সম্পাদকীয় ================== প্রকাশিত হল ব্লক-নবপ্রভাতের ২৯তম সংখ্যা। কোরোনাকালের এই ঘোরসংকটে আমরা সাহিত্যচর্চায় ব্রতী আছি। দরজার বাইরে উঁচিয়ে আছে ভয়। এখন সাহিত্য সৃষ্টিই আমাদের একান্ত নির্ভরতার স্থল। আমাদের বাঁচার, ভয়কে জয় করার নিরাপদ আশ্রয়। সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন -- এই একান্ত কামনা। ব্লগ-নবপ্রভাতের পাঠক লেখক শুভানুধ্যায়ীদের কাছে আমাদের আবেদন, আপনারা প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ুন এবং লেখার নিচে কমেন্ট বক্সে আপনাদের মন্তব্য জানান। লেখকরা উৎসাহিত হবেন। আমরাও প্রীত হব। লেখক বন্ধুদের কাছে বিশেষ অনুরোধ, আপনারা নিজের লেখা ছাড়াও অন্যের লেখাও পড়ুন। মতামত জানান। তাহলে আপনার লেখা সম্বন্ধে অন্যের মন্তব্য আশা করতে পারেন। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, লেখকলেখিকারা নিজের নিজের লেখার লিংক শেয়ার করুন -- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে। কিন্তু কোন কোনভাবেই স্ক্রিনশট শেয়ার করবেন না। যদি নিজের লেখার লিংক না পেয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের জানান আমরা আপনার লেখার লিংক পাঠিয়ে দেব। আমরা চাই পাঠক-পাঠিকারা লিংকের মাধ্যমে ব্লগে আসুন এবং আপনার লেখার পাশ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...