Skip to main content

Posts

নিবন্ধ ।। চিরভাস্বর জীবনপথিক ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত

চিরভাস্বর জীবনপথিক মানস কুমার সেনগুপ্ত                     এক সুরসাধক এসেছিলেন এই ধরাধামে, যার বিশ্বজনীন সুরের ধারায় আমরা স্নাত হয়ে চলেছি অবিরত। এই তপ্ত বৈশাখে যে মানুষটির জন্ম , তাঁর কথা আর সুরের অনুষঙ্গে আমরা শুনতে পাই , ' চোক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে, আমি বৃষ্টি বিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে'।  সেই চিরায়ত কথা আর সুরের ধারা যেন মিলেমিশে যায় আমাদের প্রাত্যহীক জীবনের নানা বোধগম্যতায়।             তাঁর মৃত্যুর পর প্রায় তিরাশিটি বছর পেরিয়েও সেই সৃষ্টিশীল মানুষটির কথা আর সুরের ধারা মিলেমিশে থাকে আমাদের জীবনের সুখ- দুঃখ, আনন্দ - বেদনার নানা অনুভূতিতে। ২৫শে বৈশাখ দিনটি আমাদের কাছে বিশেষ করে বঙ্গজীবনে এক আলোকবর্তিকা । কারণ সেই দিনটিতে আপামর বাঙালি পেয়েছিল সুরের গুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথকে। তাই তিনি আমাদের অহংকার। 'গীতাঞ্জলির' বিশ্বজনীন স্বীকৃতি আপামর ভারতবাসীকেও গর্বিত করে। বিশ্বকবি তাঁর গানের বাণীতে যখন বলেন, ' তোমার সুরের ধারা ঝরে যেথায় তারি পারে , দেবে কি গো ব...

প্রবন্ধ ।। কবিগুরু আর স্বামীজীর চোখে মানুষ ।। প্রদীপ কুমার দে

কবিগুরু আর স্বামীজীর চোখে মানুষ প্রদীপ কুমার দে কলমে মানুষের জয়গান করতে গিয়ে ফিরে চললাম অতীতে, যখন এক মানুষ অন্য মানুষের চোখে সমাজে পরিচিতি পেয়েছিল ক্রীতদাসের ভুমিকায়। ঘৃণ্য, অস্পৃশ্য আরো নানাবিধ বিভূষণে বিভূষিত ছিল তারা। জাতপাতের দায়ে তাদের সেই অসহায়ত্ব বুঝিবা ঈশ্বরের বুকেও আঘাত করেছিল। স্বয়ং ঈশ্বরও তা চায়নি। তিনি এই সুন্দর পৃথিবী গড়ে কোটি কোটি জীবনে প্রানের সঞ্চার করেছিলেন, মানবজন্ম দিয়ে সবচেয়ে সুন্দর উন্নত জীবন গড়ে ছিলেন, চেয়েছিলেন সুন্দর সৃষ্টির আনন্দে মাতোয়ারা হতে কিন্তু তার সেই সৃষ্ট প্রানের মানুষই নিজের স্বার্থে নিজদের মধ্যে বিভাজন তৈরী করে দিল।  বহু যুগ পার হয়ে গেল মানু‌ষের সাথে মানুষের এই মানবজাতির জন্মসূত্রে বিভেদ বহাল রইল। অসহায় মানুষ মেনে নিল, ভেবে নিল এ বুঝি তাদের ভবিতব্য। স্রষ্টার ইচ্ছে ছিল অন্য তাই তিনি এই ধরায় অবতীর্ণ হলেন। ঈশ্বরকে দৃষ্টির মধ্যে আনার চেষ্টা ব্যতিরেকেই আমরা রক্ত মাংসের মহামানদের স্বাক্ষাত ভগবান হিসেবে পেয়ে গেলাম। আজ সেই তিনজন মানব ভগবানের কথাই লিখতে চলেছি এই মানবপ্রেম নিয়ে আমার সামান্য ক্ষমতায় কিন্তু প্রবল মানসিক ইচ্ছায়। এই ত্রয়ীরা হলেন, কবিগুরু রব...

নিবন্ধ ।। সৃষ্টির ভুবনে নজরুল স্বাধীন সম্রাট ।। শেফালী সর

 সৃষ্টির ভুবনে নজরুল স্বাধীন সম্রাট শেফালী সর   রাঢ় বাংলার চুরুলিয়া  গ্রামে দুখু মিয়া ওরফে নজরুল মাটির ঘরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। দারিদ্র ও কঠিন সংগ্রামের মধ্যে তার জীবন অতিবাহিত হয়েছে। 'দেশ পরিবেশ ও সমাজের অবস্থা কেমন ছিল বা নজরুলের আবির্ভাবে সেই পরিবেশের কি পরিবর্তন ঘটেছিল- প্রসঙ্গক্রমে এই প্রশ্ন জাগে।  একটি গানের প্রথম কয়েকটি লাইন উদ্ধৃত করলে ওই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।' বাজলো কিরে ভোরের সানাই নিদ মহলার আঁধার পুরে।, শুনছি আজান গগনতলে অতীত রাতের মিনার চূড়ে।' একটি অতীতমুখী নিদ্রিত জাতির মধ্যে নজরুলের আবির্ভাবকে 'নিদ্ মহলার আঁধার পূরে আজান ধ্বনির উপমাতেই প্রকাশ করা চলে।বাঙালি মুসলমান সমাজে নজরুল ইসলামের জন্ম। ফজরের আজানে নিদ্রা অপেক্ষা প্রার্থনা শ্রেয় এই কথা বলা হয়ে থাকে অর্থাৎ জাগরনের আহ্বান থাকে। এই কি বাঙালি মুসলমান সমাজের জাগরণের সূচক। একটি ঘুমন্ত জাতি বা সম্প্রদায়য়ে তো সৃজনশীল প্রতিভার আবির্ভাব ঘটে না! কিন্তু বাঙালি সমাজে জন্মগ্রহণ করেও মক্ত ব, মাজার, মসজিদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে অতিবাহিত হলেও লেটো বা কবিদলের অনুষ্ঠানে বালক নজরুলের অংশগ্রহণ তাকে ঐতিহ্যের ভিন্...

কবিতা || রবীন্দ্রনাথ দিনের আলো ।। অবশেষ দাস

রবীন্দ্রনাথ দিনের আলো অবশেষ দাস একটা দীপে হয় না পূজা, ধূপ তো জ্বলে মনে হৃদয় মাঝে গানের তরী,সুরের সম্মেলনে। ফুল তো রাখি তোমার পায়ে,অনন্ত বিস্ময়ে আজও সবাই গর্ব করে তোমার বিশ্বজয়ে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ জোড়াসাঁকো বাড়ি তোমার জন্যে সলতে পাকাই, সমুদ্রে দিই পাড়ি। কোন্ সুদূরে জানি না তা, ফুরায় না পথ চলা পঁচিশ এলেই ভাবতে বসা, তোমার কথা বলা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ আলপনা প্রত্যহ তোমার আলোয় প্রেমের পূজা, অজস্র বিদ্রোহ। বোশেখ মাসের পঁচিশ এলেই মন বসে নির্জনে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি, শান্তিনিকেতনে। টুপ্ টুপা টুপ্ বৃষ্টি ঝরে, কে যেন কে কাঁদে এখনও সেই রবীন্দ্রনাথ গানের সুতোয় বাঁধে। গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজা, হৃদয় যেন বীণা বাংলা ভাষায় লিখেছিলেন, রবিঠাকুর কিনা ! লিখেছিলেন ভারতবর্ষ, বিশ্বজনীন ব্রত আজও তিনি সঙ্গে আছেন, দিনের আলোর মতো!

প্রবন্ধ ।। কবি রবীন্দ্রনাথ ।। শ্যামল হুদাতী

কবি রবীন্দ্রনাথ শ্যামল হুদাতী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আপনার আবির্ভাব এক যুগান্তর। আমার কাব্যের প্রতি একটা ঝোঁক বেশি।  সেই জন্য আমি কাব্যের দিকটা একটু আলোচনা করি। মানসী কবিতাগুলি রচিত হয়েছিল ১৮৮৭-৮৮ খ্রী.।  সর্বপ্রথম কাব্যগ্রন্থ যাতে আপনার সঙ্গে যেন একজন শিল্পী এসে যোগ দিয়েছিল । এখানে তিন প্রকার ভাবধারা বয়ে চলেছিল তিন রকম বিষয়কে অবলম্বন করে - প্রকৃতি, নারী ও স্বদেশ। প্রেম কবিতাই মানসীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। এই কবিতার লাইনগুলো কখনোই ভোলার নয় - মনে হয় সৃষ্টি বুঝিয়ে বাধা নাই নিয়মনিগড়ে, আনাগোনা মেলামেশা সবই অন্ধ দৈবের ঘটনা "কড়ি ও কোমল" কবি লিখলেন - হৃদয় ডেকে ওঠে কিন্তু সাড়া নেই ত্রিভুবনে :        কে শুনছে শতকোটি হৃদয়ের ডাক।         নিশীথিনী স্তব্ধ হয়ে রয়েছে অবাক। "সিন্ধুতরঙ্গ"-এর নাস্তিকতা আরো বেদনা। কবিতাটি এক নিদারুণ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে লেখা। এমন স্পষ্ট ঈশ্বর বিদ্রোহের কবিতা রবীন্দ্রনাথ খুব কমই লিখেছেন- নাই তুমি, ভগবান,    নাই দয়া, নাই প্রাণ-                   জড়ের বিলাস। আরো ...

প্রবন্ধ ।। হৃদয়ে শুধুই রবীন্দ্রনাথ ।। বীরেন্দ্র নাথ মহাপাত্র

হৃদয়ে শুধুই রবীন্দ্রনাথ বীরেন্দ্র নাথ মহাপাত্র  রবীন্দ্রনাথ  প্রত্যেকটি বাঙালীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন । প্রত্যেকের অন্দরমহলে তাঁর অবস্থান নিয়মিত ও গভীর । ইনি ইংরাজী ১৮৬১ সাল হইতে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত সশরীরে এই ইহলোকে বিচরণ করেছেন সসম্মানে । ওনার বয়স যখন আট বছর তখন থেকেই কাব্য রচনা শুরু । ' আম স্বত্ব দুধে ফেলি, তাহাতে কদলি দলি সন্দেশ মাখিয়া তাতে, হাপুস হুপুস্ শব্দ, চারিদিক নিস্তব্ধ পিপীলিকা কাঁদিয়া যায় পাতে, এই প্রথম কবিতাটিতে মুগ্ধ হয়ে ঠাকুরদা প্রিন্স দ্বারকা নাথ  ওনাকে সন্মানিত করেছিলেন ।মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে মাকে হারান,তাই ওনার ছেলেবেলা ভৃত্যদের অনুশাসনে কেটেছিল ।           তিনি অসংখ্য কবিতা, গান, কাব্যগ্রন্থ, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, পত্রসাহিত্য, প্রবন্ধ, শিশু সাহিত্য বাউল গান রচনা করেছেন । তাঁর নশ্বর দেহ ইহজগতে নেই কিন্তু তিনি বেঁচে আছেন সারা বাংলা তথা সারা ভারতবর্ষের তথা সারা বিশ্বের মানুষের মনের মণিকোঠায়। তিনি ভারত ও বাংলা দেশ এর জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা, আবার শ্রীলঙ্কা ও।              ছোটবেলা থেকেই ত...

কবিতা ॥ জ্যৈষ্ঠ মাস এলেই ॥ গোবিন্দ মোদক

জ্যৈষ্ঠ মাস এলেই ,,, গোবিন্দ মোদক জ্যৈষ্ঠ মাসটা এসে গেলেই মনে পড়ে যাঁর কথা,  যাঁর কলমে বেজে ওঠে "বিষের বাঁশি"র ব্যথা; জন্ম যাঁর এগারোই জ্যৈষ্ঠ চুরুলিয়া নামক গ্রামে  সেই দুখু মিঞাকে জানি আমরা নজরুল নামে। যাঁর কলমে থাকত ভরা যতো বিদ্রোহেরই কালি  জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জুয়াচোর খালি; তাইতো যিনি কলম চালান ভুলে জাত-কুল-মান, বলেন- "একই বৃন্তে দুইটি কুসুম হিন্দু মুসলমান"! সৈনিকেরই জীবন যে তাঁর, কলম যে তার সাথি ধূমকেতুর-ই মতোন তিনি জ্বলেন দিবা-রাতি; বিদ্রোহী তিনি, বিপ্লবী তিনি চির উন্নত যাঁর শির, শোষণ বেনিয়ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুঞ্জয়ী বীর।  যাঁর অগ্নিবীণা আজও বাজে প্রলয়শিখা হয়ে  সাম্যবাদী সর্বহারা বঞ্চিত আসে বার্তা বয়ে; "কারার ঐ লৌহ কপাট" ভাঙবে তরুণ দল, বিদ্রোহেরই ধ্বজা বয়ে ছিলেন চির অবিচল।  তবু জাতের নামে বজ্জাতি আজও চলে হায়  দুই বাংলা খুঁজে চলে নজরুল আজ কোথায়; কোথায় তাঁর সেই "রণতূর্য" – খুঁজে যে না পাই  বিদ্রোহের-ই কবি তুমি তোমাকে প্রণাম জানাই!! ^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^^ গোবিন্দ মোদক।  রাধানগর, ডাক- ঘূর্ণি, কৃষ্ণনগর, নদিয়া।...

নিবন্ধ ।। সংকটে আলোর দিশারী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ।। পাভেল আমান

সংকটে আলোর দিশারী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ  পাভেল আমান ফি বছর ২৫ শে বৈশাখ ফিরে আসে বাঙালির দরবারে। আমরা জাতি ধর্ম নির্বিশেষে পুরোদস্তুর বাঙালি অনুভূতির  টগবগাণিতে মাতোয়ারা হয়ে পালন করি রবি ঠাকুরের বর্ণময় জীবনের নানান দিক, আঙ্গিক। সারাদিন আলোচনা, কবিতা পাঠ, সঙ্গীত পরিবেশন ও তার জীবন দর্শন সাহিত্য নিয়ে চলে বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনার জাগরণ। এভাবেই আমরা আমাদের প্রিয় প্রাণের ঠাকুর, কাছের মানুষ, সৃষ্টির পূজারী, বিশ্ব চরাচর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্থান দিয়েছি মননে। বাঙালি সাহিত্য সংস্কৃতি, ঐতিহ্য চেতনায় তিনি ছিলেন বটবৃক্ষের মতো দণ্ডায়মান এক অবিসাংবাদিত প্রতিভূ। আপামর বাঙালি জাতির তিনি হয়ে উঠেছিলেন চিরন্তন অভিভাবক, পথের দিশারী। বাংলা ভাষাকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বিশ্বের আঙিনায়। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, বহুদর্শী, বিবিধ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, মনুষ্যত্বের বার্তাবাহক, মানবতাবাদি, উদারচেতা, সম্প্রীতির রূপকার রবীন্দ্রনাথ হয়ে উঠেছিলেন আন্তর্জাতিক আইকন। দেড়শ' বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও বাঙালি মানসে এখনো তিনি দিবাকরের মতো সমান সমুজ্জ্বল, তাঁর কিরণ আজো চির অম্লান।তিনি এক মহাকাশ৷ যে মহাকাশে অগ...

কবিতা ।। তোমাকে হাতড়ে বেড়াই ।। জয়িতা চট্টোপাধ্যায়

তোমাকে হাতড়ে বেড়াই: জয়িতা চট্টোপাধ্যায়  এই পৃথিবীর মায়াবী মাটি দিয়ে রচনা করি তোমায় যে তুমি মধুমাফিক আমাকে বিষ খাওয়াবে  সবুজ আলো, বৃষ্টি ভেজা চাঁদ, হৃদয়ের হাওয়ায় টেনে নিয়ে যাবে দিনান্তে  আততায়ীর মতন  বসবে পাশে  বলবে মিহি জন্মের গল্প ছায়াপথ থেকে নক্ষত্রে চালাবে শব্দভেদী বান শিল্পের জননীর হয়ে দেবে  দুঃখ দেবে সর্বনাশ  আর নর্তকীর মুদ্রার মতন আমি খুঁজে নেব নির্ভার নীল আকাশে তোমার নামের কবিতাদের।

ছড়া ।। কেমন ক'রে ।। সুব্রত দাস

কেমন ক'রে সুব্রত দাস  নিশির শিশির সিক্ত ঘাসে নাকছাবি ফুল তাকিয়ে হাসে, এরই মাঝে কেমন ক'রে রবির ছবি দিব্যি ভাসে ! কিচির মিচির ভোরাই সুরে হরেক পাখির শব্দ - পুরে কেমন ক'রে রবীন্দ্রনাথ গানেই আসেন ঘুরে ঘুরে ! দুধ-সাদা মেঘ কিংবা কালো দুই রূপেতেই তোমার আলো কেমন ক'রে সেই আলোটিই ঠাকুর তুমি চোখেই ঢালো ? ফুল-পাখি-মেঘ , আকাশ-বাতাস ঝরনা-পাহাড়, বাউল বাতাস সবাই সদাই রবির সাথে তাই কি বলে বন্ধু পাতাস !!                  **** সুব্রত দাস কেশবপল্লী, ৩১/১, গোবিন্দ সেন রোড, গরিফা, পোঃ রামঘাট, সূচকঃ ৭৪৩১৬৬,  উওর ২৪ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ।

প্রবন্ধ ।। নজরুলের সংক্ষিপ্ত জীবনী ।। সৌভিক দে

নজরুলের সংক্ষিপ্ত জীবনী সৌভিক দে বিংশ শতকের শুরুতে বাংলা সাহিত্যের আকাশ রবীন্দ্রছটায় উদ্ভাসিত। তখনই ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হলেন কাজী নজরুল ইসলাম, সম্পূর্ণ স্বকীয় ভাষা, মেজাজ, ভাব নিয়ে। ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জৈষ্ঠ্য তাঁর জন্মদিন। অগ্নি ও বীণা, রুদ্র ও মধুরের এমন সার্থক সমাবেশ বাংলা সাহিত্যে তাঁর আগেও যেমন বিরল ছিল, পরেও তাই। এই উপমহাদেশের হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষপূর্ণ অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কের কারণে নজরুল ইসলামকে নিয়ে নির্মোহ মূল্যায়ণ করতে আমরা ব্যর্থ হই! কী দ্রোহে, কী প্রেমে, বাঙালির হৃদয়ে তাঁর আসন চিরস্থায়ী। কাজী নজরুলের জীবন কাহিনী নাটক সিনেমার কাহিনীর চাইতেও অবিশ্বাস্য, বিস্ময়কর, করুণ! সঙ্কীর্ণ, একদেশদর্শী সাম্প্রদায়িক/ধর্মীয় দৃষ্টিকোন দিয়ে বিচার করলে নজরুলকে কোনকালেই বোঝা যাবে না। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম গ্রন্থঃ অগ্নিবীণা (১৯২২ খ্রিঃ)। তাঁর বাজেয়াপ্ত গ্রন্থাবলীঃ যুগবাণী (১৯২২), বিষের বাঁশী (১৯২৪), ভাঙার গান (১৯২৪), দুর্দিনের যাত্রী (১৯২৬), রুদ্রমঙ্গল (১৯২৬), প্রলয় শিখা (১৯৩০), চন্দ্রবিন্দু (১৯৩০)। তাঁর পত্রিকা সম্পাদনাঃ দৈনিক নবযুগ, ধূমকেতু, লাঙল। নজরুল ইসলামের সাহিত্যচর্চার কালঃ ১৯১৯ থেকে ...

কবিতা ।। আমাদের দুখুমিঞা ।। দীনেশ সরকার

আমাদের দুখুমিঞা দীনেশ সরকার চুরুলিয়ার দুখুমিঞা গরিব ঘরের ছেলে লেটোর দলে নাম লেখালো লেখাপড়া ফেলে। লিখতো গান আর গাইতো নিজে, ঘুরতো দলের সাথে খেয়ে পরে' প্রাণটা যদি বাঁচে দুধেভাতে। বৃটিশ সেনায় ভর্তি হয়ে রাইফেল নিলো করে মনটা যে তার পড়েই ছিল নদী-মাঠ প্রান্তরে। রাইফেল ফেলে কলম তুলে মগ্ন গান-কবিতায় ভারতমাতার শৃঙ্খলমোচন করতে কলম গর্জায়। ঝরলো আগুন কলমে তার, কন্ঠে শিকলভাঙার গান লৌহকপাট ভেঙে ফেলার করলো সে আহ্বান। দেশমাতৃকার চরণতলে লেখা আছে যার নাম দুখুমিঞাই সেই বিদ্রোহী, কবি নজরুল ইসলাম। আজও ছড়া 'লিচু চোর' ছোটদের অতি প্রিয় 'খুকি ও কাঠবেড়ালি' যে তেমনই রমণীয়। গান-কবিতায় সিদ্ধহস্ত কাজী নজরুল ইসলাম জন্মতিথির পুণ্য লগ্নে হে বীর, তোমায় প্রণাম। *************************************** দীনেশ সরকার, ১৪০ ডি, হিজলি কো-অপারেটিভ সোসাইটি, প্রেমবাজার, খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর - ৭২১৩০৬

বিধিবদ্ধ স্বীকার্য :

লেখার বক্তব্যের দায়িত্ব লেখকের, পত্রিকার নয়। আমরা বহু মতের প্রকাশক মাত্র।

মতামত/লেখা এখানে জমা দিন

Name

Email *

Message *

সাম্প্রতিক বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

তারা খসার আলোয় ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

তারা খসার আলোয়  তীর্থঙ্কর সুমিত  কিছু বলার থেকে  চুপ থাকাটাই শ্রেয় মতামতের পেন্ডুলামে সময় আটকে আছে  ইতিহাসের চোরাস্রোতে  তাই এখনও জোয়ার কিম্বা--- মনে পরে যায় ফেলে আসা অতীত  মুখে-চোখে  বিবর্ণতায় ঢেকে যায় শহর  তোমার কথায় জেগে থাকা রাত  অন্ধকারে মাখামাখি বারুদ এখন! তারা খসার আলোয় নিজেকে দেখি।  ============== তীর্থঙ্কর সুমিত  মানকুণ্ডু, হুগলী  পিন -৭১২১৩৯

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

কবিতা ।। সুশান্ত সেন

কবিতা সুশান্ত সেন কোবতে লেখা সহজ নয় ত মোটে কল্পনা নেই। কি নিয়ে সে ছোটে! ছুটবে কেন? সে কি রেসের ঘোড়া বাজি জেতার তার নেই কি জোড়া? বাজি?  সে ত কালি পুজোয় ফাটে ভয় পাই যে দাঁড়িয়ে চৌকাঠে। চৌকাঠ টা বেজায় বড় বাঁধা পেরিয়ে যাওয়া বেজায় শক্ত, দাদা! অন্বেষণে বিরাট বিকট শব্দ কোবতে খানা তাতেই হবে জব্দ।   ============ সুশান্ত সেন ৩২বি , শরৎ বসু রোড কলিকাতা ৭০০০২০

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

কবিতা: জয়তী রায়

এক ভ্রষ্টা নারী ও আদর্শ " অ্যই মেয়ে তোর দাম কত রে ,,,,? "  ক্রসিং এ দাঁড়ানো অটোতে বসে  কথাটা কানে যেতেই মুখ ঘুরিয়ে দেখতে পেলাম মেয়েটাকে। সস্তার চুমকি বসানো চড়া সবুজ রঙের শাড়ি পরা , লাল রক্তের মতো রাঙানো ঠোঁট আর সস্তার স্নো পাউডার মাখা মৃত মুখ। স্বপ্নসুন্দরী তিলোত্তমার বিশেষ কিছু এলাকায় পথের ধারে  এমন বেসে অনেক রূপমতিকেই দেখতে পাওয়া যায়। চট করে মনে পড়ে গেল অতীতের কথা ,,,,,,, রূপমতি ওরফে রূপা। হ্যাঁ আজ আমি অনেকের কাছে পরিচিত ' রূপা '। একটা সময় আমারও অস্তিত্ব ছিল এই রাজপথ। খট খট ,,,,,,,,খট খট ,,,,,,,, আজও মনে পড়ে সেদিনের কথা ,,,,,,,,, দরজার জোর শব্দে ঘুমটা ভেঙে গেল। " কে ,,,,,,,? কে ওখানে ,,,,,,,,?" ভয় মিশ্রিত গলায় জিজ্ঞেস করে উঠলে  প্রথম তোমার গলা শুনলাম ,,,,,,, " দরজা খোলো , ভয় নেই কোনো ক্ষতি করবো না ,,,,,,,," কি ছিল সেই গলায় জানি না। মন্ত্রমুগ্ধের মতো দরজা খুলতেই হুড়মুড়িয়ে তুমি ঢুকে পড়লে ঘরে। উস্কো খুস্কো চুল ক্লান্ত অথচ আগুন ঝরা দুটো চোখ ,,,,,, প্রথম তোমায় দেখলাম।  কেন জানি না দেখা মাত্রই ম...

ছোটগল্প ।। নীলিমার আত্মজাগরণ ।। পরেশ চন্দ্র মাহাত

নীলিমার আত্মজাগরণ পরেশ চন্দ্র মাহাত নীলিমা মাহাত, বয়স পঁচিশ প্লাস —তার বাবা মায়ের পঞ্চম তথা শেষ সন্তান। দুই দাদা —বড়দাদা শঙ্কর ও ছোটদাদা বিজয়। বড় দাদা শঙ্কর আর দুই দিদি তাদের কিন্তু বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র নীলিমা আপাতত স্বামীর কোমল হাতের স্পর্শ ও সহানুভূতি থেকে বঞ্চিত এবং আদৌ কবে অথবা সেই সৌভাগ্য আসবে সেটা ঈশ্বরের নিকটই একমাত্র জ্ঞাত। সেই সঙ্গে দুবছরের সিনিয়র ছোটদাদা বিজয়েরও নীলিমার মতো অবস্থা। তারও জীবনসঙ্গিনী জুটেনি। মোট সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সংসার নীলিমাদের পরিবার। মধ্যবিত্ত পরিবার —মধ্যবিত্ত পরিবার না বলে যদি নিম্নবিত্ত বলা হয় তবুও কোনো অত্যুক্তি করা হয় না। বাবার প্রত্যেকদিনের আয়ের উপর ভিত্তি করেই চলে সংসার। এই কঠোর এবং কঠিন পরিস্থিতিতেও নীলিমার মা শ্রীমতী মেনকা‚ সংসার সামলে তার ছেলেমেয়েদের পড়াশুনার প্রতি যথেষ্ট তৎপর ও সহানুভূতিশীল। তাদের পড়াশুনায় কোনো খামতি রাখেননি। যথা সময়ে তাদেরকে বিদ্যালয়ের মুখ দেখিয়েছে – টিউশনের বন্দোবস্ত করেছে। তাদের জীবন যাতে সুখকর হয় সেটাই প্রতিদিন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেছে। পাঁচ-পাঁচটি ছেলেমেয়ের মধ্যে সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে তোলা একপ...

বছরের বাছাই

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৪তম সংখ্যা ।। ফাল্গুন ১৪৩১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

  এই সংখ্যায় একটি গ্রন্থ আলোচনা ও একটি ধারাবাহিক রচনা ছাড়া সব লেখাই ভাষা দিবস, মাতৃভাষা, ভাষাচেতনা ও ভাষা সমস্যা বিষয়ক রচনা। লেখাগুলি এই সংখ্যাকে অনেকটাই সমৃদ্ধ করেছে। পড়ুন। শেয়ার করুন। মতামত জানান। লেখকগণ নিজের নিজের লেখার লিঙ্ক শেয়ার করুন যতখুশি, যে মাধ্যমে খুশি। কিন্তু স্ক্রিনশট শেয়ার নৈব নৈব চ!  অন্য বিষয়ের লেখাগুলি আগামী সংখ্যার জন্য রইল।  সকলকে ধন্যবাদ, অভিনন্দন। ভালো থাকুন।   --সম্পাদক, নবপ্রভাত। ==  সূ  চি  প  ত্র  == প্রবন্ধ-নিবন্ধ অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙ্গালীর বাংলা ভাষা দুর্জয় দিবস।। বটু কৃষ্ণ হালদার ভাষা শহীদদের পঁচাত্তর বছর।। অনিন্দ্য পাল একুশে ফেব্রুয়ারি : বাঙালির শ্রেষ্ঠ অশ্রুবিন্দু।। জীবনকুমার সরকার কবিগানের সাহিত্যিক ও সমাজতাত্ত্বিক মূল্য।। বারিদ বরন গুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি।। শ্যামল হুদাতী মায়ের দুধ আর মাতৃভাষা।। প্রদীপ কুমার দে একুশে ফেব্রুয়ারি : কিছু কথা।। বনশ্রী গোপ বাংলায় কথা বাংলায় কাজ।। চন্দন দাশগুপ্ত বিপন্ন মাতৃভাষা ও তার মুক্তির পথ।। মিঠুন মুখার্জী. হে অমর একুশে, তোমায় ভুলিনি, ভুলব না।। মহম্মদ মফিজুল ইসলা...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৮৭তম সংখ্যা ।। জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ মে ২০২৫

  প্রচ্ছদ চিত্র: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সূচিপত্র রবীন্দ্রনাথ এবং কয়েকজন নারী ।। অনিন্দ্য পাল পরাবাস্তববাদ ও বাংলায় জীবনানন্দের কাব্যচর্চা ।। রণেশ রায় প্রতীক্ষা ।। চন্দন দাশগুপ্ত আশ্রয় ।। সায়নী সাহা বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র ।। দেবাংশু সরকার প্রণামের প্রভু ।। সুপ্রভাত মেট্যা দুর্ভাগ্যের সম্মুখ সমরে ।। সমীর কুমার দত্ত আচমকা শরৎ ।। অর্ণব সামন্ত প্রতিধ্বনি ✍️ সুবীর কুমার ঘোষ জীবন যেখানে যেমন ।। আরজু মুন জারিন বছর সীমান্তে হিসেব নিকেশ ।। রানা জামান চারটি কবিতা ।। বিবেকানন্দ নস্কর আমরা আছি ।। লালন চাঁদ চাওয়া ।। মাথুর দাস কাগজ ফুলে ।। সফিউল মল্লিক সময়ের স্রোত ।। দুর্গাদাস মিদ্যা তুমি মানুষ ।। বদরুল বোরহান দিঘার সমুদ্র ।। মাখনলাল প্রধান পুস্তক-আলোচনা ।। অরবিন্দ পুরকাইত সংযম ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত  চেনা প্রতিবেশী (প্রথম পর্ব) ।। দীপক পাল খেলার মাঠ ।। তূয়া নূর বন্ধু শ্যামলকান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম তুমি তোমার মতো থাকলে ।। সত্যেন্দ্রনাথ বেরা গ্রীষ্মে খুবই হিংস্র রবি ।। জগবন্ধু হালদার স্বপ্ন দর্শন ✍️ পার্থ প্রতিম দাস মৌন মুখরতা ।। মুসা মন্ডল রুদ্র বৈশাখ ।। দীনেশ সরকার চিহ্নিত পদযুগ পদাঘাত ।। দেবাশীষ...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

সূচিপত্র ।। ৮৯তম সংখ্যা ।। শ্রাবণ ১৪৩২ জুলাই ২০২৫

সূচিপত্র   প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান প্রবন্ধ ।। শ্রমিকের অধিকার ।। চন্দন দাশগুপ্ত প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস কবিতা ।। মশালের রং তুলি ।। তূণীর আচার্য কবিতা ।। জললিপি ।। রূপক চট্টোপাধ্যায় গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম নিবন্ধ ।। পূনর্জন্ম ।। শংকর ব্রহ্ম মুক্তভাবনা ।। কোলাহল তো বারণ হলো ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত গল্প ।। গানের হাড় ।। শুভজিৎ দত্তগুপ্ত গল্প ।। শিকড়ের খোঁজে ।। সমীর কুমার দত্ত সুপ্রভাত মেট্যার পাঁচটি কবিতা গ্রন্থ-আলোচনা ।। আবদুস সালামের কাব্যগ্রন্থ 'অলীক রঙের বিশ্বাস'।। তৈমুর খান অণুগল্প ।। হরিবোল বুড়ো ।। সুমিত মোদক রম্যরচনা ।। গোয়েন্দা গোলাপচন্দ আর প্রেমের ভুল ঠিকানা ।। রাজদীপ মজুমদার দুটি গল্প ।। মুহাম্মদ ফজলুল হক দুটি কবিতা ।। তীর্থঙ্কর সুমিত কবিতা ।। মেঘমুক্তি ।। বন্দনা পাত্র কবিতা ।। ব্যবচ্ছিন্ন শরীর ।। কৌশিক চক্রবর্ত্তী কবিতা ।। শমনচিহ্ন ।। দীপঙ্কর সরকার কবিতা ।। ভালোবাসার দাগ ।। জয়শ্রী ব্যানার্জী কবিতা ।। ফণীমনসা ।। বিবেকানন্দ নস্কর ছড়া ।। আজও যদি ।। বদ্রীন...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ৮৬তম সংখ্যা ।। বৈশাখ ১৪৩২ এপ্রিল ২০২৫

সম্পাদকীয় এই সংখ্যাটি বাংলা নববর্ষ বিষয়ক সংখ্যা। নৱৰ্ষকেন্দ্রিক বহু তথ্যপূর্ণ লেখা এই সংখ্যাটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস, রীতিনীতি, উৎসব, পার্বন, লোকাচার, রূপান্তর বহুবিধ বিষয় প্রকাশিত হয়েছে এই সংখ্যার লেখাগুলিতে। এই সংখ্যার বাছাই কিছু লেখার সঙ্গে আগামীতে আরও কিছু লেখা সংযুক্ত করে বাংলা নববর্ষ বিষয়ক একটি মুদ্রিত সংখ্যা প্রকাশ করার ইচ্ছে রইল।  সকলকে নববর্ষের আন্তরিক শুভকামনা জানাই। উৎসবে আনন্দে থাকুন, হানাহানিতে নয়। ধর্ম-ব্যবসায়ীদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে সহনাগরিকের পাশে থাকুন। মনে রাখুন, ধর্মকে মানুষই সৃষ্টি করেছে। ঈশ্বর আল্লা গড ইত্যাদির জন্মদাতা মানুষই। মানুষকে ভালোবাসুন। মানুষের পাশে থাকুন।  নিরাশাহরণ নস্কর  সম্পাদক, নবপ্রভাত।  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ-স্মৃতিকথা পয়লা বৈশাখ ।। সিদ্ধার্থ সিংহ নববর্ষকেন্দ্রিক মেলা, পার্বন, উত্সব, লোকাচার ।। সবিতা রায় বিশ্বাস নববর্ষ আবাহন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এবং বিভিন্ন দেশে ।। তুষার ভট্টাচার্য নববর্ষের সেকাল ও একাল ।। হিমাদ্রি শেখর দাস নববর্ষের হাল-হকিকৎ ।। শংকর ব্রহ্ম বোশেখি বাঙালি নাকি পোশাকি বাঙালি? ।। দিব্যেন্দু...

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। নবপ্রভাত ৮৫ ।। চৈত্র ১৪৩১ মার্চ ২০২৫

  সূচিপত্র নিবন্ধ ।। মরিয়ম মির্জাখানি: এক অনন্য গণিতসূর্য ।। ... নিবন্ধ ।। নারী দিবসে যা ভাবা উচিত ।। বিশ্বনাথ পাল প্রবন্ধ ।। প্রাচীনকাল থেকে নারীরা অবহেলিত, বঞ্চিত,... নিবন্ধ ।। আমার চোখে আদর্শ নারী ।। জয়শ্রী বন্দ্... ফিচার।। এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যে নারীদের লেখালেখ... আফ্রিকার লোককথা ।। করোটিকে বিয়ে করা অবাধ্য মেয়েটি ... ছোটগল্প ।। মানবী ।। ভুবনেশ্বর মন্ডল নিবন্ধ ।। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অন্যতম নারী মু... নিবন্ধ ।। প্রিয় মহিলা সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবী ।। ... গল্প ।। উই ওয়ান্ট জাস্টিস ।। রবীন বসু প্রবন্ধ ।। নিপীড়িতা ।। শ্যামল হুদাতী ফিচার ।। রমণী রতন ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত প্রবন্ধ ।। নারী সমাজ : তখন-এখন ।। তপন মাইতি নিবন্ধ ।। বহমান কালের ধারায় নারী ।। দীপক পাল গল্প ।। আমার দুর্গা ।। অঞ্জনা গোড়িয়া (সাউ) গল্প ।। যোগ্য জবাব ।। সমীর কুমার দত্ত ছোটগল্প ।। আমি দুর্গাকে দেখেছি।। চন্দন দাশগুপ্ত গল্প ।। সম্পর্ক ।। গৌতম সমাজদার কবিতা।। নারী মানে ।। গোবিন্দ মোদক কবিতা।। নারী ।। সমর আচার্য্য ছড়া ।। নারী অসামান্যা ।। সৌমিত্র মজুমদার কবিতা ।। নারী দিবসে ।। বিবেকানন্দ নস্কর কবিতা ।। না...

প্রবন্ধ ।। বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় ।। মাখনলাল প্রধান

বাংলা যাত্রা ও নাট‍্যশিল্পে অবক্ষয় মাখনলাল প্রধান বাংলার শিল্প-সংস্কৃতির জগতে যাত্রা শিল্প তথা নাট‍্যশিল্পে মড়ক নেমে এসেছে । যাত্রা শিল্পের মড়কে শুধু কোভিড নয় তার বহুপূর্ব থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয় , শিক্ষাক্ষেত্রে বন্ধ‍্যাত্ব এবং গ্ৰাম বাংলার পটপরিবর্তন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছে। যাত্রা-শিল্পের লীলাভূমি ছিল গ্ৰাম বাংলা। গ্ৰামে প্রচুর যাত্রাপালা হত নানা উৎসবকে কেন্দ্র করে । জমিদারি ব‍্যবস্থা লুপ্ত হওয়ার পর গ্ৰামীণ মানুষের উদ‍্যোগে শীতলা পূজা,  কালীপূজা, দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, চড়ক ইত‍্যাদিকে উপলক্ষ‍্য করে যাত্রাপালার আয়োজন না হলে কেমন যেন ম‍্যাড়ম‍্যাড়ে লাগতো। সেই সঙ্গে কলকাতার বড়বড় কোম্পানির যাত্রাপালা ঘটা করে, টিকিট সেল করে হত মাঠে। খুব বড় মাপের খেলার মাঠ যেখানে ছিল না সেখানে ধানের মাঠ নেওয়া হত ‌। ত্রিশ-চল্লিশ হাজার মানুষ দেখতে আসত। স্পেশাল বাস পাঠাত  আয়োজক কর্তৃপক্ষ। বিনা ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করত যাত্রার দর্শকেরা। কিন্তু বিকল্প ধানচাষ শুরু হলে জমিগুলো সময় মতো ফাঁকা পাওয়া গেল না । প্রথম দিকে ব‍্যাপকহারে ধান শুরু না হওয়ায় খুব একটা অসুবিধা হত না। বহুক্ষেত্রে  ধান কা...

প্রবন্ধ ।। ভিনগ্রহীদের সন্ধানে ।। শ্যামল হুদাতী

ভিনগ্রহীদের সন্ধানে  শ্যামল হুদাতী  ইতিহাসের শুরু থেকে বারবার মানুষকে একটা প্রশ্ন কুঁড়ে কুঁড়ে খায় – এই মহাবিশ্বে আমরা কি একা? পৃথিবীর মতো আরও গ্রহ রয়েছে, যেখানে মানুষের মতো বুদ্ধিমান প্রাণীরা বাস করে – এই সম্ভাবনা বরাবর মানুষকে মুগ্ধ করেছে। আমাদের প্রত্যেকের জীবনের কখনও না কখনও এই ভাবনা এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণার পরও, এই বিষয়ে কোনও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ, বহু দূরের এমন কিছু গ্রহের সন্ধান দিয়েছে, যেগুলিতে প্রাণ থাকতেই পারে। তবে, নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ভিনগ্রহীদের খুঁজতে বহু দূরে যাওয়ার কোনও দরকার নেই। তারা এই পৃথিবীতেই মানুষের ছদ্মবেশে মানুষের মধ্যেই বসবাস করতে পারে। আমরা ভিনগ্রহীদের যেমন কল্পনা করি, এরা তার থেকে আলাদা। এরা অনেকটাই, দেবদূতদের মতো। মানব জগতের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রযুক্তিগত নয়, বরং জাদুকরি। মহাকাশে সৌরজগতের গ্রহ পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথায় প্রাণ রয়েছে কি না তা নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। একই সঙ্গে পৃথিবী ছাড়া অন্য কোনো গ্রহে মানুষ বসবাস ক...

প্রবন্ধ ।। নারীমর্যাদা ও অধিকার ।। হিমাদ্রি শেখর দাস

নারীমর্যাদা ও অধিকার হিমাদ্রি শেখর দাস  নারীর মর্যাদা বলতে বোঝায় নারীর সম্মান, অধিকার, এবং তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এটি সমাজে নারীর অবস্থান এবং তার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। নারীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করা হয় এবং তাদের অধিকার গুলি সুরক্ষিত থাকে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে এই শ্রেণি সংগ্রাম শুরু হয়েছিল অনেক আগে।  একদিকে শ্রেণী বৈষম্য অপরদিকে নারী পুরুষের বৈষম্য এই দুটি ছিল শ্রেণীবিভক্ত সমাজের অন্যতম দুটি মূল ভিত। নারীর অধিকারহীনতা বা দাসত্ব শুরু হয় পরিবার ও সম্পত্তির উদ্ভাবনের ফলে। বহু যুগ ধরে নারী সমাজকে পারিবারিক ও সামাজিক দাসত্বের বোঝা বহন করতে হয়েছে বিনা প্রতিবাদে। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে নিপীড়ন ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে - দাস সমাজব্যবস্থা এবং সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা পুরুষ ও পরিবারের অধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়েছে। সামাজিক উৎপাদনের কাজে নারীদের বঞ্চিত রেখেই তাদের পরাধীন জীবন যাপনের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নারীর অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের সূচনা হয় ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের পরবর্তী সময়ে। নতুন করে নারীদের সামাজিক উৎপাদনের কাজে ...

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

মাসের বাছাই

মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র

  মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল।     যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে।     তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা।    যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি।    পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে।     সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। ৯৪তম সংখ্যা ।। পৌষ ১৪৩২ ডিসেম্বর ২০২৫

  সূচিপত্র প্রবন্ধ-নিবন্ধ শিকড়ের সন্ধানে: আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ললোকজ শিল্প ।। ভাস্কর সিনহা রাশিয়ার তুষারে একাকিত্ব ।। শিবাশিস মুখার্জী  নোবেলের সাতকাহন ।। পুলকরঞ্জন চক্রবর্তী মানবজীবনের সৃজনশীলতা ।। অনন্তকুমার করণ শিক্ষক ও ছাত্র সম্পর্কের সেকাল-একাল ।। দীপক পাল মাটি বিনা সবই মাটি ।। রমলা মুখার্জী রম্যরচনা-ভ্রমণকথা-মুক্তগদ্য রম্যগল্প ।। কাদের কিংবা কেদার ।। সন্তোষ ঢালী ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী হেমন্তের ভ্রমণমুখর জুমু'আ ।। জুয়াইরিয়া সারাহ মুক্তগদ্য ।। শীতের অদৃশ্য উষ্ণতার ।। আবু সাঈদ কবিতাগুচ্ছ দুটি কবিতা ।। শোভন মণ্ডল  বোধি ।। পুণ্যব্রত মুখোপাধ্যায়  আলোর অন্তরালে ।। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়  ডিসেম্বর ।। কমল মজুমদার গুচ্ছকবিতা || শিশির আজম দুটি কবিতা ।। শম্পা সামন্ত এই সেই মুহূর্ত ।। অর্ণব সামন্ত  সময়ের নৌকা ।। আবদুস সালাম দুটি কবিতা ।। সুশান্ত সেন নীড়হারা পাখি ।। ইকবাল খান আবার দেখা হবে ।। প্রণব কুমার চক্রবর্তী নুন ভাতের স্বপ্ন ।। কল্যাণ সুন্দর হালদার  স্বরাজ আসেনি আজও ।। অঞ্জন বল  কার্ফু ।। তপন দাস অন্ধকারের মহাক...

লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি : মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬

  লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত  নবপ্রভাত  বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার জন্য  প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান।  যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে।  শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন  নেই। তবে ছোট লেখা পাঠালে  অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়।  যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে হলে ভালো। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়।  সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না।  লেখা  মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন  নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'।  ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) যতিচিহ্নের আগে স্পেস না দিয়ে পরে দেবেন। ৪) বিশেষ কোন চিহ্ন (যেমন @ # ...

কবিতা ।। মনোজকুমার রায়

জল সিঁড়ি চেক বইয়ের পাতা ফুরিয়ে যেতে থাকে -- ঝরে পড়ে বৃদ্ধ গাছটির পত্রমুকুল কাঁচা গন্ধ বেয়ে চলে সময়ের স্রোতে  সারা ভোর জেগে থাকি ঘুমের টলে তাড়া দেয় একগ্রাস অবিশ্বাসী বায়ু দিন ফুরনো লাল সূর্যের টানে নেমে আসে পাড় ছোঁয়া জল সিঁড়ি ================= মনোজকুমার রায় দঃ ঝাড় আলতা ডাউকিমারী, ধূপগুড়ি জলপাইগুড়ি -৭৩৫২১০ মো ৭৭৯৭৯৩৭৫৬৬

চিরকুটের কবিতা

নতুন পৃথিবী আজ সকালে রোদ্দুর নামুক ভেজা বর্ষার মতো গা ধুয়ে কিছুটা পবিত্র হবো যত জীর্ণ মলিন দ্বেষ বিলীন হোক সব সময়ের তটে গা ভাসিয়ে কিছুটা বিলাসী হবো যা ছিল অতীত যা ছিল কষ্ট সবকিছু ভুলে নবীনে ব্রতী হবো আসুক ধেয়ে সতেজ হাওয়া দূর হোক যত কুণ্ঠা ব্যথা পুরানো যত বিবাদ ভুলে ভালোবাসার আবার বেড়া দেবো কিছুটা আশাবাদী কিছুটা কর্মঠ কিছুটা জেদি কিছুটা শপথ আসুক ছুঁয়ে বাঁচার আলো হাতে হাত রেখেই বিশ্বাসের ঘরে আবার নতুন দীপ জ্বালাবো

গল্প ।। জাতিস্মর ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

    জাতিস্মর   আশীষ  কুমার   বিশ্বাস    গল্পের শুরুটা প্রায় ষাট বছর আগের কথা । যার নাম গৌতম, ডাক নাম ছিল বাবু ।  তার বছর তখন ছয়-সাত হবে । আমরা বা আমি তখন একটু বড় । এক সাথেই চলতো খেলা । গোল্লা ছুট, দাঁড়িয়া বান্দা, চোর-পুলিশ । যে মাঝে মাঝে খেলা থেকে বিরত থাকতো ; সে-ই জাতিস্মর । মাঠের পাশেই ছিল একটা খেঁজুর গাছ । তাতে হাত রেখে দূরের এক গ্রামের দিকে এক মনে তাঁকিয়ে থাকতো "বাবু" । গ্রামটির নাম "বিনয় পল্লী " । মাঝে বড়ো মাঠ । হাঁটা শুরু করলে তিরিশ - চল্লিশ মিনিট লাগবে । মাঝে জলে ভরপুর দেখে কখনো যাওয়া হয়নি । বাবু কে যখন বলতাম, ওপারে কি দেখছিস? ও বলতো, ওখানে আমার ছোট মা থাকে, দিদি থাকে, আমার ভুলু কুকুর থাকে । এ কথা আমাদের বিশ্বাস হতো না । আবার খেলায় ফিরে যেতাম, খেলতাম ।  কিন্তু ও বসে বসে , ওপারের গাছ পালা , বাড়ি ঘর দেখতো । কাছে গেলে বলতো , ওই যে সবুজ ,কচি কলাপাতা রঙের দালান বাড়ি, ওটাই আমাদের বাড়ি !  এই ভাবে মাস ছয়, বছর গড়াতে লাগলো । মনে প্রশ্ন জাগতে লাগলো, এ টা কি মন গড়া , বা বানিয়ে বানিয়ে বলছে? সত্যি প্রকাশ হোল এক দিন ।  সে বাড়িতে কিছু ...

উন্মুক্ত পাগলামি ।। আশরাফুল মণ্ডল

উন্মুক্ত পাগলামি আশরাফুল মণ্ডল আহা, অপরূপ নিজস্বতার দাহ! কুঁকড়ে যায় আবহমান, সজনে পাতার বোঁটায়! ভাপওঠা ভাতের কাছে মাছি সত্তায় কী নিপুণ! তবুও ঘোর লাগা বসন্তের ডাক, হাঁকে! খেদিয়ে দেয় পা দোলানো প্রস্তাব, ওই ধুনুরি চোখ! রাংতায় মোড়া ডাকের সাজ, দে দোল দোল! হুইসেল বাজিয়ে কে রুখে দ্যায় সেই নাকছাবির রুদালি কাঁপন! খালবিল ছেঁচে পাঁচসিকের  মানত কুড়িয়ে আনে, বাংলা বাজার। ঠ্যাং নাচানো সুরে চোখ মারছে, দ্যাখো ভ্যানতারা! মুখ খোলা মানেই পাঁজরের স্রোত ভাবা যেন উগরানো টালমাটাল! ঢিল মারা প্রশ্নের রোয়াকে বক্রচোখে যেন মেধাবী কবিতা! মুছে দিও তবে লাজুক গুপ্ত রোগ, দিনরাত্রি! ভালো থেকো তোমরা বাছাধন, রং মাস সে আর কতদিন... ================    ASRAFUL MANDAL Chandidas Avenue, B-zone, Durgapur, Paschim Bardhaman, Pin - 713205,  

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে ।। দীনেশ চ্যাটার্জী

ভ্রমণ–ডায়েরি : মহাদেবের পথে দীনেশ চ্যাটার্জী যে পথ শরীরে ক্লান্তি আনে, সেই পথেই আত্মা খুঁজে পায় মুক্তি। দিবস ১ — যাত্রার সূচনা মানুষের জীবনে কতকগুলি আকাঙ্ক্ষা থাকে—যাহার ব্যাখ্যা বুদ্ধির দ্বারা মেলে না, তৎসত্ত্বেও হৃদয় তাহার প্রতি অদম্য আকর্ষণ অনুভব করে। কেদারনাথ যাত্রা আমার কাছে তেমনই এক আকাঙ্ক্ষা ছিল। বহুদিন ইচ্ছা ছিল—কখনো পূর্ণ করি নাই। আজ তাহারই প্রথম অধ্যায় আরম্ভ হইল। ভোররাতে ঋষিকেশে পৌঁছিলাম। স্টেশন হইতে বাহির হইবার মাত্রই অনুভব করিলাম—বাতাসে এক গভীর প্রশান্তি। শহুরে কোলাহল, ধুলো, অধৈর্যতার পরিবর্তে এখানে নীরবতা, শীতলতা, আর যেন স্নিগ্ধ তপস্যার আবহ। গঙ্গার তীরে এসে দাঁড়াইলাম। নদী এখানে শুধু জলের স্রোত নহে—সে যেন জীবন্ত ধর্ম; যাহার মধ্যে কালান্তরে সঞ্চিত স্নেহ, পবিত্রতা ও শক্তি। তাঁর জলে ভোরের সূর্যালোক পড়িয়া মৃদু ঝিলিক তুলিতেছিল। মনে হল—মহাশান্ত পৃথিবীর বুকে আমি ক্ষুদ্রমাত্র। বিকেলে লক্ষ্যণঝুলা দেখিবার উদ্দেশ্যে পা বাড়াইলাম। সেতুর ওপর দাঁড়াইলে নিচে গঙ্গার প্রবল স্রোত দেখি—হৃদয় থমকায়ে দাঁড়ায়। সেতুটি হালকা দুলিতে থাকে, কিন্তু ভয়ের পরিবর্তে সেখানে ছিল এক অদ্ভুত আহ্বান—যেন প্রকৃতি বলি...

কবিতা ।। ভাষার জন্য লড়াই ।। চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

ভাষার জন্য লড়াই চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু মুখের ভাষা বাংলা ভাষা মাকে ডাকি মা, সারা বিশ্বে তোমার মাগো নেই তো তুলনা। তোমার মুখের প্রথম ভাষা আমার মনের সকল আশা তোমার ভাষায় বলবো মাগো আমার মনের কথা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে সকল স্বাধীনতা।  এই ভাষাকে আনতে গিয়ে তাজা বুকের রক্ত দিয়ে রাজপথে সব লড়াই হলো করলো লড়াই কারা, আমার মায়ের দামাল ছেলে রক্ত পলাশ যারা।  তোমার ছেলে লড়াই করে আনলো ভাষা ঘরে ঘরে সেদিন থেকে শহীদ মিনার সাজাই ফুলে ফুলে, বীর শহীদের ত্যাগের কথা যাইনি আজও ভুলে।    ++++++++++++++++++++++++++++++++    চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু শহীদ আবুল কাশেম সড়ক, বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ।

চন্দন সুরভি নন্দর কবিতা

টাকার মেশিন                      মায়ের ওষুধ নিয়ে শহর থেকে ফিরল রতন সবে সন্ধ্যা নেমেছে  রাস্তায় আলো কম হাসপাতাল অনেক দূরে  অদৃশ্য যম খেলাকরে  মৃত্যুর সীমান্তে শায়িত মা   শেষ রক্ষা হল না  আস্তে আস্তে ভোরের আলো ফোটে রাতের আঁধারে ঘরের দেওয়াল গুলো রাঙিয়ে গেছে কারা  তুলেছে রং বেরং এর তোরন  এসেছে নির্বাচন  শোনাযায় এবার নাকি এ টি এম চিহ্নে দাঁড়িয়েছে একজন! টাকার মেশিন........  জিতলে সবাইকে দেওয়া হবে! সামনে বসে উল্লাসে ফেটে পড়া রোবট গুলো মানুষ কবে হবে?  ====================== Chandansuravi Nanda Revenue Office  BL&LRO,Manbazar-ll Boro Purulia PIN-723131 Phone-9163332432