নববর্ষের কামনা সুশীল বন্দ্যোপাধ্যায় সুরসিক শিবরাম চক্রবর্তী বলেছিলেন 'নতুন বছর নতুন বছর বলে খুব হইচই করার কিস্যু নেই।যখনই কোন নতুন বছর এসেছে এক বছরের বেশী টেকেনি।' কথাটা হয়তো তিনি অভিমান থেকে বলেছিলেন।নতুন বছরের আনন্দ উদ্দিপনা ভালোভাবে উপভোগ করার আগেই আরেকটা নতুন বছর এসে হাজির হয়,অন্তরে অতৃপ্তি রয়েই যায়।অভিমান হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ একটা গোটা নতুন বছরে মানুষ কতরকম আশা আকাঙ্খা মনে মনে পোষন করে থাকে আর বছরটা সেই আশা আকাঙ্খার কোনটির অর্ধেক, কোনটির সিকি ভাগ পূরণ করে পালিয়ে যায়,অনেক স্বপ্ন,অনেক আকাঙ্খা অপূর্ণই থেকে যায়,একবছর সময়টা তাই নেহাতই স্বল্পপরিসর ।নতুন বছর তাই তার হয়তো সাধ জাগায় কিন্তু সাধ পূরণ করতে পারে না। আসলে সময়টা হয়তো ঠিকই থাকে,একটা নতুন বছরে আমরা যা যা আশা করি বা স্বপ্ন দেখি তার তালিকা এতো বড় এবং ক্রমশ এতো বড় হয় যে সময় তার সাথে তাল দিতে পারে না।সাধারণ সংসারজীবী মানুষ হিসেবে আমাদের স্বপ্নগুলো আকাঙ্ক্ষার যতোটা অংশ অধিকার করে থাকে তার চেয়ে বেশী জায়গা ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।