একুশের চেতনায়
ঢেউ উত্তাল , আবেগ মদির ফেব্রুয়ারি মাস ,গাছ-গাছালির পাতায় মাখা হাসনুহানার বাস ;মিস্টি টগর জানান দেয় আসলো ফাগুন মাস ,স্বৈরাচারী তানাশাহীর ঘটাতে সর্বনাশ !ছাত্র-যুবক রাজপথে সব , দৃঢ় শফতের হাত ,মাতৃভাষার অধিকার পেতে সব্বাই একসাথলড়তে হবে রাইফেলধারী সব পুলিশের সাথ ,ভয় পেয়ে গেলে মৃত্যু ঘটবে , হবে সব বরবাদ !গুলির সামনে বুকটা পেতে ,ঢেলে এক বুক রক্ত,বুঝিয়েছিলো - মায়ের জন্য প্রাণ দেয়া নয় শক্ত ;কালো রাজপথে লেখা হয়েছিল বাংলা মায়ের নাম ,বরকত ,সালাম ,জব্বারদের জানাই লাখো সেলাম !==================================ঠিকানা :প্রণব কুমার চক্রবর্তী , ৩৭/১ , স্বামী শিবানন্দ রোড , চৌধুরীপাড়া , বারাসাত , কোলকাতা - ৭০০১২৪ ,
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...