাসার মাটি দিয়ে ভরিয়ে দেবো নতজানু হয়ে শপথ নিলাম । ======================            অষ্টপদ মালিক    পাঁচারুল, হাওড়া- ৭১১২২৫     মোবাইল: 6295321758

স্বরূপা রায়ের কবিতা

স্বাধীনতা যে দেশে আজও হাজার হাজার পেট অভুক্ত থেকে যায়, যে দেশে আজও বেশিরভাগ মানুষ পথে রাত কাটাতে বাধ্য হয়, যে দেশে আজও কন্যাশিশুর জন্মের আগে ভ্রূণহত্যা হয়, যে দেশে আজও বাবা-মা ছোট ছেলেকে অভাবে কাজে পাঠায়,  যে দেশে আজও পুরুষকে অর্থ জোগানের মেশিন ভাবা হয়, যে দেশে আজও গায়ের কালো রঙ দিয়ে মানুষের বিচার হয়, যে দেশে আজও ধর্ষণের পর ধর্ষককে না, ধর্ষিতাকে দোষী মানা হয়, যে দেশে আজও পণ নামক অপরাধের জন্য বধূহত্যা হয়, যে দেশে আজও একজন নারী সম্পূর্ণ রূপে নিরাপদ নয়, যে দেশে আজও সন্তান বাবা-মা বৃদ্ধ বয়সে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায়, যে দেশে আজও অন্নদাতা কৃষককে আত্মহত্যা করতে হয়, যে দেশে আজও প্রাপ্য চাকরির জন্য অনশনে বসতে হয়, যে দেশে আজও রাজনৈতিক লড়াইয়ে ভাইয়েভাইয়ে খুন হয়, যে দেশে মনুষ্যত্বের ঊর্ধ্বে ধর্ম এবং জাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেই দেশে ৭৩ বছরের স্বাধীনতা পালন করা কী মানায়? ================================== নামঃ স্বরূপা রায় ঠিকানাঃ উত্তর ভারতনগর, ১০, বটুকেশ্বর দত্ত সরণি, পো- রবীন্দ্র সরণি, জেলা- দার্জিলিং, শিলিগুড়ি-৭৩৪০০৬ ফোন নংঃ ৮৬৩৭৫২৮৯২৫ হোয়াটস্যা...

'পাখী'র কবিতা

স্বাধীন ভারতের মেয়ে ভালো থাকিস ও মেয়ে তুই দুঃখ কেন করিস পৃথিবীর সমস্ত সুখ তোর হাতেই ধরিস। লাগবে না তোর চোখে কাজল, ঠোঁটে লিপস্টিক, মুখে কোনো প্রসাধন মাথায় গুজে নিস কিছু লাল জবা বেনারসির হবে না প্রয়োজন। রাস্তার পাশে ইটের উপর শুয়ে, পরম নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে যে মানুষটি তার দিকে চেয়ে দেখ মশার সাথেও তার হয়েছে মিতালী, কারো সাথে নেই কোনো সংঘাত। বিড়াল ছানা দুটির সাথে করে নে তুই সুখ ভাগ জোছনাকে গায়ে মেখে সোহাগী হ আঁধার আঁধারেই পড়ে থাক। মালা বদল করিস সেই ছেলেটির সাথে যাকে পছন্দ করেছে বাবা মা জেনে রাখিস গুরুজনের আশীর্বাদের কোনো বিকল্প হয় না। জুঁই-চামেলীর হাসি ছড়িয়ে শশুর শাশুড়িকে ভালো রাখিস, ভালো থাকিস ===========================           পাখী             11-8-19

কবিতাঃ সম্পা পাল

জন্মভূমি পৃথিবীর সব দেশ সুন্দর পৃথিবীর সব মানুষ ভালো শত্রু বলে কাউকেই মনে হয় না পৃথিবীর সব নদীতেই নামতে ইচ্ছে  হয় সব পাহাড় থেকেই সমতল ভালো লাগে তবে দিনের শেষে আমার দেশেটাই শুধু ঘরে ফিরতে বলে। আর মরণ চিন্তা এলে শুধু গঙ্গাকেই মনে পড়ে....... এটাই কি জন্মভূমি ? =================== সম্পা পাল, শিলিগুড়ি

কবিতা: তরুনার্ক লাহা

        স্বাধীনতা  অত্যাচারে অত্যাচারে জর্জরিত  সবার দেহ রইল না কেউ চুপ করে আর করল সবাই যে বিদ্রোহ । ফাঁসির দড়ি পরল গলায় শহিদ হলো আরো কত গুলিতে বুক ঝাঁঝরা হলো মরল মানুষ শত শত। গান্ধী এলো,এলো সুভাষ  এলো বিনয় দিনেশ বাদল এলো সূর্য কল্পনারা বাজল স্বাধীনতার মাদল। রক্ত লেখায় লেখা হলো স্বাধীনতার এই ইতিহাস  স্বাধীন হলাম,কেউ তো আবার খেলল কত বিভেদের তাস। স্বাধীনতার মন্থনে হায় উঠল অমৃত উঠল যে বিষ পেলাম আমরা স্বাধীনতা  তবু ব্যাথা পাই অহর্নিশ। এখন মনে প্রশ্ন জাগে সত্যি কি ভাই আমরা স্বাধীন দেশের মধ্যে নেই কি গরিব  সবার মুঠোর মধ্যে সুদিন? দুঃখ মনে থাকবে না আর আমরা স্বাধীন মুক্ত এবার স্বাধীন সবাই যদি থাকে অন্ন বস্ত্র শিক্ষা সবার।                *** তরুনার্ক লাহা বেলিয়াতোড় বাঁকুড়া

সুমন নস্করের ছড়া

         মহান ভারত আমরা সবাই ভারত বাসি এ দেশ মোদের গর্ব, জন্মভূমি এ দেশটাকে করব না কেউ খর্ব৷ পরস্পরে বাসব ভাল দেখব সবার হাসি, সব ব্যবধান ঘুঁচিয়ে বলো আমরা ভারত বাসি৷                        ৷৷২৷৷ আমরা সবাই ভারত বাসি এ দেশ মোদের মা, জন্মভূমি মায়ের রূপের নেইকো তুলনা৷ মাথায় যে তার তুষার রাশি ঘোমটাখানি টানা, পা ধোয়াতে ঢেউয়ের রাশির একটুও নেই মানা৷                        ৷৷৩৷৷ আমরা সবাই ভারত বাসি এক দেহ মন প্রাণে, সবাই সবার বাসব ভাল এক মিলনের গানে৷ ভারত আমার মহান ভারত আসুক মহা যোগ, সংহতি আর বিশ্ব দ্বারে সবার সেরা হোক৷ ============================== সুমন নস্কর ৷৷ বনসুন্দরিয়া ৷৷ দক্ষিণ২৪ পরগনা

কবিতাঃ সুপ্রীতি বর্মন

হৃতগৌরব স্বাধীনতা যবে দুটো ভাতের জন্য যৌবন খোয়াতে, গলদঘর্ম পরিশ্রম মজদুর ইঁট বোঝাই,  রাস্তা ঘাটে ধূলায় পরিত্যক্ত উচ্ছিষ্ট সখ স্বাদ আহ্লাদ  পরের বাড়ি দাসত্ব ঝি খেটে,  পচে গলে যা হোক দেনা পাওনা জীবন নিতে হবে না আর, বলবি আমরা স্বাধীন।। অর্থনৈতিক চাপের বোঝা মরনসংকোচনের মতন  আপাদমস্তক টাকার গদির তলায় দমচাপা দীর্ঘশ্বাস কালঘাম ছোটে বিষাক্ত দুধ কলায় পোষা কালসাপ  পাশবালিশের কোলে ঘাপটি ঘুমে  ছুঁতে চায় স্বপ্ন,  ঐ বিশাল আকাশকে হাতের মুঠোয় পেতে অভীষ্ট লক্ষ্যের উপর রাখবে হাত নির্দ্বিদ্ধায় সেদিন বলবি আমরা স্বাধীন।। যবে মনুষ্যত্বের দর কড়ির দর থেকে হবে বেশি  লাখ গুনে মনন চিন্তন সব মাপকাঠি যাবে ডিঙিয়ে কড়ির দরে বাছবিচার তাকে রেখে কিংবা উচিত ও নৈব নৈব চ এর বাটখারায়, বসাবে না প্রতিজনকে  সেদিন বন্ধ হবে কেনাবেচা।  বিক্রীত হবে না আজন্মলালিত মূল্যবোধ অপমানে মাথা হেঁট দেওয়ালে পিঠ ঠিকে কানাকড়ির বহ্নিশিখার অটুট আস্ফালনে মধ্যবিত্ত টানাপোড়েন জীবন পকেটে দশ টাকা,  চোখের সমুদ্রে বানভাসি উচ্ছাস লাখ টা...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

সাম্প্রতিক বাছাই

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

কবিতা ।। স্রষ্টা ।। বৈশাখী রায়

  স্রষ্টা   বৈশাখী রায় তাদের খুঁজছি, খুঁজেই চলেছি... মস্তিষ্কের গভীর-গোপন কোণগুলিতে। তবুও প্রকাশ্যে আসেনি তারা, শব্দের ভিড় নামেনি হাতে। চাহিদার প্রাচুর্য! সংখ্যা বাড়ছে খুব... আমি স্রষ্টা, রচনাই আমার আরাধনা, সৃষ্টি সাধনা জলাঞ্জলি যাক! জবরদস্তি প্রতিযোগিতায় নামা। মনের ভাব প্রকাশ পায় না, তবুও লেখার স্বাধীনতা।  অর্থ মিলুক ছাই না মিলুক , কঠিন তবু শব্দ খোঁজা।  কলমে তারা ধরা না দিলে, মস্তিষ্ক শব্দ ধার করে । অনুভূতিরা আপন হয় না, অন্যের অনুভবে অট্টালিকা গড়া। উফ! শব্দ মেলানো কঠিন কাজ, মন এবার শব্দের ছক বাধে। ব্যস্ততা, সময়সীমা, প্রতিযোগিতার জটাজালে, স্বতঃস্ফূর্ততা হাঁপিয়ে ওঠে...।।               ___________       নাম-বৈশাখী রায়  ঠিকানা- ঠাকুরনগর (বণিক পারা) ডাক-ঠাকুরনগর  থানা-গাইঘাটা  পিন-৭৪৩২৮৭

বিজয়ন্ত সরকারের গল্প

// রাস্তার ছেলে মন্টু // গতরাতে যখন অঝোর ধারা... স্বস্তির গন্ধ দালানের মালিকদের উরুভাঁজে-কার্নিশে তখন ভেজা শরীরে বছর নয়ের মন্টু আশ্রয় নিয়েছিল একটা জীর্ণ একচালায়। যার নীচে দাঁড়িয়ে শরীরটা অন্তত একটু কম ভেজে ।  বৃষ্টিস্নাত রাতে এই একটাই সমস্যা মন্টুর । সকালে মবিন মিঞাঁকে দেখেই- - আরে চাচা, গতরাতে যা বৃষ্টি, তোমার এই একচালার নীচেই তো ছিলাম । - কী কইতাসস্ ! এই চালায় যত ফুটা, দিনে বারিষ আইসলে মুই বুঝবার পারিনা জুতা সিলাইয়ের জিনিস রাকপো কই আর মুইবা খাড়াবো কই ! - যাই বল চাচা, ভগবান আমার জন্যই তোমাকে পাঠিয়েছে । তা না হলে খদ্দের তো তেমন আসেনা, তবু ওই কটা পুরানা জুতা-কালি-সুতা নিয়ে বসে থাকো।  - হা হা হা (প্রাণখোলা হাসি) সহী বাত্ বেটা...সহী বাত্ । 'যাই ওদিকে হয়তো চা ফুটছে, পরে এসে নিউজ শোনাব তোমাকে' মন্টু বলতে বলতে ঝটপট্ বেরিয়ে যায়।  দাস টিফিন সেন্টারে কাজ করে মন্টু । সারদিন খেটে নাম মাত্র টাকা পায় আর কখনও কখনও পায় এক বেলার টিফিন । অথচ কথায়, চাল-চলনে, ফুরফুরে-উড়ে বেড়ায় বেশ । (ব্যাগ হাতে এপাড়ার গন্যিমান্যি গগন বাবুর আগমন) - আরে ও মবিন...

পুস্তক-আলোচনা ।। পুস্তক : বেগমপুরের ইতিহাস ।। লেখক : ড. দেবব্রত নস্কর ।। আলোচক: অরবিন্দ পুরকাইত

'বেগমপুরের ইতিহাস' :  অনুসরণযোগ্য জন্মগ্রাম-গাথা — অরবিন্দ পুরকাইত আজন্ম যে স্থানে মানুষের শৈশব-কৈশোর কাটে, যৌবন কাটে, তার স্মৃতি সচরাচর অবিস্মরণীয়। যত নগণ্যই হোক না সে স্থান। প্রত্যক্ষভাবে যদি না-ও হয়, আমরণ ছায়াসঙ্গী যেন তা মানুষের! আমাদের ইতিহাসচেতনা বলবার মতো নয়। একাধিক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব এ আক্ষেপ করে গেছেন, বঙ্কিমচন্দ্রের কথা তো স্বত-ই মনে আসে। আমরা এমনকি ইতিহাস নিয়ে ভাবি-ই না তেমন করে! মৌখিক পরম্পরা একসময় হারিয়ে যেতে থাকে আগের প্রজন্মের মানুষের একের পর এক প্রস্থানের সঙ্গে সঙ্গে, তার লিখিত বা অন্য রূপ তেমন ধরে রাখতে না পারার কারণে।        কেবল শৈশব-কৈশোর-যৌবনই নয়, জন্মতক দেবব্রত নস্করের প্রায়-সাতদশকজোড়া জীবন নিরবচ্ছিন্নভাবে কেটেছে তাঁর ধাত্রী, পালয়িত্রী বেগমপুরে — দুশো-আড়াইশো বছর আগে বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনার দাড়া গ্রাম থেকে এসে তাঁদের পূর্বপুরুষদের জঙ্গল হাসিল-করা স্থানেই। জন্মভূমির প্রতি দায়বদ্ধতাস্বরূপ লিখেছেন তিনি তাঁর জন্মগ্রামের কথা। বহু মানুষেরই স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ তাঁদের জন্মভূমির সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। সেই জন্মভূমির প্রতি প্রায়...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

বছরের বাছাই

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। প্রথম পর্ব : 'প্রেম' বিষয়ক লেখাগুচ্ছ

সূচিপত্র   গদ্য-গল্প-কবিতা প্রেম বিষয়ক কবিতা ।। উত্তম চৌধুরী   উদভ্রান্ত আমি ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || অভিজিৎ হালদার   প্রেম: মানুষের অন্তরে জ্বলে থাকা অনন্ত আলোর নাম ।। আদিল হোসেন মাহি অসমাপ্ত ভালোবাসা ✍️ শিবাশিস মুখার্জী অসমাপ্ত শ্রুতি ।। জয় মণ্ডল রম্যরচনা ।। ভালোবাসা প্রাইভেট লিমিটেড ।। অভীক চন্দ্র প্রেমিক-জন্ম ।। নবনীতা সরকার সুব্রতাসম্ভব, সহজ গান ।। অর্ণব সামন্ত যৌবনের বিগত ঋণ ।। শম্পা সামন্ত দেখা ।। রাজশ্রী দে খেলাঘর ।। অদিতি চ্যাটার্জি ক্ষণস্থায়ী ।। শ্যামল হুদাতী মন ।। লালন চাঁদ আনমনে ।। সন্দীপ গাঙ্গুলী রজনীর গন্ধে ভেজা রাত ।। কৃষ্ণনীল মিস্টার ব্যানার্জী || আরজু মুন জারিন দুটি কবিতা ।। জয়শ্রী দাস কড়ানাড়া ।। মলয় সরকার অদেখা চিঠির নদী ।। দেবব্রত মণ্ডল অপূর্ণতা ।। ​সুখেন সিনহা জুলি এবং আমি ।। মাখনলাল প্রধান প্রেমের আরেক নাম ।। সুমিত মোদক হৃদয় ঘটিত ।। চঞ্চল পাণ্ডে তোমার জন্য ।। বনশ্রী চক্রবর্তী কল্পপ্রেম ।। প্রদীপ সেন বেনারসিটা শুধুই তোর জন্য ।। সৈকত প্রসাদ রায় তিনটি কবিতা ।। স্নেহা ঘণ্টেশ্বরী ...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত

শ্রমিকের অধিকার  চন্দন দাশগুপ্ত          এই নিবন্ধের পরিধিটি বিশাল। ভারতবর্ষের বিভিন্ন শ্রম- আইনানুসারে শ্রমিকদের বেশ কিছু অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ এই ক্ষুদ্র নিবন্ধে নেই, তাই শুধু কয়েকটি প্রধান উল্লেখযোগ্য বিষয়েই আলোকপাতের চেষ্টা করা যাক।            [১] কাজে নিযুক্ত হবার সময়েই প্রত্যেক শ্রমিক একটি নিয়োগপত্র [ পশ্চিমবঙ্গ দোকান ও সংস্থা আইন-১৯৬৩ -র অধীনে থাকা শ্রমিকেরা এক্স (X) ফর্মে ] পাবেন ।           [২] (ক) জুট মিলে কর্মরত কোনও শ্রমিকের পাক্ষিক উপস্থিতি ১২ দিন হলে, তিনি বেতন ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ টাকা পাবেন।                 (খ) 'ঠিকা'-তে উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চাপাতা সংগ্রহ করলে বাগিচা শ্রমিকেরাও নির্দিষ্ট নিয়মানুসারে অতিরিক্ত টাকা পাবেন।            [৩] (ক) ১০ বা তার বেশি শ্রমিক কাজ করেন, অথবা বিগত ১২ মাসের যেকোনও একদিন ১০ বা তার বেশি কর্মী ছিলেন ( সিনেমা হলের ক্ষেত্রে এটি ৫ জন )-- এমন সংস্থ...

মাসের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৭তম সংখ্যা ।। চৈত্র ১৪৩২ মার্চ ২০২৬ ।। নারী বিষয়ক সংখ্যা

 সম্পাদকীয় দপ্তর থেকে :  শুধুমাত্র 'নারী' বিষয়ক লেখাই এই সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের ভালো লাগা কিছু লেখা আগামী সংখ্যার জন্য রইল। সকলকে ধন্যবাদ। ~নিরাশাহরণ নস্কর, সম্পাদক, নবপ্রভাত। সূচিপত্র নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নারীমুক্তির কালিতে লেখা ইতিহাসের কটি পাতা ।। ডাঃ অরুণ চট্টোপাধ্যায় সাহসী এবং লড়াকু নারীরা ।। উৎপল সরকার পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার সুন্দরবনের নারীদের গল্প "নোনাজলের নীরবতা" ।। কাবেরী মাতৃত্ব অন্তকোষীয় স্থপতি ।। মেশকাতুন নাহার অপ্রয়োজনীয় ।। শ্যামাপ্রসাদ সরকার নারী: উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপরিহার্য শক্তি ।। চঞ্চল পাণ্ডে নিরুদ্দেশ ।। স্বাতী রায় চৌধুরী ইলা ঘোষ : বাংলার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার ।। সঙ্ঘমিত্রা দাস অক্ষরের আলো ।। জয় মণ্ডল প্রতিশোধ ।। কাবেরী মিত্র বর্তমান প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের গুরুত্ব ।। পাভেল আমান যে পথ হারিয়েছে দূরে ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায় সেই লাল ফ্রকটা ।। সৈকত প্রসাদ রায় অন্য এক নারীর গল্প ।। অদিতি চ্যাটার্জি শৃঙ্গার ।। চন্দ্রকান্ত চক্রবর্তী একালের অর্জুন ।। জয়শ্রী সরকার এক সাহসিনী সিন্ধু ক...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী ।। ড. সবুজ সরকার

পল গগ্যাঁর চিত্রে নারী  ড. সবুজ সরকার পল গগ্যাঁ ( ১৮৪৮ - ১৯০৩)  ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রতিভাবান ও প্রভাবশালী ফরাসি চিত্র শিল্পী। গগ্যাঁ তাঁর শিল্পচর্চার  শুরুতে একজন Impressionist শিল্পী হিসেবে  চিত্র অঙ্কন শুরু করলেও ( ১৮৮০ র দশকে) পরবর্তীতে পরিচিতি এবং খ্যাতি পেয়েছিলেন  একজন বিশিষ্ট Post- Impressionist চিত্র শিল্পী হিসেবে। নিজের জীবন দর্শন এবং তাঁর শিল্পকলা গগ্যাঁর কাছে চিহ্নিত হয়েছিল বন্য " savage" হিসেবে।     গগ্যাঁ তাঁর রেখায় এবং রঙে বারে  বারে ফিরে যেতে চেয়েছেন আদিমতার কাছে। একাত্ম হতে চেয়েছেন প্রকৃতির সাথে। মিশে যেতে চেয়েছেন প্রকৃতির সম্মোহনী সত্ত্বায়। ১৮৮০ র পরে সময় যত এগিয়েছে গগ্যাঁ ততই আধুনিক সভ্য সমাজের যান্ত্রিকতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে গেছেন। বারংবার আঁকতে চেয়েছেন কল্পনার সাম্রাজ্যের স্বর্গীয় অনুভূতিগুলিকে, আর তাঁর ছবিগুলো হয়ে উঠেছে অকৃত্রিম, খাঁটি এবং আদিম। জীবনের প্রকৃত সত্য ও আদিম চেতনার সন্ধানে গগ্যাঁ ১৮৯১ সালে ফরাসি পলিনেশিয়ার তাহিতি দ্বীপে চলে যান। এই দ্বীপে সাধারণ মানুষের জীবন যাপন তাঁকে আকৃষ্ট করে। এব...

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫

   মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো,  তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৬তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। পর্ব: ২ ।। বিষয় : মাতৃভাষা

  সূচিপত্র শঙ্করের প্রস্থান : বাংলা নগরসাহিত্যের এক মহাযুগের অবসান ।। শিবাশিস মুখার্জী মাতৃভাষা: অস্তিত্বের শেকড়, ঐতিহ্যের ধারক ও সংগ্রামের ফসল ।। উৎপল সরকার অগ্নিগর্ভ একুশে ফেব্রুয়ারি ।। মুক্তি দাশ সঙ্কটে আমাদের মাতৃভাষা চর্চা।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মাতৃভাষা: হৃদয়ের প্রথম স্বর ।। বাসিরা খাতুন আমি বাংলাকে ভালবাসি ।। সৌম্য পাল মাতৃভাষা ।। এস এ বিপ্লব সুখে দুঃখে মাতৃভাষা ও মাতৃভূমি ।। সামসুজ জামান শেকড়ের খতিয়ান ।। মামুন চাকলাদার মধুর ভাষা বাংলাভাষা ।। রবীন বসু মাতৃভাষা ।। দিলীপ সামন্ত ভাষার কথা ।। বি এম মিজানুর রহমান স্মৃতির স্বরলিপি ।। সঙ্গীতা মহাপাত্র একুশ মানে মাতৃভাষা রক্ষায় যুদ্ধ ।। রানা জামান প্রিয় বাংলা ভাষা ।। চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী প্রবন্ধ ভাষার অবমাননা ।। গৌতম সমাজদার আমার প্রাণের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত একুশের লড়াই ।। বিধাত্রী চট্টোপাধ্যায় আমার ভাষা ।। অজয় বিশ্বাস মায়ের ভাষা ।। নজমুল ইসলাম খসরু মাতৃভাষা ।। শোভন চট্টোপাধ্যায় কবিতা ।। মাতৃভাষার স্বাদ ।। রুহুল আমিন বাংলা আমার মা ।। অশোক দাশ একুশের গান ।। দীপঙ্কর সাহা মাতৃভা...

'রঙ' বিষয়ে গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম

  'রঙ' বিষয়ক গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম লাল   আপনি এমন কি আপনিও পারেন কোন সুন্দরী টাইপিস্টের প্রেমে পড়তে যে আপনি খুবই সহজভাবে জীবনকে দেখেন জীবনকে নিজের ভেতর দিয়ে বয়ে যেতে দেন জবরদস্তি ছাড়াই রং নিয়ে কখনো তেমন ভাবেননি ধরুন লাল রং একজন পেইন্টার আর একজন জেনারেলের কাছে ওর মেজাজ নিশ্চয়ই আলাদা হবে হ্যা আমি নিশ্চিত যে নার্ভ ঠিক রেখে একটা তেলাপোকাও কখনো মারতে পারেননি আপনি সেই আপনাকে হঠাৎ খুন করে ফেলতে পারে কোন সুন্দরী টাইপিস্ট আর এই খুনের ব্যাপারটা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে কী লিখে নিচ্ছে সে কি ডকুমেন্ট তৈরি করছে সেটা তো আপনি জানতেও পারছেন না কেন না মনিটর তো সাদা রং নিয়া আমাদের মারাত্মক ভুল ধারণা রইছে সবুজ হলুদ কমলা নীল বেগুনী কালো সাদা এগুলা কিন্তু সতিকার রং না হ এগুলা সত্যিকার রং হয়া উঠবো যখন এগুলারে তুমি লাল রঙে চুবায়ে নিতে পারবা লাল রঙের গ্লাস আজ অব্দি যতোগুলো গ্লাসে আমি জল খেয়েছি তার সবগুলোর গায়েই ফুল আঁকা আচ্ছা বাজারে এমন কোন গ্লাস কি পাওয়া যায় না যার গায়ে আগুন আঁকা আর আপনারা জানেন আগুন যখন জ্বলে তখন তার আকৃতি তাজা একটা ফুলের মতোই আর লাল হ্যা যখন যে অবস্থায়ই আগুনকে আপনি দেখেন না কেন...