সম্পাদকীয় সবাইকে উৎসবমুখর প্রীতি, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। মুদ্রিত নবপ্রভাতের গৌরবময় পঁচিশ বছর উদযাপন অনুষ্ঠান, স্মারক যৌথ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ এবং দুর্গোৎসব এর কারণে এই সংখ্যাটি প্রকাশে কয়েকদিন বিলম্ব হল। আগামী মাস থেকে যথারীতি বাংলা ১লা তারিখে প্রকাশ পাবে এই ব্লগ। আপনারা নবপ্রভাতের সঙ্গে থাকুন। আমরা আছি। আবারও সবাইকে শুভকামনা জানিয়ে শেষ করছি। উৎসবের আলোয় সবাই বর্ণময় থাকুন, খুশীতে থাকুন, ভালো থাকুন। নিরাশাহরণ নস্কর ৫ই কার্তিক ১৪২৫ সূচিপত্র প্রবন্ধ/মুক্তগদ্যঃ রণেশ রায় প্রণব কুমার চক্রবর্তী সবর্না চট্টোপাধ্যায় আশিস চৌধুরী অমৃতা বিশ্বাস সরকার রানা চ্যাটার্জি দেব শঙ্কর দাস গল্পগুচ্ছঃ পারিজাত ব্যানার্জী শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বরূপা রায় ...
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...