প্রবাহ অঞ্জন বল পরিশ্রুত জীবনকে ডেকে নিয়ে বলি -- এবার এসো অতীত গ্লানি মুছে ফেলি আবাহন করি আগামী বসন্তকে । সব কি মুছে ফেলা যায় যা কিছু চিরন্তন ? কবচে থেকে যায় জড়ানো শ্রুতি -- জমানো ইতিহাস । কতবার নীড় ভেঙে গেছে .... পুড়ে গেছে সব সুখ ছাই হয়ে ..... আতপের ঘামে গন্ধগোকুল হেঁটে গেছে নদীর এক তীর ক্ষিদে নিয়ে , কতবার সূর্যের তাপ খেয়ে খেয়ে সন্ধ্যা নেমেছে গভীর পৃথিবীর হরিৎ বাথানে , নক্ষত্রের সাথে ক্ষরিত আলোতে চাঁদ সওদাগর ভাসাছে ভেলা সারারাত ধরে। প্রতিদিন সেঁজে উঠি সবুজে আর কমলা প্রলেপে , জলোচ্ছাসে ভেসে যাবো জানি তবুও আজন্ম পিপাসা বুকে ধরে রাখি । অতীত যে চিরসখা -- ফিরে আসে বার বার বয়সের হাত ধরে , ঋণ রেখে যায় মাটির ধুলোতে যেখানে তৃণবেলা কেঁটেছে আমার । একটু ধীর অলসে বয়ে যাক নদী একটু বিনোদন , আলাপ খুনসুটি .... আড়ালে বসি ছায়া হয়ে , ওপারের ঘাট বড় মায়াময় .... বাতাসে কুয়াশার আদিম হাতছানি .... ...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।