জীবাশ্মহীন অ্যানথ্রাসাইট ও নতুন অক্ষর পুরুষ নিমাই জানা মন্দাক্রান্তা আলোর নিচে অ্যানথ্রাসাইট মেশানো অজৈব মৃতজীবী শহর ঘুমিয়ে থাকে জীবাশ্মহীন হয়ে আমি সব বিয়োগ চিহ্নের আবছায়া কাল্পনিক মায়াময় মূর্তিকে রাতের অন্ধকার থেকে বের করে আরো একবার নব্য মন্বন্তর পরাগের দিকে নিয়ে যাই , প্রহরের পাখি শুধু দৈর্ঘ্য মেপে যায় আয়ু বড় ক্ষীন হতে থাকে রাতের তারার মতো আমি শুধু নিশাচরের সাথে ঘুরে বেড়াই প্রাচীন জলজ রাশিচক্রের গান বক্ষস্থলে চেয়ে দেখো সনাতন ,ফুরিয়ে যাচ্ছে কৃষ্ণকায় অলৌকিক দেহঘরের সম্বন্ধ পদ সরল দৈর্ঘ্যের জিরাফের পিঠে বেরিয়ে যায় নগরকীর্তন আর কিছু ত্র্যম্বক চৈতন্য কথা, নতুন করে আমার পিঠ থেকে খসে পড়ে হলুদ পাতার দেহজ ফসিল , আমি এক নতুন বৈশাখের অবিভাজ্য ধনাত্মক রাশিচক্র ফেলে আসি নৈসর্গিক ঈশ্বরের জন্য , আরো একবার ভূগোলের প্রতিটি পৃষ্ঠা জুড়ে পরজীবী অসুখেরা নেচে উঠবে নতুন দেহ ঘরের জন্য , প্রাচীন গুহার ভেতর বসে কোন এক আবুল ফজল গান গাইতে গাইতে কম্বোজ থেকে মাংসল পা বের করে রোপন করবেন বিবিধ রসায়ন ক্ষেত্র চেয়ে দেখো সূর্য , কেমন করে আরো একবার টকটকে লাল হতে পারো প্রতিটি বুবুক্ষু মানুষদের জ...
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...