তুমি বলে দাও রবীন্দ্রনাথ হঠাৎ ঝেঁপে বৃষ্টি আসার মতো মনের গভীরে চঞ্চলতা তীব্র না হলে কবিতা লিখব কী করে -- বলে দাও তুমি রবীন্দ্রনাথ। মনের গহনে তীব্র দহন জ্বালা, পুড়ে ছাইভস্ম হবার মুহূর্তে যদি ফিনিক্সের মতো পুনর্জন্ম ঘটে, তবেই এই হাত থেকে আবার কবিতার জন্ম হবে-- দু:খের আতপে স্নান না সেরে কবিতা তার রূপ নেয় না-- এ কথা বলে গেছ স্বয়ং তুমি রবীন্দ্রনাথ। প্রেমের তরলতম রূপের মধ্যে বিচ্ছেদের করুণ সুর সুস্পষ্ট, এক বুক অভিজ্ঞতার মাহেন্দ্রক্ষণে আজও হৃদয় গুঙরে কাঁদে, পাওয়ার সুখের চেয়েও হারানোর বেদনা বুকে চেপে যেন গভীর দীঘির বুকে লম্বা বাঁশের লাঠি স্থির, একা জেগে থাকে। মাছরাঙা কখন যে উড়ে এসে বসে তবুও তো নিষ্পাপ নয়নে কারণ জিজ্ঞাসা করেছে এ নীরবতার। অকস্মাৎ জলেতে কীসের শব্দ, ঢিল ছুড়েছে চপলমতি কোনো কোমল বালক, ঢেউ ছুটে এসে শান্তি ভঙ্গ করে! রবীন্দ্রনাথ, তুমি বলে দাও এ বেদনা রাখি কোথায়-- সে কি একবারও আমার হতে পারত না! তিরবিদ্ধ এমাথা ওমাথা ছড়িয়ে আছে আমার পাগলামির নমুনা, তোমাকে বিরক্ত...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৬ সংখ্যার চূড়ান্ত সূচিপত্র প্রকাশিত হল। যত লেখা রাখা গেল, তার দ্বিগুণ রাখা গেল না। বাদ যাওয়া সব লেখার 'মান' খারাপ এমন নয়। কয়েকটি প্রবন্ধ এবং বেশ কিছু (১৫-১৭টা) ভালোলাগা গল্প শেষ পর্যন্ত রাখা যায়নি। আমাদের সামর্থ্যহীনতার কারণে। তবুও শেষ পর্যন্ত দশ ফর্মার পত্রিকা হয়েছে। গত দুবছরের মতো A4 সাইজের পত্রিকা। যাঁদের লেখা রাখা গেল না, তাঁরা লেখাগুলি অন্য জায়গায় পাঠাতে পারেন। অথবা, সম্মতি দিলে আমরা লেখাগুলি আমাদের অনলাইন নবপ্রভাতের জানুয়ারি ২০২৬ সংখ্যায় প্রকাশ করতে পারি। পত্রিকাটি আগামী ৯-১৩ জানুয়ারি ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি আয়োজিত কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায় (রবীন্দ্র সদন - নন্দন চত্বরে) পাওয়া যাবে। সকলকে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।