স্বপ্না ইন্দু অন্তরা... (একটি প্যারডি। সুবিখ্যাত নজরুলগীতি 'গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা...'র। সাধুস্থলে চলতি কেবল) অরবিন্দ পুরকাইত স্বপ্না ইন্দু অন্তরা পূরবী বরুণা সই রয়েছে বুঝি বা আগের মতন ছন্দাতে সে ছন্দ কই।। গৌণ, জব্দ এ মহাশয়— সাধনা ছাড়া কি এ বউ হয়, থাকি তার সাথে তাও হাসিমুখে চলিও তার মর্জি মতোই।। আছে নয়ন সে দৃষ্টি নেই অধরোষ্ঠে মিষ্টত্ব নেই, মৃণাল বাহু সে মুগুর-প্রায় কণ্ঠস্বননে মৌন রই।। ভালবাসে ভীষণই আমায় সে ভার বওয়া বিষম দায়, সঙ্গী সদা সন্দেহ তার তুমি বিব্রত হও যতই।। তোমরা জান না যাতনা কোন প্রেমে পড়ে কবে দিয়েছি মন সয়ে আছি, কত যাব যে সয়ে— নেই তো মাত্র একটি বই।। * * *
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...