আমার কম্পাস
-----------------------
অতঃপর পদার্থবিদ্যা শিখিলাম- পৃষ্ঠটান, সান্দ্রতা, প্লবতায় মাথায় কেবল সমুদ্র পাক খাইত। জল দেখিলেই কাগজের নৌকা ভাসাইতাম, মাঝেমাঝেই তাহাদের পালে হাওয়া লাগিত, মনে মনে নাবিক হইতাম। যেন তুফান-হাওয়া আমার সৈনিক, তাহাকে দিক দর্শাইবার দায়িত্ব আমার।পেন্সিল কম্পাস ছাড়িয়া কবে যে নৌ-কম্পাস নিয়া ব্যস্ত হইয়া পড়িলাম বলা ভার। একদা সমুদ্র দর্শনে গেলাম। সুবিশাল জলরাশি শব্দের আদি-অন্ত লইয়া আমাকে গিলিয়া খাইতে লাগিল। দূরে, সমুদ্রের মধ্যিখানে নাবিকেরা তখন মত্ত হইয়া জলকেলি করিতেছে। আমার দিকে অট্টহাসি পাঠাইতেছে। ব্যঙ্গ করিতেছে। আমি হতভম্বের ন্যায় বিপুল শব্দ আর প্রবাহের মধ্যিখানে স্তব্ধ আর স্থির হইয়া বসিয়া পড়িলাম। বুঝিলাম আমি আসলে সমুদ্রের বিপ্রতীপ। আচ্ছন্ন কাটিয়া গেলে দেখিলাম সৈকতে শত শত মৃত জেলিফিশ। তাহারা আমার ন্যায় আর আমি তাহাদের ন্যায় হৃদয়ের অন্তঃস্থলে এক মৃত নাবিক।
=====০০০=====
পায়েল দেব
আগরতলা, ত্রিপুরা
|
সহযোগিতা
কাম্য এই সংখ্যার সমস্ত লেখা একত্রিত করে একটি
সুসজ্জিত ইবুক তৈরি করা হয়েছে। আপনি যদি সংগ্রহ করতে আগ্রহী হন তাহলে ৯৪৩৩৩৯৩৫৫৬
নম্বরে ন্যুনতম ১০ টাকা google pay, phonepe, paytm, freecharge বা amazon pay করতে
পারেন। প্রদানের স্ক্রীনশট ওই নম্বরে whatsapp করলেই ইবুকটি পেয়ে যাবেন। সহযোগিতা
কাম্য। |


Comments
Post a Comment