সূচিপত্র ======== কবিতা/ছড়া: সুমন নস্কর রবিউল ইসলাম মন্ডল পল্লব দাস শুভাশিস দাশ তপন কুমার মাজি সবিতা বিশ্বাস জয়ীতা চ্যাটার্জী স্বপন কুমার বিজলী রণবীর বন্দ্যোপাধ্যায় দীপঙ্কর নস্কর প্রণব কুমার চক্রবর্তী অমিত পাল পবিত্র রায় চৌধুরী সোমনাথ বেনিয়া তরুণ কুমার মাঝি চিরকুট অমৃতা বিশ্বাস সরকার তাপসী লাহা কান্তিলাল দাস মোনালিসা পাহাড়ী সম্পা পাল মুক্তগদ্য / স্মৃতিকথা / অণুগল্প : রণেশ রায় অ-নিরুদ্ধ সুব্রত রাণা চ্যাটার্জী বিদিশা দাস মৌমিতা ঘোষাল অনুবাদ স্মৃতিকথা: চন্দন মিত্র সাধারণ বিভাগ কবিতাঃ টুম্পামিত্র সরকার শ্যা মাপদ মালাকার সায়ন মোহন্ত সুনন্দ মন্ডল সন্দীপ পাল দুলাল সুর রমেশ দাস অণুগল্প : তন্ময় সিংহ রায় গ্রন্থ আলোচনাঃ শর্মিষ্ঠা দেবনাথ মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন
গুচ্ছকবিতা: ইউটোপিয়া: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব… আবদুল্লাহ আল আদীব প্রস্তরযুগের উত্তরাধিকার… প্রস্তরযুগের ধ্বংসাবশেষ থেকে উঠে এসে, চকমকি পাথর হাতে, অভাবী চোখে— উদোম গায়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি বালক, একটি স্বচ্ছ কাচের শপিং মলের সামনে। আরেকজন বৃদ্ধ তার সমস্ত জীবন খেটে ফুড বুটিকের সামনে ক্ষুধার্ত পেটে বসে আছে। তাদের চোখে সভ্যতার সম্ভ্রম খসে পড়েছে। হঠাৎ রাজপথে বিপ্লবীদের শোরগোল— "এবার নিজের বস্ত্র বানাবো, এবার নিজের খাদ্য ফলাবো।" এক বিজ্ঞ দার্শনিকের চশমা ভেঙে গিয়েছে। সজ্জিত একটি চশমার দোকান দেখে দার্শনিক বলে— আফসোস হায়! অভাবীর চোখে চশমা নাই, চশমা যে বানিয়েছে তার কাছেও নাই। এক আদিবাসী জিঙ্গালী পথ ভুলে চলে আসে লোকালয়ে। সারাদিনের মজুরি একটি টাকা হাতে পেলে, সে তার কপালের ঘাম মুছে টাকাটা ছিঁড়ে ফেলে। অন্যরা হাসতে থাকে, জিঙ্গালী টাকার মূল্য বোঝে না। গভীর রাতে জিঙ্গালীর অভুক্ত ফাঁকা পেটে জঙ্গলের স্বপ্ন নেচে ওঠে, সে উল্লাসে নিথর হাসে। সে কল্পনায় ছুটে যায় শৈশবে, ছুটে যায় জঙ্গলে, ছুটে যায় পরিবার আর প্রিয় মানুষদের বৈভবে। ভাবে— "আমি তো প্রকৃতির মেয়ে। গাছে ফল ছিলো খেয়েছি, সন্তানদের খাইয়েছি। এখানে...