মহাকালের ক্যানভাসে এক দূরদর্শী নাবিক: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
✍️শিবাশিস মুখার্জী
১. ভূমিকা: সময়ের নদী ও একজন শব্দের জাদুকর
ইতিহাসের গতিপথ যেমন নদী নির্দেশ করে, একটি জাতির সাহিত্যের গতিপথ তেমনই নির্দেশ করেন কিছু ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব। বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা ভাষা, সাহিত্য এবং আধুনিক বাঙালি মানসের ওপর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রভাব কেবল একজন জনপ্রিয় লেখকের সীমানায় আবদ্ধ নয়; তিনি ছিলেন আস্ত একটা যুগের দিশারী। বাংলা সাহিত্যের প্রথাগত আড়ষ্টতা ভেঙে তিনি যে আধুনিকতা ও সতেজতার হাওয়া এনেছিলেন, তা আজ অর্ধশতাব্দী পরেও সমানভাবে স্পন্দিত হয়।
আমরা যখন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে স্মরণ করি, তখন কেবল একজন প্রখ্যাত কবি বা ঔপন্যাসিককে স্মরণে আনি না; বরং স্মরণ করি এমন এক জীবনবোধকে, যা আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে নিখাদভাবে ভালোবাসতে হয়, কীভাবে ইতিহাসের ধূলোপড়া পাতায় জীবনের স্পন্দন খুঁজতে হয়, এবং কীভাবে সমস্ত সামাজিক জড়তা ভেঙে মুক্ত হাওয়ার পিয়াসী হতে হয়। ৭ সেপ্টেম্বর তাঁর শুভ জন্মদিনে বাংলা ভাষার এই প্রবাদপ্রতিম নক্ষত্রের প্রতি রইল আমাদের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।
২. মাদারীপুর থেকে কলকাতার গলি: শিকড় ও বিষাদের রূপকথা
১৯৩৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর অবিভক্ত বাংলার মাদারীপুরে (বর্তমান বাংলাদেশ) জন্ম গ্রহণ করেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু শৈশবেই দেশভাগের কঠিন ও নির্মম সত্যের মুখোমুখি হতে হয় তাঁর পরিবারকে। ভিটেমাটি ছেড়ে কলকাতায় চলে আসা এবং উত্তর-কলকাতার সংকীর্ণ গলিগুলোতে উদবাস্তু জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই—এই অভিজ্ঞতা তাঁর মনের গভীরে এক গভীর দাগ কেটেছিল।
এই যে দেশ হারানোর বেদনা, মূল থেকে উপড়ে যাওয়ার যন্ত্রণা—তা কিন্তু সুনীলকে হীনম্মন্যতায় ফেলেনি, বরং তাঁর অনুভূতির জগৎকে করেছিল অবিশ্বাস্য রকমের বিস্তৃত ও স্পর্শকাতর। মধ্যবিত্ত পরিবারের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, টিউশনি করা, আর তার মাঝেই বইয়ের দোকানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে পড়ার অদম্য তৃষ্ণা—এই সবকিছু মিলে তৈরি করেছিল সেই কথাসাহিত্যিককে, যিনি পরবর্তীতে রাজপ্রাসাদ থেকে শুরু করে কলকাতার ফুটপাত, সব মানুষের সুখ-দুঃখকে সমান দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলতে পেরেছিলেন।
৩. ‘কৃত্তিবাস’ ও আধুনিক কবিতার বিপ্লব
পঞ্চাশের দশকে বাংলা কবিতার আকাশ যখন রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাশের বিশাল ছায়ায় আচ্ছন্ন, তখন একদল উদীয়মান তরুণকে সাথে নিয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক ঐতিহাসিক দুঃসাহস দেখান। ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয় কবিতা বিষয়ক পত্রিকা ‘কৃত্তিবাস’। সুনীলের নেতৃত্বে এই পত্রিকা বাংলা কবিতার অলংকার, ভাষা এবং ভাবনার খোলস পুরোপুরি বদলে দেয়।
রীতিসিদ্ধ ও গুরুগম্ভীর রবীন্দ্র-পরবর্তী কাব্যভাষাকে সরিয়ে রেখে ‘কৃত্তিবাস’-এর কবিরা ব্যবহার করতে শুরু করলেন একদম মুখের ভাষা, নাগরিক রাজপথের ভাষা, প্রেম ও ক্ষোভের ভাষা। কবিতার রাজকীয় পোশাক খুলে তাকে নামিয়ে আনা হলো সাধারণ মানুষের ড্রইংরুমে, কফি হাউসের টেবিলে, আড্ডায়। সুনীলের প্রথম কবিতার বই একা এবং কয়েকজন (১৯৫৮) প্রকাশের পর স্পষ্ট হয়ে যায় যে, বাংলা কবিতা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তাঁর কবিতায় আভিজাত্যের চেয়ে বেশি ছিল সত্যের তাগিদ, সুরের চেয়ে বেশি ছিল জীবনকে প্রত্যক্ষ করার সাহস।
৪. নীরা: কল্পনা, প্রেম ও অধরা সৌন্দর্য
বাংলা প্রেমের কবিতার ইতিহাসে 'নীরা' কেবল একটি নাম নয়, নীরা একটি অনুভূতির প্রতীক। সুনীলের কবিতায় নীরার উপস্থিতি কালজয়ী। নীরা কি কবির কোনো বাস্তব প্রেমিকা? নাকি তিনি প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে লালিত সেই অধরা সৌন্দর্য, যাকে ছোঁয়া যায় না কিন্তু অনুভব করা যায় প্রতি মুহূর্তে?
"নদী পার হয়ে ওপাড়ে চলো, নীরা/
সেখানে কোনো মানুষ নেই, কেবল ঘাস আর ঘাস..."
কিংবা,
"তোমাকে দেখার পর আমি অন্য কোনো নারী দেখি না..."
এই কবিতাগুলোতে নীরা হয়ে উঠেছেন দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি ও রূঢ়তার মাঝে এক টুকরো স্নিগ্ধ আলোর মতো। সুনীল প্রেমের যে ভাষা তৈরি করেছিলেন, তা ছিল একই সাথে তীব্র শারীরিক এবং অতীব আধ্যাত্মিক। নীরার প্রতি কবির এই আকুলতা বাঙালি তরুণ-তরুণীদের প্রেমকে প্রকাশ করার একটি নতুন ব্যাকরণ এনে দিয়েছিল। আজও প্রেমিক যখন তাঁর প্রিয়তমার চোখে চোখ রেখে গভীর কিছু বলতে চায়, তখন সে অজান্তেই সুনীলের নীরা-সংক্রান্ত কবিতার পঙক্তিগুলোকে স্মরণ করে।
৫. ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ: ইতিহাস ও সাহিত্যের অপূর্ব মেলবন্ধন
কবিতার পাশাপাশি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের গদ্য ছিল এক অপার বিস্ময়। তিনি যখন ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে বৃহৎ ক্যানভাসে উপন্যাস লিখতে শুরু করলেন, তখন বাংলা কথাসাহিত্য পেল এক নতুন মাত্রা।
সেই সময়: উনিশ শতকের নবজাগরণের পটভূমিতে রচিত এই কালজয়ী উপন্যাসটি সুনীলের গদ্যশৈলীর চূড়ান্ত নিদর্শন। তৎকালীন কলকাতার বাবু কালচার, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং কালীপ্রসন্ন সিংহের মতো ঐতিহাসিক চরিত্রদের সাধারণ মানুষের মতো রক্ত-মাংসের মানুষ হিসেবে তিনি এখানে উপস্থিত করেছেন। উপন্যাসের কাল্পনিক চরিত্র নবকুমার যেন তৎকালীন দিশাহারা ও সম্ভাবনাময় বাঙালি যুব সমাজের প্রতিনিধি। ইতিহাসকে তথ্যের নিগড় থেকে বের করে এনে সাহিত্যের রসে ভরপুর করার এই অনন্য কৃতিত্বের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।
প্রথম আলো: সেই সময়-এর ধারাবাহিকতায় রচিত প্রথম আলো উপন্যাসটিতে বিশ শতকের প্রথমার্ধের ভারত, ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল এবং তরুণ রবীন্দ্রনাথের কবি হয়ে ওঠার দিনগুলো অপূর্ব দক্ষতায় ফুটে উঠেছে। সেই সাথে বিশ্বভারতীর সূচনা, তরুণদের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং তৎকালীন ভারতের সামাজিক পরিবর্তনগুলো এই উপন্যাসের প্রধান চালিকাশক্তি।
পূর্ব-পশ্চিম: সুনীলের জীবনের অন্যতম ব্যক্তিগত ও আবেগঘন সৃষ্টি পূর্ব-পশ্চিম। দেশভাগের করুণ পরিণতি, ১৯৪৭-এর যাতনা, ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় উদবাস্তুদের ঢল, কলকাতার নকশাল আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ—এই সমস্ত ঐতিহাসিক বাঁকগুলোকে তিনি তিন প্রজন্মের একটি পরিবারের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বুনেছেন। এই উপন্যাসটি আসলে সমগ্র বাঙালি জাতির আত্মানুসন্ধানের এক মহাকাব্যিক দলিল।
৬. নীললোহিত: বাোহেমিয়ান আত্মাসমূহ ও মুক্ত হাওয়ার গান
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক সত্তার অন্যতম আকর্ষণীয় ও বৈপ্লবিক দিক ছিল তাঁর ছদ্মনাম ‘নীললোহিত’। নীললোহিত চরিত্রটি কেবল একটি ছদ্মনাম ছিল না, বরং তা হয়ে উঠেছিল প্রতিটি বাঙালি তরুণের অবচেতন মনের এক চিরন্তন স্বপ্ন।
নীললোহিতের বয়স সবসময় ছাব্বিশ বা সাতাশ। তার কোনো স্থায়ী চাকরি নেই, ব্যাংকে টাকা নেই, ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই; কিন্তু তার আছে বুকভরা অসীম ব্যাকুলতা আর মানুষকে ভালোবাসার ক্ষমতা। সে ট্রেনের টিকিট কেটে যেখানে খুশি চলে যায়, অচেনা মানুষের আতিথ্য গ্রহণ করে, আর জীবনের জটিল হিসাবগুলোকে এক তুড়িতে উড়িয়ে দেয়।
নীললোহিতের জবানীতে সুনীলে লেখা গল্প ও উপন্যাসগুলো যুবসমাজকে শিখিয়েছিল কীভাবে যান্ত্রিক শহরের ছকবাঁধা জীবন থেকে বেরিয়ে এসে একটু মুক্ত বাতাস গ্রহণ করতে হয়। সমাজ যখন মানুষকে কেবল জিপিএ, চাকরি আর উপার্জনের মানদণ্ডে বিচার করে, তখন নীললোহিত এসে মনে করিয়ে দেয়—মানুষের আসল পরিচয় তার হৃদয়ের সচ্ছলতায়, তার পকেটের সচ্ছলতায় নয়।
৭. কাকাবাবু ও সন্তু: দুঃসাহসিকতার নতুন সংজ্ঞা
কিশোরদের জন্য সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় যা সৃষ্টি করেছেন, তা বাংলা কিশোর সাহিত্যের ইতিহাসকে চিরদিনের জন্য সমৃদ্ধ করেছে। ‘কাকাবাবু’ (রাজা রায়চৌধুরী) এবং তাঁর ভাইপো ‘সন্তু’—এই দুই চরিত্রকে নিয়ে লেখা সিরিজের উপন্যাসগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সমান জনপ্রিয়।
কাকাবাবু চরিত্রটির সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো, তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জিতেছে স্বীয় ইচ্ছাশক্তি দিয়ে। একটি পা কৃত্রিম হওয়া সত্ত্বেও, ক্রাচ বগলে নিয়ে তিনি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়ান অপরাধীদের রহস্য উন্মোচন করতে, কিংবা কোনো প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক রহস্যের জট ছাড়াতে। সবুজ দ্বীপের রাজা, মিশর রহস্য, পাহাড় চূড়ায় আতঙ্ক-এর মতো বইগুলো শুধু ভৌগোলিক জ্ঞান বা রোমাঞ্চ জোগায়নি; বরং তা কিশোর মনের ভেতরে এক গভীর মানবিকতা, সততা ও অদম্য সাহসের বীজ বুনে দিয়েছে।
৮. সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব, সংগঠন ও চিন্তার প্রসার
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কেবল একজন গৃহকোণে বসে থাকা লেখক ছিলেন না; তিনি ছিলেন একজন সক্রিয় ও প্রগতিশীল সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ সময় তিনি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সাহিত্য সম্মেলনে বাংলা ভাষার প্রতিনিধিত্ব করেছেন অত্যন্ত মর্যাদার সাথে।
তরুণ লেখকদের উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অভিভাবকের মতো। যেকোনো উদীয়মান তরুণের ভালো লেখা দেখলে তিনি সানন্দে তার প্রশংসা করতেন এবং তাদের পথ দেখাতেন। আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সম্পাদকীয় ও কলামগুলোতে তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ের ওপর নির্দ্বিধায় তাঁর মতামত প্রকাশ করতেন, যা তৎকালীন সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
৯. ভাষার স্বাচ্ছন্দ্য ও গদ্যের মাধুর্য
সুনীলের গদ্যের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল এর অদ্ভুত সহজতা ও প্রাঞ্জলতা। তিনি জটিল বিষয়কেও এমন সাবলীলভাবে বলতে পারতেন যে, এক জন সাধারণ পাঠকও তা অনায়াসে উপলব্ধি করতে পারত। তাঁর লেখায় কোনো অহেতুক শব্দাড়ম্বর বা অলংকারের তোপ দাগা হতো না; বরং সহজ ও সতেজ শব্দের বাঁধুনিতে তিনি এক অদ্ভুত সুরের আবহ তৈরি করতেন।
তাঁর গদ্য পাঠের সময় মনে হয় লেখক যেন পাঠককে সামনে বসিয়ে গল্প বলছেন। এই স্বাচ্ছন্দ্য ও আন্তরিকতাই তাঁকে প্রতিটি বাঙালি পাঠকের এতো কাছে নিয়ে গিয়েছিল।
১০. উপসংহার: চিরন্তন সুনীল
২০১২ সালের ২৩ অক্টোবর কলকাতার বুকে নেমে এসেছিল গভীর নীরবতা—সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আমাদের ছেড়ে চিরবিদায় নেন। কিন্তু সাহিত্যিকের মৃত্যু কেবল ভৌতিক দেহের অন্তর্ধান মাত্র, তাঁর সৃষ্টির তো কোনো বিনাশ নেই।
আজ যখন আমরা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের শুভ জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করছি, তখন বুঝতে পারি তাঁর সাহিত্যের প্রাসঙ্গিকতা আজ আরও বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। ডিজিটাল যুগের যান্ত্রিকতা, আত্মকেন্দ্রিকতা ও সম্পর্কের বিচ্ছিন্নতার এই সময়ে সুনীলের কবিতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় অনুভূতির উষ্ণতার কথা। তাঁর ইতিহাসনির্ভর উপন্যাসগুলো আমাদের শেখায় আমাদের শিকড়কে সম্মান করতে। আর তাঁর নীললোহিত আমাদের আহ্বান জানায় যান্ত্রিক জীবন ছেড়ে প্রকৃতির কোলে ফিরে যেতে।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সেই বাতিঘর, যার আলো আধুনিক বাঙালির প্রতিটি অনুভূতিকে স্পষ্ট করেছে। কবিতা, উপন্যাস, ভ্রমণ কাহিনী থেকে শুরু করে শিশু সাহিত্য—সাহিত্যের প্রতিটি আঙিনায় তিনি যে অজস্র রত্ন ফেলে গেছেন, তা যুগ যুগ ধরে আমাদের পথ দেখাবে।
হে শব্দের জাদুকর, হে বাংলা ভাষার চিরসবুজ নাবিক—আপনার জন্মদিনে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম। আপনি বেঁচে থাকবেন প্রতিটি বাঙালির প্রেমে, অপ্রাপ্তিতে, বিদ্রোহে এবং আত্মানুসন্ধানের প্রতিটা মুহূর্তে।
...............................
শিবাশিস মুখার্জী, মাইফেয়ার এটার্নিটি, আটলাস, কলকাতা ৭০০১৪৫.
Comments
Post a Comment