স্মৃতিময় হালখাতা গোবিন্দ মোদক – মেসোমশাই, পহেলা বৈশাখের দিন আমাদের দোকানে আসবেন। ঐদিন ছোট্ট করে গণেশ পুজো আছে, সেই সঙ্গে নতুনখাতা পুজো। আসবেন কিন্তু। – আসবো বাবা, আসবো। তোমাদের সঙ্গে আমাদের এতদিনের সম্পর্ক! – শুধু তাই নয় মেসোমশাই, আপনি আমাদের অত্যন্ত ভালো একজন কাস্টমার। আপনাদেরকে সঙ্গে না নিয়ে কি নতুন খাতা পুজো করতে পারি! ওই দিন কিন্তু অবশ্যই আসা চাই! এই নিন কার্ড। – কার্ড দাও বা না দাও, মুখে বলেছো এই অনেক। ঠিক আছে বাবা, নিশ্চয়ই আসব। এবছর কি বার পড়েছে নববর্ষ? – রবিবার। কমল দত্তের স্টেশনারি দোকান থেকে এগিয়ে জুড়োন সাহার মুদিখানা দোকানের সামনে রিক্সাটাকে দাঁড়াতে বলেন সুনীলবাবু। সুনীলবাবুকে দেখে দোকানের ছেলেটি এগিয়ে আসে – আসুন কাকু, ভালোই হয়েছে। নইলে আপনার বাড়িতে যেতাম। হালখাতা তো এসেই গেল। যদিও ব্যবসা-পত্রের অবস্থা বিশেষ ভালো নয়, কিন্তু হালখাতা তো করতেই হয়। আর ছোট্ট করে গণেশ পুজোও করছি ওইদিন। আপনাকে আসতেই হবে। এই নিন কাকু কার্ড। – আচ্ছা বাবা, আসবো। কার্ড নিয়ে সুনীলবাবু রিকশায় ওঠেন। তারপর বাড়ি ফেরার পথে সনাতনের সবজি দোকানের সামনে দাঁড়ান। কয়েকটি সবজি দিত...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।