ডানাহীন পাখির অবশিষ্ট আকাশ অলোক আচার্য ডানা ঝাপটে উড়তে চাওয়া পাখিগুলোর জীবন নিয়ে যে উপন্যাস লেখা হলো অথবা কোনো নাটকের গল্প তৈরি হলো- সেই গল্প বা উপন্যাস পাখিটার কোনোদিন পড়া হলো না! খাঁচার বাইরের আকাশ বা নদীর আলো আর গল্পের শব্দগুলো কেমন হয় সেটাও জানতে পারে না কোনোদিন! এভাবেই উপেক্ষিত থাকে নদী ও মাটি; মাটির সাথে মিশে থাকে মানুষ,অরক্ষিত দুর্গের নৃত্যরত মূর্তিসব সাপ-খোপের ভয় এড়িয়ে ইতিহাস লেখার সময় কেথায়! নক্ষত্ররাও জানে আলোহীন সময়ের পর আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। =========== অলোক আচার্য কবি ও প্রাবন্ধিক পাবনা।
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...