এক অশথ এক বট উলটো যেন ঘট
বটের ঝুরি দুয়ের গোড়ায় পাকিয়েছিল জট।
পুকুর দুই ধারে – গাছ মাঝের পাড়ে
তেঁতুল-আতা-খেজুরগাছ, ঝোপ পায়ে থেকে ঘাড়ে।
পুবে শিবের থান সবাই করে মান
তিনদিকে তিন পথ গেছে তার কল নিচে একখান।
দূর থেকে নিশান, বিশ্রামে কৃষাণ –
তার ছায়াতে জিরেন আড্ডা সারা দিনমান।
ওঠার তিনটি পথ, কেউ দ্রুত কেউ শ্লথ –
বসে-শুয়ে খেলা-খাওয়ার সে অন্য জগৎ!
বাড়ির 'পরে রাগ, পারলে মানাও বাগ!
বন্ধু বট-অশথ তো আছে, যা দেখি সব – ভাগ্।
পাকলে পরে ফল আসত অবিরল
দিনে হরেক পাখি, রাতে বাদুড় দলকে দল।
পড়ত যেই জলে, মৎস্য সদলে
হামলে পড়ে খেত সে ফল হরেক কৌশলে।
তার নিচেতে ঝাঁপ, চড়ক – বাপ্ রে বাপ্!
তার নিচেতেই সভা-সালিশ – তিরস্কার বা মাফ।
এক-এক করে ডাল ভাঙল কালে কাল
ইন্তেকালটা এল যখন আমরা বেসামাল!
* * *
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

Comments
Post a Comment