বস্তিবাসী
জীর্ণ গৃহে পশুর জীবনবস্তিবাসী তাই,চোখের তারায় অনেক স্বপনপুড়ে ছাই!ঘর সংসার স্নেহের বাঁধনদৃঢ়তায় মোড়া,বিধাতার অশেষ আশীর্বাদ সাধনঅদৃষ্টই পোড়া!চিলের চোখের শ্যেন দৃষ্টিঅভ্রান্ত ,প্রখর,জাঁকিয়ে ঠোঁটে আপন কৃষ্টিরুধির লহর !খেতাব, উপাধি উচ্ছিষ্টের নামেসভ্যের দয়াদানে,সম্মুখে,পশ্চাতে ,ডাঁইনে ,বামেআস্তাকুঁড়ের সম্মানে!উচ্ছৃঙ্খলতাই দোসর যখন আজউপায়হীন আকাশ--সভ্য জাঁকড়ে খোয়ায় লাজ,হাততালি,সাবাশ।প্রফুল্লিত দর্শকদল চীৎকারে উল্লাসে,তোয়াজের চর্বিতে,গুহ্য রয় প্রতিবাদ নিমেষেরক্তবর্ণ হুমকিতে!=======================Sanjit Das( BA graduation 2nd year geography honours)Village+post-champadangaP.s.- TarakeswarDist-hooghlyPin -712401Contact and wh.no - 9609602757
দাদা ঠাকুর ও কাজী নজরুলের দ্বিমুখী সখ্যতা আবদুস সালাম কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে দাদাঠাকুরের পরিচয় কীভাবে হয়, সেই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেন আবদুল আযীয আল-আমান। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, নলিনীকান্ত সরকার মহাশয়ের মাধ্যমে দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম পরিচয় হয়। নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা তখনও প্রকাশিত হয়নি। মোসলেম ভারতে প্রকাশিত কবির কয়েকটি কবিতা নিয়ে বাংলার সাহিত্যিক, কবি, পাঠক, সমালোচক মহলে রীতিমতো উঠেছে আলোড়ন। সেই সময় দাদাঠাকুরের সঙ্গে নজরুলের প্রথম আলাপ। *"দাদাঠাকুর" ওরফে শরৎচন্দ্র পণ্ডিত – ১৯ শতকের শেষ আর ২০ শতকের প্রথম দিকের এক তুখোড় ব্যঙ্গকার, সাংবাদিক এবং নাট্যকার। উনার "জঙ্গম" পত্রিকা তখন কলকাতার সাহিত্য-রাজনীতির আখড়া ।সবাই মুখিয়ে থাকতো কখন আসছে “জঙ্গম”। সারাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর শ্লেষাত্মক ছড়া। কাজী নজরুল ইসলাম তখন সদ্য সাহিত্য জগতে এসেছেন। এসেই সাহিত্যের আঙিনায় তুলেছেন ঝড়। অসহ্য।কোথাকার এক গেঁয়ো- ভূত এসে তছনছ করে দিচ্ছে সব হিসেব । কিছুতেই কেউ যেন মেলাতে পারছে না অঙ্ক ।বিভিন্ন আলাপ আলোচনা ও সমসাময়িক বহু কলমচীর কথায় উঠে আসে দাদা ঠাকুর ও নজরুল প্রসঙ...