Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2018

৭ম সংখ্যা # সূচিপত্র

নবপ্রভাত মাসিক ব্লগ-ম্যাগ আশ্বিন ১৪২৫ ।। সেপ্টেম্বর ২০১৮ বিষয় ঃ "শিক্ষা ও শিক্ষক" সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা তন্ময় পাল    স্বরূপা রায়    রীনা তালুকদার    মোনালিসা পাহাড়ী    তপন মুখার্জি    সম্পা পাল্    দুলাল সুর    অমৃতা বিশ্বাস সরকার     ফিরোজ আখতার     অদিতি চৌধুরী  কোয়েলী ঘোষ    স্বাতী নাথ    সামসুন্নাহার ফারুক    আবদুস সালাম    অমিত পাল    লিপি ঘোষ হালদার    মৈনাক চক্রবর্ত্তী    বিশ্বজিত দাস    প্রণব কুমার চক্রবর্তী    কালীপদ চক্রবর্ত্তী    - অ-নিরুদ্ধ সুব্রত    রাখী সরদার    শুভাশিস দাশ    তনিমা হাজরা    সুনন্দ মন্ডল    শেফালি সর    দেব শংকর দাস    রণেশ রায়    বিজয়ন্ত সরকার। গল্প দীপক কুমার মাইতি    জয়ন্ত দত্ত    পারিজাত    রিয়া ভ...

স্বাতী নাথের নিবন্ধ

শিক্ষক দিবস ও শিক্ষক আদর্শ শিক্ষক ডঃ সরবপল্লী রাধাষ্ণণের ১৩০তম জন্মদিন উপলক্ষে সকল শিক্ষক কে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। ভারতে ৫ই সেপ্টেম্বর কে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে ১৯৬২ থেকে। সরবপল্লী রাধাকৃষ্ণণ রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তাঁর গুণগ্রাহীচাত্র ও বন্ধুরা তাঁর জন্মদিন পালন করতে চাইলে তিনি বলেন "জন্মদিনের পরিবরতে৫ই সেপ্টেনবর যদিশিক্ষক দিবিস হিসাবে উদযাপিত হয় তবে আমি বিশষ রুপে অনুগ্রহ লাভ করবো"। ইউনেসকোর মতেবিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ পালন করা হয়১৯৬৩ সালের ৫ই অক্টোবর বিশ্বের ১০০ টি দেশে শিক্ষক দিবিস হিসেবে পালিত হয়ে থাকে। এই দিবস টি পালনে educational international (EI)ও তার সহযোগী ৪০১ টি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে। শিক্ষা যদি জাতীর মেরুদন্ড হয় তবে শিক্ষক্ সে মেরুদন্ডের স্রষ্টা। পৃথিবীতে যতগুলো সম্মান জনকপেশা আছে তার মধ্যে শিক্ষকতা সর্বচ্চ সম্মানিত পেশা।আমরা জানি একজন মানুষের সফলতার পিছনে শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন আদর্শ শিক্ষক কেবল মাত্র পড়াশুনার ক্কেত্রে নয়, তিনি ছাত্র ছাত্রিকে জ...

রীনা তালুকদারের নিবন্ধ

অমেধাবী ছাত্র     -------------------- শিক্ষক এই শব্দের সাথে নানা রকম মানুষ ও পেশা জড়িত। নবপ্রভাত একটি সাহিত্য সাইট। ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস উপলক্ষে একটি সাহিত্য সাইট প্রিয় শিক্ষক সম্পর্কে ভাল মন্দ যেমন হোক লিখতে বলেছেন। আমরা যারা লিখিয়ে তাদের কাছে শিক্ষক সম্পর্কে লেখা চাওয়া হয়েছে। ব্যাপারটা খুব একাডেমিক মনে হলেও ব্যক্তি জীবনের সাথে সম্পর্কযুক্ত। মানুষের অমঙ্গল -মঙ্গলের সব বিষয় ব্যক্তি সম্পর্কিত তো বটেই। কোনো না কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক অবশ্যই থাকে। নব প্রভাত মেইল পাঠানোর পর প্রথম ভাবলাম একটা সাহিত্য সাইট আবার সেই মাধ্যমিক স্কুলের বিশদ রচনা লেখার মত একজন আদর্শ শিক্ষকের রচনা লেখার আয়োজন করছে কি কারণে। পরে অনেক চিন্তা করলাম না বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ। নব প্রভাত না বললে হয়ত এভাবে চিন্তাই মাথায় কাজ করতো না। একটা তাগিদ অনুভব করলাম লেখার। শিক্ষক শব্দের অর্থ কি। অত্যন্ত ব্যাপক সন্দেহাতীত ভাবেই। ছাত্রদের ভেতরের শক্তিকে অনুধাবন করে সেই শক্তিকে এমনভাবে বিকশিত করার চেষ্টা করেন যা তার সমস্ত জড়তাকে ভেঙ্গে স্বপ্নযাত্রার সূচনা ঘটায়। যিনি গন্তব্য নয় বরং পথে হাঁটতে শেখ...

রণেশ রায়ের নিবন্ধ

শিক্ষক দিবসে এক শিক্ষকের প্রতিবেদন আমার জীবন ও জীবিকার প্রধান উপাদান ছিল আনুষ্ঠানিক শিক্ষা যার আধার ছিল প্রধানত শহুরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিছুদিন বিদ্যালয়ে, বেশিরভাগটাই মহাবিদ্যালয়ে। বলতে কুণ্ঠা নেই যে আজীবন শিক্ষা শিক্ষা করলেও প্রকৃত শিক্ষার নাগাল আমি আজও পাইনি। আজ শিক্ষা দিবস উপলক্ষে কিছু বলতে গিয়ে সবচেয়ে আগে আমাকে এই সত্যটা তুলে ধরতে হয়। নইলে সত্যের অপলাপ হয়, বাগাড়ম্বর-এর আড়ালে নিজেকে বৃথা আড়াল করার চেষ্টা হয়। একে আমি বৃথা আড়াল করার চেষ্ঠা বলছি কারণ আমার বিশ্বাস আজ সকলেই এটা বোঝেন। কাজেই আড়াল করার চেষ্টা মানে নিজেকে ফাঁকি দেওয়া। আমার এই উপলব্ধির প্রেক্ষাপটে আমি দু একটা কথা বলব। আমাদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষার আধাঁর হলো বিদ্যালয় বা মহাবিদ্যালয়ের মত অনুষ্ঠানগুলো যেখানে একটা আনুগত্যবোধকে কেন্দ্র করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ থাকে। পরীক্ষায় নম্বর পেয়ে ইঁদুর দৌড়ের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াই বলা চলে এটাকে। মানুষ তৈরির সঙ্গে এই শিক্ষার সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায় না। এরই মধ্যে যতটুকু শেখা হয়। এর খুব সামান্য প্রত্যক্ষ শিক্ষা, বেশিরভাগটাই অপ্রত্যক্ষ। অভিজ্ঞতা ও শ্রমের ভূমিক...

বিজয়ন্ত সরকারের ভাবনা

// ক্রোমোজোম 'Y' / ডিজিটাল জীবনে ক্রমশঃ কমে আসছে বন্ধুত্বের আত্মিক প্রশমন । যৌবনের ট্র্যাক-সিডিউলের সিস্টেমিকস্-এর চাপে চওড়া বিশ্বস্ততায় রোজ জমছে ধূসর যন্ত্রনা । রাস্তার মোড়ে দাঁড়ানো অল্পবয়সীদের হাতেও নজরে আসে বিশ্বায়নের নেশাগ্রস্থতার চ্যাপটার । এরকম একটা সময়ে বিজন, সন্দীপ আর দীপু'র বন্ধুত্বটা একদম আলাদা ছাপ রাখে । বিজন জুওলজিতে এম. এস. সি., সন্দীপ কম্পিউটার সায়েন্সে এম. এস. সি.; দু'জনেই টিউশন পড়িয়ে হাতখরচা চালায় আর চাকরির জন্য পড়াশোনা করছে । দীপু গ্র্যাজুয়েশনের পর প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতায় নিযুক্ত হয়েছে এক বছর হল । বয়সে ফারাক থাকলেও তিনজনের মানসিক যোগ অনন্য । মাঝে মাঝে বিজনের বাড়ির ছাদের ঘরে তিনজনের আড্ডায় হয় দেখা । সে আড্ডায় কখনও নিকোটিন পোড়েনি, ককটেল্ হয়নি উদ্বায়ী তরলে । তবে নেশা একটা আছে, সেটা হল কিছু ভাল কাজের ইচ্ছে । বিজনের ভাললাগার বিষয় নাটক, সন্দীপ বিপ্লবীদের জীবনী নিয়ে নানারকম গবেষণা করে আর সেসব নিয়ে পুরোদস্তুর আলোচনাও হয় তিন বন্ধুতে এবং দীপু চেষ্টা করছে একটা দল গঠন করে দুঃস্থ বাচ্চাদের সাহায্য করার জন্য । আজ ৫ই সেপ্টেম্বর । বিজন ...

মোনালিসা পাহাড়ীর নিবন্ধ

ফিরে দেখা শিক্ষা ও শিক্ষক বিষয়ে কিছু বলতে গেলে প্রথমেই বলা উচিত যে শিক্ষা কী? শিক্ষা হল মানুষের আচরনগত পরিবর্তন এবং সমাজের উপযোগী আচরণ আয়ত্তকরণের পক্রিয়া।দিন যত এগিয়েছে শিক্ষা দানের পদ্ধতিতে কৌশলে বিপুল পরিবর্তন এসেছে।শিখন শিক্ষন প্রনালীর এই পরিবর্তনের জন‍্যেই যুগ বদলানোর সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীদের আচার আচরণ কার্যকলাপের পরিবর্তন চোখে পড়ছে। আজ থেকে বিশ পঁচিশ বছর আগে শিক্ষা ব‍্যবস্থা ছিল শিক্ষক কেন্দ্রীক। শিক্ষক মুখ‍্য শিক্ষার্থী গৌন।শিক্ষক শিক্ষার্থীর মধ্যে সম্পর্ক ছিল শ্রদ্ধা ভক্তি ও ভয়ের।শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ভালোবাসতেন, কিন্তু তা নিরবে।শিক্ষার্থীদের ভুল ত্রুটিতে শিক্ষক শাসন করতে পারতেন।অভিভাবকরা ও বিশ্বাস করতেন যে ছাট না পেলে পাঠ হবেনা। বর্তমানে এই মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে।এখন শিখন শিক্ষন প্রনালী হচ্ছে শিক্ষার্থী কেন্দ্রীক। আনন্দ পাঠের মাধ্যমে শিক্ষা দান।আগেকার শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা প্রয়োজন সাপেক্ষে মারধর করা এসব এখন আইনত দণ্ডনীয়। তাই অনেক ক্ষেত্রেই বতর্মান শিক্ষক শিক্ষিকারা অসহায় বোধ করেন শিশুদের হাজার দুষ্টুমি বা অন‍্যায়ের প্রতিবাদে সামান্য মৌ...

তন্ময় পালের মুক্তভাবনা

শিক্ষা সর্বত্র "শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড" এই কথাটা তাৎপর্যবাহী। শিক্ষাই একমাত্র পারে অজ্ঞনতার অন্ধকার দূর করতে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সবাইকে এক সুতোয় বাঁধতে। তবে আমার মতে শিক্ষক বলে আলাদা কেউ হয় না, আমরা প্রত্যেকেই এই প্রকৃতির ছাত্র/ছাত্রী আর এই প্রকৃতির প্রত্যেক উপাদান আমাদের শিক্ষক। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষক তার আপন কর্মের মধ্য দিয়ে শিক্ষার আলো বিকিরণ করে চলেছে সবার জন্য, আমাদের শুধু উৎসুক মনে সেগুলো গ্রহণ করতে হবে, নিজেকে এই অবিরাম শিক্ষাধারার থেকে আড়াল করলে জীবন বৃথা। যে তোমার কাছে ভালো তার কাছেও যেমন শেখার আছে তেমনি যে তোমার কাছে খারাপ তার থেকেও তোমার শেখার আছে ; তবে এখানে তুমিই সিদ্ধান্ত নেবে তুমি কি শিখবে ভালো না মন্দ? সবার কাছে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়ে ওঠেননা, তখনি দরকার হয় একজন পথ-প্রদর্শকের যে তোমাকে সঠিক পথ দেখাবে। তবে আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পুথিঁগত শিক্ষা আর পরীক্ষার নম্বরকে শিক্ষার মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। সেখানে চরিত্র গঠনের জন্য কোনো শিক্ষা দেওয়া হয়না। তাই বর্তমান শিক্ষাপ্রাঙ্গণে পুথিঁগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতার শিক্ষা, আধ্যাত্মিকত...

কালীপদ চক্রবর্ত্তীর স্মৃতিকথা

*পথ প্রদর্শক* আমার জীবনে মা-বাবার পরেই যার স্থান তিনি হলেন আমার গৃহ-শিক্ষক, স্বর্গীয় অজয় মুখার্জি। থাকতেন ত্রিবেণী-র কোনচাটি গ্রামে ফুটবল মাঠের পাশে। আমি তখন ক্লাস এইট থেকে নাইন-এ উঠেছি। কলকাতা রেলওয়ে কোয়ার্টার-এ থাকি, যেহেতু বাবা রেলওয়েতে চাকরী করতেন। একদিন হঠাৎ আমার বাবা অফিস থেকে ফিরে বললেন – এবার তো তুই ক্লাস নাইন-এ উঠেছিস, তাই পড়ার চাপও থাকবে । আমিতো আর তোকে অফিসের কাজের চাপে কিছুই দেখিয়ে দিতে পারিনা। তাই একজন গৃহ-শিক্ষকের ব্যবস্থা করেছি। ছেলেটি খুবই ভাল শুনেছি। পড়াশোনায় ও খুব ভাল । মা জিজ্ঞাসা করলেন – কোথায় পেলে তাকে? বাবা বললেন – আমার অফিসের সহকর্মী রঞ্জিত ব্যানার্জী-র বাড়ির পাশেই থাকে, ত্রিবেনী-তে। বাবা সে সময় পূর্ব-রেলওয়ের উচ্চপদে চাকরী করতেন এবং রঞ্জিত ব্যানার্জী বাবার অধীনে কাজ করতেন। খুবই শিক্ষিত মানুষ। পরে বাবা যখন মা-এ বলছিলেন তখন জানতে পেরেছিলাম যে শ্রীযুক্ত অজয় মুখার্জি ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেটস কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কে অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে চাকরী করেন এবং সকালে হোমিওপ্যাথিক কলেজে ভর্তি হয়েছেন কিন্তু কলকাতায় কোনও থাকার জায়গা নেই বলে রঞ্জিত কাকু বাবাকে জানিয়ে...

-অ-নিরুদ্ধ সুব্রত-র নিবন্ধ

শিক্ষা ও সমকাল: একটি ভগ্নাংশ ----------------------------------------------- সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী স্বতঃস্ফূর্ত উষ্মায় বলে ফেলেছিলেন, শিক্ষাদপ্তর একটা ঘুঘুর বাসা। শুনলে প্রাথমিকভাবে অবাক হতেই হয়। বিশেষত একটা রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান যখন এমন প্রতিক্রিয়া দেন,তখন ভাবনা থেকে যায়। বছর দশ আগে কলকাতার ডিরোজিও ভবনে একজন শিক্ষকের একটা অফিসিয়াল সমস্যা নিয়ে নির্দেশ মতো তদবির করতে যাই। প্রথমত ঐ ভবনে দৈনন্দিন অফিসের কাজ যে খানিকটা বেলার দিকে শুরু হয়, তা উপস্থিত কর্মীদের শারীরিক ভাষা বুঝিয়ে দেয়। বেশ কিছু কর্মী অনুপস্থিত থাকাও যেন প্রচলিত রীতি বলে মনে হলো। এক টেবিল থেকে তাড়া খেয়ে অন্য টেবিলে ছুটে ,এবং শেষ পর্যন্ত সঠিক টেবিল খুঁজে পেয়ে যখন সমস্যা সম্পর্কে ভদ্রলোককে জানানো হলো ,তিনি রীতিমতো ধমক দিলেন। তার বক্তব্য, ডি. আই অফিস সমস্যাটা মেটাবে। কাজটা নাকি সেই অফিসের। উত্তরে ভদ্রলোককে জানানো হলো, ডি .আই অফিসে যাওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে কাজ মেটেনি। সঙ্গে সঙ্গে ঐ ভদ্রলোক বললেন, 'আরে সেখানে টাকা পয়সা ফেলুন ,তবে তো হবে!' অত এব বিফল হয়ে ভগ্ন মনে সেদিন ফিরতে হয়েছিল। ...

প্রণব কুমার চক্রবর্তীর স্মৃতিকথা

শিক্ষক বিভুতি স্যারের বিভূতি সালটা ১৯৬৪ ৷ অমার বাবা তখন কর্মসুত্রে নৈহাটিতে পুলিশের সার্কেল ইন্সপেক্টার ৷ অামরা তখন নৈহাটিতই কাঁঠালপাড়ায় সি অাই অফিসের কোয়াটারে থাকি ৷ এবং বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনার ভাটপাড়া হাই ইস্কুলে পড়ি ৷ ক্লাস নাইনে ৷ ওই ইস্কুলে একইক্লাসে পড়ার সুবাদে অামার সাথে প্রখ্যাত সাহিত্যিক সমরশ বসুর ছোট ছেলে নবকুমরের সাথে বন্ধুত্বটা দারুন ভাবে জমে ওঠে ৷ ওরা থাকতো নৈহাটি সিনেমা হলের পিছনটাতে - জর্জেস রোডে ৷ বিভুতি বাবু অমাদের ইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ৷ কাঁঠালপাড়াতেই থাকতেন ৷ ইস্কুলে অামাদের অঙ্ক করাতেন ৷ সরল সাদাসিধে মানুধ ৷ সারাক্ষন খদ্দরের পাঞ্জাবি , হাঁটু পর্যন্ত তোলা খদ্দরের ধুতি অার বগলে একটা দাদু মার্কা ছাতা নিয়ে - কি শীত , কি গ্রীষ্ম কি বর্ধা সব সময়েই চলা ফেরা করতেন ৷ ওনাকে দেখলেই অামাদের চোখের সামনে ফুটে উঠতো - মনোজ কুমার মিত্রের লেখা সেই মানুষ গড়ার একমাত্র কারিগরের একটা চলমান জীবন্ত ছবি ! ভদ্রলোকের চেহাড়ার মধ্যে ছিলো যেমন একটা অাকর্ষন এবং শ্রদ্ধার-ভক্তির ব্যাপার , তেমনি ছিলো একটা সমীহ ও ভীতির ব্যাপার ৷ কোনদিন স্যারের মুখে শুনিনি - কারোও নিন্দ...

রাখী সরদারের স্মৃতি কথা

স্মৃতিকথা ছুঁয়ে স্মৃতির শালুকভাসা জলে পানকৌড়ির মতো নিঃশব্দ ডুব মেরে কিছু স্মৃতি রাঙানো সোনালী মাছ তুলে এনেছি।অনেক দিন ধরেই আপন বোধের কন্দরে একান্ত ভাবে যা লুকিয়ে ছিল। হঠাৎ শিক্ষক দিবসের মতো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ দিনে আমার সেই প্রিয় শিক্ষিকার কথে মনে পড়ে গেল।যাঁর কথা আমি কোনদিন ভুলতে পারবোনা।মাঝেমধ্যেই তাঁর ভাবনা চিন্তা আমার হৃদয়ে যে চারিয়ে যায় আমি টের পাই। ঠাকুর পুকুর সংলগ্ন আমতলার একটি বালিকা বিদ্যালয়ে পড়তাম। নিয়ম শৃঙ্খলার জ্বলন্ত প্রতিমা ছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মাননীয়া বাণী বসু। বেহালা থেকে আসতেন ।আমি আশ্চর্য হয়ে দেখতাম এক অতি আধুনিকা নারী নবীন চিন্তাকে অদ্ভুত ভাবে জড়িয়ে রেখেছে প্রবীণতাকে ছুঁয়ে। বাস থেকে নেমে হাল্কা মাথায় ঘোমটা দিয়ে স্কুলে আসতেন।একদিন জানতে চেয়েছিলাম যে কেন তিনি মাথায় ঘোমটা দিয়ে আসেন।বলেছিলেন ওই স্থান টি তাঁর শ্বশুর বাড়ির এলাকা ঠিকই তবে সেটা বড় কথা নয় সমাজে নারীকে স্বাধীনতা দেওয়া প্রয়োজন,তবে একজন মহিলাকেও দেখতে হবে তিনি কতটা সুন্দর ভাবে তাঁর অর্জিত স্বাধীনতা কে ব্যবহার করছেন।ঘোমটা দেওয়া মানেই কিন্তু পুরুষ সমাজের কাছে পদানত হ‌ওয়া নয়...

সামসুন্নাহার ফারুকের নিবন্ধ

*প্রিয় শিক্ষক* *---------------------------* *প্রিয় শিক্ষক সম্বন্ধে লেখা আসলে বেশ কঠিন ব্যাপার* *অন্ততঃ আমার কাছে। শিক্ষক তো শিক্ষকই। জন্ম থেকে শুরু করে মানুষের জীবনে অনেকগুলো অধ্যায় পার করতে হয়। প্রতি পর্যায়েই সে কারো না কারো কাছে শেখে-----সে ব্যক্তিই হোক আর প্রকৃতিই হোক। যিনি শেখান বা শিখতে সাহায্য করেন তিনিই তো শিক্ষক। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য সে একাডেমিকই হোক আর ননএকাডেমিকই হোক।* *মূলতঃ শিক্ষকের কাজটা হলো* *ছাত্রদের সুপ্ত প্রতিভাগুলোকে জাগিয়ে তোলা, বুদ্ধিবৃত্তিকে বিকশিত করা এবং ভিতরের সম্ভাবনাকে* *সঠিক পথে এগিয়ে দিতে সাহায্য করা।* *এই শিক্ষক বলতে আমি কিন্তু শুধু এ্যকাডেমিক লাইনের শিক্ষকতাকেই বলছি না আরও হাজারো রকমের বিষয় আছে সেগুলোর কথাও বলছি। ব্রডার টার্মসে বলতে গেলে আঁকিয়ে, পটুয়া, সঙগীত, নৃত্যকলা খেলাধূলা সব বিষয়ের কথাই বলছি। সবখানেই একজন শিক্ষক গাইড করেন -----ছাত্র কতটুকু নিতে পারে আর টিচার কতটা দক্ষভাবে তাকে সাহায্য করতে পারেন তা নির্ভর করে সে মানুষগুলোর উপরেও।* *জীবনের প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকের কাছে আমরা শিখছি। ছোটবেলা থেকে যে শিক্ষা শুরু হয় ...

মৈনাক চক্রবর্ত্তীর মুক্তকথা

শিক্ষক দিবস শিক্ষকদের হয়তো আলাদা করে কোনো দিবস হয় না। শিক্ষক, শিক্ষার আধার যিনি তিনি শিক্ষক অর্থাৎ তিনি এমন এক ব্যক্তি যার নিকট সমস্ত শিক্ষা কেন্দ্রীভূত আছে। সেই শিক্ষা কেবল পুঁথিগত শিক্ষা নয় সমাজ-সম্পর্ক-নৈতিকতা এই শিক্ষার অন্তর্গত, আর সেই শিক্ষা প্রসারের কেন্দ্র থাকেন শিক্ষক ও শিক্ষিকা। ছাত্র এবং ছাত্রী শুধু ছাত্র-ছাত্রী নয় সমস্ত মানুষ যারা শিক্ষার গন্ডি থেকে পিছিয়ে তারা শিক্ষার আলো পায়। প্রতিদিনই আমাদের মস্তিষ্কের অন্তঃস্থলে হচ্ছে শিক্ষা, আর সেই শিক্ষা রোপন করছেন শিক্ষক, তাই প্রতিটি দিনের শুরুতেই প্রতিটি শিক্ষক হয়ে ওঠেন শিক্ষা রোপনের যন্ত্র, আর সেই কারণেই প্রতিটি দিনের সূচনা হওয়া উচিত শিক্ষক দিবসে। শিক্ষক কথাটির আরো অনেক মানে আছে। শিক্ষা পাওয়া য়ার থেকে তিনি শিক্ষক তবে শিক্ষক কি কেবল স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থাকেন? তা নয়। আমরা অনেকেই "বিদ্যে বোঝাই বাবু মশাই" এর কথা জানি কিন্তু সেই বাবুমশাই জীবনের শিক্ষা পেয়েছিলেন শিক্ষার আলো থেকে অনেক দূরে থাকা এক মাঝির থেকে। তাই এই দিনটি আজ সেই মাঝিটিও। সেই সব মানুষদের যারা আমাদের শিখতে শিখিয়েছেন, যে আমাদে...

শুভাশিস দাশের মুক্তভাবনা

দেশের জন্যও চাই আদর্শ শিক্ষক ------------------------------------------------ আর একটা শিক্ষক দিবস l সর্বপল্লী ড:রাধা কৃষণ এর জন্মদিনটিকে আমাদের দেশ শিক্ষক দিবস রূপে পালন করে আসছে l প্রতি বছর ৫সেপ্টেম্বর আসে ঘটা করে পালন হয় এই দিনটি l কোথাও সেমিনার আবার কোথাও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান l শিক্ষক কথাটির মধ্যেই যে তাঁর মর্মার্থ লুকিয়ে এটা আমরা কত জন উপলব্ধি করি ? শিষ্টাচার ,ক্ষমাশীল এবং কর্তব্যপরায়ণতা নিয়ে এই শিক্ষক l আমরা সে সব ভুলেই যেতে বসেছি l আজ চারিদিকে যে মারণ খেলা শুরু হয়েছে তা কিসের অশনি সংকেত ? স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কী দেখছি আমরা ? শিক্ষক -এই নামের মহিমা অনেক l শিক্ষকরা সেই মহান কারিগর যাঁদের হাতে তৈরি হয় দেশের কর্ণধার সমাজের কর্ণধার আমরা প্রকৃত অর্থেই ভুলে যাই সে সব যুক্তি ! প্রতিটি ক্ষেত্র পরিচালিত শিক্ষক দ্বারা l আর এই শিক্ষক তাঁর নিজ গুনে গড়ে তোলেন ছাত্র কে I কী শিক্ষা ,কী রাজনীতি সর্ব ক্ষেত্রেই শিক্ষককে হতে হবে মরমী তবেই সমাজটা সুশিক্ষিত হবে l আছে তেমন শিক্ষক যে নেই তা বলবনা ,যাঁর সংখ্যা সমাজে অত্যন্ত নগণ্য l শিক্ষক দিবসে একটি কথা না বললে বোধহয় অসম্পূর্...

বিশ্বজিত দাসের নিবন্ধ

।। শিক্ষক দিবস ।। আজ শিক্ষক দিবস । না কেন ,কি জন্য পালন করা হয় সেসব কথা নয় নাই বললাম আজ । একটু অন্য দিকে চলুন ঘুরে আসি । অনেকেই বলবেন যে আমার স্কুলের বা কলেজের বা ইউনিভার্সিটির শিক্ষক আমাকে অামাদের অনেক কিছুই শিখিয়েছেন । বা পাড়ার সেই দাদা বা দিদির কাছে টিউশনি পড়তাম তারা অনেককিছু শিখিয়েছেন । কেউ আবার বলবেন ,না ,আসল শিক্ষা তো আমরা বাবা মার কাছ থেকে শিখেছি , আবার অনেকে বলে আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষক হল 'সময়',কাউর কাছে সেটা আবার অভিজ্ঞতা বা সমস্যা গুলো । তবে এখনকার ছেলেমেয়েদের কে বললে ওরা অনায়াসেই বলে দেয় আমার সাধের মোবাইল টি ,Google ,Youtube , Quora , Facebook , Screenshots & Ex Boy friend or girlfriend । এবার একটু ভিতরে যাওয়া যাক , কেস টা আসলে কি ! সত্যি কে শেখাচ্ছে এতত কিছু ! আসলে আমরা নিজেরাই শিখছি । ভালো করে ভাবুন আপনারা হয়ত ২ ই ভাই বোন , মা একটা কথা শিখিয়ে দিল ,একজন বলল আরেকজন মানে আপনি ভাবলেন ,দুর এরকম করা ঠিক হবে না ,নিজের বুদ্ধি খাটালেন ,হয়ত আবার পরে ভাবলেন মার কথা টা শুনলেই হয়ত ভালো হত । হয়েছে কখনো ? এবার একটা লাইন পড়ুন , কার লেখা ,এটা আব্দুল কালাম...

অদিতি চৌধুরীর নিবন্ধ

শিক্ষক দিবস এখন প্রায় সব সম্পর্ক উদযাপন এর জন্য একটা নির্দিষ্ট দিন রয়েছে। কোন নির্দিষ্ট দিন পালন এর অর্থ এই নয় যে বছরের বাকি দিন গুলোতে সে সম্পর্কের কোনো গুরুত্ব থাকেনা। সেই দিনগুলিতে সেই সম্পর্কটির গুরুত্ব বিশেষভাবে স্মরণ করে উদযাপিত করা হয়। যেমন বছরের বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন দেব দেবীর পুজো আমরা করে থাকি তার মানে এই নয় যে বছরের বাকি দিনগুলোতে উত্তর দেব দেবীদের আমরা স্মরণ করি না বা পুজো করি না। পুজোর পিছনে যেমন কোন পৌরাণিক গল্প থাকে তেমনি কোন দিবস পালনের ক্ষেত্রে ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থাকে। আমাদের ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ডক্টর সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ এর জন্মদিন কেই আমরা শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করে থাকি। শিক্ষকরা সমাজের কান্ডারী। শিক্ষক শুধু ছাত্র ছাত্রী গড়েন না। সর্বোপরি সমাজ গড়ে তোলেন। শিক্ষা ব্যবস্থা কি সচল রাখার হাতিয়ার মূলত এদের হাতেই রয়েছে। তাই শিক্ষকদের গুরুত্ব বিশেষভাবে স্মরণ করার জন্য বছরের একটা দিন বরাদ্দ করা উচিত বলেই আমার মনে হয়। আমাদের প্রত্যেকটি মানুষই যে চারিত্রিকগুনাবলী অর্জন করেছেন বা যেটুকু সাফল্য লাভ করেছেন তার জন্য শিক্ষকদের গুরুত্ব অপরি...

লিপি ঘোষ হালদারের নিবন্ধ

।। শিক্ষা একালে ।। পিতামাতাসম আপনজন, পরম গুরু শিক্ষক;মানুষ গড়ার কারিগর এই সমাজের রক্ষক ।জ্ঞানচক্ষুর উম্মেষ হতে মানবমনের বিকাশ ,তারই দানে,তারই জ্ঞানে শুভ চেতনার প্রকাশ।পিতামাতা, নিকটজন আমাদের অভিভাবক জন্মলগ্ন হতে--শিক্ষিত জ্ঞানী,নিরক্ষর বা অজ্ঞানী- তবুও রক্ষক তথা শিক্ষকই তো বটে।শিক্ষাগুরুকে সম্মান দিয়ে তারাই তো করেন দায়িত্ব অর্পণ ,সুশিক্ষার পথে তাদের সন্তানের যাতে হয় ভবিষ্যত গঠন ।সন্তানসম স্নেহদানে ধন্য সকল ছাত্রী ও ছাত্র ,প্রকৃত শিক্ষক-যিনি ভাবেন তাদের আপন কন্যাপুত্র।শিক্ষা একালে পড়েছে ঢাকা অর্থের গর্জনে ,সামাজিক মর্যাদা এখন অর্থ উপার্জনে ।মনকে উন্নত করে প্রকৃত যে শিক্ষা ,বিনম্রচিত্তে আজ তা করে চলি ভিক্ষা ।যত দিন বাঁচা ততদিন শেখা- নয় তা পুঁথিগত ,উপার্জনে নয়, জ্ঞানার্জনে চরিত্র গঠনে শিক্ষা প্রকৃত।টাকা লক্ষ্য,টাকাই দেখায় স্বপ্ন, শিক্ষা তো উপলক্ষ!যত হোক জ্ঞানী, যতই শিক্ষিত, তবু অর্থই মোক্ষ ।সামাজিক পরিচিতি,সমাজে প্রতিষ্ঠা- আজ অর্থনির্ভর,অনৈতিক,অসৎ কাজও হয়, শিক্ষাকেই কোরে ভর।অর্থের কাছে আজ জ্ঞানের পরাজয় ,শিক্ষা মেনেছে হার- অর্থের জয় ।অর্থকে উপেক্...

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

মতামত/লেখা এখানে জমা দিন

Name

Email *

Message *

সাম্প্রতিক বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

তারা খসার আলোয় ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

তারা খসার আলোয়  তীর্থঙ্কর সুমিত  কিছু বলার থেকে  চুপ থাকাটাই শ্রেয় মতামতের পেন্ডুলামে সময় আটকে আছে  ইতিহাসের চোরাস্রোতে  তাই এখনও জোয়ার কিম্বা--- মনে পরে যায় ফেলে আসা অতীত  মুখে-চোখে  বিবর্ণতায় ঢেকে যায় শহর  তোমার কথায় জেগে থাকা রাত  অন্ধকারে মাখামাখি বারুদ এখন! তারা খসার আলোয় নিজেকে দেখি।  ============== তীর্থঙ্কর সুমিত  মানকুণ্ডু, হুগলী  পিন -৭১২১৩৯

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

কবিতা: জয়তী রায়

এক ভ্রষ্টা নারী ও আদর্শ " অ্যই মেয়ে তোর দাম কত রে ,,,,? "  ক্রসিং এ দাঁড়ানো অটোতে বসে  কথাটা কানে যেতেই মুখ ঘুরিয়ে দেখতে পেলাম মেয়েটাকে। সস্তার চুমকি বসানো চড়া সবুজ রঙের শাড়ি পরা , লাল রক্তের মতো রাঙানো ঠোঁট আর সস্তার স্নো পাউডার মাখা মৃত মুখ। স্বপ্নসুন্দরী তিলোত্তমার বিশেষ কিছু এলাকায় পথের ধারে  এমন বেসে অনেক রূপমতিকেই দেখতে পাওয়া যায়। চট করে মনে পড়ে গেল অতীতের কথা ,,,,,,, রূপমতি ওরফে রূপা। হ্যাঁ আজ আমি অনেকের কাছে পরিচিত ' রূপা '। একটা সময় আমারও অস্তিত্ব ছিল এই রাজপথ। খট খট ,,,,,,,,খট খট ,,,,,,,, আজও মনে পড়ে সেদিনের কথা ,,,,,,,,, দরজার জোর শব্দে ঘুমটা ভেঙে গেল। " কে ,,,,,,,? কে ওখানে ,,,,,,,,?" ভয় মিশ্রিত গলায় জিজ্ঞেস করে উঠলে  প্রথম তোমার গলা শুনলাম ,,,,,,, " দরজা খোলো , ভয় নেই কোনো ক্ষতি করবো না ,,,,,,,," কি ছিল সেই গলায় জানি না। মন্ত্রমুগ্ধের মতো দরজা খুলতেই হুড়মুড়িয়ে তুমি ঢুকে পড়লে ঘরে। উস্কো খুস্কো চুল ক্লান্ত অথচ আগুন ঝরা দুটো চোখ ,,,,,, প্রথম তোমায় দেখলাম।  কেন জানি না দেখা মাত্রই ম...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

কবিতাঃ চন্দন ঘোষ

এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল  তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র!   কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও  বোধহয় যে...

বছরের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৪তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

  এই সংখ্যায় একটি গ্রন্থ আলোচনা ও একটি ধারাবাহিক রচনা ছাড়া সব লেখাই ভাষা দিবস, মাতৃভাষা, ভাষাচেতনা ও ভাষা সমস্যা বিষয়ক রচনা। লেখাগুলি এই সংখ্যাকে অনেকটাই সমৃদ্ধ করেছে। পড়ুন। শেয়ার করুন। মতামত জানান। লেখকগণ নিজের নিজের লেখার লিঙ্ক শেয়ার করুন যতখুশি, যে মাধ্যমে খুশি। কিন্তু স্ক্রিনশট শেয়ার নৈব নৈব চ!  অন্য বিষয়ের লেখাগুলি আগামী সংখ্যার জন্য রইল।  সকলকে ধন্যবাদ, অভিনন্দন। ভালো থাকুন।   --সম্পাদক, নবপ্রভাত। ==  সূ  চি  প  ত্র  == প্রবন্ধ-নিবন্ধ অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙ্গালীর বাংলা ভাষা দুর্জয় দিবস।। বটু কৃষ্ণ হালদার ভাষা শহীদদের পঁচাত্তর বছর।। অনিন্দ্য পাল একুশে ফেব্রুয়ারি : বাঙালির শ্রেষ্ঠ অশ্রুবিন্দু।। জীবনকুমার সরকার কবিগানের সাহিত্যিক ও সমাজতাত্ত্বিক মূল্য।। বারিদ বরন গুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি।। শ্যামল হুদাতী মায়ের দুধ আর মাতৃভাষা।। প্রদীপ কুমার দে একুশে ফেব্রুয়ারি : কিছু কথা।। বনশ্রী গোপ বাংলায় কথা বাংলায় কাজ।। চন্দন দাশগুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও তার মুক্তির পথ।। মিঠুন মুখার্জী. হে অমর একুশে, তোমায় ভুলিনি, ভুলব না।। মহম্মদ মফিজুল ইসলা...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ৮৬তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩২ এপ্রিল ২০২৫

সম্পাদকীয় এই সংখ্যাটি বাংলা নববর্ষ বিষয়ক সংখ্যা। নৱৰ্ষকেন্দ্রিক বহু তথ্যপূর্ণ লেখা এই সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস, রীতিনীতি, উৎসব, পার্বন, লোকাচার, রূপান্তর বহুবিধ বিষয় প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যার লেখাগুলিতে। এই সংখ্যার বাছাই কিছু লেখার সঙ্গে আগামীতে আরও কিছু লেখা সংযুক্ত করে বাংলা নববর্ষ বিষয়ক একটি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ করার ইচ্ছে রইল।  সকলকে নববর্ষের আন্তরিক শুভকামনা জানাই। উৎসবে আনন্দে থাকুন, হানাহানিতে নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে সহনাগরিকের পাশে থাকুন। মনে রাখুন, ধর্মকে মানুষই সৃষ্টি করেছে। ঈশ্বর আল্লা গড ইত্যাদির জন্মদাতা মানুষই। মানুষকে ভালোবাসুন। মানুষের পাশে থাকুন।  নিরাশাহরণ নস্কর  সম্পাদক, নবপ্রভাত।  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা পয়লা বৈশাখ ।। সিদ্ধার্থ সিংহ নববর্ষকেন্দ্রিক মেলা, পার্বন, উত্সব, লোকাচার ।। সবিতা রায় বিশ্বাস নববর্ষ আবাহন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং বিভিন্ন দেশে ।। তুষার ভট্টাচার্য নববর্ষের সেকাল ও একাল ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নববর্ষের হাল-হকিকৎ ।। শংকর ব্রহ্ম বোশেখি বাঙালি নাকি পোশাকি বাঙালি? ।। দিব্যেন্দু...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত

শ্রমিকের অধিকার  চন্দন দাশগুপ্ত          এই নিবন্ধের পরিধিটি বিশাল। ভারতবর্ষের বিভিন্ন শ্রম- আইনানুসারে শ্রমিকদের বেশ কিছু অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ এই ক্ষুদ্র নিবন্ধে নেই, তাই শুধু কয়েকটি প্রধান উল্লেখযোগ্য বিষয়েই আলোকপাতের চেষ্টা করা যাক।            [১] কাজে নিযুক্ত হবার সময়েই প্রত্যেক শ্রমিক একটি নিয়োগপত্র [ পশ্চিমবঙ্গ দোকান ও সংস্থা আইন-১৯৬৩ -র অধীনে থাকা শ্রমিকেরা এক্স (X) ফর্মে ] পাবেন ।           [২] (ক) জুট মিলে কর্মরত কোনও শ্রমিকের পাক্ষিক উপস্থিতি ১২ দিন হলে, তিনি বেতন ছাড়াও অতিরিক্ত ২০ টাকা পাবেন।                 (খ) 'ঠিকা'-তে উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চাপাতা সংগ্রহ করলে বাগিচা শ্রমিকেরাও নির্দিষ্ট নিয়মানুসারে অতিরিক্ত টাকা পাবেন।            [৩] (ক) ১০ বা তার বেশি শ্রমিক কাজ করেন, অথবা বিগত ১২ মাসের যেকোনও একদিন ১০ বা তার বেশি কর্মী ছিলেন ( সিনেমা হলের ক্ষেত্রে এটি ৫ জন )-- এমন সংস্থ...

মাসের বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যের কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে দীনেশ চ্যাটার্জী যে পথ শরীরে ক্লান্তি আনে, সেই পথেই আত্মা খুঁজে পায় মুক্তি। দিবস ১ — যাত্রার সূচনা মানুষের জীবনে কতকগুলি আকাঙ্ক্ষা থাকে—যাহার ব্যাখ্যা বুদ্ধির দ্বারা মেলে না, তৎসত্ত্বেও হৃদয় তাহার প্রতি অদম্য আকর্ষণ অনুভব করে। কেদারনাথ যাত্রা আমার কাছে তেমনই এক আকাঙ্ক্ষা ছিল। বহুদিন ইচ্ছা ছিল—কখনো পূর্ণ করি নাই। আজ তাহারই প্রথম অধ্যায় আরম্ভ হইল। ভোররাতে ঋষিকেশে পৌঁছিলাম। স্টেশন হইতে বাহির হইবার মাত্রই অনুভব করিলাম—বাতাসে এক গভীর প্রশান্তি। শহুরে কোলাহল, ধুলো, অধৈর্যতার পরিবর্তে এখানে নীরবতা, শীতলতা, আর যেন স্নিগ্ধ তপস্যার আবহ। গঙ্গার তীরে এসে দাঁড়াইলাম। নদী এখানে শুধু জলের স্রোত নহে—সে যেন জীবন্ত ধর্ম; যাহার মধ্যে কালান্তরে সঞ্চিত স্নেহ, পবিত্রতা ও শক্তি। তাঁর জলে ভোরের সূর্যালোক পড়িয়া মৃদু ঝিলিক তুলিতেছিল। মনে হল—মহাশান্ত পৃথিবীর বুকে আমি ক্ষুদ্রমাত্র। বিকেলে লক্ষ্যণঝুলা দেখিবার উদ্দেশ্যে পা বাড়াইলাম। সেতুর ওপর দাঁড়াইলে নিচে গঙ্গার প্রবল স্রোত দেখি—হৃদয় থমকায়ে দাঁড়ায়। সেতুটি হালকা দুলিতে থাকে, কিন্তু ভয়ের পরিবর্তে সেখানে ছিল এক অদ্ভুত আহ্বান—যেন প্রকৃতি বলি...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432