মামার অয়েল বুদ্ধি ফেল মেশকাতুন নাহার মাথা মামার গরম হলে উল্টোপাল্টা বুঝে, চুলগুলো সব টেনে টেনে কদুর তেল সে খুঁজে। চুলকানিটা বাড়লে মামার বাড়ায় তেলের কদর, হাতে মাখে,পায়ে মাখে, আরও মাখে গতর। মাঝে মাঝে তেলের যোগান দেয় সে বসের বাড়ি, এই যোগ্যতা আছে বলেই পদটা হয় তাঁর ভারী। তলে তলে ঘোলাজলে নীল নকশা সে আঁকে, বসের বউটা হাতে এনে টাকা কামায় ফাঁকে। তৈল মর্দন আর চরণ চুম্বন যখন হয় রে পেশা, বেসামাল কারসাজিটা তাঁর একমাত্রই নেশা। তেলভাজ মামার তেল থেরাপি সমাজ করছে নষ্ট, শিক্ষার এমন বেহাল দেখে দেশ মায়ের খুব কষ্ট।।
কবিতাগুচ্ছ: “বাংলাবিদ”: অনামা আলোর বিচ্ছেদে… আবদুল্লাহ আল আদীব তোমাকে ভালবাসি বলেই… বন্ধুবরেষু “বাংলাবিদ”, আমার কোমল প্রাণ মৌমাছি, অতি নরম-স্নিগ্ধ রোদে হেসে ওঠা মুক্তোদানা শিশির- দুঃখ করো না। তোমাকে ভালবাসি বলেই আজ এই দূরত্ব— যেন আমার কোন কিছু তোমার ক্ষতি না করতে পারে! তোমাকে ভুলিনি— তুমি আমার অন্তরের ইচ্ছের অন্তঃপুরে পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে বসে আছো, এ যেন সভ্যতার এক ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমার নাম প্রকম্পিত হয়, যেন ধারালো ছুরি বুক চিরে রক্ত ঝরায়। ভুলতে চেয়েছি— কিন্তু স্মৃতিগুলো আমার রক্তে জমাট বেঁধে আছে, যেন পাথরখচিত প্রাচীন লিপি। তুমি হয়ে গেছো আমার নীরব কান্না, প্রতিটি লিখতে না পারা কবিতা আমার ভাঙা আত্মার লুকানো আর্তনাদ। তোমার স্পর্শ নেই, নেই আমাদের সম্পর্কের কোন নাম— তবু তুমি আছো অদৃশ্য, অমোঘ, যেন প্রতিটি ক্ষতচিহ্নে চিরন্তন বসবাস করা এক নিঃশব্দ মৃত্যু। ক্ষত-নিবদ্ধ বাঁশি… প্রিয় “বাংলাবিদ” আমার, কি এক আশ্চর্য সমর্পণ তন্ময়তা, মোহময় আকর্ষণ, বকুলের বিহ্বল ঘ্রাণ তোমার সত্তায়! তোমার বিস্তীর্ণ গালিচা থেকে বিদীর্ণ হয়ে আজ আমি বিচ্ছেদের নিঃ...