শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ নবপ্রভাত সাহিত্যপত্রের সকল লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাই শুভ বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ এর আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা। সকলে ভাল থাকুন, ভালতে থাকুন। বিভেদ নয়, সম্প্রীতিকে হৃদয়ে রাখুন। -- নবপ্রভাত পরিবার। ১লা বৈশাখ ১৪২৮ সূচিপত্র প্রবন্ধ ।। সাদা-কালোর দ্বন্দ্বে যে ওই ছন্দে নানান রঙ জাগে ।। অভিষেক ঘোষ গদ্য ।। রঙের খেলা ।। সুবীর ঘোষ নিবন্ধ ।। দোল উৎসব ও গৌর পূর্ণিমা ।। সুদর্শন মণ্ডল কবিতা ।। গনতন্ত্রের মহোৎসব ।। বদ্রীনাথ পাল মুক্তকথা ।। রঙের খেলা ।। শেফালি সর বসন্ত উৎসব ।। অঞ্জনা গোড়িয়া গদ্য ।। লড়াই লড়াই লড়াই চাই ।। সুদীপ দাশ গল্প ।। লাগলো যে দোল ।। অঙ্কিতা পাল মুক্তগদ্য ।। রঙিন কোলাজের ছেঁড়া টুকরো......।। পার্থ সারথি চক্রবর্তী মুক্তকথা ।। আবেগ কথা ।। আবদুস সালাম ছোটগল্প ।। তুমি আসবে বলে ।। রণজিত হালদার আঞ্চলিক কবিতা ।। খ্যেলা দেইখ্যে যা ।। সবিতা বিশ্বাস কবিতা ।। চিবুক ।। সোমনাথ বেনিয়া কবিতা ।। বসন্তের রঙ ।। অমিত পাল কবিতা ।। ভোট কড়চা ।। অচিন্ত্য কুমার ধাড়া কবিতা ।। রঙের খেলা ।। সুমিত মোদক কবিতা ।। রঙ ।। অসীম মালিক কবিতা।। রঙের খেলা ।। নীলমাধব...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...