রাজনীতি আর রাজনীতিকে চক্ষু ছানা বড়া।তোমার বুকে জন্ম নিয়ে সঁপেছে কত সবুজ প্রাণতাই তো তোমার বুকে মাগোস্বাধীনতার বান।এক এক করে পঁচাত্তর পেরোল, মিটল না সাধ সাধারণেরস্বাধীনতা আজ স্বাদ হীনতা, আলটপকা বিজ্ঞাপনের।গরীব শুধুই মরে এখানে, সম্বল শুধু চোখের জলনেপোয় দই মারে মাগো, ছলনার চোখ উজ্বল।পায়ের তলায় মাছির মতো মারছে যারা মানুষকেতারাই দেশের হর্তাকর্তা সাবধান করে সবাইকে।বিনা পূঁজির বড় ব্যবসায় সবাই সাজায় পসরা যেদেশের ভাল, দশের ভালো লজ্জায় মুখ লুকায় যে!চোর দেয় জ্ঞান সাধুকে, হও না ভালো এবারতেরঙ্গা আজ পকেট বন্দী, হেসে লুটায় স্বেচ্ছাচার।।
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

Comments
Post a Comment