আন খুঁজে আন শিরদাঁড়াটা জয়শ্রী সরকার শিরদাঁড়াটাই নেই যে রে তোর, কোথায় ফেলে এলি? মানুষ তোকে বলবে না কেউ এটাই ভুলে গেলি! এ্যাদ্দিন তো সুখেই ছিলিস উন্নত মস্তকে কোন্ ড্যারাতে গিয়েছিলিস? ধরলো যে ভূত তোকে! শিরদাঁড়াটা খুঁজে পেলে মুক্তি পাবি ওরে গোলামগিরি করতে করতে থাকবি ঘুমের ঘোরে ! লোভ-লালসায় থাকতে থাকতে হয় যে মাথা নত শিরদাঁড়াটাও বাঁকতে থাকে পরজীবীর মতো! শিরদাঁড়াহীন মানুষগুলোর স্বরযন্ত্রই অচল সত্যি বলবে কেমন করে? চলবে থেকে সচল। কোথায় রে তোর মায়ের স্নেহ, বাবার ভালোবাসা আন খুঁজে আন শিরদাঁড়াটা, পাবি সুখের বাসা! সুখের বাসা সত্যি খাসা, ছোট্ট সোনামণি তোর মাঝেতেই খুঁজে পাবে হীরে মাণিক খনি। তোর চোখেতে চশমা রঙিন, খোল তো রে আজ আগে দেখতে পাবি চোখের পাতায় শিরদাঁড়াটাই জাগে! ******************************************* জয়শ্রী সরকার, দিনান্তিকা, প্রেমবাজার, খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ - ৭২১৩০৬
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...