প্রবন্ধ হালখাতা — বাঙালিয়ানা শ্যামল হুদাতী সম্রাট আকবরের বাংলা সন প্রবর্তনের পর তৎকালীন ভারতবর্ষে হালখাতার প্রচলন শুরু হয়।মূলত হালখাতা উৎসব উদযাপন করা হতো রাজাদের খাজনা প্রদানের 'পুণ্যাহ' অনুষ্ঠানের রীতি ধরে।'পুণ্যাহ' উৎসব হারিয়ে গেলেও হালখাতা চলছে এখনও পর্যন্ত। নববর্ষের সাথে 'হালখাতা' শব্দটি অঙ্গাভঙ্গি ভাবে জড়িত। হাল শব্দের অর্থ লাঙ্গল। আবার কৃষকের জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে নববর্ষ। মোঘল সম্রাটরা কৃষি পণ্যের খাজনা নিতেন হিজরি পঞ্জিকা অনুসারে ।অসময়ে খাজনা দেওয়ার যন্ত্রনা থেকে কৃষককে মুক্তি দিতে সম্রাট আকবর ফসলি সন চালু করেন। এই ফসলি সনই বঙ্গাব্দ হল কালক্রমে। জমিদারের ঘরে খাজনা পৌঁছে দিতেন কৃষকরা। সেই সময় ঋণের ভার লাঘব করার রীতিও ছিল। অনেক সময় কৃষকদের ঝড় জলে তাদের ফসল নষ্ট হতো ।সেই ক্ষেত্রে কৃষকদের ঋণ মুকুব হতো। আবার সঠিক সময় কর জমা দিলে জমিদাররা নজরানা পেতেন। সেই সময় জমিদার বাড়িগুলোতে সাজো সাজো রব দেখা যেত। আবার এটাও শোনা যায় যে হিজরি সন থেকে বঙ্গাব্দের প্রচলন ।সেই হিজরিসন আবার হযরত মোহাম্মদের ম...
মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য লেখা-আহ্বান-বিজ্ঞপ্তি মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা ২০২৫ সংখ্যার জন্য প্রবন্ধ-নিবন্ধ, মুক্তগদ্য, রম্যরচনা, ছোটগল্প, অণুগল্প, কবিতা ও ছড়া পাঠান। যে-কোন বিষয়েই লেখা যাবে। শব্দ বা লাইন সংখ্যার কড়াকড়ি বাঁধন নেই। তবে ছোট লেখা পাঠানো ভালো, তাতে অনেককেই সুযোগ দেওয়া যায়। যেমন, কবিতা/ছড়া ১২-১৬ লাইনের মধ্যে, অণুগল্প/মুক্তগদ্য কমবেশি ৩০০/৩৫০শব্দে, গল্প/রম্যরচনা ৮০০-৯০০ শব্দে, প্রবন্ধ/নিবন্ধ ১৫০০-১৬০০ শব্দে। তবে এ বাঁধন 'অবশ্যমান্য' নয়। সম্পূর্ণ অপ্রকাশিত লেখা পাঠাতে হবে। মনোনয়নের সুবিধার্থে একাধিক লেখা পাঠানো ভালো। তবে একই মেলেই দেবেন। একজন ব্যক্তি একান্ত প্রয়োজন ছাড়া একাধিক মেল করবেন না। লেখা মেলবডিতে টাইপ বা পেস্ট করে পাঠাবেন। word ফাইলে পাঠানো যেতে পারে। লেখার সঙ্গে দেবেন নিজের নাম, ঠিকানা এবং ফোন ও whatsapp নম্বর। (ছবি দেওয়ার দরকার নেই।) ১) মেলের সাবজেক্ট লাইনে লিখবেন 'মুদ্রিত নবপ্রভাত বইমেলা সংখ্যা ২০২৬-এর জন্য'। ২) বানানের দিকে বিশেষ নজর দেবেন। ৩) য...