নবপ্রভাত সাহিত্যপত্রের পক্ষ থেকে সকল লেখক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাই বর্ণময় বসন্তোৎসবের হার্দিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা।হাসিখুশি ও সুখানুভূতির বর্ণিল স্পর্শে সকলের জীবন মধুময় হয়ে উঠুক। ............................... সূচিপত্র প্রবন্ধ ।। যুদ্ধ এবং তার ফলাফল ।। সোমা চক্রবর্তী মুক্তগদ্য ।। বইমেলা ।। আবদুস সালাম নিবন্ধ ।। তারুণ্যের প্রতিস্পর্ধায় হোক বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ ।।সত্যম ভট্টাচার্য নিবন্ধ ।। সোনালি সন্ধ্যা-স্মৃতিতে কাকদ্বীপে অনুষ্ঠান ও শান্তির ঠাঁই কালিকাপুর ।। অরবিন্দ পুরকাইত প্রবন্ধ ।। লুপ্ত ও লুপ্তপ্রায় গ্রামীণ জীবিকা ।। শ্রীজিৎ জানা দু'টি কবিতা ।। ইন্দ্রজিৎ নন্দী কবিতা ।। নিকোটিন রাত ও কোন এক মহাপুরুষের শরীর ।। নিমাই জানা কবিতা ।। ভ্রমণকথা ।। দীপঙ্কর সরকার হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি কবিতা কবিতা ।। পুতুলকথা ।। হামিদুল ইসলাম কবিতা ।। চিরায়ু কার্বন ।। সুবীর ঘোষ কবিতা ।। পলাশ-আগুন ।। সুমিত মোদক কবিতা ।। রাত ।। নিরঞ্জন মণ্ডল গল্প ।। ভ্যাসেকটমি ।। চন্দন মিত্র কবিতা ।। খাঁটি গরুর-দুধ ।। মাথুর দাস কবিতা ।। চুপকথা ।। শ্রীমন্ত সেন কবিতা ।। ব্যর্থ ।। তীর্থ...
এক টুকরো রুটি বস্তির রাস্তায় একটা বৃদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে আছে। উত্তরে দেখে দক্ষিনে দেখে বহুদূর কেউ একটুকরো রুটি দিয়েযায় পাছে। চক্ষু কোটোরা গত শরীর মাস হীন, হাড় মাত্র। হয়তো স্বাধিনতা আন্দোলনের বিপ্লবী! হয়তো কলেজের আদর্শ ছাত্র। হয়তো ব্রিটিশ গোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ছোট্টো ঝুঁপরির উপর। সে বাধা দিয়েছিল প্রতীবাদী হাতে। হয়তো পঙ্গু হয়েছিল সেই রাতে। আমি এক প্রশ্ন তুলেছিলাম, কেমনে হইল এ অবস্থা? বাক সরেনা মুখে সরকার কেন করেনা কোনো ব্যাবস্থা?? শরীর বস্ত্রহীন এই রাতে। নিম্নাঙ্গে একটা নোংগরা ধুতি। কী জানি কত দিন খায়নি? কত দিন দেখেনি এক টুকরো রুটি! রাজধানী শহরের আকাশটা দেখছে। দেখছে নেতা মন্ত্রী গন। হাইরে কেউতো তারে উঠিয়ে তোলেনি। দেখেনি কোনো কোমল মন। আজ ভারতবর্ষ উন্নতশীল রাষ্ট্র! কথাটা অতীব মিথ্যা মাটি। এমন কতযে মানুষ ক্ষুদার্থ, দেখেনা এক টুকরো রুটি। নতুন মন্ত্রী, নতুন রাষ্ট্রপতি সবাই আসে সবার হয় আবর্তন। হাইরে পিছিয়ে পড়া মানুষ গুলো! তাদের হয়না কোনো পরিবর্তন। আজ 71 বছর আজাদ হয়েও বোধহয় যে...