ভারতবর্ষের নাম বদলায়নি- বদলে গেছে আচার বিচার,বদলায়নি শহীদ মিনার- গাছগাছালি পাখির কূজন,ফুলের গন্ধ একই আছে, বদলে গেছে সুহৃদ সুজন।মানুষ গুলো একই আছে, বদলে গেছে আচার বিচার।দেশ বলতে কি দেশ হবেনা, মানুষেরই আসল মানে,ভাষা কিংবা পোশাকে নয়,যার অর্থ সবাই জানে।যে দেশটা দেখে তুমি, কবির মতে ভুল ঠিকানা,বিপ্লবীদের রক্তে আঁকা, দেশ বলতে কি দেশ হবে না?একই মাটি পায়ের তলায়, আকাশখানাও একই আছে,তখন শুধু মানুষ ছিল, এখন ভরা মরা গাছে।এখন ভরা মরা গাছে লুকিয়ে জীবন একলা বাঁচে,জানালার রঙ বদলে গেছে, আকাশ কিন্তু একই আছে।প্রথম যেদিন ডাকলো পাখি স্বাধীনতার প্রথম ভোরে,ঘুম মোছা চোখ জেগে ছিল বারুদ মেশা অন্ধকারে।আপনজনা কেউ ছিলনা, নিলো সবায় আপন করে,এখন সবাই আপন হয়ে পরের মত নিজের ঘরে।বদলে যাওয়ার এই যে রীতি, বিবর্তনের ভুল ধারণা,মানুষ জানে মানুষ আছে, প্রমাণ দেবে লোকগণনা।এটাই যদি বাঁচার মানে, অন্য কিছুই আর বোঝ না,হলফ করে বলতে পারি, দেশ বলতে, আর দেশ হবে না।
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

Comments
Post a Comment