ভোটযুদ্ধ
সভ্যতার নিচে জমছে অন্ধকার আর ভয়
জানি না এ যুদ্ধে কার জিৎ ,কার হবে জয় ।হাওয়ায় হাওয়ায় খবর ওড়ে মিডিয়ায়
ভোট যুদ্ধ আসে ,নিরীহের জীবন চলে যায় ।অস্ত্র -শস্ত্র মজুত তাক করা বন্দুকের নল
শক্তিমানের আছে দলবল আর বাহুবল ।অ্যাসিডের জ্বালায় গলা বুক জ্বলে যায়
শান্তিপূর্ণ ভোট , শুধু খবর বলে যায় ---দরজা জানলা এঁটে তাই ঘুমিয়েছে পাড়া
ক্ষুদ্র স্বার্থ নিয়ে থাকে জাগে না আর তারা ।দুর্দিন তবু বসে থাকে সুদিনের আশায়
নির্ভয় কলম জাগে ভবিষ্যৎ ভাবনায় ।
নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...